মুন্দ্রা বন্দর
| মুন্দ্রা বন্দর | |
|---|---|
আদানি মুন্দ্রা বন্দর | |
| অবস্থান | |
| দেশ | |
| অবস্থান | মুন্দ্রা |
| স্থানাঙ্ক | ২২°৪৪′৪১″ উত্তর ৬৯°৪২′৩২″ পূর্ব / ২২.৭৪৪৬° উত্তর ৬৯.৭০৯০° পূর্ব |
| বিস্তারিত | |
| পরিচালনা করে | মুন্দ্রা বন্দর ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল লিমিটেড |
| মালিক | আদানি গোষ্ঠী |
| উপলব্ধ নোঙরের স্থান | ২৪ |
| সিইও | কিরণ আদানি |
| টার্মিনাল | ১০ |
| পরিসংখ্যান | |
| বার্ষিক কার্গো টন | ১১৩.৭২ মিলিয়ন টন (২০১৬-২০১৭)[১] |
| বার্ষিক কন্টেইনারের আয়তন | ৩৪,৮০,০০০ TEU (২০১৬-২০১৭)[১] |
| ওয়েবসাইট port of Mundra | |

মুন্দ্রা বন্দর হল ভারতের গুজরাতের কচ্ছ জেলার মুন্দ্রার কাছাকাছি কচ্ছ উপসাগরের উত্তর পার্শ্বে অবস্থিত ভারতের বৃহত্তম বেসরকারি বন্দর। পূর্বে এটি মুন্দ্রা বন্দর ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল লিমিটেড (এমপিএসজেড) দ্বারা পরিচালিত ছিল যা আদনানীর মালিকানাধীন ছিল [২] যা পরে আদানি পোর্টস এবং এসইজেড লিমিটেড (এপিএসজেড) এর দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে এবং ২০১৩-২০১৪ মধ্যে সংস্থাটি বেশ কয়েকটি বন্দর পরিচালনা শুরু করে।
২০১৩-২০১৪ সালে, মুন্দ্রা বন্দর ১০০ মিলিয়ন টন পণ্য পরিবহন করে এবং এই বন্দরটি প্রথম ভারতীয় বন্দর হিসাবে বছরে ১০০ মিলিয়ন টন পণ্য পরিবহনকারী বন্দরের কৃতিত্ব অর্জন করে। এটি পণ্যসম্ভার পরিবহনের দ্বারা ভারত বৃহত্তম বন্দর হয়ে ওঠে। [৩]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]মুন্দ্রা বন্দর একটি বেসরকারী বন্দর এবং একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। ১৯৯৮ সালে গুজরাত আদানি পোর্ট লিমিটেড (জিএপিএল) -এর সাথে যুক্ত কোম্পানিটি ২০০১ সালে কাজ শুরু করে। সংযুক্ত কোম্পানির নাম ‘‘মুন্দ্রা পোর্ট এবং স্পেশাল ইকোনোমিক জোন লিমিটেড’’ নামকরণ করা হয়।
বন্দর পরিকাঠামো
[সম্পাদনা]বন্দরের একটি গভীর ডক রয়েছে বৃহত্ত জাহাজের জন্য যা পুরোপুরি ল্যাপিত ক্যাপসেস জাহাজকে ডকে নোঙর করতে সাহায্য করে।[৪]
মুন্দ্রা বন্দরের পণ্যের নির্দিষ্ট সঞ্চয় এলাকায় রয়েছে। বন্দর প্রাঙ্গনে মধ্যে আমদানি বা রপ্তানি পণ্যসম্ভার সংগ্রহের জন্য ২,২৫,০০০ বর্গ মিটার গোডাউন এবং ৩১,৫০,০০০ বর্গ মিটার খোলা স্টোরেজ ইয়ার্ড রয়েছে। এপিপিএজেডের তরল টার্মিনালটি বিভিন্ন আকারের ৯৭ টি ট্যাংক এবং বিভিন্ন তরল পণ্য সংরক্ষণের জন্য মোট ৪,২৫,০০০ বর্গ মিটারের ধারণক্ষমতা সম্পন্ন সংগ্রহস্থল।
