মার্ক বার্মেস্টার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মার্ক বার্মেস্টার
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামমার্ক গ্রিভিল বার্মেস্টার
জন্ম (1968-01-24) ২৪ জানুয়ারি ১৯৬৮ (বয়স ৫১)
ডারবান, দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ )
১৮ অক্টোবর ১৯৯২ বনাম ভারত
শেষ টেস্ট৭ নভেম্বর ১৯৯২ বনাম নিউজিল্যান্ড
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ২৩)
৩ মার্চ ১৯৯২ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ ওডিআই২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫ বনাম পাকিস্তান
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা
রানের সংখ্যা ৫৪ ১০৯
ব্যাটিং গড় ২৭.০০ ১৮.১৬
১০০/৫০ ০/০ ০/০
সর্বোচ্চ রান ৩০* ৩৯
বল করেছে ৪৩৬ ২০৯
উইকেট
বোলিং গড় ৭৫.৬৬ ৪২.৬০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৩/৭৮ ৩/৩৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১/- ২/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৫ আগস্ট ২০১৯

মার্ক গ্রিভিল বার্মেস্টার (ইংরেজি: Mark Burmester; জন্ম: ২৪ জানুয়ারি, ১৯৬৮) নাটাল প্রদেশের ডারবানে জন্মগ্রহণকারী দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত প্রথিতযশা ও সাবেক জিম্বাবুয়ীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯২ থেকে ১৯৯৫ সময়কালে জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে ম্যাশোনাল্যান্ডমনিকাল্যান্ড দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি মিডিয়াম বোলার ছিলেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে কার্যকরী ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করেছেন মার্ক বার্মেস্টার। কখনোবা ইনিংস উদ্বোধনে নামতেন।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

ঈগলসভেল হাই স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। ১৯৯০-৯১ মৌসুম থেকে ২০০০-০১ মৌসুম পর্যন্ত মার্ক বামেস্টারের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে তিনটিমাত্র টেস্ট ও আটটি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন মার্ক বার্মেস্টার।[১][২][৩]

১৯৯২ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ে দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। এ বিশ্বকাপে চার খেলায় অংশ নেন। শচীন তেন্ডুলকরডিন জোন্স তার শিকারে পরিণত হয়েছিলেন।

১৮ অক্টোবর, ১৯৯২ তারিখে হারারেতে সফরকারী ভারতের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ৭ নভেম্বর, ১৯৯২ তারিখে একই মাঠে সফরকারী নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি। ১৯৯২ সালে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে অংশগ্রহণ করার সৌভাগ্য হয় তার। বোলিং উদ্বোধনে নেমে জিম্বাবুয়ের প্রথম বোলার হিসেবে টেস্টে উইকেট পান। ভারতীয় অল-রাউন্ডার রবি শাস্ত্রীকে আউট করেন তিনি। ঐ খেলাটি নিষ্প্রাণ ড্রয়ে পরিণত হয়েছিল।

ঐ ইনিংসে তিনি ৩/৭৮ লাভ করলেও পরবর্তীতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুইবার সুযোগ পেলেও আর করতে উইকেট লাভ করতে পারেননি। পিঠের আঘাতে কুপোকাত হবার ফলে পরবর্তী দুই বছর কোন খেলায় বোলিং করেননি। ফলশ্রুতিতে দল নির্বাচকমণ্ডলীর কাছ থেকে উপেক্ষার পাত্রে পরিণত হন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Players / Zimbabwe / ODI caps"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০১৯ 
  2. "Zimbabwe ODI Batting Averages"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০১৯ 
  3. "Zimbabwe ODI Bowling Averages"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০১৯ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]