বিষয়বস্তুতে চলুন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে অভিবাসন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে অভিবাসন বলতে সেই প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও জাতীয়রা অন্য কোনো দেশে বসবাসের জন্য স্থানান্তরিত হয়, যার ফলে একটি মার্কিন প্রবাসী সম্প্রদায় বা বিদেশে বসবাসকারী আমেরিকান গড়ে ওঠে। এই প্রক্রিয়াটি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের বিপরীত। মার্কিন সরকার অভিবাসনের সঠিক হিসাব রাখে না, তাই মার্কিন নাগরিকদের বিদেশে বসবাসের পরিসংখ্যান কেবলমাত্র সেইসব গন্তব্য দেশের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে জানা যায়।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

যুক্তরাজ্য ও তার উপনিবেশগুলোর মধ্যে এবং বিভিন্ন উপনিবেশের মধ্যে মানুষের যাতায়াতের কারণে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আগেই এক ধরনের মার্কিন প্রবাসী সম্প্রদায় গড়ে উঠেছিল। মার্কিন স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এবং তার পরপরই, বেশ কিছু মার্কিন রাজতন্ত্রপন্থী অন্যান্য দেশে চলে যান, বিশেষ করে কানাডাযুক্তরাজ্যে[] ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বাইরের দেশগুলোতে বসবাস খুব একটা দেখা যেত না এবং সাধারণত এটি ধনী ব্যক্তিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। উদাহরণস্বরূপ, বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন নিজ খরচে প্যারিসে মার্কিন কূটনীতিক হিসেবে গিয়েছিলেন।

১৮ শতক

[সম্পাদনা]

মার্কিন স্বাধীনতা যুদ্ধের পর, আনুমানিক ৩,০০০ কৃষ্ণাঙ্গ রাজতন্ত্রপন্থী (Black Loyalists)—অর্থাৎ, যারা দেশপ্রেমিক প্রভুদের দাসত্ব থেকে পালিয়ে ব্রিটিশ রাজমুকুটের পক্ষ নিয়েছিলেন এবং ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি পেয়েছিলেন—তাদের নিউ ইয়র্ক থেকে নোভা স্কোশিয়ায় সরিয়ে নেওয়া হয়। তাদের প্রত্যেককে দ্য বুক অব নিগ্রোস-এ তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল এবং ব্রিটিশরা তাদের স্বাধীনতার সনদ প্রদান করে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেছিল।[] ব্রিটিশ সরকার তাদের জন্য ভূমি বরাদ্দ ও পুনর্বাসনের জন্য সরঞ্জাম সরবরাহ করেছিল। অন্যান্য কালো রাজতন্ত্রপন্থীদের লন্ডন বা ক্যারিবিয়ান উপনিবেশগুলোতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।[]

হাজার হাজার দাস সাউথ ক্যারোলিনার চার্লসটনে ব্রিটিশদের দখলের সময় ব্রিটিশ বাহিনীর কাছে পালিয়ে গিয়েছিল। ব্রিটিশ বাহিনী চলে যাওয়ার সময় অনেক মুক্তিপ্রাপ্ত দাসকে সঙ্গে নিয়ে যায়। তাদের অনেকে লন্ডনের কৃষ্ণাঙ্গ দরিদ্রদের মধ্যে স্থান পেয়েছিল এবং ১৭৮৭ সালে সিয়েরা লিওন কোম্পানি কর্তৃক ফ্রিটাউনে পুনর্বাসিত হয়। পাঁচ বছর পর, আরও ১১৯২ জন কালো রাজতন্ত্রপন্থী নোভা স্কোশিয়া থেকে সিয়েরা লিওনে চলে যায়। তারা নতুন সিয়েরা লিওন ব্রিটিশ উপনিবেশের নোভা স্কোশিয়ান অভিবাসীদের অংশ হয়ে ওঠে। এই দুই তরঙ্গের অভিবাসীরা সিয়েরা লিওনের ক্রেওল জনগোষ্ঠীর অংশ হয়ে ওঠে এবং দেশটির প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম হয়ে ওঠে।[]

১৯ শতক

[সম্পাদনা]

তিমি শিকারি ও ক্লিপার জাহাজের সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে মার্কিন ব্যবসায়ীরা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্রমণ করতে শুরু করে।

১৯ শতকের গোড়ার দিকে মার্কিন ধর্মীয় মিশনারিদের বিদেশে যাওয়া শুরু হয়, যার মধ্যে অন্যতম ছিলেন আডোনিরাম জুডসন, যিনি বার্মায় খ্রিস্টধর্ম প্রচার করতে যান।

১৮১২ সালের যুদ্ধে, কিছু আফ্রিকান আমেরিকান দাস কলোনিয়াল মেরিন কোরে যোগ দেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াই করেন। তাদের পুরস্কার হিসেবে স্বাধীনতা (১৮০৭ সালের বিদ্রোহ আইন অনুসারে) এবং দক্ষিণ ত্রিনিদাদে বসবাসের জন্য নতুন জমি দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে তারা ও তাদের বংশধররা মেরিকিনস নামে পরিচিত হন।

১৯শ শতকের মাঝামাঝি সময়ে, নিউ ইংল্যান্ডের অনেক মানুষ |কনগ্রেগেশনাল গির্জার মিশনারি হিসেবে ও ব্যবসায়ী ও তিমি শিকারি হিসেবে হাওয়াইতেঅভিবাসন শুরু করেন। ধীরে ধীরে, মার্কিন অভিবাসীরা হাওয়াইয়ের সরকারকে উৎখাত করে এবং এর ফলে হাওয়াই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত হয়।

এই সময়ে, আমেরিকান কলোনাইজেশন সোসাইটি পিপার উপকূলে মুক্ত দাসদের জন্য লাইবেরিয়া উপনিবেশ স্থাপন করে। এর প্রধান লক্ষ্য ছিল খ্রিস্টধর্ম প্রচার, অবৈধ দাসব্যবসা বন্ধ করা এবং আফ্রিকান-আমেরিকানদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে পুনর্বাসন করা। তাদের বংশধররা আমেরিকো-লাইবেরিয়ান নামে পরিচিত হয় এবং দেশের বেশিরভাগ সময়ে ক্ষমতায় ছিল।

