মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর
প্রতিরক্ষা বিভাগের সীলমোহর | |
প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রতীকচিহ্ন | |
আকাশ থেকে তোলা মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর পেন্টাগনের আলোকচিত্র | |
| সংস্থার রূপরেখা | |
|---|---|
| গঠিত | ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ (জাতীয় সামরিক প্রতিষ্ঠান নামে) |
| পূর্ববর্তী সংস্থা | |
| ধরন | নির্বাহী বিভাগ |
| যার এখতিয়ারভুক্ত | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকার |
| সদর দপ্তর | দ্য পেন্টাগন আর্লিংটন কাউন্টি, ভার্জিনিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩৮°৫২′১৬″ উত্তর ৭৭°৩′২১″ পশ্চিম / ৩৮.৮৭১১১° উত্তর ৭৭.০৫৫৮৩° পশ্চিম |
| কর্মী |
|
| বার্ষিক বাজেট | ৮৪,২০০ কোটি মার্কিন ডলার (২০২৪) |
| সংস্থা নির্বাহী | |
| অধিভূক্ত সংস্থা | |
| ওয়েবসাইট | defense.gov |
| মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী |
|---|
| নির্বাহী বিভাগ |
| কর্মী |
| সামরিক বিভাগ |
| সামরিক সেবা |
| কমান্ড কাঠামো |
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর, দ্বিতীয় নাম যুদ্ধ দপ্তর,[ক] হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের একটি নির্বাহী দপ্তর যা ছয়টি মার্কিন সশস্ত্র পরিষেবা তথা সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, নৌসেনাবাহিনী (মেরিন), বিমানবাহিনী, মহাকাশ বাহিনী, ক্ষেত্রবিশেষে উপকূল প্রহরী বাহিনী (কোস্ট গার্ড) এবং সংশ্লিষ্ট কার্যাবলী এবং সংস্থাগুলির সমন্বয় ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে নিয়োজিত। ২০২২ সালের নভেম্বর পর্যন্ত বিভাগটির অধীনে ছয়টি সশস্ত্র বাহিনীর ১৪ লক্ষেরও বেশি সক্রিয়-কর্তব্যরত উর্দিধারী কর্মী রয়েছে।[৩] অধিকন্তু বিভাগটি ৭ লক্ষ ৭৮ হাজারেরও বেশি জাতীয় রক্ষীবাহিনী (ন্যাশনাল গার্ড) এবং মজুদ কর্মী এবং ৭ লক্ষ ৪৭ হাজারেরও বেশি বেসামরিক লোকের তত্ত্বাবধান করে, যার ফলে বিভাগটির মোট কর্মচারীর সংখ্যা ২৯ লক্ষাধিক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন, ডি.সি.-র ঠিক বাইরে ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটন কাউন্টিতে পেন্টাগন নামক ভবনে বিভাগটির সদর দপ্তর অবস্থিত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের ঘোষিত লক্ষ্য হল "যুদ্ধ নিবৃত্তকরণ এবং জাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সামরিক বাহিনী সরবরাহ করা"।[৪][৫] বর্তমান প্রতিরক্ষা সচিব হলেন পিট হেগসেথ।
মার্কিন সরকারের প্রতিরক্ষা বিভাগের নেতৃত্বে থাকেন প্রতিরক্ষা সচিব, যিনি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রিপরিষদ পর্যায়ের একজন প্রধান এবং যিনি সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতিবেদন পেশ করেন। রাষ্ট্রপতি হলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। প্রতিরক্ষা বিভাগের অধীনে তিনটি অধস্তন সামরিক বিভাগ রয়েছে: সেনাবাহিনী বিভাগ, নৌ বিভাগ এবং বিমান বাহিনী বিভাগ । এছাড়া চারটি জাতীয় গোয়েন্দা পরিষেবা প্রতিরক্ষা বিভাগের অধীনস্থ: প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা, জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (NSA), জাতীয় ভূ-স্থানিক-গোয়েন্দা সংস্থা এবং জাতীয় তথ্যানুসন্ধান কার্যালয়।
