মার্সি রবি
মার্সি রবি | |
|---|---|
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ১৮ মার্চ ১৯৪৫ এর্নাকুলাম জেলা, কেরালা, ভারত |
| মৃত্যু | ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯ (বয়স ৬৪) চেন্নাই, তামিলনাড়ু |
| রাজনৈতিক দল | ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস |
| দাম্পত্য সঙ্গী | ভায়ালার রবি |
| সন্তান | ১ পুত্র, ২ কন্যা |
মার্সি রবি (১৮ মার্চ ১৯৪৫ - ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯) ছিলেন কেরালা বিধানসভার সদস্য এবং ভারতীয় রাজনীতিবিদ ভায়ালার রবির স্ত্রী। তিনি একজন বিখ্যাত সমাজকর্মী এবং লেখকও ছিলেন। ২০০১ সালে তিনি কোট্টায়াম বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিনিধি ছিলেন। এই নির্বাচনী এলাকা থেকে বিধানসভায় নির্বাচিত প্রথম এবং এখনও পর্যন্ত তিনিই একমাত্র মহিলা এবং কোট্টায়ামই একমাত্র নির্বাচনী এলাকা যেখানে তিনি প্রতিনিধিত্ব করেছেন।[১]
প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা
[সম্পাদনা]তিনি ১৯৪৬ সালের ১৮ই মার্চ কেরালার এর্নাকুলাম জেলায়[২] একটি অভিজাত খ্রিস্টান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কুরুভিলা কাট্টিকরন এবং থাণ্ডাম্মার কন্যা ছিলেন।[৩] তিনি এর্নাকুলামের মহারাজা কলেজেপড়াশোনা করেন।[৪] তিনি সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন।[২][৩] তিনি ১৯৬৯ সালে রাজনীতিবিদ ভায়ালার রবিকে বিয়ে করেন, যিনি তাঁর কলেজের সিনিয়রও ছিলেন। রবি পরে ভারতের প্রবাসী ভারতীয় বিষয়ক মন্ত্রী হন। এই দম্পতির তিন সন্তানের মধ্যে এক পুত্র যার নাম রবি কৃষ্ণ এবং দুই কন্যা, যাদের নাম লিসা রোহান এবং লক্ষ্মী রবি।[৩][৫]
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]মার্সি একজন ছাত্র কর্মী হিসেবে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন। তিনি কংগ্রেস দলের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং কেরালা প্রদেশ মহিলা কংগ্রেস ও কেরালা প্রদেশ কংগ্রেস কমিটিতে দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।[৫] জাতীয় পর্যায়ে, তিনি ২০০০ সালে ভারতীয় জাতীয় ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেস মহিলা কমিটির সভাপতি এবং সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চল আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশনের প্রতিনিধি এবং বেইজিংয়ে বিশ্ব মহিলা সম্মেলনে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন।[৬]
২০০১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কোট্টায়াম নির্বাচনী এলাকায় সিপিএমের ভাইকম বিশ্বনকে ১১৮৪১ ভোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পরাজিত করে তিনি বিধানসভায় কোট্টায়ামের প্রতিনিধিত্বকারী প্রথম মহিলা হন।[৪] প্রকৃতপক্ষে, ১৯৭৭ সালের পর থেকে তিনি ছিলেন দ্বিতীয় অ-বামপন্থী প্রার্থী যিনি বিধানসভায় এই নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন এবং এই সময়ের মধ্যে কমিউনিস্ট দলগুলির প্রতীক ছাড়া অন্য কোনও দলীয় প্রতীক নিয়ে লড়াই করে সংসদে পৌঁছানো প্রথম প্রার্থী।[১]
মৃত্যু
[সম্পাদনা]কেরালা বিধানসভার (২০০১-০৬) মেয়াদের শেষে তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে এবং কিডনির সমস্যার জন্য তাঁর চিকিৎসা করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর, ৬৪ বছর বয়সে, তিনি চেন্নাইয়ের মাদ্রাজ মেডিকেল মিশন হাসপাতালে মারা যান। কেরালার আলাপ্পুঝা জেলার ভায়ালারে ভায়ালার রবির পৈতৃক বাড়িতে তাকে সমাহিত করা হয়।[৫][৭]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "Mercy Ravi’s unique relationship with Kottayam"। The Hindu (ভারতীয় ইংরেজি ভাষায়)। ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯। আইএসএসএন 0971-751X। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 "Members - Kerala Legislature"। www.niyamasabha.org। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 3 Niyamasabha। "Members-Niyamasabha"। Kerala Legislative Assembly। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১৩।
- 1 2 archive, From our online (১৬ মে ২০১২)। "A versatile personality"। The New Indian Express (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 3 "Mercy Ravi laid to rest"। All Voices। ১০ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১৩।
- ↑ The Hindu (৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯)। "Mercy Ravi passes away"। The Hindu। ৯ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১৩।
- ↑ "Vayalar Ravi's wife passes away"। The Times of India। ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯। ১ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ অক্টোবর ২০১২।