১৯শ শতকের গোড়ার দিকে বিশেষ করে ১৮২৪ থেকে ১৮২৬ সালের মধ্যে হাজার হাজার মুক্ত কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে হাইতিতে অভিবাসন করে, যেখানে তারা দাসপ্রথাপূর্ব দক্ষিণের বর্ণবাদী নীতি ও বৈষম্য থেকে মুক্তি পাওয়ার আশায় গিয়েছিল। তারা মূলত সামানা প্রদেশে বসবাস শুরু করে এবং তাদের বংশধররা আজও সেখানে সামানা মার্কিন নামে পরিচিত। তারা সামানা ইংরেজি নামে নিজেদের অনন্য ভাষা ব্যবহার করে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময়, প্রেসিডেন্ট লিংকন কানসাসের সেনেটর স্যামুয়েল সি. পোমেরয় ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যালেব ব্লাড স্মিথকে আফ্রিকান-মার্কিনদের জন্য একটি পুনর্বাসন পরিকল্পনা করার দায়িত্ব দেন। পোমেরয় লিনকোনিয়া নামে একটি মুক্ত দাস উপনিবেশ স্থাপনের ধারণা দেন, যা লাইবেরিয়ার মতো একটি অঞ্চল হওয়ার কথা ছিল এবং এটি বর্তমান পানামার চিরিকি প্রদেশে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে, আশেপাশের মধ্য আমেরিকার দেশগুলোর আপত্তির কারণে এই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়। এরপর ৪৫৩ জন আফ্রিকান শ্রমিককে উদ্যোক্তা বার্নার্ড ককের একটি ব্যক্তিগত উপনিবেশ পরিকল্পনার অধীনে আইল-আ-ভ্যাশে, হাইতিতে পাঠানো হয়। তবে, কক চুক্তি ভঙ্গ করায় এই উপনিবেশ স্বল্পস্থায়ী হয় এবং ১৮৬৩ সালের শেষের দিকে সকল অভিবাসী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যায়।

গৃহযুদ্ধের পর, হাজার হাজার দক্ষিণের মার্কিন নাগরিক ব্রাজিলে চলে যায়, যেখানে তখনো দাসপ্রথা বৈধ ছিল। তারা আমেরিকানা নামে একটি শহর প্রতিষ্ঠা করে এবং কনফেডারাডোস নামে পরিচিত হয়।[] তাদের মধ্যে কিছু লোক মেক্সিকোতেও গিয়ে নিউ ভার্জিনিয়া কলোনি স্থাপন করে, যা মেক্সিকোর সম্রাট ম্যাক্সিমিলিয়ানের সহায়তায় গড়ে ওঠে। তারা তাদের রাজধানীর নাম রাখে কার্লোটা এবং আরও উপনিবেশ স্থাপনের পরিকল্পনা করেছিল। তবে দ্বিতীয় মেক্সিকান সাম্রাজ্যের পতনের পর উপনিবেশটি পরিত্যক্ত হয় এবং বেশিরভাগ অভিবাসী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসে। এছাড়া, ব্রিটিশ হন্ডুরাস (বর্তমানে বেলিজ)-এও অনেক সাবেক কনফেডারেটের উপস্থিতি ছিল।

এশিয়ায় মার্কিন সরকার তার নাগরিকদের জন্য বিশেষ বিচারব্যবস্থার সুবিধা আদায়ের চেষ্টা চালায়। এর শুরু হয় ১৮৪৪ সালে ওয়াংহিয়া চুক্তির মাধ্যমে, যা চীনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হয়। এর পরে, কমোডোর পেরির অভিযান ১৮৫৪ সালে জাপানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং ১৮৮২ সালে মার্কিন- কোরিয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর ফলে, মার্কিন ব্যবসায়ীরা এসব দেশে স্থায়ী হতে শুরু করে।

বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিক

[সম্পাদনা]

ফিলিপাইনে বিপুলসংখ্যক আমেরিকান অভিবাসন করেছিলেন, বিশেষ করে যখন এটি ফিলিপাইন-মার্কিন যুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঞ্চল হয়ে ওঠে।

সিসিল রোডস ১৯০২ সালে রোডস স্কলারশিপ চালু করেন, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটিশ সাম্রাজ্য এবং জার্মানির মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিদেশে অধ্যয়নের সুযোগ দেওয়া হতো।[]

আন্তঃযুদ্ধকাল

[সম্পাদনা]

প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়ে অনেক আমেরিকান, বিশেষ করে লেখক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে, গারট্রুড স্টেইন এবং এজরা পাউন্ড, ইউরোপে অভিবাসন করেছিলেন এবং সেখানকার সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়েছিলেন।

আমস্টারডাম, বার্লিন, কোপেনহেগেন, প্যারিস, প্রাগ, রোম, স্টকহোমভিয়েনা-র মতো ইউরোপীয় শহরগুলোতে বহু আমেরিকান বসতি স্থাপন করেছিলেন। অনেক আদর্শবাদী ও বামপন্থী রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী আমেরিকান স্পেনের গৃহযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন, যেখানে তারা গণতন্ত্রীদের পক্ষে লড়াই করেছিলেন।

এছাড়া, কিছু আমেরিকান তাদের পূর্বপুরুষদের দেশে ফিরে গিয়েছিলেন, যেমন আমেরিকান লেখক ও চিত্রশিল্পী এরিক কার্লের বাবা-মা জার্মানিতে ফিরে যান। ১৯৪১ সালে পার্ল হারবারে হামলার পর হাজার হাজার জাপানি-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসতে পারেননি।[]

আইরিশ রাজনৈতিক নেতা এমন ডে ভালেরা, যিনি ১৯৩০-এর দশকে আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তিনি নিউ ইয়র্কে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে তার মায়ের পরিবারের সঙ্গে আয়ারল্যান্ডে চলে যান।

স্নায়ুযুদ্ধ

[সম্পাদনা]

স্নায়ুযুদ্ধের সময় আমেরিকান সেনাদের উপস্থিতির কারণে পশ্চিম জার্মানিদক্ষিণ কোরিয়ার মতো কিছু দেশে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রভাব তৈরি হয়।

এই সময় মার্কিন সরকার তরুণদের বিদেশে পাঠানোর জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি চালু করে। ১৯৪৬ সালে ফুলব্রাইট প্রোগ্রাম চালু হয় সাংস্কৃতিক বিনিময়ের জন্য, এবং ১৯৬১ সালে পিস কর্পস প্রতিষ্ঠিত হয়, যা সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং স্বেচ্ছাসেবার চেতনা বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করত।

ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর ১০০,০০০-এর বেশি ইহুদি আলিয়াহ করেছিলেন এবং দেশ গঠনে ভূমিকা রেখেছিলেন। অন্যদিকে, কিছু আমেরিকান লেবাননের মতো দেশে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে যান।

ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় আনুমানিক ১০০,০০০ আমেরিকান পুরুষ সৈন্যদলে যোগদান এড়াতে বিদেশে চলে যান, যাদের ৯০% কানাডায় আশ্রয় নেন।[] এছাড়াও ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং সুইজারল্যান্ডের মতো নিরপেক্ষ দেশগুলো অনেক আমেরিকান উদ্বাস্তুদের রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছিল।

