মির্জাখীল উচ্চ বিদ্যালয়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মির্জাখীল উচ্চ বিদ্যালয়
মির্জাখীল উচ্চ বিদ্যালয়.jpeg
অবস্থান
মির্জাখীল,সোনাকানিয়া ইউনিয়ন,
চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম,বাংলাদেশ
তথ্য
বিদ্যালয়ের ধরনমাধ্যমিক বিদ্যালয় বেসরকারি
প্রতিষ্ঠাকাল১৯৬৪ ইংরেজি
প্রতিষ্ঠাতাজনাব আব্দুর রউফ চৌধুরী
অবস্থাসক্রিয়
বিদ্যালয় বোর্ডমাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম
সেশনজানুয়ারি-ডিসেম্বর
বিদ্যালয় কোডCode: ৩৭২৬ EIIN : ১০৪৯৯২
প্রধান শিক্ষকজনাব মোহাম্মদ রওশন আলী চৌধুরী
অনুষদ
  • বিজ্ঞান ,মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা
শ্রেণী৬ষ্ঠ-১০ম
লিঙ্গবালক-বালিকা
শিক্ষার্থী সংখ্যা১১০০+
শিক্ষাদানের মাধ্যমজাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড
ভাষার মাধ্যমবাংলা মাধ্যম
ক্যাম্পাসের ধরনগ্রামীণ
রঙআকাশী নীল ও সবুজ
ওয়েবসাইট

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।[১] [২]

অবস্থান[সম্পাদনা]

বিদ্যালয়টি চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের মির্জাখীল গ্রামে অবস্থিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

স্থানীয় বিশিষ্ঠ শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব মরহুম অধ্যাপক আবদুর রউফ চৌধুরী স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবনের একটি কক্ষে ২০/২৫ জন ছাত্র/ছাত্রী নিয়ে ১৯৬৪ সালে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর পাঠদান শুরু করেন। স্থানীয় তিনজন শিক্ষক উক্ত পাঠদানে অংশ গ্রহণ করেন। এভাবে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত ক্লাস চালু করেন। ১৯৬৫ সালে নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্বীকৃতি লাভ করে। ১৬ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করার উদ্দেশ্য অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আব্দুল মতিন চৌধুরী সহ শিক্ষানুরাগী সর্বজনাব মরহুম আবদুর রউফ চৌধুরী, জনাব ফররুখ আহমদ চৌধুরী, জনাব আমানুল হক চৌধুরী, জনাব কামাল উদ্দীন চৌধুরী,জনাব হাবিব উল্লাহ চৌধুরী, মাষ্টার নুরুল আলম সহ অনেকে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন রাখেন। পর্যায়ক্রমে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার মুহাম্মদ বজলুল করিম কে উক্ত সদস্যরা স্কুলটা উচ্চ বিদ্যালয় গড়ার ব্যাপারে অনুরোধ করলে উনি ১২/০৭/১৯৮২ ইং সনে প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন এবং যোগদানের পর থেকে কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে পাঠদানের অনুমতি ও স্বীকৃতি লাভ করে। উনার কঠোর পরিশ্রমের ফলস্বরুপ বিদ্যালয়টি ধীরে [১] [২] ধীরে উন্নতির শিখরে ধাবিত হয়।

ব্যবস্থাপনা[সম্পাদনা]

বিদ্যালয়টি পরিচালনার জন্য জনাব কুতুবউদ্দিন চৌধুরীকে সভাপতি করে১০ সদস্যের একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।

শিক্ষকবৃন্দ[সম্পাদনা]

এ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মোহাম্মদ রওশন আলী চৌধুরী।এছাড়াও এ বিদ্যালয়ে আরও ১১জন শিক্ষক-শিক্ষিকা কর্মরত আছেন।[১] [২]

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

এ বিদ্যালয়ে দুই তলা বিশিষ্ট দুইটি ভবন রয়েছে।এছাড়াও এ বিদ্যালয়ে তিনটি বিজ্ঞানাগার(পদার্থ,রসায়ন ও জীব), একটি শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে। অত্র বিদ্যালয়টির আকৃতি দেখতে ইংরেজি L বর্ণের মতো।এছাড়াও বিদ্যালয়টিতে ১৯৫২ এর ভাষাসৈনিক ও ১৯৭১ এর শহীদদের স্মরণে রয়েছে একটি শহীদ মিনার। বিদ্যালয়টিতে প্রধান শিক্ষকের জন্য আলাদা কার্যালয় রয়েছে।[১] [২]

সহ-শিক্ষা কার্যক্রম[সম্পাদনা]

এ বিদ্যালয়ে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের সহ-শিক্ষা কার্যক্রম চালু আছে।

  • স্কাউট দল
  • বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
  • বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
  • বিতর্ক প্রতিযোগিতা
  • সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
  • আবৃত্তি ও
  • চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা

ইত্যাদি এছাড়াও বিদ্যালয়টির ছাত্র - ছাত্রীবৃন্দ বিভিন্ন আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতায় ও অংশগ্রহণ করে থাকে।

গ্রন্থাগার[সম্পাদনা]

বিদ্যালয়টিতে একটি গ্রন্থাগার রয়েছে,যেটি বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের সাথে সম্পৃক্ত।

খেলার মাঠ[সম্পাদনা]

বিদ্যালয়টিতে একটি খেলার মাঠ রয়েছে,যেখানে প্রতিদিন প্রাত্যহিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

ফলাফল ও কৃতিত্ব[সম্পাদনা]

এ বিদ্যালয়ে বর্তমান ফলাফল প্রায় ৯০%

উল্লেখযোগ্য শিক্ষকবৃন্দ[সম্পাদনা]

  1. জনাব বজলুল করিম চৌধুরী(সাবেক প্রধান শিক্ষক,মিউবি)
  2. মরহুম আব্দুল মতিন চৌধুরী(সাবেক প্রধান শিক্ষক)
  3. জনাব রওশন আলী চৌধুরী(বর্তমান প্রধান শিক্ষক)
  4. জনাব সিরাজুল ইসলাম
  5. জনাবা নাছিমা আক্তার

কৃতি শিক্ষার্থীবৃন্দ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিসংযোগ[সম্পাদনা]