আব্দুল মোত্তালেব মালেকের মন্ত্রিসভা
আব্দুল মোত্তালেব মালেকের মন্ত্রিসভা | |
|---|---|
পূর্ব পাকিস্তানের ১২তম মন্ত্রিসভা | |
| ১৯৭১ | |
| গঠনের তারিখ | ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ |
| বিলুপ্তির তারিখ | ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ |
| ব্যক্তি ও সংস্থা | |
| গভর্নর | আব্দুল মোত্তালেব মালেক |
| প্রশাসক | আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী |
| মন্ত্রী সংখ্যা | ১৩ |
| মন্ত্রী অপসারণ | ২ |
| মোট সংখ্যা | ১৫ |
| সদস্য দল | স্বতন্ত্র রাজনীতিবিদ জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান কৃষক শ্রমিক পার্টি কাউন্সিল মুসলিম লীগ পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টি কনভেনশন মুসলিম লীগ নেজামে ইসলাম পার্টি কাইয়ুম মুসলিম লীগ |
| বিরোধী মন্ত্রিসভা | নেই |
| বিরোধী দল | নেই |
| বিরোধী নেতা | নেই |
| ইতিহাস | |
| নির্বাচন | ১৯৭০ |
| সর্বশেষ নির্বাচন | ১৯৬৫ |
| পূর্ববর্তী | দ্বিতীয় মোনেম মন্ত্রিসভা |
| পরবর্তী | মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা |
মালেক মন্ত্রিসভা পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ পূর্ব পাকিস্তানে গঠিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে একটি অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভা। সামরিক শাসনের বেসামরিক রূপ বিশিষ্ট এই মন্ত্রিসভা ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর আব্দুল মোত্তালেব মালেকের নেতৃত্বে গঠিত হয়ে একই বছরের ১৬ ডিসেম্বরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের দুই দিন আগ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।[১]
পটভূমি
[সম্পাদনা]১৯৭১ সালে অপারেশন সার্চলাইটের পর বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।[২] পরবর্তীতে ৩১ আগস্টে আব্দুল মোত্তালেব মালেককে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ করা হয়। জানানো হয়েছিল যে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন গভর্নর তার নেতৃত্বাধীন একটি নতুন প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার প্রস্তাবিত সদস্যদের তালিকা রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া খানের নিকট পেশ করবেন।[৩] পাকিস্তান সরকার কর্তৃক লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খানকে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ থেকে অব্যাহতির দেওয়ার পর ৩ সেপ্টেম্বরে শপথগ্রহণের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত আব্দুল মোত্তালেব মালেকের দায়িত্বকাল শুরু হয়।[৪] এবং ক্ষমতা গভর্নর ও সামরিক প্রশাসক আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজীর মাঝে ভাগ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়।[৫] নিয়োগ পাওয়ার পর মালেক প্রাদেশিক মন্ত্রিসভা গঠন করার ঘোষণা দেন যেখানে গভর্নর সহ মোট সদস্য ১১ জন ছিল।[৬] ১৭ সেপ্টেম্বরে একজন সদস্যের অনুপস্থিতিতে ৯ জন মন্ত্রীকে শপথগ্রহণ করানো হয়। এদের মধ্যে ৫ জন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের প্রাক্তন সদস্য ছিলেন। এদের মধ্যে একজন বাদে সবাই রাজনীতিবিদ ছিলেন যাদের মধ্যে ২ জন নিষিদ্ধ নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ, ২ জন কাউন্সিল মুসলিম লীগ, ২ জন জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান, ১ জন কনভেনশন মুসলিম লীগ, ১ জন কৃষক শ্রমিক পার্টি এবং ১ জন নেজামে ইসলাম পার্টির সদস্য ছিলেন।[৭] পরবর্তীতে ৭ অক্টোবরে আরও ৩ জন মন্ত্রিসভার সদস্য হয়েছিলেন যাদের মধ্যে ২ জন পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টি ও ১ জন কাইয়ুম মুসলিম লীগের সদস্য ছিলেন।[৮] ১১ অক্টোবরে মন্ত্রীদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হয়।[৯]
পরিণাম