কিছু আমেরিকান রাজনৈতিক কারণে দেশত্যাগ করে সোভিয়েত ইউনিয়ন, কিউবা বা অন্যান্য দেশে পালিয়ে যান। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন মিগুয়েল ডি'এসকোতো ব্রকমান, জোয়ান চেসিমার্ড, পিট ও'নিল, এলড্রিজ ক্লিভার এবং স্টোকলি কারমাইকেল।

এই সময়ে, ধর্মীয় কারণে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন কিছু আমেরিকান। যেমন, রিচার্ড টি. জেমস, যিনি স্লিঙ্কি খেলনার আবিষ্কর্তা ছিলেন, তিনি বলিভিয়ায় গিয়ে উইক্লিফ বাইবেল অনুবাদকদের সঙ্গে কাজ করেন। এছাড়া, পিপলস টেম্পল সম্প্রদায় গায়ানায় গিয়ে জোনসটাউন নামে একটি জনপদ স্থাপন করেছিল।

স্নায়ুযুদ্ধের পর

[সম্পাদনা]

স্নায়ুযুদ্ধের পর পূর্ব ইউরোপ, মধ্য ইউরোপ এবং মধ্য এশিয়ার উন্মুক্ত হওয়ার ফলে আমেরিকান ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি, বিশ্ব অর্থনীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যের কারণে ইংরেজি শেখানোর (ESL) শিল্প আরও প্রসার লাভ করে, বিশেষ করে নতুন ও উদীয়মান বাজারগুলিতে। অনেক আমেরিকান কলেজের সময় এক বছর বিদেশে পড়াশোনা করে এবং অনেকে স্নাতকের পর আবারও সেই দেশে ফিরে যায়।

২১ শতক

[সম্পাদনা]

ইরাক যুদ্ধের সময় কিছু মার্কিন সেনা মূলত কানাডা এবং ইউরোপে আশ্রয় নেয়, এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি-এর হুইসেলব্লোয়ার এডওয়ার্ড স্নোডেন রাশিয়ায় পালিয়ে যান।[][]

২০০৮ সালের আর্থিক সংকটের ফলে অনেক আমেরিকান অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অবসরের পর বিদেশে বসবাস করতে শুরু করে।[১০]

বেকারত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় তরুণ আমেরিকানরা ক্রমবর্ধমানভাবে বিদেশে কাজের সুযোগ খুঁজতে আগ্রহী হয়ে ওঠে।[১১]

২০১৯ সালের জানুয়ারিতে গ্যালাপ পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায় যে ১৬% আমেরিকান, বিশেষত ৩০ বছরের কম বয়সী নারীদের ৪০%, যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যেতে চান।[১২] ২০১৮ সালে ফেডারেল ভোটিং এসিস্টেন্স প্রোগ্রাম অনুমান করে যে প্রায় ৪.৮ মিলিয়ন মার্কিন নাগরিক বিদেশে বসবাস করছিল, যার মধ্যে ৩.৯ মিলিয়ন বেসামরিক নাগরিক এবং ১.২ মিলিয়ন সামরিক বাহিনীর সদস্য বা সরকার-সংযুক্ত আমেরিকান ছিল।[১৩]

আর্তন ক্যাপিটাল পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায় যে ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পরে ৫৩% আমেরিকান মিলিয়নিয়ার দেশ ছেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি দেখিয়েছেন, নির্বিশেষে কে বিজয়ী হন।[১৪]

এছাড়াও, ট্রাম্পের দ্বিতীয় প্রশাসনের আগ্রাসী অভিবাসন নীতির ফলে আরও বেশি মার্কিন নাগরিক এবং আইনগত অভিবাসীদের অন্যায়ভাবে নির্বাসিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।[১৫]

অভিবাসনের কারণ

[সম্পাদনা]

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমেরিকানদের অভিবাসনের পেছনে বহু কারণ রয়েছে। অর্থনৈতিক কারণের মধ্যে রয়েছে কর্মসংস্থান বা ব্যবসায়িক সুযোগ অথবা অন্য দেশে উচ্চতর জীবনমান পাওয়ার সম্ভাবনা। কেউ কেউ বিদেশির সাথে বিবাহ বা সম্পর্কের কারণে অভিবাসন করেন, আবার অনেকে ধর্মীয় বা মানবিক উদ্দেশ্যে দেশ ত্যাগ করেন। কিছু মানুষ নতুন সংস্কৃতি ও অভিজ্ঞতার সন্ধানে বা রোমাঞ্চ লাভের উদ্দেশ্যে অন্য দেশে চলে যান।[১৬]

অনেকে অবসরের পর কম খরচে জীবনযাপন এবং বিশেষত আরও সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবার সন্ধানে বিদেশে বসবাস শুরু করেন।[১৭][১৮] অনেক অভিবাসী, যারা একসময় যুক্তরাষ্ট্রে চলে গিয়েছিলেন, তারা তাদের পরিবারের সঙ্গে পুনরায় মিলিত হওয়ার জন্য নিজ দেশে ফিরে যান। রাজনৈতিক অসন্তোষ, নিরাপত্তা সম্পর্কিত উদ্বেগ এবং সাংস্কৃতিক বিষয়গুলিও অভিবাসনের বড় কারণ, যার মধ্যে বর্ণবাদ অন্যতম।[১৯] কিছু আমেরিকান আইনি দায়বদ্ধতা এড়ানোর জন্যও অভিবাসন করেন; অতীতে এর একটি সাধারণ উদাহরণ ছিল সামরিক পরিষেবার বাধ্যবাধকতা এড়ানো।

শুধু প্রাপ্তবয়স্করাই অভিবাসন করেন না, অনেক শিশু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নিলেও, তাদের বাবা-মা যখন নিজ দেশে ফিরে যান, তখন তারাও স্বাভাবিকভাবেই তাদের সঙ্গে চলে যায়। এদের মধ্যে অনেকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব লাভ করলেও দেশটির সঙ্গে তাদের বাস্তবিক কোনো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না। এদের কখনো কখনো "আকস্মিক আমেরিকান" বলা হয়।[২০]

সুবিধাজনক অভিবাসন গন্তব্য

[সম্পাদনা]

