মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক হামজা
মুহাম্মদ বিন আব্দুর রাজ্জাক বিন হামজা | |
|---|---|
| জন্ম | ১৩০৮ হিজরি কালিউবিয়া গভর্নোরেট, মিশর |
| মৃত্যু | ১৩৯২ হিজরি |
| জাতীয়তা | মিশরীয় |
| নাগরিকত্ব | সৌদি |
| মাতৃশিক্ষায়তন | আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয় |
| পেশা | মসজিদে হারামের ইমাম |
| যুগ | আধুনিক |
উল্লেখযোগ্য কর্ম | তাহকিক নকদুল মানতিক |
শায়খ মুহাম্মদ বিন আব্দুর-রাজ্জাক বিন হামজা বিন তাকি উদ্দিন বিন মুহাম্মদ (১৩০৮–১৩৯২ হিজরি) ছিলেন একজন বিখ্যাত মিশরীয় ইসলামি পণ্ডিত, ধর্মীয় লেখক ও মসজিদে হারামের ইমাম। তার বংশধারা মিশরের সম্ভ্রান্ত হাশেমীয় রাজবংশের সাথে সম্পর্কিত ছিল বলে উল্লেখ করা হয়।[১]
জন্ম ও শিক্ষা
[সম্পাদনা]শায়খ মুহাম্মদ মিশরের কালিউবিয়া গভর্নোরেটের কাফর আমর নামে একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি গ্রামের প্রাথমিক ধর্মীয় বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং ১৪ বছর বয়সে কুরআনের হেফজ (মুখস্থ) সম্পন্ন করেন। গ্রামেই তিনি মৌলিক ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করেন। ১৬ বছর বয়সে তিনি ইসলামি ফিকহের একটি সনদ লাভ করেন।[২]
নিজ গ্রামে প্রথমিক শিক্ষা, কুরআন হেফজ ও লেখালেখিতে দক্ষতা অর্জনের পর তিনি উচ্চতর ধর্মীয়, ভাষাগত ও গণিত শিক্ষা গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেন এবং সে লক্ষ্যে ১৩২৭ হিজরিতে তিনি আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখান থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন এবং এরপর তিনি ইসলামি চিন্তাবিদ শায়খ মুহাম্মদ রশীদ রিদা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত "দারুদ্দাওয়া ওয়াল এরশাদে" (দাওয়াত ও নির্দেশনা কেন্দ্র) যোগ দেন। [৩]
দারুদ্দাওয়া ওয়াল এরশাদে ভর্তি
[সম্পাদনা]মুহাম্মদ রশীদ রিদা ইসলামি চিন্তার পুনর্জাগরণ ও সুন্নাহরে প্রচারের জন্য "দারুদ্দাওয়া ওয়াল এরশাদ" প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই প্রতিষ্ঠান ইসলামের বিশুদ্ধ আকিদা প্রচার ও নিজের অনুসারীদের মধ্যে স্বাধীন চিন্তার বিকাশে কাজ করত বলে দাবী করা হয়। শায়খ মুহাম্মদ ১৩৪০ হিজরিতে আল-আজহার থেকে স্নাতক সম্পন্ন করার পর এই প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হন, যেখানে তিনি ইসলামি সংস্কৃতি ও হাদিস অধ্যয়নে গভীর মনোযোগ দেন। নিজের প্রতিভার কারণে তিনি সহপাঠীদের মধ্যে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেন এবং শায়খ রশীদ রিদার আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন। [৪]
এই প্রতিষ্ঠানে থাকাকালীন তিনি ধর্মীয় জ্ঞানের ক্ষেত্রে ফিকহের প্রচলিত ঐতিহাসিক মাজহাবগুলির অনুসরণের পরিবর্তে নিজস্ব গবেষণার ভিত্তিতে স্বাধীব মত গ্রহণের নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে ওঠেন। বলা হয় যে, তিনি চার ইমামের সেই বিখ্যাত উক্তি অনুসরণ করতেন: যদি কোনো হাদিস সহিহ হয়, তবে সেটাই আমার মাযহাব। এখানেই তার পরিচয় ঘটে বিখ্যাত ইসলামি দাঈ ও পণ্ডিত শায়খ আবদুল জাহির আবু সামাহের সাথে, যিনি পরবর্তীতে মক্কার মসজিদুল হারামের ইমাম হিসেবে নিযুক্ত হন। শায়খ আব্দুর রাজ্জাক হামজা ও শায়খ আবদুল জাহির আবু সামাহের সম্পর্ক পরবর্তীতে পারিবারিক সম্পর্কেও পরিণত হয়। [৫]
শিক্ষকবৃন্দ
[সম্পাদনা]- শায়খ মুহাম্মদ রশিদ রিদা
- সেলিম আল-বিশরি, তৎকালীন আল আজহারের শায়খ।
- শায়খ মুহাম্মদ তৌফিক সিদ্দিকী, আল-আজহারের একজন পণ্ডিত।
- শায়খ ওবায়দুল্লাহ আল-সিন্দি, একজন ভারতীয় পণ্ডিত।
- শায়খ মুস্তাফা আল-কায়াতি ও অন্যান্যরা [৬]
সৌদি আরব গমন
