মাধব গাডগিল
মাধব গাডগিল | |
|---|---|
২০১৬ সালে মাধব গাডগিল | |
| জন্ম | মাধব ধনঞ্জয় গাডগিল ২৪ মে ১৯৪২ পুণে, বোম্বে প্রদেশ, ব্রিটিশ ভারত |
| মৃত্যু | ৭ জানুয়ারি ২০২৬ (বয়স ৮৩) পুণে, মহারাষ্ট্র, ভারত |
| সমাধি | বৈকুণ্ঠ শ্মশান, পুণে ১৮°৩০′৪১″ উত্তর ৭৩°৫০′৪২″ পূর্ব / ১৮.৫১১৩° উত্তর ৭৩.৮৪৪৯° পূর্ব |
| নাগরিকত্ব | ব্রিটিশ ভারত (১৯৪২–১৯৪৭) ভারত (১৯৪৭ সাল থেকে) |
| শিক্ষা | |
| মাতৃশিক্ষায়তন | |
| পরিচিতির কারণ | গাডগিল কমিশন |
| দাম্পত্য সঙ্গী | সুলোচনা গাডগিল |
| বৈজ্ঞানিক কর্মজীবন | |
| কর্মক্ষেত্র |
|
| অভিসন্দর্ভের শিরোনাম | লাইফ হিস্ট্রি স্ট্র্যাটেজিস: এ থিয়োরিটিক্যাল ইনভেস্টিগেশন (১৯৬৯) |
| ডক্টরেট উপদেষ্টা | উইলিয়াম এইচ. বোসার্ট |
মাধব ধনঞ্জয় গাডগিল (২৪ মে ১৯৪২ - ৭ জানুয়ারি ২০২৬) ছিলেন একজন ভারতীয় পরিবেশবিদ,[১] শিক্ষাবিদ, লেখক, কলামিস্ট এবং ভারতীয় বিজ্ঞান সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা।[২] এই বিজ্ঞান সংস্থাটি সেন্টার ফর ইকোলজিক্যাল সায়েন্সেসের একটি গবেষণা ইউনিট।[৩] তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা পরিষদের এককালীন সদস্য এবং ২০১০ সালের পশ্চিমঘাট ইকোলজি এক্সপার্ট প্যানেলের (ডব্লিউজিইইপি) প্রধান ছিলেন, এটি বর্তমানে গ্যাডগিল কমিশন নামে পরিচিত।[৪][৫]
গাডগিল ভলভো পরিবেশ পুরস্কার এবং পরিবেশগত অর্জনের জন্য টাইলার পুরস্কার পেয়েছিলেন। ভারত সরকার ১৯৮১ সালে তাঁকে চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার পদ্মশ্রী প্রদান করে এবং ২০০৬ সালে তৃতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার পদ্মভূষণ প্রদান করে।[৬] তিনি ২০২৪ সালে চ্যাম্পিয়নস অফ দ্য আর্থ সম্মান লাভ করেন।[৭]
প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষাজীবন
[সম্পাদনা]গাডগিলের জন্ম ১৯৪২ সালের ২৪ মে[৮][৯] পশ্চিম ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের পুনেতে। তাঁর মা ছিলেন প্রমীলা এবং বাবা ধনঞ্জয় রামচন্দ্র গাডগিল, যিনি একজন কেমব্রিজ পণ্ডিত,[১০] অর্থনীতিবিদ, গোখলে ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন পরিচালক এবং গাডগিল সূত্রের লেখক।[১১] মাধব গাডগিল ১৯৬৩ সালে পুনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্গুসন কলেজ থেকে জীববিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ১৯৬৫ সালে মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণিবিদ্যায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।[১২][১৩]
হার্ভার্ড শিক্ষা বছর
[সম্পাদনা]হার্ভার্ড মিউজিয়াম অফ কম্পারেটিভ জুওলজির মৎস্য বিভাগের তৎকালীন কিউরেটর জাইলস মিড গ্যাডগিলকে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের জন্য উৎসাহিত করেছিলেন। প্রাথমিকভাবে মিডের অধীনে গবেষণা করার ইচ্ছা পোষণ করলেও, গাডগিল পরে "সেই সময়ে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞানের বাস্তুসংস্থান-বিবর্তন শাখার সবচেয়ে উজ্জ্বল তরুণ তারকা" ইও উইলসনের বক্তৃতা শুনে বিষয় পরিবর্তন করেন এবং পরবর্তীতে উইলসনের প্রাক্তন ছাত্রদের একজন উইলিয়াম বোসার্টের নির্দেশনায় গাণিতিক বাস্তুবিদ্যা ও মাছের আচরণের ওপর ডক্টরেট গবেষণা করেন।[১০][১৪]