যুক্তরাষ্ট্রের তুলনামূলকভাবে ছোট প্রবাসী সম্প্রদায়ের অন্যতম কারণ হলো আমেরিকানদের জন্য বিদেশে অভিবাসন নেওয়া সাধারণত কঠিন। উদাহরণস্বরূপ শেঞ্জেন অঞ্চলের দেশগুলোর নাগরিকদের তুলনায় এটি অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং। অন্যান্য বৃহৎ দেশের মতো, অর্থনৈতিক সুযোগ সন্ধানে আমেরিকানদের বেশিরভাগই অভ্যন্তরীণভাবে স্থানান্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রের অঞ্চলগুলোর পাশাপাশি মার্কিন নাগরিকরা মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, মাইক্রোনেশিয়া এবং পালাউ-তে বসবাসের অধিকার পায়। এটি সম্ভব হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই দেশগুলোর সংঘ চুক্তির মাধ্যমে। এছাড়াও, স্‌ভালবার্দ-এ উন্মুক্ত অভিবাসন নীতির কারণে মার্কিন নাগরিকরা সেখানে স্থানান্তর হতে পারে, তবে তাদের আবাসন ও জীবনধারণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।[২১][২২] তবে এই অঞ্চলের সম্মিলিত জনসংখ্যা পাঁচ লক্ষেরও কম।

যেসব আমেরিকানের পূর্বপুরুষ জার্মানি, আয়ারল্যান্ড বা ইতালি থেকে এসেছেন, তারা স্বত্ব রক্তের বা বংশগত নাগরিকত্বের ভিত্তিতে ঐ দেশগুলোর নাগরিকত্ব দাবি করতে পারেন এবং সেখানে অবাধে বসবাস করতে পারেন। জার্মানি ও অস্ট্রিয়া নাৎসি অপরাধের ভুক্তভুগিদের দের বংশধরদের জন্য নাগরিকত্ব প্রাপ্তির প্রক্রিয়া সহজ করেছে, এমনকি যদি স্বত্ব রক্ত তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না হয়।[২৩][২৪] আমেরিকান ইহুদিরা প্রত্যাবর্তনের আইনের আওতায় ইসরায়েলে স্থানান্তর হতে পারেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা চুক্তি (পূর্বে উত্তর আমেরিকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি) চুক্তির আওতায় মার্কিন নাগরিকরা কানাডামেক্সিকো-তে ব্যবসা বা নির্দিষ্ট পেশায় কিছু বিধিনিষেধের মধ্যেই কাজ করতে পারেন।[২৫] তবে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য তাদের অভিবাসন শর্ত পূরণ করতে হয়।

সামগ্রিক প্রভাব

[সম্পাদনা]

যুক্তরাষ্ট্র একটি অভিবাসন প্রধান দেশ, যেখানে আগতদের সংখ্যা প্রস্থানকারীদের তুলনায় বেশি। তবে, এই বিষয়ে সরকারি তথ্যের অভাব রয়েছে।[২৬] যেহেতু অভিবাসনপ্রবণ গোষ্ঠীগুলোর চলাচল অত্যন্ত পরিবর্তনশীল, তাই যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্থায়ী অভিবাসন এবং অস্থায়ী বিদেশ যাত্রার মধ্যে পার্থক্য করা কঠিন।

ক্যারিবীয় অঞ্চলের কিছু দেশে ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ অভিবাসন হার দেখা গিয়েছিল, তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর অর্থ, যুক্তরাষ্ট্র থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ নিজ দেশে ফিরে গেছে। উদাহরণস্বরূপ, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো-র ২০০০ এবং ২০১১ সালের জনগণনা তুলনা করলে এটি প্রতীয়মান হয়।

নাগরিকত্ব

[সম্পাদনা]

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী যে কোনো ব্যক্তি, একমাত্র ব্যতিক্রম হলো বিদেশি কূটনীতিকদের সন্তানরা, জন্মের সময় থেকেই মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করে। এছাড়া যদি কোনো শিশুর অন্তত একজন অভিভাবক মার্কিন নাগরিক হন এবং তিনি নির্দিষ্ট সংখ্যক বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে থাকেন, তাহলে সেই শিশুও জন্মগতভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জন করে। তদুপরি, যারা অভিবাসী হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসেন, তারাও প্রাকৃতিকীকরণের মাধ্যমে মার্কিন নাগরিকত্ব গ্রহণ করতে পারেন।

অতীতে বিদেশে বসবাসরত মার্কিন নাগরিকদের তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব হারানোর আশঙ্কা ছিল, তবে সুপ্রিম কোর্ট-এর রায় যেমন আফ্রোয়িম বনাম রাস্ক এবং ভ্যান্স বনাম টেরাজাস, পাশাপাশি মার্কিন আইনের সংশোধনীর ফলে এখন খুব সীমিত কিছু পরিস্থিতিতেই মার্কিন নাগরিকত্ব হারানো সম্ভব। বর্তমানে, সাধারণত মার্কিন নাগরিকত্ব হারানোর প্রধান উপায় হলো বিদেশে মার্কিন দূতাবাস বা কনস্যুলেটে গিয়ে তা স্বেচ্ছায় ত্যাগ করা।

ইতিহাসে দেখা যায় প্রতি বছর খুব কম সংখ্যক মার্কিন নাগরিক তাদের নাগরিকত্ব ত্যাগ করতেন, তবে ২০১০ সালের পর থেকে এই সংখ্যা হঠাৎ বৃদ্ধি পেতে থাকে। কারণ, ওই বছর মার্কিন সরকার ফরেন অ্যাকাউন্ট ট্যাক্স কমপ্লায়েন্স অ্যাক্ট (FATCA) আইন চালু করে, যার ফলে বিদেশি ব্যাংকগুলোকে মার্কিন নাগরিকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করতে বাধ্য করা হয়। ফলে ২০১৩ সালে ৩,০০০-এর বেশি মার্কিন নাগরিক নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন, যাদের অনেকেই আর্থিক তথ্য প্রকাশের বাধ্যবাধকতা এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর নতুন বিধিনিষেধের কারণে এটি করেন।[২৭] ২০১৬ সালে এই সংখ্যা ৫,০০০ ছাড়িয়ে যায়, এবং ২০২০ সালে তা ৬,০০০-এর বেশি হয়।[২৮]

সমস্যাসমূহ

[সম্পাদনা]