[সম্পাদনা]১৩ অক্টোবর ১৯৭১ সালে প্রাক্তন প্রাদেশিক গভর্নর আবদুল মোনেম খান হত্যাকাণ্ডের পর মন্ত্রিসভার সদস্যদের মনোবল ভেঙ্গে পড়েছিল।[১০] ২২ নভেম্বর থেকে ভারতীয় সামরিক বাহিনী মিত্র বাহিনীর অংশ হিসেবে পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর উপর আক্রমণ চালাতে থাকে।[১১] ৬ ডিসেম্বরে প্রাদেশিক সরকার যুদ্ধ প্রচেষ্টা জোরদারের উদ্দেশ্যে মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বেসামরিক দেশরক্ষা, খাদ্য ও অত্যাবশকীয় দ্রব্য সরবরাহ, স্বাস্থ্য ও রিলিফ এবং তথ্য উপকমিটি গঠন করেছিল।[১২] প্রাপ্ত গোয়েন্দা সূত্রের ভিত্তিতে ভারতীয় বিমানবাহিনী ১৪ ডিসেম্বরে প্রাদেশিক মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার স্থান ঢাকার গভর্নর হাউসে আক্রমণ করে। বিমান হামলায় প্রতিক্রিয়ায় মালেক ও তার মন্ত্রিসভা সুরক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্যে যুদ্ধ নিরপেক্ষ এলাকায় (ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা) আশ্রয় নেওয়ার জন্য পদত্যাগ করে।[১১] মালেক মন্ত্রিসভা বিলুপ্তির সময় এর দুই জন মন্ত্রীর স্বাক্ষর পদত্যাগপত্রে ছিল না।[ক][১৩] পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের ৬ দিন পর মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা কলকাতা থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ সরকার যাত্রা শুরু করে।[১৪] ২৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বিলুপ্ত মন্ত্রিসভার ৯ জন সদস্যকে পুলিশ গ্রেফতার করে। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান জানিয়েছিলেন যে যুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত গণহত্যার অপরাধে মালেক সহ তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা পরিচালনা করা হবে।[১৫] ৩০ নভেম্বর ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ সরকার মন্ত্রিসভার আটক সদস্যদের প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করায় তারা মুক্তি পেয়েছিল।[১৬] ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলা চলাকালে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত মালেক মন্ত্রিসভার সদস্য এ কে এম ইউসুফকে আদালতে তার মন্ত্রিসভা সম্পর্কে জেরা করা হয়েছিল।[১৭]
সদস্য
[সম্পাদনা]মন্ত্রিসভা নিম্নলিখিত মন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত ছিল:[৪][১৮][৮]
| কার্যভার | মন্ত্রী | দায়িত্ব গ্রহণ | দায়িত্ব ত্যাগ | দল | |
|---|---|---|---|---|---|
| নির্বাহী বিভাগ | ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ | ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ | কনভেনশন | ||
| স্বরাষ্ট্র বিভাগ | ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ | ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ | স্বতন্ত্র | ||
| শিক্ষা বিভাগ | ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ | ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ | জামাত | ||
| রাজস্ব বিভাগ | ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ | ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ | জামাত | ||
| শ্রম, সমাজ কল্যাণ ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ | ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ | ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ | কেএসপি | ||
| গণতন্ত্র ও স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বিভাগ | ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ | ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ | নেজামে ইসলাম | ||
| বাণিজ্য ও শিল্প বিভাগ | ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ | ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ | কনভেনশন | ||
| স্বাস্থ্য বিভাগ | ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ | ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ | স্বতন্ত্র | ||
| সাহায্য ও পুনর্বাসন বিভাগ | ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ | ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ | স্বতন্ত্র | ||
| বন, সমবায়, মৎস্য ও সংখ্যালঘু বিভাগ | ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ | ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ | স্বতন্ত্র | ||
| অর্থ বিভাগ | ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ | ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ | কাউন্সিল | ||
| খাদ্য ও কৃষি বিভাগ | ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ | ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ | কাউন্সিল | ||
