মুহাম্মদ আলি হাজি মাদ্রাসা
| মুহাম্মদ আলী হাজি মাদ্রাসা | |
|---|---|
| সাধারণ তথ্যাবলী | |
| স্থাপত্যশৈলী | মধ্য এশীয় স্থাপত্য |
| ঠিকানা | কোশ মাদ্রাসা কোয়ার্টার, বোখারা |
| নির্মাণের বছর | ১৭০৭-১৭০৮ |
| স্বত্বাধিকারী | মুহাম্মদ আলী হাজি (বুখারা খান সুবহান কুলি খানের একজন আমির) |
| কারিগরি বিবরণ | |
| উপাদান | পোড়ানো ইট, কাঠ, পাথর এবং জিপসাম (গাঞ্চ) |
| তলার সংখ্যা | ২ |
মুহাম্মদ আলী হাজি মাদ্রাসা ছিল বর্তমান উজবেকিস্তানের বোখারায় অবস্থিত একটি মাদ্রাসা। মাদ্রাসাটি বর্তমানে আর টিকে নেই।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]মুহাম্মদ আলী হাজি মাদ্রাসাটি ১৭০৭-১৭০৮ সালে বোখারার কোশ মাদ্রাসা কোয়ার্টারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।[১] এটি বুখারা খানাতের আসতারখানি (জানিদ) শাসক উবায়দুল্লাহ খানের শাসনামলে নির্মিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন বুখারা খান সুবহান কুলি খানের অন্যতম আমির মুহাম্মদ আলী হাজি। তিনি নিজে এই মাদ্রাসায় তৃতীয় শ্রেণির একজন জ্যেষ্ঠ মুদাররিস (শিক্ষক) হিসেবে পাঠদান করতেন। আব্দুরাউফ ফিতরাতের মতে, এই মাদ্রাসার জন্য বার্ষিক ওয়াকফ বা অনুদানের পরিমাণ ছিল ১,৫০,০০০ তঙ্গা।
মুহাম্মদ আলী হাজি মাদ্রাসা ছিল বুখারার অন্যতম বিখ্যাত মাদ্রাসা। এই মাদ্রাসায় কর্মরত মুদাররিসদের বার্ষিক বেতন ছিল ৮৫-৯০ তিল্লা। মাদ্রাসার কার্যক্রম সম্পর্কিত পাঁচটিরও বেশি ওয়াকফ দলিল বর্তমানে সংরক্ষিত আছে। ১৮৭৫ সালের আগস্ট মাসে বুখারার আমির মুজাফফর খান কর্তৃক জারি করা একটি ডিক্রিতে উল্লেখ আছে যে, কাজি আসকার দোমুল্লাহ খোজাকলন মুহাম্মদ আলী হাজি মাদ্রাসায় অর্ধেক অংশে পাঠদান করতেন।[২]
স্থাপত্য
[সম্পাদনা]মুহাম্মদ আলী হাজি মাদ্রাসাটি ১৯টি কক্ষ নিয়ে গঠিত ছিল (সদরি জিয়ার মতে ১৭টি)। প্রতিটি কক্ষে দুইজন করে ছাত্র বসবাস করত। মাদ্রাসাটি মধ্য এশীয় স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত হয়েছিল এবং এটি তৈরিতে পোড়ানো ইট, কাঠ, পাথর ও জিপসাম (গাঞ্চ) ব্যবহৃত হয়েছিল।[৩]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Rahmatova S, Qurbonov H (১৯৯৫)। Buxoro guzarlari tarixidan lavhalar (উজবেক ভাষায়)। Buxoro: Buxoro nashriyoti। পৃ. ১৪৪।
- ↑ Abdusattor Jumanazar (২০১৭)। Buxoro taʼlim tizimi tarixi (উজবেক ভাষায়)। Toshkent: Akademnashr। পৃ. ৫৯২।
- ↑ Muhammad Ali Baljuvoniy (২০০১)। Tarixi Nofeyi (Foydali tarix) (উজবেক ভাষায়)। Toshkent: Akademiya nashriyoti। পৃ. ১২২।