১৯৬৯ সালে তিনি এই গবেষণার ফলে পিএইচ.ডি. ডিগ্রি প্রাপ্ত হন।[১৫] পরবর্তীকালে, তিনি হার্ভার্ড কম্পিউটিং সেন্টারে গবেষণা ফেলো হিসেবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য আইবিএম থেকে ফেলোশিপ পান এবং একই সাথে দুই বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে জীববিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবে কাজ করেন।[১৫]
ভারতে ফিরে আসা
[সম্পাদনা]১৯৭১ সালে গাডগিল ভারতে ফিরে আসেন[১৬] এবং পুনের মহারাষ্ট্র অ্যাসোসিয়েশন ফর কাল্টিভেশন অফ সায়েন্সের আঘারকর রিসার্চ ইনস্টিটিউটে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি নেন। সেখানে তিনি দুই বছর ছিলেন।[১২] ১৯৭৩ সালে, তিনি বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত ভারতীয় বিজ্ঞান সংস্থায় (আইআইএসসি) যোগদান করেন এবং ত্রিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে এখানে সংযুক্ত ছিলেন। তিনি ২০০৪ সালে চেয়ারম্যান হিসেবে ইনস্টিটিউট থেকে অবসর গ্রহণ করেন।[১২] এই সময়কালে, তিনি আইআইএসসি-তে দুটি গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন, যেগুলির নাম হলো থিওরিটিক্যাল স্টাডিজ সেন্টার এবং দ্য সেন্টার ফর ইকোলজিক্যাল স্টাডিজ।[১৫] তিনি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৯১) এবং বার্কলের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (১৯৯৫) ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবেও কাজ করেন। আইআইএসসি থেকে অবসর গ্রহণের পর, তিনি ২০০৪ সালে আঘারকর গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাথে পুনরায় যুক্ত হওয়ার জন্য পুনেতে ফিরে আসেন[১২] এবং গোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং রিসার্চ প্রফেসর হিসেবে দামোদর ধর্মানন্দ কোসাম্বি চেয়ারে অধিষ্ঠিত হন।[১৭][১৮]
১৯৭৬ সালে, যখন কর্ণাটক সরকার রাজ্যের বাঁশ সম্পদ রক্ষার বিষয়টি খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন মাধব গাডগিলকে একটি সমীক্ষা চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সমীক্ষাটি সরকারকে বন-ভিত্তিক শিল্পগুলিতে দেওয়া ভর্তুকি প্রদান কমাতে প্রভাবিত করেছিল।[১৯] এক দশক পরে, ১৯৮৬ সালে, তাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য নিযুক্ত করা হয়, এই পদে তিনি ১৯৯০ সাল পর্যন্ত অধিষ্ঠিত ছিলেন।[১৯] এই সময়কালে, তিনি ১৯৮৬ সালে নীলগিরিতে দেশের প্রথম জীবমণ্ডল সংরক্ষণাগার প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় সহায়তা করেছিলেন।[১৯] ১৯৯৮ সালে, তিনি জাতিসংঘের অধীনে একটি সংস্থা, গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফেসিলিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা প্যানেলের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। তিনি এখানে ২০০২ সাল পর্যন্ত সভাপতিত্ব করেছিলেন। তিনি জাতীয় শিক্ষা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদের (এনসিইআরটি) পরিবেশগত শিক্ষা প্যানেলের সদস্য এবং জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।[২০] তিনি জাতীয় বাঘ সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষের সদস্য ছিলেন[১৯] এবং স্কুল পর্যায়ে পরিবেশগত শিক্ষা পাঠ্যক্রম প্রস্তাবকারী কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।[২১] ২০১০ সালে, যখন ভারত সরকার পশ্চিমঘাট পর্বতমালার সাথে সম্পর্কিত পরিবেশগত সমস্যাগুলি পরীক্ষা করার জন্য পশ্চিমঘাট ইকোলজি এক্সপার্ট প্যানেল (ডব্লিউজিইইপি) নামে একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করে, তখন তাঁকে প্যানেলের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়।[২২]
