মানস সরোবর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মানস সরোবর
অবস্থানতিব্বত, তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল
স্থানাঙ্ক30°40′25.68″N, 81°28′07.90″Eস্থানাঙ্ক: 30°40′25.68″N, 81°28′07.90″E
পৃষ্ঠতল অঞ্চল৩২০ বর্গ কিলোমিটার
গড় গভীরতা৯০ মিটার (৩০০ ফুট)
পৃষ্ঠতলীয় উচ্চতা৪,৫৫৬ মিটার
হিমায়িতশীতকাল

মানস সরোবর (সংস্কৃত: मानस सरोवर; তিব্বতি: མ་ཕམ་གཡུ་མཚོ།ওয়াইলি: ma-pham g.yu-mtsho, ZYPY: Mapam Yumco; সরলীকৃত চীনা: 玛旁雍错; প্রথাগত চীনা: 瑪旁雍錯) লাসা থেকে ২০০ কিমি দুরে তিব্বতে অবস্থিত একটি মিষ্ট জলের হ্রদ। "মানস সরোবর" শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ হল মনের সরোবর। মানস সরোবরের পশ্চিমদিকে রাক্ষসতল হ্রদ এবং উত্তর দিকে কৈলাস পর্বত দ্বারা বেষ্টিত।

সাংস্কৃতিক তাৎপর্য[সম্পাদনা]

চিউ গুম্ফা থেকে দৃশ্যমান মানস সরোবর

এশিয় সংস্কৃতিতে মানস সরোবরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান রয়েছে। মুখ্যত বৌদ্ধধর্মাবলম্বী এবং হিন্দুধর্মাবলম্বীদের কাছে এই সরোবর একটি অত্যন্ত পবিত্র হ্রদ হিসেবে গণ্য হয়। বৌদ্ধধর্মানুসারে ত্রিপিটকে বর্ণিত অনবতপ্ত হ্রদই (পালি: অনোতত্ত) হল মানস সরোবর। প্রচলিত কিংবদন্তি অনুসারে এই মহাপবিত্র হ্রদের নিকটেই মায়াদেবী শাক্যমুনি বুদ্ধকে গর্ভে ধারণ করেছিলেন।

উপগ্রহচিত্রে কৈলাস পর্বতের সানুদেশে বাঁদিকে রাক্ষসতাল হ্রদ ও ডান দিকে মানস সরোবর

যাত্রা পথ[সম্পাদনা]

প্রথমে বিমানে দিল্লী থেকে কাঠমান্ডু ৷ তারপর নেপাল থেকে দক্ষিণপূর্ব তিব্বতে প্রবেশ করা ৷ ভারত সরকারের তত্ত্বাবধানেও প্রতিবছর কয়েকশ তীর্থযাত্রী কুমায়ুন হিমালয়ের মধ্যে দিয়ে দক্ষিণপশ্চিম তিব্বতে প্রবেশ করে ৷ কৈলাস ও মানস সরোবর পশ্চিম তিব্বতে অবস্থিত ৷ নেপাল হয়ে গেলে প্রায় অর্ধেক সময়ে এই যাত্রা করা যায় ৷

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]

হ্রদ ও হিমালয় পর্বত

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]