প্রবাসী মার্কিন নাগরিকদের জন্য অন্যতম বড় সমস্যা হলো দ্বৈত কর প্রদান। বিশ্বের প্রায় সব দেশের থেকে ভিন্নভাবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার নাগরিকদের আয়কর আরোপ করে, এমনকি যদি তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বসবাস করেন তবুও। যদিও বিদেশি উপার্জন আয় অব্যাহতি নীতির মাধ্যমে কাজের আয়ের ওপর দ্বৈত করের প্রভাব কিছুটা কমানো হয়, তবু অভ্যন্তরীণ রাজস্ব কোড বিদেশে বসবাসরত মার্কিন নাগরিকদের স্বাভাবিক সঞ্চয় পরিকল্পনাগুলোকেও বিদেশি কর ফাঁকি দেওয়ার উপায় হিসেবে বিবেচনা করে। এর ফলে, প্রবাসীদের বিশদ সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য প্রতিবেদন দিতে হয়, যা তাদের জন্য বড় আর্থিক বোঝা তৈরি করে, এমনকি যখন তারা কোনো কর প্রদান করতে না হয় তখনও।[২৯][৩০][৩১] এমনকি কানাডার নিবন্ধিত প্রতিবন্ধী সঞ্চয় পরিকল্পনা-ও এই রিপোর্টিং বাধ্যবাধকতার আওতায় পড়ে।[৩২] প্রবাসী মার্কিন নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে বিতর্কিত আইন হলো [ফরেন অ্যাকাউন্ট ট্যাক্স কমপ্লায়েন্স অ্যাক্ট (FATCA)। এই আইনের ফলে অনেক মার্কিন নাগরিকের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে গেছে। ভবিষ্যতে এর ফলে প্রবাসী মার্কিন নাগরিকদের সংখ্যা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সমস্যা এতটাই তীব্র যে, অনেকেই এর সমাধান হিসেবে তাদের মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন।[৩৩] ২০১৩ সাল থেকে মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগের সংখ্যা প্রতি বছর নতুন রেকর্ড গড়েছে, যেখানে ২০১৬ সালে ৫,৪১১ জন এবং ২০১৫ সালে ৪,২৭৯ জন নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন।[৩৪]

পরিসংখ্যান

[সম্পাদনা]

সঠিকভাবে জানা যায় না যে কতজন আমেরিকান বিদেশে বসবাস করেন। যুক্তরাষ্ট্রের আদমশুমারি ব্যুরো বিদেশে বসবাসরত আমেরিকানদের গণনা করে না, এবং পৃথক মার্কিন দূতাবাসগুলো কেবল আনুমানিক সংখ্যা প্রদান করে।

১৯৯৯ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর অনুমান করেছিল যে, বিদেশে বসবাসরত আমেরিকানদের সংখ্যা তিন মিলিয়ন থেকে ছয় মিলিয়নের মধ্যে হতে পারে।[২৯][৩৫] ২০১৬ সালে, সংস্থাটি অনুমান করেছিল যে, প্রায় ৯ মিলিয়ন মার্কিন নাগরিক বিদেশে বসবাস করছে,[৩৬] তবে এই সংখ্যাগুলো বিতর্কিত, কারণ সেগুলো প্রায়ই যাচাই করা হয় না এবং দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে।[৩৭]

ফেডারেল ভোটিং অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম (FVAP) অনুসারে, পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুমানগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে বেশি দেখানো হয়, যাতে জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নেওয়া যায়।[৩৮] FVAP বিভিন্ন উৎস, যেমন অন্যান্য দেশের আদমশুমারি, মার্কিন কর ও সামাজিক নিরাপত্তা নথির ওপর ভিত্তি করে বিদেশে বসবাসরত মার্কিন নাগরিকদের সংখ্যা নির্ধারণ করে। ২০১৮ সালে, সংস্থাটি অনুমান করেছিল যে, প্রায় ৪.৮ মিলিয়ন মার্কিন নাগরিক বিদেশে বসবাস করছে, যার মধ্যে ২.৯ মিলিয়ন ভোট দেওয়ার উপযুক্ত বয়সে রয়েছে।[৩৯] ২০১৬ সালে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ৫.৫ মিলিয়ন।[৪০] ২০২২ সালে, FVAP অনুমান করেছিল যে, ৪.৪ মিলিয়ন মার্কিন নাগরিক বিদেশে বসবাস করছে এবং তাদের মধ্যে ২.৮ মিলিয়ন ফেডারেল নির্বাচনে ভোট দেওয়ার যোগ্য।[৪১]

জাতিসংঘ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের সংখ্যা নির্ধারণ করে থাকে। ২০১৯ সালে, জাতিসংঘ অনুমান করেছিল যে, প্রায় ৩.২ মিলিয়ন মার্কিন-উৎপত্তির মানুষ বিদেশে বসবাস করছে।[৪২]

বিদেশে মার্কিন নাগরিকদের সংখ্যা বোঝার একটি উপায় হলো, বিদেশে জন্মগ্রহণকারী শিশুদের জন্য মার্কিন নাগরিকদের অনুরোধ করা কনস্যুলার রিপোর্ট অব বার্থ অ্যাব্রডের সংখ্যা গণনা করা। বুরো অব কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স ২০০০-২০০৯ সময়কালে ৫,০৩,৫৮৫টি এমন নথি ইস্যু করেছিল। কিছু গবেষক এই তথ্য ও অন্যান্য গণনা থেকে অনুমান করেন যে, বিদেশে বসবাসরত মার্কিন নাগরিকদের সংখ্যা ৩.৬ থেকে ৪.৩ মিলিয়নের মধ্যে হতে পারে।[৪৩]

বিদেশে বসবাসকারী মার্কিন নাগরিকদের সংখ্যা নির্ধারণের আরেকটি উপায় হলো আন্তরিক রাজস্ব পরিষেবা থেকে প্রাপ্ত তথ্য। নির্দিষ্ট আয়ের বেশি উপার্জনকারী মার্কিন নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে কর জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। ২০১৯ সালে, বিদেশী ঠিকানাযুক্ত প্রায় ৭,৩৯,০০০ মার্কিন কর রিটার্ন জমা পড়ে, যা আনুমানিক ১.৩ মিলিয়ন ব্যক্তিকে প্রতিনিধিত্ব করে।[৪৪] তবে এই পরিসংখ্যানের মধ্যে এমন কিছু ব্যক্তিও থাকতে পারেন যারা অস্থায়ীভাবে বিদেশে বসবাস করছেন, কিন্তু স্থায়ীভাবে নন।

দেশভিত্তিক অনুমান

[সম্পাদনা]
বিশ্বজুড়ে আমেরিকান প্রবাসীদের মানচিত্র (এতে আমেরিকান নাগরিকত্বপ্রাপ্ত বা আমেরিকানদের সন্তানরা অন্তর্ভুক্ত)।
  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  + ১,০০০,০০০
  + ১,০০,০০০
  + ১০,০০০
  + ১,০০০

নিচের তালিকায় সেসব প্রধান দেশ উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে আমেরিকান জনগোষ্ঠী বসবাস করে। এখানে নির্দিষ্ট সংখ্যাসহ দেখানো পরিসংখ্যান শুধু সেসব আমেরিকানদের অন্তর্ভুক্ত করে, যারা অভিবাসী হিসেবে ওইসব দেশে গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তবে এতে অন্তর্ভুক্ত নয়—যারা ওইসব দেশে এক বা উভয় আমেরিকান পিতামাতার সন্তান হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছেন, যারা সাময়িকভাবে আমেরিকায় জন্ম নেওয়ার পর নাগরিকত্বের অধিকার বলে তাদের পিতামাতার সাথে ফিরে গেছেন, এবং যারা অস্থায়ীভাবে প্রবাসে রয়েছেন।