ব্যক্তিগত জীবন এবং মৃত্যু
[সম্পাদনা]কলেজ জীবনে সক্রিয় ক্রীড়াবিদ গাডগিল ১৯৫৯ এবং ১৯৬১ সালে যথাক্রমে মহারাষ্ট্র রাজ্য জুনিয়র এবং পুনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ লম্ফে রেকর্ড করেছিলেন। তিনি অল ইণ্ডিয়া ইউনিভার্সিটি অ্যাথলেটিক মিটে পুণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্বও করেছেন।[২৩] আবহাওয়াবিদ এবং হার্ভার্ডের একজন পণ্ডিত সুলোচনা গাডগিলের সাথে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ফার্গুসন কলেজে পড়ার সময় তাঁদের পরিচয় হয়েছিল।[১৬] এই দম্পতির মেয়ে একজন সাংবাদিক ও স্প্যানিশ শিক্ষক, এবং একটি ছেলে, একজন গণিতবিদ।[১৩][১৬] পরিবারটি তাঁদের নিজ শহর পুনেতে থাকেন। লেখক এ পি দেশপাণ্ডে মারাঠি ভাষায় তাঁর একটি জীবনীমূলক বই লিখেছেন, যার নাম বিদ্যান্যাত্রী - ডঃ মাধব গাডগিল।[২৪]
২০২৬ সালের ৭ জানুয়ারি তারিখে, ৮৩ বছর বয়সে গাডগিল পুনেতে মারা যান।[২৫][২৬] তিনি তাঁর পুত্র এবং কন্যাকে রেখে গেছেন, তাঁর স্ত্রী ২০২৫ সালের জুলাই মাসে মারা যান।[২৭]
অবদান
[সম্পাদনা]

গাডগিলের অন্যতম প্রধান অবদান হল ভারতের বাস্তুসংস্থান সংরক্ষণের প্রতি তাঁর প্রচেষ্টা। ১৯৮০-র দশকে তাঁর প্রাথমিক গবেষণাগুলি নীলগিরিকে ভারতের প্রথম জীবমণ্ডল সংরক্ষণাগার হিসেবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করেছে।[১৯] পশ্চিমঘাট ইকোলজি এক্সপার্ট প্যানেলের (ডব্লিউজিইইপি) চেয়ারম্যান হিসেবে, তিনি ২০১১ সালে একটি প্রতিবেদন জমা দেন,[২৮] যেখানে পশ্চিমঘাট অঞ্চলের প্রায় ৬৪ শতাংশকে পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল এলাকা (ইএসএ) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এটি পরবর্তীতে গাডগিল কমিশন নামে পরিচিত হয়েছিল।[২০] প্রতিবেদনটি নিয়ে সমর্থন এবং দ্বিমত দুটিই দেখা গিয়েছিল,[২৯] পরিবেশবিদরা সুপারিশগুলিকে স্বাগত জানান এবং প্রতিবেশী রাজ্যগুলির রাজ্য সরকার ও কেরালার সাইরো-মালাবার ক্যাথলিক চার্চ এটির বিরোধ করে।[২২][২৮] পরবর্তীতে এটি কস্তুরীরঙ্গন কমিশনের পথ প্রশস্ত করে, যা রাজ্য সরকারগুলির কাছে সুপারিশগুলিকে আরও গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে নিয়ে যায়।[২০] ভারতে বাস্তুতন্ত্র ও প্রাণী আচরণের পরিমাণগত তদন্ত প্রবর্তন এবং বাস্তুতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য অনেকেই তাঁকে কৃতিত্ব দিয়েছেন।[১৯][৩০] খসড়া কমিটির সদস্য হিসেবে জৈবিক বৈচিত্র্য আইন ২০০২[৩১] প্রণয়নে তাঁর অবদানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে এবং জনগণের জীববৈচিত্র্য নিবন্ধনের জন্য তিনি যে ম্যানুয়ালটি প্রস্তুত করেছিলেন তা জাতীয় জীববৈচিত্র্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত হয়েছে।[২৩] স্থানীয় সংস্থা পর্যায়ে জীববৈচিত্র্য তালিকা তৈরিতে তিনি তখনও কর্তৃপক্ষের সাথে যুক্ত ছিলেন।[২৩]