| পূর্ত, বিদ্যুৎ ও সেচ বিভাগ | ৭ অক্টোবর ১৯৭১ | ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ | পিডিপি | ||
| আইন ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ | ৭ অক্টোবর ১৯৭১ | ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ | পিডিপি | ||
| তথ্য বিভাগ | ৭ অক্টোবর ১৯৭১ | ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ | কাইয়ুম | ||
প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনা
[সম্পাদনা]মালেক মন্ত্রিসভায় প্রতিক্রিয়াশীল রাজনৈতিক দলগুলোর বিতর্কিত সদস্যদের ঠাঁই দেওয়া হয়েছিল। এটি ছিল ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের সবচেয়ে বিতর্কিত মন্ত্রিসভা যা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল।[১৯] সাপ্তাহিক জয়বাংলা অনুযায়ী নতুন মন্ত্রিসভা সম্পর্কে ভারতে নির্বাসিত মুজিবনগর সরকারের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মন্তব্য ছিল, "মুক্তিযোদ্ধাদের দালাল নিধনের তালিকায় আরো ক'টি নাম যুক্ত হল মাত্র"।[২০] ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে মুফতি মাহমুদ ও গোলাম গাউস হাজারভি এই মন্ত্রিসভার গঠন প্রক্রিয়াকে "অগণতান্ত্রিক" আখ্যা দেন।[২১] ১ অক্টোবরে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে আসগর খান বলেছিলেন যে যেখানে নির্বাচনে বিজয়ী সদস্যদের নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করা যেত সেখানে নির্বাচনে হেরে যাওয়া ব্যক্তিদের নিয়ে কেন মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে তার কারণ তিনি খুঁজে পাচ্ছেন না।[২২] ১১ অক্টোবর ১৯৭১ সালে পাকিস্তান পিপলস পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান কাওসার নিয়াজী মন্ত্রিসভা গঠনের উদ্যোগের ব্যাপারে বলেছিলেন যে নির্বাচিত প্রতিনিধি বা অরাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে এই মন্ত্রিসভা গঠন করার পাশাপাশি তার দলের সাথে আলোচনা ব্যতীত মালেক মন্ত্রিসভা গঠনের ফলে জনগণের মনে সন্দেহ দেখা দিয়েছে বলে দাবি করেন।[২৩] ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে মন্ত্রিসভায় কোন উর্দুভাষী মোহাজের সদস্য নেওয়া হয়নি অভিযোগ করে আঞ্জুমানে মোহাজেরিন পূর্ব পাকিস্তান মোহাজেরদের সমঅধিকার নিশ্চিত করার আহবান করে। সংগঠনটি একজন উর্দুভাষী মন্ত্রী নিয়োগের দাবি করেছিল।[২৪] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের প্রকাশিত গোপন নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে ২৮ অক্টোবর ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া খানের প্রদত্ত বক্তব্য অনুসারে মালেক মন্ত্রিসভা কর্তৃক পূর্ব পাকিস্তানের প্রশাসন বেসামরিকীকরণের উদ্যোগ সেখানের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমাধানের প্রচেষ্টাকে সফলতার দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। ইউএসএইডের তৎকালীন উপ-প্রশাসক মরিস জ্যাকাউট উইলিয়ামস তার এই তথ্যকে "বানোয়াট" হিসেবে অভিহিত করে লিখেছিলেন পাকিস্তানের সেনা কমান্ডার ও গভর্নর মালেকের প্রতিবেদন ইয়াহিয়ার এই বিশ্বাসের কারণ ছিল।[২৫] হামুদুর রহমান কমিশন রিপোর্ট অনুযায়ী প্রাদেশিক সরকারকে বেসামরিকীকরণের উদ্দেশ্যে গঠিত মালেক মন্ত্রিসভা ব্যর্থ হয়েছিল এবং প্রদেশে বসবাসরত নাগরিকদের আস্থা অর্জন করতে পারেনি। মন্ত্রিসভার অস্তিত্ব থাকা সত্ত্বেও প্রকৃত ক্ষমতা প্রদেশের সামরিক আইন প্রশাসক আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজীর হাতে ন্যস্ত ছিল এবং প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বগুলো পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড পালন করত। গভর্নরের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলির মতে দুর্বল ব্যক্তিত্বের গভর্নর মালেকের পক্ষে সামরিক আইন প্রশাসক নিয়াজীকে অসন্তুষ্ট করা সম্ভব ছিল না। আবার ক্ষমতাপ্রেমী জেনারেল নিয়াজী গভর্নর মালেকের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন না। তবে ২০০২ সালে প্রদত্ত সাক্ষাৎকারে আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী অভিযোগ করেছিলেন যে মন্ত্রিসভা তাকে প্রশাসন চালাতে সহযোগিতা করেনি এবং গভর্নর হিসেবে মালেক নিজের দায়িত্ব পালন করতেন না, ফলে সামরিক ও বেসামরিক উভয় দিকে তাকে মনযোগ দিতে হতো। তার মতে নিয়মানুযায়ী প্রশাসনের সকল দায়িত্বের ক্ষেত্রে গভর্নরের নিকট সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে তার কৈফিয়ত দেওয়ার কথা ছিল, যেমনটা রাষ্ট্রপতির নিকট সেনাপ্রধান আব্দুল হামিদ খান দিতেন।[২]
টীকা
[সম্পাদনা]- ↑ শামসুল হক ও অং শৈ প্রু চৌধুরী।
- 1 2 3 নিষিদ্ধকৃত নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ হোসেন, এম আই (২০১৪) [২০১৩]। বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধ: বহুমাত্রিক বিশ্লেষণ। ইস্টার্ন পাবলিকেশন্স। পৃ. ৯১–৯২।
- 1 2 হামুদুর রহমান কমিশন রিপোর্ট (বাংলাদেশ অংশ)। হুমায়ুন হাসান কর্তৃক অনূদিত। বাঁধন পাবলিকেশন্স। ২০১১। পৃ. ২০, ৫৩, ৬৯, ৭০।
- ↑ "ডাঃ মালিক পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর নিযুক্ত শুক্রবার শপথ গ্রহণঃ শীঘ্রই মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের নামের তালিকা পেশ"। দৈনিক ইত্তেফাক। ১ সেপ্টেম্বর ১৯৭১। পৃ. ১।
- 1 2 মোমেন, এম এ (৬ মার্চ ২০২১)। "পাকিস্তানের বিখণ্ডীকরণ ঠেকাতে..."। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২৫।
- ↑ হাসান হাফিজুর রহমান, সম্পাদক (২০০৯) [১৯৮২]। "বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র"। খণ্ড ষষ্ঠ খণ্ড। হাক্কানী পাবলিশার্স। পৃ. ১৮৯।
- ↑ ইশতিয়াক, আহমাদ (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১)। "১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১: ১০ সদস্যের প্রাদেশিক মন্ত্রিসভা ঘোষণা"। দ্য ডেইলি স্টার।
- ↑ হাসান হাফিজুর রহমান, সম্পাদক (২০০৯) [১৯৮২]। "বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র"। খণ্ড সপ্তম খণ্ড। হাক্কানী পাবলিশার্স। পৃ. ৫৪০।
- 1 2 "Three more ministers sworn in"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ৮ অক্টোবর ১৯৭১। পৃ. ১।
- ↑ "মন্ত্রীদের দফতরের চূড়ান্ত তালিকা"। দৈনিক ইত্তেফাক। ১২ অক্টোবর ১৯৭১। পৃ. ৬।
- ↑ "অক্টোবর ১৯৭১: স্বাধীন রাষ্ট্র স্বীকৃতির দাবি, চাপে পাকিস্তান"। ডয়চে ভেলে। ২৭ অক্টোবর ২০২৩।
- 1 2 হক, মুহাম্মদ লুৎফুল (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১)। "১৪ ডিসেম্বরের আরেক অধ্যায়"। প্রথম আলো।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "যুদ্ধ প্রচেষ্টা জোরদার করার জন্য মন্ত্রী পরিষদের ৪টি সাব কমিটি গঠন"। দৈনিক ইত্তেফাক। ৭ ডিসেম্বর ১৯৭১। পৃ. ১।
- ↑ "গভর্নর মালেক ও তার মন্ত্রিপরিষদের পদত্যাগ"। সোনালী নিউজ। ১৪ ডিসেম্বর ২০২১।
- ↑ "মুজিবনগর থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত হয় বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ"। জাগো নিউজ। ২২ ডিসেম্বর ২০২২।
- ↑ "Collaborators won't escape from Justice : Qamaruzzaman, Malik will be tried for genocide"। বাংলাদেশ অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ২৫ ডিসেম্বর ২০২১। পৃ. ১।
- ↑ একাত্তরের ঘাতক ও দালালরা কে কোথায়। মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বিকাশ কেন্দ্র। ১৯৯২ [১৯৮৭]। পৃ. ২১।
- ↑ "ইউসুফের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু ৪ ফেব্রুয়ারি"। বাংলানিউজ২৪.কম। ৩০ জানুয়ারি ২০১৪।
- ↑ মুকুল, এম আর আখতার (২০০০)। চরমপত্র। অনন্যা। পৃ. ৩৩০।
- ↑ টাবী, আলী আকবর (১৯৯২)। মুক্তিযুদ্ধে দৈনিক সংগ্রামের ভূমিকা। তাজ প্রিন্টিং প্রেস। পৃ. ৯৫।
- ↑ "মালেকের দশনবরত্ন"। সাপ্তাহিক জয়বাংলা। ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৭১। পৃ. ৫।
- ↑ "পূর্ব পাকিস্তান মন্ত্রিপরিষদ সম্পর্কে জমিয়ত নেতৃবৃন্দ বলেন—"। দৈনিক ইত্তেফাক। ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১। পৃ. ১, ৬।
- ↑ "আসগর খানের দৃষ্টিতে জাতীয় সমস্যা ও তার সমাধান"। দৈনিক ইত্তেফাক। ১ অক্টোবর ১৯৭১। পৃ. ১, ৬।
- ↑ "গণমনে সন্দেহ রহিয়াছে"। দৈনিক ইত্তেফাক। ১২ অক্টোবর ১৯৭১। পৃ. ৬।
- ↑ "উর্দুভাষী মন্ত্রী গ্রহণের দাবি"। দৈনিক ইত্তেফাক। ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৭১। পৃ. ১।
- ↑ "152. Memorandum From the Deputy Administrator of the Agency for International Development (Williams) to Secretary of State Rogers"। অফিস অফ দ্য হিস্টোরিয়ান (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ নভেম্বর ১৯৭১।