  1.  Mexico – ৮৯৯,৩১১ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী মেক্সিকোর বাসিন্দা (২০১৭)[৪৫]
  2.  European Union – ৮০০,০০০ (২০১৩; সমস্ত ইইউ দেশ একত্রিত)
  3.  Canada – ৭৩৮,২০৩ (২০১১)[৪৬]
  4.  India – ৭০০,০০০ (২০১৭ সালের ১২/০৬ তারিখে হোয়াইট হাউসের একটি প্রেস রিলিজ অনুযায়ী)[৪৭]
  5.  ফিলিপাইন – ৬০০,০০০ (২০১৫)[৪৮]
  6.  Germany – ৪০০,০০০ (২০২০)[৪৯]
  7.  ব্রাজিল – ২৬০,০০০[৫০]
  8. ইসরায়েল Israel – ১৮৫,০০০[৫১]
  9.  যুক্তরাজ্য – ১৫৮,০০০ (২০১৩)[৫২]
  10.  South Korea – ১৪০,২২২ (২০১৬)[৫৩][৫৪]
  11.  Costa Rica – ১৩০,০০০[৫৫] থেকে ১৭০,০০০[৫৬]
  12.  অস্ট্রেলিয়া – ১০৯,৪৫০ (২০২১)[৫৭]
  13.  France – ১০০,৬১৯ (২০০৮)[৫৮]
  14.  জাপান – ৮৮,০০০ (২০১১)[৫৯]
  15.  Dominican Republic – ১৫,০০০[৫১]
  16.  গণচীন –৭১,১৯৩ (২০১০, চীন)[৬০][৬১]
  17.  Italy – ৫৪,০০০[৫১]
  18.  Spain – ৪৮,২২৫[৬২]
  19.  হংকং – ৬০,০০০[৬১]
  20.  Pakistan – ৫২,৪৮৬[৬৩]
  21.  Netherlands – ৪৭,৪০৮ (২০২১)[৬৪]
  22.  United Arab Emirates –৪০,০০০[৬৫]
  23.  Republic of China (Taiwan) – ৩৮,০০০
  24.  Belgium – ৩৬,০০০[৬৫]
  25.  Saudi Arabia – ৩৬,০০০[৬৫]
  26.   Switzerland – ৩২,০০০[৬৫]
  27.  Poland – ৩১,০০০ to ৬০,০০০ [৬৫]
  28.  Lebanon – ২৫,০০০[৬৬]
  29.  Panama – ২৫,০০০[৬৭]
  30.  Colombia –২১,০০০ (২০১৯)[৬৮]
  31.  Kuwait – ২০,০০০[৫১]
  32.  Norway – ১৯,০০০[৫১]
  33.  নিউজিল্যান্ড – ১৭,৭৪৮ (২০০৬)[৬৯]
  34.  Sweden – ১৬,৫৫৫ (২০০৯)[৭০]
  35.  Austria – ১৫.০০০[৬৫]
  36.  Hungary – ১৫.০০০[৬৫]
  37.  Singapore – ১৫.০০০[৬১]
  38.  Indonesia – ১৩,০০০[৫১]
  39.  Ireland – ১২,৪৭৫ (২০০৬)[৭১]
  40.  Libya – ১১,০০০[৫১]
  41.  Venezuela – ১১,০০০[৫১]
  42.  Argentina – ১০,৫৫২ [৬৫]
  43.  Peru — ১০,৪০৯ (২০১৭)[৭২]
  44.  Chile – ১০,০০০[৬৫]
  45.  Portugal – ৯,৭৯৪[৭৩]
  46.  Denmark – ৯,৬৩৪ (২০১৮)[৭৪]
  47.  Czech Republic – ৯,৫১০ (২০১৯; ৭,১৩১ 12 + মাসের জন্য আবাসনের অনুমতি রয়েছে)[৭৫]
  48.  Norway – ৮,১০৩(২০১২)[৭৬]
  49.  Malaysia – ৮,০০০[৬১]
  50.  Ecuador – ৭,৫০০[৬৫]
  51.  South Africa – ৭,০০০[৫১]
  52.  Honduras – ৭,০০০[৫১]
  53.  Romania – ৬,০০০[৫১]
  54.  Egypt – ৬,০০০[৫১]
  55.  Trinidad and Tobago – ৬,০০০[৫১]
  56.  Jamaica – ৬,০০০[৫১]
  57. ফিনল্যান্ড Finland – ৫,৫৭৬[৭৭]
  58.  Guatemala – ৫,৪১৭ (২০১০)[৭৮]
  59.  Belize –৫,০০০[৫১]
  60.  Bolivia – ৫,০০০[৫১]
  61.  El Salvador – ৫,০০০[৫১]
  62.  Portugal – ৪,৭৬৮ (২০০২২)[৭৯]
  63.  Qatar – ৪,০০০[৫১]
  64.  Thailand – ৪,০০০[৫১]
  65.  Nicaragua – ৪,০০০[৫১]
  66.  Bermuda – ৪,০০০[৫১]
  67.  Malta – ৪,০০০[৫১]
  68.  Antigua and Barbuda – ৩,০০০[৫১]
  69.  Uruguay – ৩,০০০[৮০]
  70.  Cayman Islands – ৩,০০০[৫১]
  71.  Jordan – ৩,০০০[৫১]
  72.  Russia –কমপক্ষে ২,০০৮[৮১] ৬,২০০ পর্যন্ত[৮২]
  73.  Ukraine – ৩,০০০[৫১]
  74.  Luxembourg – ৩,০০০[৫১]
  75.  Cyprus – ৩,০০০[৫১]
  76.  Greece – কমপক্ষে ২,০০০[৫১]
  77.  Paraguay – ২,০০০[৫১]
  78.  Vietnam – ৩,০০০[৫১]
  79.  Bulgaria – ৩,০০০[৫১]
  80.  Albania – ২,০০০[৫১]
  81.  Croatia – ২,০০০[৫১]
  82.  Morocco – ২,০০০[৫১]
  83.  Haiti – ২,০০০[৫১]
  84.  Mali – ২,০০০[৫১]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

