মারিলিন ম্যানসন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

টেমপ্লেট:তথ্যছক সংগীত শিল্পী ব্রায়ান হগ ওয়ার্নার (জন্ম ৫ জানুয়ারি, ১৯৬৯), পেশাগতভাবে মারিলিন ম্যানসন নামে পরিচিত, তিনি একজন আমেরিকান গায়ক, গীতিকার, সংগীতজ্ঞ, সুরকার, অভিনেতা, চিত্রকর, লেখক এবং প্রাক্তন সংগীত সাংবাদিক। তিনি তাঁর বিতর্কিত মঞ্চ ব্যক্তিত্ব ও মারিলিন ম্যানসন ব্যান্ডের মুখ্য গায়কের প্রতিমূর্তি হিসেবে পরিচিত, যার তিনি গিটারবাদক ডেইজি বার্কোইটজের সঙ্গে সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং  তিনিই একমাত্র ধারাবাহিকভাবে থাকা সদস্য। তাঁর মঞ্চের নাম হয়েছিল যুগ্মভাবে ও পাশাপাশি থাকা দু-জন আমেরিকান পপ সাংস্কৃতিক আইকন: অভিনেত্রী মারিলিন মনরো এবং ধর্মীয় নেতা চার্লস ম্যানসন দ্বারা।  

১৯৯০ নাগাদ তাঁর ব্যান্ডের মুক্তিপ্রাপ্ত রেকর্ডগুলোর জন্যেই তিনি অতি পরিচিত হন, বহুল প্রচলিত অ্যান্টিক্রাইস্ট সুপারস্টার  ও মেকানিক্যাল অ্যানিম্যালস, যেগুলো, তাঁর জনমোহিনী প্রতিরূপের সঙ্গে, তিনি মূলস্রোতের মাধ্যমে এক বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে প্রচার পান এবং যুবজনের মধ্যে একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। শুধুমাত্র আমেরিকাতেই, ব্যান্ডের অ্যালবামগুলো পেয়েছে তিনটে প্লাটিনাম, তিনটে সোনা এবং প্রথম দশের মধ্যে মুক্তিপ্রাপ্ত আটটা অ্যালবাম, তার মধ্যে দুটো সর্বোত্তম। ম্যানসন হিট প্যারাডার দ্বারা ১০০ হেভি মেটাল ভোকালিস্টের মধ্যে ৪৪ নম্বর স্থান দখল করেন, এবং চারটে গ্র্যামি পুরস্কারের জন্যে মনোনীত হন।  

ম্যানসন তাঁর চলচ্চিত্র যাত্রা শুরু করেন ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে ডেভিড লিঞ্চের David Lynch 'লস্ট হাইওয়ে' ছবিতে অভিনয় দিয়ে। তার আগে পর্যন্ত তিনি ছোটোখাটো চরিত্র ও প্রতিমূর্তির অভিনয় করেন। ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দের কলাম্বিয়ান ধ্বংসলীলার সম্ভাব্য প্রেষণা ও তাঁর সংগীতে কোনো কারণে অভিযোগের উপাদান সম্বন্ধে মাইকেল মুরের Michael Moore রাজনৈতিক প্রামাণ্য 'বোওলিং ফর কলাম্বাইন' ছবিতে ম্যানসন সাক্ষাৎকার দেন। ২০০২ খ্রিস্টাব্দের ১৩-১৪ সেপ্টেম্বর লস অ্যাঞ্জেলেসের কন্টেম্পোরারি এগজিবিশন সেন্টারে তাঁর প্রথম চিত্রকলা প্রদর্শনী 'দ্য গোল্ডেন এজ অফ গ্রোটেস্ক' অনুষ্ঠিত হয়। অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় কুন্সথাল্লে প্রদর্শশালার শোকেসে ২০১০ খ্রিস্টাব্দে তিনি ২০টা ছবির 'জেনেলজিস অফ পেইন' এক চিত্রমালার উদ্ঘাটন করেন। [১] শিল্পী এটা ডেভিড লিঞ্চের সঙ্গ যৌথ উদ্যোগে চালান।

References[সম্পাদনা]

  1. "Marilyn Manson's art 'scarier than music'"The Age (Melbourne)। জুন ৩০, ২০১০। জুলাই ১, ২০১০-এ মূল থেকে আর্কাইভ