মুরঘাব নদী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

স্থানাঙ্ক: ৩৬°২৬′৪৭″ উত্তর ৬২°৩৮′০৬″ পূর্ব / ৩৬.৪৪৬৩৯° উত্তর ৬২.৬৩৫০০° পূর্ব / 36.44639; 62.63500

১৯৬২ সালে মুরগাব জুড়ে একটি সেতু
হিন্দু কুশ জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের (Гиндукушская) জেনারেটর।১৯০৯-এ মুরগব নদীর তীরে হাঙ্গেরিয়ান গণজ ওয়ার্কস এটি নির্মাণ করে। এই সময়ে এটি ছিল রাশিয়ান সাম্রাজ্যের বৃহত্তম জলবিদ্যুতকেন্দ্র।

মুরঘাব নদী ( ফার্সি / পুশতু : مرغاب, Morqâb) মধ্য এশিয়ার একটি নদী। মুরঘাব ছাড়াও একে মারগুস, মারগু এবং মারজিয়ানা নদী ( প্রাচীন গ্রিক : Μαργιανή, Margianḗ, مارغيانہ)[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ) নামে ডাকা হয়। এ শব্দগুলো এসেছে তুর্কমেনী ভাষার "মুর্গাস" থেকে। এর দৈর্ঘ্য ৮৫০ কিলোমিটার (৫৩০ মাইল)। নদীটির নাম এসেছে মূলত মারঘব জেলা অঞ্চলের নাম থেকে। এটি মধ্য-পশ্চিম আফগানিস্তানে বিশেষত মারগাব জেলা থেকে উৎপন্ন হয়ে উত্তর-পশ্চিমে বালা মুরগাবের দিকে প্রবাহিত হয়েছে। তুর্কমেনিস্তানের কারাকুম মরুভূমিতে মেরির মরূদূত প্রান্তরে পৌঁছে নদীটি আমু দরিয়ার করাকুম খালের সাথে মিলিত হয়।

ভূগোল[সম্পাদনা]

মুরঘাবের উৎপত্তি মধ্য-পশ্চিম আফগানিস্তানে, প্যারোপামিসাস, গার্জিস্তান এবং ব্যান্ড-ই তুর্কিস্তান পাহাড়ের শৃঙ্খলের মাঝে অবস্থিত একটি মালভূমিতে। এর উচ্চতর গতিপথে, পূর্ব থেকে পশ্চিমে এবং মুখমাদখানা এলাকায় - অর্থাৎ ৩০০ কিলোমিটার (১৯০ মা) দৈর্ঘ্যের ৩০০ কিলোমিটার (১৯০ মা) মুরগাব উপত্যকাটি সরু, খাড়া ঢালু অঞ্চলসহ এক কিলোমিটারেরও কম প্রশস্ত। কিছু জায়গায় সরু গিরি রয়েছে। দরবার-ই কিলরেখত এবং মুখমাদখানের মধ্যে, মুরঘাব ব্যান্ড-ই তুর্কিস্তানের পশ্চিম অংশ অতিক্রম করে। এরপরে এটি একটি গভীর গিরিখাদ দিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে ছুটে যায়। মুখমাদখানায়, এটি জোওকারের গিরিগুলি অতিক্রম করে। এর পরে, উপত্যকাটি কিছুটা ধীরে ধীরে প্রশস্ত হয়, তুর্কমেনিস্তানে প্রায় ২ কিলোমিটার (১.২ মা) প্রস্থে পৌঁছে যায়। মুখেমখানের ওপারে মুরঘাবের জলের একটি ছোট অংশ সেচের জন্য ব্যবহৃত হয়; প্রায় ১০,০০০ হেক্টর (২৫,০০০ একর) জমিতে মুরগাব জল দিয়ে সেচ দেওয়া হয়। মুরঘাবে ডানদিক থেকে কায়সার নদীর জল এসে মিশেছে, তারপর তুর্কমেনিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যে ১৬-কিলোমিটার (১০ মা) অবধি সীমানা গঠন করেছে। তাখতা-বাজারের নিকটবর্তী তুর্কমেনিস্তান অঞ্চলে, মুরঘাব বাম তীর থেকে কাচান নদী এবং ২৫ কিলোমিটার (১৬ মা) পেরিয়ে, কুশকের সাথে মিলিত হয়েছে। মার্ভের মরূদানে পৌঁছে মুরঘাব আমু দরিয়ার করাকুম খালের সাথে মিশে যায়।

অববাহিকা[সম্পাদনা]

মুরগাবের অববাহিকা প্রায় ৪৬,৮৮০ বর্গকিলোমিটার (১৮,১০০ মা) । [১]

জলবিদ্যুত - তাখতা-বাজারের প্রবাহ[সম্পাদনা]

আফগান অঞ্চল পেরিয়ে প্রায় ৩০ কিলোমিটার (১৯ মাইল) দূরে তুর্কমেনিস্তানে অবস্থিত তখতা-বাজারে ৫০ বছর ধরে (১৯৩৬-৮৫) মুরগাবের প্রবাহ পরিমাপ করা হয়। কুশকের সাথে মিলন্থলে এর উজানের পরিমাপ প্রায় এক কিলোমিটার।[২] তখত-বাজারে, এই সময়কালে গড় বার্ষিক প্রবাহ পর্যবেক্ষণ করা হয় ৪৮.৭ ঘনমিটার প্রতি সেকেন্ড (১,৭২০ ঘনফুট/সে) এবং ৩৪,৭০০ বর্গকিলোমিটার (১৩,৪০০ মা) যা নদীর সমস্ত অববাহিকার ৭৪ শতাংশ।অববাহিকার এই অংশে ভৌগলিকভাবে গড় জলপ্রবাহ, এইভাবে বার্ষিক ৪৪.৩ মিলিমিটারের আকারে পৌঁছেছে, যা প্রবাহের দৃষ্টিকোণ থেকে সবচেয়ে বেশি। এবং এটি এমন শুষ্ক অঞ্চলে অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

তাখতা-বাজারের জলবিদ্যুত কেন্দ্রে ৫০ বছরের বেশি সময়ের মুরঘাবের মাসিক গড় প্রবাহ (প্রতি সেকেন্ডে কিউবিক মিটারে) পরিমাপ তথ্য

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]