[সম্পাদনা]১৩৪৪ হিজরিতে তিনি ও শায়খ আব্দুল জাহির আবু সামেহ শায়খ রশিদ রিদাকে সাথে নিয়ে হজ্জ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কা যান। আবদুল আজিজ ইবনে সৌদও (তৎকালীন হিজাজের রাজা ও নজদের সুলতান) তখন হজ্জ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কায় আগমন করেন। তারা উভয় তখন মুসলিম বিশ্ব থেকে আগত ধর্মীয় পণ্ডিতদের সাথে যোগাযোগ করেন এবং মিশরে সালাফি দাওয়াতের কার্যক্রম সম্পর্কে দিক নির্দেশনা গ্রহণ করেন। [৭] তখন শায়খ আব্দুল আজিজ আল-আতিকি তাদেরকে ইসলামি সরকারের সেবা করার উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে থাকার প্রস্তাব দেন এবং তারা উভয়ই রাজি হন। শায়খ আল-আতিকি তাকে মক্কা ও মদিনার উভয় পবিত্র মসজিদের ইমামতি করা, জুমার খুতবা দেওয়া এবং সেখানে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেন। [৮]
রশিদ রিদা তাদের জন্যে বাদশাহ আব্দুল আজিজ আল সৌদের কাছে সুপারিশ করেন। এরপর একটি রাজকীয় আদেশের ভিত্তিতে তিনি ও আবু সামেহ ১৩৪৫ হিজরিতে নিজেদের পরিবার ও সন্তানদের নিয়ে মক্কায় চলে আসেন। তিনি মসজিদে হারামে শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হন এবং ভারতের অন্যতম পণ্ডিত শায়খ উবাইদ আল-সিন্দির সাথে দেখা করেন। তারা তাঁর কাছে হাদিস, সুন্নাহ ও অন্যান্য ধর্মীয় বিষয় অধ্যয়ন করেন। এরপর তিনি মদিনায় চলে আসেন। [৯]
কার্যকলাপ ও অবস্থান
[সম্পাদনা]মদিনায় তিনি জুমার খুতবাসহ মসজিদে নববীতে পাঠদান, ধর্মীয় সংস্কার ও প্রচলিত সামাজিক কুসংস্কার মোকাবেলায় ব্যাপক প্রচেষ্টা চালান। তিনি মসজিদে নববীতে সকাল ও সন্ধ্যায় হাদিস, ফিকহ ও একেশ্বরবাদ বিষয়ে পাঠদান করতেন। তার পাঠদান আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত যুবকদের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। তবে মদিনায় বেশিদিন থাকেননি; কারণ ১৩৪৮ হিজরিতে (১৯২৯ খ্রি.) তিনি মসজিদে হারামের শিক্ষক এবং মসজিদে নামাজের নেতৃত্ব ও খুতবা প্রদানের জন্য শায়খ আবদুল জাহির আবু সামাহের সহকারী হিসেবে মক্কায় স্থানান্তরিত হন। মক্কায় তার পাাঠদান কেবল ধর্মীয় বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং তিনি পাটিগণিত, জ্যামিতি, বীজগণিত ও ত্রিকোণমিতির মতো গাণিতিক বিষয়ও পড়াতেন। মক্কায়ও তিনি সকাল সন্ধ্যা ধর্মীয় বিষয়ে পাঠদান করতেন। ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর তিনি মসজিদে হারামে জনসাধারণের উদ্দেশ্য হাদিসের ব্যাখ্যা পাঠদান করতেন।[১০]
তিনি জ্যোতির্বিদ্যার প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহী ছিলেন এবং এই আগ্রহের ফলে তিনি মক্কার আবু কায়েস পর্বতের চূড়ায় একটি ছোট জ্যোতির্বিদ্যা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের ধারণা দেন, যেখানে রমজান মাসের চাঁদ দেখা এবং আরাফাত ও ঈদুল আযহার দিন নির্ধারণের জন্য যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে। তিনি বাদশাহ সৌদ বিন আব্দুল আজিজের কাছে এই ধারণাটি উপস্থাপন করেন এবং তিনি এতে সম্মতি প্রদান করেন। তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়কে আবু কুবাইস পর্বতের চূড়ায় মানমন্দিরের জন্য একটি বিশেষ কক্ষ তৈরির নির্দেশ দেন। তিনি তাকে কিছু পর্যবেক্ষণ যন্ত্র আনারও অনুরোধ করেন, বিশেষ করে দূরবীক্ষণ যন্ত্র। কিন্তু তার এই ধারণাটি অজানা কারণে বাস্তবায়িত হয়নি। [১১]
তিনি ও শায়খ আব্দুল জাহির আবু সামাহ ১৩৫০ হিজরিতে (১৯৩১ খ্রি.) মক্কায় দারুল হাদিস প্রতিষ্ঠা করেন এবং বাদশাহ আব্দুল আজিজ এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় সকল সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন। [১২]
রচনাবলী
[সম্পাদনা]তার উল্লেখযোগ্য রচনাবলী হল:[১২]
- রিসালাহ ফিস সালাহ (رسالة في الصلاة)
- আল মুকাবালাহ বাইনল হাদি ওয়াদ্দলাল (المقابلة بين الهدى والضلال)
- জুলুমাত আবি রিয়াহ (ظلمات أبي رية)