মুন্দ্রা বন্দরের বিপরীত ফানেলের ধারণায় মজুদ পণ্য নির্গমনের জন্য পর্যাপ্ত পরিকাঠামো তৈরি করেছে। ধারণা মতে, বন্দরের পরিকাঠামোটির ক্ষমতা আরো বেশি হওয়া উচিত, কারণ এটি সামুদ্রিক বন্দর পরিকাঠামো।
মুন্দ্রা বন্দরের জাহাজ পরিচালনা, সংরক্ষণ ও নির্গমনের জন্য নির্দিষ্ট পণ্য খালাসের পরিকাঠামো উন্নত করেছে। সার কার্গো কমপ্লেক্স (এফসিসি) সার হ্যান্ডলিং সুবিধা প্রদান করে। এফসিস-এর ২ টি অপারেশন লাইন রয়েছে, যার মধ্যে ৪৪ টি ব্যাগ তৈরির যন্ত্র রয়েছে, যেগুলি প্রতি মিনিটে ৫০ কিলোগ্রামের ৬৬০ টি ব্যাগ তৈরি করতে সক্ষম এবং প্রতি ঘণ্টায় ৮-১০ র্যেক লোড করতে পারে, আর ২৫,৬০০ টন প্রতি দিন।[৫]
টার্মিনাল এবং বার্থ
[সম্পাদনা]মুন্দ্রা বন্দর সামুদ্রিক পরিকাঠামোতে শুকনো বাল্ক ও ভাঙা বাল্ক কার্গো নিয়ন্ত্রণের জন্য দশটি (১০) বার্থ, তরল কার্গো পরিচালনার জন্য তিনটি (৩) বার্থ, ১ টি রো রো বার্থ সহ কন্টেইনার পণ্যের ছয়টি (৬) বার্থ, যান্ত্রিক পণ্যসম্ভার আমদানি জন্য তিনটি বার্থ এবং অশোধিত তেল আমদানি জন্য ২ মুরিং পয়েন্ট । যান্ত্রিক পণ্য আমদানিকারী বার্থ গুলি সর্বাধিক ১৯ মিটার ড্রাফ্ট যুক্ত পণ্যবাহী জাহাজগুলি এবং অন্য বার্থগুলি সর্বাধিক ১৭ মিটারের ড্রাফ্টের জাহাজ পরিচালনা করতে পারে। এসপিএম সুবিধা ৩২ মিটার গভীরতার একটি খসড়া প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
বন্দরটির নিজস্ব টাগ এবং পাইলট জাহাজ রয়েছে। মুন্দ্রা বন্দরের ক্যাপিটাল ড্রেজিং ও রক্ষণাবেক্ষণ ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য একটি ড্রেজার মালিকানাধীন রয়েছে এবং এইভাবে নিশ্চিত করা, যায় যে মুন্দ্রা বন্দরে ভারতের সকল বন্দরগুলির মধ্যে গভীরতম চ্যানেল রয়েছে। [৬]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "APSEZ set to become top container port operator"।
- ↑ "Cargo volumes lift Mundra Port net 76%"। Economic Times। ৩১ জুলাই ২০০৯।
- ↑ "Mundra Becomes First Indian Port to Cross 100 Mt Cargo Mark"। Mint – via HighBeam (সদস্যতা প্রয়োজনীয়) । ১ এপ্রিল ২০১৪। ১৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০১৬।
- ↑ "CRISIL 'AA' for MUNDRA PORT AND SPECIAL ECONOMIC ZONE's NCD Programme"। Crisil। ১ জুন ২০১০। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুলাই ২০১৭।
- ↑ "Business of Success" (পিডিএফ)। Super Brands India। ১ মে ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুলাই ২০১৭।
- ↑ "Mundra Port and SEZ Ltd"। Gujarat Maritime Port। ৪ জুন ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০১২।