জনসংখ্যা জীববিজ্ঞান, সংরক্ষণ জীববিজ্ঞান, মানব বাস্তুবিদ্যা এবং পরিবেশগত ইতিহাসের ক্ষেত্রে ব্যাপক গবেষণা করার জন্য গাডগিল পরিচিত। তাঁর গবেষণাগুলি বিভিন্ন জার্নাল এবং ম্যাগাজিনে প্রকাশিত[১২] ২৫০ টিরও বেশি বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ দ্বারা নথিভুক্ত করা হয়েছে।[৩২] অল্প বয়সেই তিনি লেখালেখির প্রতি ঝোঁক তৈরি করেন এবং তাঁর প্রথম প্রকাশনা ছিল প্রাণী আচরণের ওপর দশটি প্রবন্ধের একটি সিরিজ, যা তাঁর দশম শ্রেণীতে পড়াকালীন মারাঠি ভাষার বিজ্ঞান পত্রিকা সৃষ্টিজ্ঞান-এ প্রকাশিত হয়েছিল।[১৯] তাঁর ডক্টরেট থিসিসটি একটি উচ্চ উদ্ধৃতিপ্রাপ্ত অনন্য কাজ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।[১৯][৩৩] তিনি ১৯৯২ সালে ইংরেজিতে ভারতের পরিবেশগত ইতিহাসের ওপর তাঁর প্রথম বই দিস ফিসারড ল্যাণ্ড প্রকাশ করেন।[৩৪] পরবর্তী বই, ইকোলজি অ্যাণ্ড ইক্যুইটি: দ্য ইউজ অ্যাণ্ড অ্যাবিউজ অফ নেচার ইন কনটেম্পোরারি ইণ্ডিয়া[৩৫] ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত হয়, এটির সহ-লেখক ছিলেন রামচন্দ্র গুহ। এরপর ১৯৯৮ সালে পি আর শেষগিরি রাওয়ের সহ-লেখনীতে নার্চারিং বায়োডাইভারসিটি: অ্যান ইণ্ডিয়ান এজেণ্ডা প্রকাশিত হয়।[৩৬] ২০০৫ সালে, তিনি দুটি বই প্রকাশ করেন, ডাইভারসিটি": দ্য কর্ণারস্টোন অফ লাইফ[৩৭] এবং ইকোলজিক্যাল জার্নি।[৩৮] সংরক্ষণ ও পরিবেশে পিউ ফেলো হিসেবে তাঁর দায়িত্বের অংশ হিসেবে,[৩৯] তিনি পিপলস বায়োডাইভারসিটি রেজিস্টার তৈরিতে অবদান রেখেছেন এবং পিপলস বায়োডাইভারসিটি রেজিস্টার: এ মেথডোলজি ম্যানুয়াল নামে একটি ম্যানুয়াল প্রকাশ করেছেন।[৪০] তাঁর কিছু বই বহু ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং একাডেমিক অধ্যয়নের জন্য পাঠ্য হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে।[২৯] তিনি মারাঠি ভাষায় দুটি বইও প্রকাশ করেছেন,[১৭] নিসর্গনিয়োজন লোকসহভাগনে এর মধ্যে একটি।[৩৩] এছাড়াও তিনি মারাঠি ভাষায় ৪০ টিরও বেশি প্রবন্ধ লিখেছেন এবং ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দ্য হিন্দুতে প্রাকৃতিক ইতিহাসের ওপর একটি পাক্ষিক কলাম পরিচালনা করেছেন।[২৩] তিনি মারাঠি দৈনিক, সকালে একটি মাসিক কলাম পরিচালনা করেছেন।[২৩]
- বই
- Madhav Gadgil, Ramachandra Guha (১৯৯২)। This Fissured Land। Oxford University Press India। পৃ. ৩১২। আইএসবিএন ৯৭৮০১৯৮০৭৭৪৪২।
- Madhav Gadgil, Ramachandra Guha (১৯৯৫)। Ecology and Equity: The Use and Abuse of Nature in Contemporary India। Routeledge। পৃ. ২২৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০৪১৫১২৫২৪৬।
- Madhav Gadgil, P. R. Seshagiri Rao (১৯৯৮)। Nurturing Biodiversity: An Indian Agenda। Centre for Environment Education। পৃ. ১৬৩। আইএসবিএন ৯৭৮৮১৮৬৩৮৫১৩৫।
- Madhav Gadgil (২০০৫)। Diversity : The cornerstone of life। Vigyan Prasar। পৃ. ৬৪। আইএসবিএন ৮১৭৪৮০০২৬৩।
- Madhav Gadgil (২০০৫)। Ecological Journeys। Orient Blackswan। পৃ. ২৫৭। আইএসবিএন ৯৭৮৮১৭৮২৪১১২৮।
- Madhav Gadgil (2013), Science, democracy and ecology in India. Nehru Memorial Museum & Library আইএসবিএন ৯৭৮-৮১৮৭৬১৪৭৬০[২৬]
পুরস্কার এবং স্বীকৃতি
[সম্পাদনা]
১৯৮৪ সালে ভারতীয় জাতীয় বিজ্ঞান একাডেমী (আইএনএসএ) তাঁকে তাদের ফেলো হিসেবে নির্বাচিত করে।[১২] ছয় বছর পর, ভারতের আরও দুটি প্রধান বিজ্ঞান একাডেমি, ভারতীয় বিজ্ঞান একাডেমী (আইএএস)[৯] এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস, ইন্ডিয়া (এনএএসআই ), ১৯৯০ সালে তাঁকে ফেলো হিসেবে নির্বাচিত করে।[৪১] তিনি থার্ড ওয়ার্ল্ড একাডেমি অফ সায়েন্সেস (টিডব্লিউএএস) এর ফেলো, অ্যাসোসিয়েশন ফর ট্রপিক্যাল বায়োলজি অ্যাণ্ড কনজারভেশনের (এটিবিসি) সম্মানসূচক ফেলো এবং পশ্চিমঘাট পর্বতমালায় তাঁর ক্ষেত্র গবেষণার জন্য পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের জাতীয় পরিবেশ ফেলোশিপের প্রাপক ছিলেন।[৪২] ১৯৯১ সালে তিনি মার্কিন ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেসের বিদেশী সহযোগী হিসেবে নির্বাচিত হন[৪৩] এবং তিনি ব্রিটিশ ইকোলজিক্যাল সোসাইটি ও আমেরিকার ইকোলজিক্যাল সোসাইটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[৩][৪২]