- আল বাকিল্লানি ওয়া কিতাবুহু আল তামহিদ (الباقلاني وكتابه التمهيد)
- কুর্রাসাত ফিল জারহ ওয়াত্তা'দিল (كراسات في الجرح والتعديل)
- তাহকিক নকদুল মানতেক ( تحقيق نقض المنطق)
অসুস্থতা ও মৃত্যু
[সম্পাদনা]১৩৮৫ হিজরি (১৯৬৫ খ্রি.) সাল থেকে জীবনের শেষ দিনগুলোতে তিনি বাতরোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হন। অসুস্থার শুরুতে তিনি ব্যক্তিগত অধ্যয়ন চালিয়ে যান। তবে অসুস্থতা বেড়ে গেলে তিনি কুরআন তিলাওয়াত ও মাঝে মাঝে সংবাদপত্র পড়ে সময় কাটাতেন। [১৩]
চিকিৎসার জন্য তিনি মক্কা ও তাইফের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর তিনি বৈরুত যান এবং আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালেও কিছুদিন চিকিৎসা নেন। পরবর্তীতে তিনি তার পুত্র আবদুল্লাহ হামজার সঙ্গে তুরস্কে যান এবং সেখানকার একটি বিখ্যাত হাসপাতালে কিছুদিন ভর্তি থাকেন। কিন্তু কোনো চিকিৎসাতেই সুস্থতা ফিরে আসেনি। তাই তিনি পুনরূয় মক্কায় ফিরে আসেন এবং তার অসুস্থতা ক্রমেই গুরুতর হতে থাকে। [১৩]
১৩৯০ হিজরি (১৯৭০ খ্রিস্টাব্দ) থেকে তিনি সম্পূর্ণভাবে বিছানায় শয্যাশায়ী হয়ে যান। অবশেষে ১৩৯২ হিজরি সালের ২২ শাবান (১৯৭২ খ্রি.) বৃহস্পতিবারে সূর্যাস্তের পর রাত আটটায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মাগরিবের পর মক্কার পবিত্র মসজিদে হারামে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাকে মক্কার ঐতিহ্যবাহী মাআল্লা কবরস্থানে দাফন করা হয়। [১৩]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "جريدة الرياض | محمد حمزة.. العالم الفلكي"। web.archive.org। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ "السيد المحدث محمد عبدالرزاق حمزة 1308-1392هـ - قبلة الدنيا"। web.archive.org। ২১ এপ্রিল ২০২২। ২১ এপ্রিল ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ "ترجمة (إمام الحرمين )الشيخ محمد عبدالرزاق حمزة"। web.archive.org। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ "الشيخ محمد عبدالرزاق حمزة - أرشيف صحيفة البلاد"। web.archive.org। ২১ এপ্রিল ২০২২। ২১ এপ্রিল ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ "المشايخ والعلماء"। web.archive.org। ১১ মার্চ ২০১৯। ১১ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ "البوابة الالكترونية الأولى لعلماء مكة المكرمة | صفحة العالم"। web.archive.org। ১৫ নভেম্বর ২০২১। ১৫ নভেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "ترجمة (إمام الحرمين )الشيخ محمد عبدالرزاق حمزة"। web.archive.org। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ "البوابة الالكترونية الأولى لعلماء مكة المكرمة | صفحة العالم"। web.archive.org। ১৫ নভেম্বর ২০২১। ১৫ নভেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "3 مصريين تولوا إمامة الحرم المكي.. من هم؟"। web.archive.org। ২৭ এপ্রিল ২০২১। ২৭ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ "رثاء العلامة الجليل الشيخ محمد عبدالرزاق حمزة"। web.archive.org। ২১ এপ্রিল ২০২২। ২১ এপ্রিল ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ "جريدة الرياض | محمد حمزة.. العالم الفلكي"। web.archive.org। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - 1 2 "ص399 - أرشيف ملتقى أهل الحديث - الشيخ العلامة المحدث محمد عبدالرزاق حمزة رحمه الله نبذة عن حياته وأخلاقه وعلمه - المكتبة الشاملة الحديثة"। web.archive.org। ২১ এপ্রিল ২০২২। ২১ এপ্রিল ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - 1 2 3 "تعزية الشيخ عبدالمهيمن في وفاة الشيخ محمد عبدالرزاق حمزة"। web.archive.org। ২১ এপ্রিল ২০২২। ২১ এপ্রিল ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)