দেশ অনুসারে প্রবাসী

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. দ্য লয়ালিস্ট ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০২১-০৭-০৯ তারিখে, UShistory.org।
  2. দ্য বুক অব নিগ্রোস ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০২২-০৭-৩০ তারিখে, ব্ল্যাক লয়ালিস্ট।
  3. 1 2 Walker, James W. (১৯৯২)। "Chapter Five: Foundation of Sierra Leone"। The Black Loyalists: The Search for a Promised Land in Nova Scotia and Sierra Leone, 1783–1870। Toronto: University of Toronto Press। পৃ. ৯৪–১১৪। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮০২০-৭৪০২-৭ মূলত লংম্যান ও ডালহৌসি ইউনিভার্সিটি প্রেস (১৯৭৬) দ্বারা প্রকাশিত।
  4. মার্কিন কনফেডারেসি এখনও ব্রাজিলের আমেরিকানা শহরে জীবিত ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০২১-০১-২৪ তারিখে, বিজনেস ইনসাইডার, ৭ মে ২০১৭।
  5. অক্সফোর্ড ও রোডস স্কলারশিপ, রোডস ট্রাস্ট, আমেরিকান সেক্রেটারির অফিস।
  6. Mary Granfield (৬ আগস্ট ১৯৯০)। "হিরোশিমার হারিয়ে যাওয়া আমেরিকানরা"People। Time Inc.।
  7. "প্রেসিডেন্ট কার্টার সৈন্য সমাবেশ এড়ানো ব্যক্তিদের ক্ষমা করেন"
  8. Patty Winsa (৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। "More U.S. soldiers could be sent back for court martial on desertion charges"The Star। ২৭ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
  9. "Edward Snowden: Leaks that exposed US spy programme"। BBC। ১৭ জানুয়ারি ২০১৪। ২০ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
  10. Anna Robaton (২০ নভেম্বর ২০১৩)। "Feeling pinch back home, U.S. retirees pursue the American Dream abroad"। CNBC। ৪ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
  11. Jonathan House (৬ অক্টোবর ২০১৪)। "Americans Don't Fancy Jobs Abroad. Oh, Except Millennials"। Wall Street Journal। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
  12. "Record Numbers of Americans Want to Leave the U.S."। Gallup। ৪ জানুয়ারি ২০১৯। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৯
  13. Van Dam, Andrew (২৩ ডিসেম্বর ২০২২)। "Analysis | Why have millions of Americans moved to these countries instead?"Washington Post (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
  14. "Record numbers of wealthy Americans are making plans to leave the U.S. after the election"। CNBC।
  15. Gomez, Gloria Rebecca (২৫ জানুয়ারি ২০২৫)। "No court, no hearing: Trump revives fast-track deportations, expands reach nationwide"Arizona Mirror (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০২৫
  16. Americans Abroad: Escaping or Enhancing Life? ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০২১-০১-২২ তারিখে, UConn Today, August 7, 2020.
  17. Dreaming of retiring abroad? Here's what you need to know ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০২১-০১-২২ তারিখে, CNBC, September 14, 2020.
  18. Many Americans move abroad for health care—should you? ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০২১-০১-২২ তারিখে, MarketWatch, March 12, 2019.
  19. Ghana to black Americans: Come home. We'll help you build a life here. ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০২১-০১-২২ তারিখে, Washington Post, July 4, 2020.
  20. Joe Costanzo, Amanda Klekowski von Koppenfels (১৭ মে ২০১৩)। "Counting the Uncountable: Overseas Americans"। Migration Policy Institute। ১৩ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
  21. প্রবেশ ও বসবাস ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০২১-০৫-০৯ তারিখে, সভার্ডবার্ডের গভর্নর।
  22. অভিবাসীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১৯-০৫-১৪ তারিখে, আল জাজিরা, ৪ জুলাই ২০০৬।
  23. "নাজি-অপরাধের শিকারদের বংশধরদের জন্য সহজ নাগরিকত্ব প্রক্রিয়া"। ৪ আগস্ট ২০২০। ৫ নভেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ নভেম্বর ২০২১
  24. "নাৎসি নির্যাতিতদের বংশধরদের জন্য জার্মান নাগরিকত্ব"। ২৯ আগস্ট ২০১৯। ৫ নভেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ নভেম্বর ২০২১
  25. অধ্যায় ১৬, ব্যবসায়ীদের অস্থায়ী প্রবেশাধিকার ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০২১-০৩-১৯ তারিখে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার মধ্যে চুক্তি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির অফিস।
  26. "আন্তর্জাতিক তথ্যসূত্র ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে অভিবাসনের অনুমান" (পিডিএফ)UN Stats। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
  27. "Why More Americans Are Renouncing U.S. Citizenship"NPR। ২৩ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০১৭
  28. 2020 is a record year for Americans giving up citizenship, according to N.Y. accountants group ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০২১-০১-২৪ তারিখে, Penn Live, October 29, 2020.
  29. 1 2 "The American Diaspora"Esquire। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮। ৩ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০১১
  30. "Costing More Over There" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১৭-১০-২৪ তারিখে, The Economist, 22 June 2006, accessed 17 April 2011
  31. Leckie, Gavin F. (নভেম্বর ২০১১)। "The Accidental American"Trusts & Estates: ৫৮। ২৬ জুন ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ নভেম্বর ২০১৪
  32. Hildebrandt, Amber (১৩ জানুয়ারি ২০১৪)। "U.S. FATCA tax law catches unsuspecting Canadians in its crosshairs"Canadian Broadcasting Corporation। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুলাই ২০১৫
  33. Richard Rubin। "Americans Living Abroad Set Record for Giving Up Citizenship"। Bloomberg। ৪ আগস্ট ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ আগস্ট ২০১৫
  34. Wintour, Patrick (৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)। "Boris Johnson among record number to renounce American citizenship in 2016"the Guardian। ২২ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
  35. "Stats" (পিডিএফ)unstats.un.org। ৩ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ২১ আগস্ট ২০০৯
  36. "CA By the Numbers" (পিডিএফ)। U.S. Department of State। জানুয়ারি ২০১৬। ১৬ জুন ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
  37. Bill Masterson (২০০০), How Many Americans Really Live in Mexico? And Who Cares, Anyway?, peoplesguide.com, ২৪ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ২১ আগস্ট ২০০৯
  38. Overseas Citizen Population Analysis Report ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০২১-০১-২৪ তারিখে, Federal Voting Assistance Program.
  39. 2018 Overseas Citizen Population Analysis Report ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০২০-১২-০৩ তারিখে, Federal Voting Assistance Program, July 2020.
  40. 2016 Overseas Citizen Population Analysis Report ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০২১-০১-১১ তারিখে, Federal Voting Assistance Program, September 2018.
  41. "Overseas"FVAP.gov। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৪
  42. International migrant stock 2019 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১৯-০৯-১৭ তারিখে, United Nations Department of Economic and Social Affairs, Population Division.
  43. These are our Numbers: Civilian Americans Overseas and Voter Turnout ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত অক্টোবর ২৪, ২০১৩ তারিখে, By Dr. Claire M. Smith.
  44. Table 2. Individual Income and Tax Data, by State and Size of Adjusted Gross Income, Tax Year 2018 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০২১-০১-২২ তারিখে, Internal Revenue Service, August 2020.
  45. "Table 1: Total migrant stock at mid-year by origin and by major area, region, country or area of destination, 2017"। United Nations, Department of Economic and Social Affairs, Population Division। ২৩ আগস্ট ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৮