প্রতিরক্ষা বিভাগের অন্যান্য সংস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে প্রতিরক্ষা অগ্রসর গবেষণা প্রকল্প সংস্থা (ডিফেন্স অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস এজেন্সি বা সংক্ষেপে ডার্পা DARPA), ডিফেন্স লজিস্টিকস এজেন্সি (প্রতিরক্ষা রসদ-স্থানান্তর সংস্থা), মিসাইল ডিফেন্স এজেন্সি (ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সংস্থা), ডিফেন্স হেলথ এজেন্সি (প্রতিরক্ষা স্বাস্থ্য সংস্থা), ডিফেন্স থ্রেট রিডাকশন এজেন্সি (প্রতিরক্ষা হুমকি হ্রাসকরণ সংস্থা), ডিফেন্স কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি এজেন্সি (প্রতিরক্ষা প্রতি-গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থা), স্পেস ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (মহাকাশ উন্নয়ন সংস্থা) এবং পেন্টাগন ফোর্স প্রোটেকশন এজেন্সি (পেন্টাগন বাহিনী সুরক্ষা সংস্থা), যার সবকটিই প্রতিরক্ষা সচিবের অধীনে কাজ করে। উপরন্তু, প্রতিরক্ষা চুক্তি ব্যবস্থাপনা সংস্থা প্রতিরক্ষা বিভাগের জন্য চুক্তিগুলি পরিচালনার দায়িত্বে থাকে। সামরিক অভিযানগুলি এগারোটি আঞ্চলিক বা কার্যকরী একীভূত যোদ্ধা পরিচালক মণ্ডলী (ইউনিফাইড কমব্যাট্যান্ট কম্যান্ড) দ্বারা পরিচালিত হয়। প্রতিরক্ষা বিভাগ আইজেনহাওয়ার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং জাতীয় যুদ্ধ মহাবিদ্যালয় (ন্যাশনাল ওয়ার কলেজ)-সহ বেশ কয়েকটি যৌথ পরিষেবা স্কুলও পরিচালনা করে।
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]- অস্ত্র শিল্প
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি ব্যবহার
- বৈশ্বিক আদেশ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
- জেড (পরিকল্পনা পদ্ধতি)
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ঠিকাদারের তালিকা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির তালিকা
- সামরিক-শিল্প সমবায়
- পারমাণবিক অস্ত্র
- বেসরকারি সামরিক কোম্পানি
- কেন্দ্রীয় প্রবিধানমালা সংহিতার ৩২নং শিরোনাম
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বদেশভূমি নিরাপত্তা বিভাগ
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধফেরত সৈন্য বিষয়ক বিভাগ
- যোদ্ধা খেলা
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "DoD Personnel, Workforce Reports & Publications"। Defense Manpower Data Center। ৩০ জুন ২০২৪। ৩ নভেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ জানুয়ারি ২০২৫।
- ↑ "Restoring the United States Department of War"। Federal Register। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৯ অক্টোবর ২০২৫।
- ↑ "The World's Biggest Employers"। Statista। ১১ নভেম্বর ২০২২। ৮ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "U.S. DEPARTMENT OF DEFENSE > Our Story"। www.defense.gov (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৭ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৮।
- ↑ Szoldra, Paul (২৯ জুন ২০১৮)। "Trump's Pentagon Quietly Made a Change to the Stated Mission It's Had for Two Decades"। Task & Purpose (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ জুন ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০১৮।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ↑ নির্বাহী আদেশ এ ২০২৫-এর অধীনে দপ্তরটির দ্বিতীয় নাম হিসেবে "যুদ্ধ দপ্তর" অনুমোদিত হয়েছে, বর্তমানে যেটি দপ্তর কর্তৃক পছন্দনীয় নাম।[২] তবে "প্রতিরক্ষা দপ্তর" নামটিই প্রাথমিক ও সংবিধিবদ্ধ নাম হিসেবে রয়ে গেছে, যেহেতু কংগ্রেসই কেবল আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো দপ্তরের পুনঃনামকরণ করতে পারে।
<ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="lower-alpha"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি