মারিয়া দে জায়াস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
দে জায়াসের কোট অব আর্মস

মারিয়া দে জায়াস ওয়াই সতোমেয়র (স্পেনীয়: María de Zayas; জন্ম: ১২ সেপ্টেম্বর, ১৫৯০ -মৃত্যু: ১৬৬১) মাদ্রিদে জন্মগ্রহণকারী স্পেনীয় সাহিত্যের স্বর্ণযুগের প্রমিলা লেখক ছিলেন। অনেকসংখ্যক আধুনিক সমালোচকদের মতে, আধুনিক নারীবাদী সাহিত্যের অগ্রপথিক তিনি। অন্যদিকে কারও কারও মতে, মারিয়া দে জায়াস সাধারণ জনপ্রিয় লেখক হিসেবে পরিচিত। দে জায়াসের লিখিত গল্পের নারী চরিত্রগুলো স্পেনীয় সমাজে গাড়ী থেকে আলোকিত পাঠক পর্যন্ত সীমাবদ্ধ অথবা তাঁদেরকে সঠিক পথে থেকে জীবনযাত্রা করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

পদাতিক বাহিনীর ক্যাপ্টেন ফার্নান্দো দ্য জায়াস ওয়াই সতোমেয়র এবং মারিয়া কাতালিনা দে বারাসা'র কন্যা ছিলেন তিনি। ১২ সেপ্টেম্বর, ১৫৯০ তারিখে স্যান সেবাস্তিয়ান চার্চে তাঁর বাপ্তিষ্মা হয়।

১৬৩৭ সালে দে জায়াস তাঁর প্রথম উপন্যাসসমগ্র নভেলাস আমোরোসাস ওয়াই এজিমপ্লারেস জারাগোজা থেকে প্রকাশ করেন। দশ বছর পর তিনি তাঁর দ্বিতীয় সংগ্রহ দেসেনগানোস আমোরোসাস প্রকাশিত হয়। লা ট্রাইসিওন এন লা আমিস্তাদ শীর্ষক নাটক রচনাসহ অনেকগুলো কবিতাও রচনা করেন দে জায়াস।

তিনি তাঁর সময়কালে বেশ কিছুসংখ্যক সেরা পুরুষ লেখকদের কাছ থেকেও মূল্যায়িত হয়েছিলেন। তাঁর অন্যতম শুভাকাঙ্খী ছিলেন লোপ দ্য ভেগা[১] তিনি তাঁর বেশ কয়েকটি কবিতা তাঁকে উৎসর্গ করেছিলেন। এছাড়াও, আলন্সো দ্য কাস্তিলো সলোরজানো তাঁকে সিবিলা দে মাদ্রিদ নামে নামাঙ্কিত করেন।

মূল্যায়ণ[সম্পাদনা]

সপ্তদশ ও অষ্টাদশ শতকে তাঁর কর্মগুলো স্বীকৃতি পেলেও উনবিংশ শতকে তাঁর প্রভাব কমতে থাকে। বিংশ শতকের শেষদিকে এগুলোর আকর্ষণ একেবারেই কমে যায়।

দে জায়াসের সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য কীর্তি হচ্ছে ১৬৩৭ সালে প্রকাশিত নভেলাস আমোরোসাস ওয়াই এজিমপ্লারেস। এমিলিয়া পার্দো বাজান আরও একবার জায়াসের সাহিত্যকর্মকে সম্মুখে নিয়ে এসেছিলেন। বাজান মাদ্রিদের অভিজাত সম্প্রদায়কে ঘিরে গল্পগুলো লিখেছেন। বিংশ শতাব্দীতে এসেও স্পেনের নারীবাদী সাহিত্যে মাত্র এক কিংবা দুইজন লেখিকা রয়েছেন। কিন্তু সপ্তদশ শতকে দে জায়াস ও অন্যান্য লেখকসহ তাঁর অনুসারী স্পেনীয় আনা কারো ও ইংল্যান্ডের আফরা বেন[১] শিক্ষানুরাগীদের কাছে চলে এসেছেন বা নতুন করে তাঁদের কাছে প্রথম স্তরের কাজকর্মে পুণরায় আবিষ্কৃত হচ্ছেন।

তাঁর মৃত্যুর সঠিক তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। মৃত্যুর সনদগুলোয় ১৬৬১ ও ১৬৬৯ লেখা রয়েছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "CATHOLIC ENCYCLOPEDIA: Felix de Lope de Vega Carpio"newadvent.org। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৫ 

গ্রন্থপঞ্জী[সম্পাদনা]

  • Margaret R. Greer and Elizabeth Rhodes (ed. and tr.), María de Zayas y Sotomayor: Exemplary Tales of Love and Tales of Disillusion (Chicago, 2009) (The Other Voice in Early Modern Europe).
  • Frederick A. de Armas, The Invisible Mistress: Aspects of Feminism and Fantasy in the Golden Age, (Charlottesville: Biblioteca Siglo de Oro, 1976)
  • Marina S. Brownlee, The Cultural Labyrinth of María de Zayas, (Philadelphia: University of Pennsylvania Press, 2000).
  • Margaret Greer, Maria de Zayas Tells Baroque Tales of Love and the Cruelty of Men (University Park: Penn State University Press, 2000)
  • Daniel L. Heiple, "Profeminist Reactions to Huarte's Misogyny in Lope de Vega's La prueba de los ingenios and María de Zayas's Novelas amorosas y ejemplares. Stoll, Anita K. and Dawn L. Smith, (eds.). The Perception of Women in Spanish Theater of the Golden Age. (Lewisburg: Bucknell University Press, 1991), 121–34.
  • Elizabeth J. Ordóñez, "The Woman and her Text in the Works of María de Zayas and Ana Caro," Revista de Estudios Hispánicos, 19 (1985), 3–15.
  • Lisa Vollendorf, Reclaiming the body: María de Zayas's early modern feminism (Chapel Hill: University of North Carolina Press, 2001)