  46. Canada, Government of Canada, Statistics (৮ মে ২০১৩)। "2011 National Household Survey: Data tables – Citizenship (5), Place of Birth (236), Immigrant Status and Period of Immigration (11), Age Groups (10) and Sex (3) for the Population in Private Households of Canada, Provinces, Territories, Census Metropolitan Areas and Census Agglomerations, 2011 National Household Survey"www12.statcan.gc.ca। ১২ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০১৭{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক)
  47. "Fact Sheet: The United States and India — Prosperity Through Partnership"whitehouse.gov (ইংরেজি ভাষায়)। ২৬ জুন ২০১৭। ৫ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৭ National Archives এর মাধ্যমে।
  48. "Why the Philippines Is America's Forgotten Colony"। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০১৭
  49. "Toasts of the President and President Walter Scheel of the Federal Republic of Germany During a Dinner Cruise on the Rhine River. | The American Presidency Project"www.presidency.ucsb.edu। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  50. US Embassy in Brazil ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০২০-০৭-১৩ তারিখে US Embassy in Brazil. Retrieved March 29, 2020.
  51. 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 "Immigrant and Emigrant Populations by Country of Origin and Destination"migrationpolicy.org। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। ১৪ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২১
  52. 2013 - Office for National Statistics
  53. "U.S. Citizen Services"Embassy of the United States Seoul, Korea। United States Department of State। ৩০ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০১২This website is updated daily and should be your primary resource when applying for a passport, Consular Report of Birth Abroad, notarization, or any of the other services we offer to the estimated 120,000 U.S. citizens traveling, living, and working in Korea.
    "North Korea propaganda video depicts invasion of South Korea, US hostage taking"Advertiser। Agence France-Presse। ২২ মার্চ ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৩According to official immigration figures, South Korea has an American population of more than 130,000 civilians and 28,000 troops.[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  54. No. of Foreign Nationals Residing in Korea Exceeds 2 Mil. in 2016 No-of-foreign-nationals-residing-in-korea-exceeds-2-mil-in-2016 (The Korea Economic Daily) ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১৭-০৮-১৯ তারিখে
  55. "Archived copy" (পিডিএফ)। ২৭ নভেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০১০{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: শিরোনাম হিসাবে আর্কাইভকৃত অনুলিপি (লিঙ্ক)
  56. "Costa Rica"। ২১ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০১৭
  57. "Australia's Population by Country of Birth"Australian Bureau of Statistics। ২৬ এপ্রিল ২০২২। ৫ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০২২
  58. "Résultats de la recherche - Insee"insee.fr। ৩ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০১৭
  59. "Census counts Japanese in the US"। ১২ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১২
  60. 2010 Chinese Census (from Wikipedia article Demographics of the People's Republic of China)
  61. 1 2 3 4 "US citizens in rush for offshore tax advice"Financial Times। ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯। ২৮ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০১৭
  62. "United States - International emigrant stock 2020 | countryeconomy.com"countryeconomy.com। ৩ জুলাই ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২২
  63. Gishkori, Zahid (৩০ জুলাই ২০১৫)। "Karachi has witnessed 43% decrease in target killing: Nisar"The Express Tribune। ৩ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৭Besides Afghans, 52,486 Americans, 79,447 British citizens and 17,320 Canadians are residing in the country, the interior minister added.
  64. "CBS StatLine"statline.cbs.nl। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০২০
  65. 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 "Immigrant and Emigrant Populations by Country of Origin and Destination"। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। ১৪ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২১
  66. see List of countries with foreign nationals in Lebanon
  67. U.S. Relations With Panama, ৪ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০১৯
  68. Vidal, Roberto (২০১৩)। "Chapter III: Public Policies on Migration in Colombia" (পিডিএফ)। Chiarello, Leonir Mario (সম্পাদক)। Public Policies on Migration and Civil Society in Latin America: The Cases of Argentina, Brazil, Colombia and Mexico (পিডিএফ) (1st সংস্করণ)। New York: Scalabrini International Migration Network। পৃ. ২৬৩–৪১০। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৯৮৪১৫৮১-৫-৭। ১৯ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭
  69. "2006 Census, Statistics New Zealand"। ২৪ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  70. "Archived copy" (পিডিএফ)। ২৪ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১২{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: শিরোনাম হিসাবে আর্কাইভকৃত অনুলিপি (লিঙ্ক)
  71. File:NonnationalsIreland2006.png
  72. Instituto Nacional de Estadística e Informática (অক্টোবর ২০১৮)। "Perú: Estadísticas de la Emigración Internacional de Peruanos e Inmigración de Extranjeros, 1990 – 2017" (পিডিএফ)Organización Internacional para las Migraciones (OIM)। Ministerio de Relaciones Exteriores - RREE: ৮৫। ১৩ জুলাই ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২০ Database এর মাধ্যমে।
  73. "Relatório de Imigração, Fronteiras e Asilo 2022" (পিডিএফ)
  74. "Statistikbanken"statistikbanken.dk। ২৮ আগস্ট ২০০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০১৭
  75. Foreigners, total by citizenship as at 31 December 2018 1) ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৯ এপ্রিল ২০২০ তারিখে. Czech Statistical Office.
  76. "Table 4 Persons with immigrant background by immigration category, country background and gender. 1 January 2012"। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩
  77. "Väestö 31.12. muuttujina Maakunta, Syntymävaltio, Ikä, Sukupuoli, Vuosi ja Tiedot"Tilastokeskuksen PX-Web tietokannat। ১৫ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০২০
  78. (স্পেনীয় ভাষায়) Perfil Migratorio de Guatemala ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১৬-০৩-০৫ তারিখে Organización Internacional para las Migraciones (OIM) (2012)
  79. "Resident Foreign Population in Portugal - United States of America"। ১০ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০২৩
  80. "Immigration to Uruguay" (পিডিএফ) (স্পেনীয় ভাষায়)। INE। ১৬ আগস্ট ২০১৩ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১৩
  81. Russian Census (2002), Basic Result ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত জুলাই ১৯, ২০১১ তারিখে: table 4.1. National composition of population ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১১-০৬-০৯ তারিখে, table 4.5. Population by citizenship ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১১-০৬-০৯ তারিখে, table 8.3. Population stayed temporarily on the territory of the Russian Federation by country of usual residence and purpose of arrival
  82. Federal State Statistics Service, table 5.9. International Migration: in Russian ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১১-০৬-২৮ তারিখে, in English

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]