মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রসমূহে নারীদের ভোটাধিকার লাভের সময়কাল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
২০০৫ সালের ৩০ জানুয়ারি ইরাকের নাসারোয়াসালামে নারীরা দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মত ভোটদান করছে। তাদের নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত ছিল ইরাকি নিরাপত্তারক্ষী বাহিনী ও মার্কিন বাহিনী

এই তালিকাটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রসমূহে নারীদের ভোটাধিকার লাভের সময়কাল নির্দেশ করে।

বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়ার মত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রসমূহে স্বাধীনতার পরপরই সার্বজনীন ভোটাধিকার চালু হয়।[১]

সময়কাল[সম্পাদনা]

১৯১৭[সম্পাদনা]

  • ক্রিমীয় গণপ্রজাতন্ত্র[২] (১৯১৭ সালের ডিসেম্বর মাস থাকে ১৯১৮ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত বিরাজমান এক রাষ্ট্র)

১৯১৮[সম্পাদনা]

১৯২০[সম্পাদনা]

১৯২১[সম্পাদনা]

১৯২৪[সম্পাদনা]

১৯২৭[সম্পাদনা]

১৯৩০[সম্পাদনা]

১৯৩১[সম্পাদনা]

১৯৩৪[সম্পাদনা]

১৯৩৮[সম্পাদনা]

১৯৪৫[সম্পাদনা]

১৯৪৬[সম্পাদনা]

  • মেন্ডেটরি প্যালেস্টাইন[৪]
  • ফ্রান্স ফরাসি সোমালিল্যান্ড[৪]

১৯৪৭[সম্পাদনা]

১৯৪৮[সম্পাদনা]

১৯৪৯[সম্পাদনা]

১৯৫২[সম্পাদনা]

১৯৫৬[সম্পাদনা]

১৯৫৭[সম্পাদনা]

১৯৫৮[সম্পাদনা]

১৯৫৯[সম্পাদনা]

১৯৬০[সম্পাদনা]

১৯৬১[সম্পাদনা]

১৯৬২[সম্পাদনা]

১৯৬৩[সম্পাদনা]

১৯৬৪[সম্পাদনা]

১৯৬৫[সম্পাদনা]

১৯৬৭[সম্পাদনা]

১৯৭০[সম্পাদনা]

  • পূর্ব ইয়েমেন[৪]

১৯৭২[সম্পাদনা]

১৯৭৩[সম্পাদনা]

  •  বাহরাইন[৭] (২০০২ সালের আগে দেশটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় নি)

১৯৭৪[সম্পাদনা]

১৯৭৮[সম্পাদনা]

১৯৮০[সম্পাদনা]

  •  ইরাক[৭] (২০০৫ সালে দেশটিতে প্রথম অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।)

১৯৮৫[সম্পাদনা]

১৯৯৬[সম্পাদনা]

১৯৯৯[সম্পাদনা]

২০০২[সম্পাদনা]

  •  আফগানিস্তান (সন্ত্রাসীগোষ্ঠী তালেবানের পতনের পর দেশটির নারীরা পুনরায় ভোটাধিকার পান)

২০০৩[সম্পাদনা]

২০০৫[সম্পাদনা]

২০০৬[সম্পাদনা]

২০১১[সম্পাদনা]

  •  সৌদি আরব (২০১৫ সালে দেশটির পৌরসভা নির্বাচনে নারীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল)[১২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Caraway, Teri L. (২০০৪)। "Inclusion and Democratization: Class, Gender, Race, and the Extension of Suffrage"। Comparative Politics (ইংরেজি ভাষায়)। 36 (4): 443–460। doi:10.2307/4150170জেস্টোর 4150170 
  2. Pipes, Richard (১৯৯৭)। The Formation of the Soviet Union: Communism and Nationalism, 1917-1923 (ইংরেজি ভাষায়)। Harvard University Press। পৃষ্ঠা 81। আইএসবিএন 9780674309517 
  3. Tadeusz Swietochowski. Russian Azerbaijan, 1905-1920: The Shaping of a National Identity in a Muslim Community. Cambridge University Press, 2004. আইএসবিএন ০৫২১৫২২৪৫৫, 9780521522458, p.144
  4. ড় ঢ় য় Lewis, Jone Johnson। "International Woman Suffrage Timeline" (ইংরেজি ভাষায়)। About.com। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩ 
  5. Elections in Asia and the Pacific: A Data Handbook : Volume I: Middle East, Central Asia, and South Asia (ইংরেজি ভাষায়)। Oxford University Press। ২০০১। পৃষ্ঠা 174। আইএসবিএন 0191530417 
  6. "Timeline of Women's Suffrage Granted, by Country" (ইংরেজি ভাষায়)। Infoplease। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩ 
  7. "A World Chronology of the Recognition of Women's Rights to Vote and to Stand for Election" (ইংরেজি ভাষায়)। Inter-Parliamentary Union। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩ 
  8. "Timeline: Brunei" (ইংরেজি ভাষায়)। BBC News। ২০১১-০১-১১। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৪-২৪ 
  9. Apollo Rwomire (২০০১)। African Women and Children: Crisis and Response (ইংরেজি ভাষায়)। পৃষ্ঠা 8। আইএসবিএন 9780275962180 
  10. Henderson, Simon। "Women in Gulf Politics:A Progress Report" (ইংরেজি ভাষায়)। Washington Institute। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩ 
  11. Al Kitbi, Ebtisam (২০ জুলাই ২০০৪)। "Women's Political Status in the GCC States" (ইংরেজি ভাষায়)। Carnegie Endowment for International Peace। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩ 
  12. "Women in Saudi Arabia 'to vote and run in elections'"BBC News (ইংরেজি ভাষায়)। London। সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১১। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১১