ভারত সরকার ১৯৮১ সালে তাঁকে চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মশ্রী প্রদান করে[৬] এবং স্বায়ত্তশাসিত সরকারি সংস্থা বৈজ্ঞানিক ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (সিএসআইআর) ১৯৮৬ সালে তাঁকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ভারতীয় পুরস্কার শান্তি স্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার প্রদান করে।[৪৪] এর মধ্যে, ১৯৮৩ সালে, কর্ণাটক সরকার তাঁকে তাদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার রাজ্যোৎসব প্রশস্তিতে ভূষিত করে।[২৩] তাঁর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ২০০২ সালে তাঁকে হার্ভার্ড শতবর্ষ পদক প্রদান করে, যা তাদের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রের কৃতিত্বের জন্য দেওয়া হয়।[৪৫] পরের বছর, তিনি বাংলাদেশের সামাজিক উদ্যোক্তা মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে ২০০৩ সালের ভলভো পরিবেশ পুরস্কার ফাউণ্ডেশনের ভলভো পরিবেশ পুরস্কার ভাগ করে নেন।[৪৬]
২০০৬ সালে গাডগিল ভারত সরকারের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার পদ্মভূষণ লাভ করেন[৬] এবং এক বছর পর, ২০০৭ সালে এইচ কে ফিরোদিয়া ফাউণ্ডেশনের এইচ কে ফিরোদিয়া পুরস্কার তাঁর হাতে আসে।[৪৭] ২০১৩ সালে ওড়িশার কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডক্টর অফ সায়েন্স (অনারিস কাউসা) ডিগ্রি প্রদান করে[৩০] এবং ২০১৪ সালে পশ্চিমঘাট ইকোলজি এক্সপার্ট প্যানেল (ডব্লিউজিইইপি) এবং এর চেয়ারম্যানের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দ্য এনার্জি অ্যাণ্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউট (টিইআরআই) তাঁকে জর্জেস্কু-রোজেন পুরস্কার প্রদান করে।[৪৮] ২০১৫ সালে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে পরিবেশগত অর্জনের জন্য জন অ্যাণ্ড অ্যালিস টাইলার পুরস্কার প্রদান করে, যা তিনি ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটির বিশিষ্ট অধ্যাপক জেন লুবচেঙ্কোর সাথে ভাগ করে নেন।[২৯] তিনি এমএস স্বামীনাথনের পরে দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।[৪৯] তিনি বিক্রম সারাভাই পুরস্কার এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর পুরস্কারেরও প্রাপক।[২৩]
২০১৯ সালের ৬ই জানুয়ারী তারিখে তিনি তাঁর মাতৃ-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ফার্গুসন কলেজ থেকে একজন অসাধারণ প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে ফার্গুসন গৌরব পুরস্কার ২০১৯ লাভ করেন। ২০২৪ সালে জাতিসংঘ তাঁকে চ্যাম্পিয়নস অফ দ্য আর্থ পুরস্কার প্রদান করে।[৭]
নামকরণ
[সম্পাদনা]এলিওকার্পাস গাডগিলি হলো একটি গাছের প্রজাতি যা ২০২১ সালে ভারতের কেরালা রাজ্যের পালক্কাদ জেলার নেল্লিয়াম্প্যাথি পাহাড় থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে। প্রখ্যাত পরিবেশবিদ মাধব গাডগিলের সম্মানে এই গাছটির নামকরণ করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Gadgil, Madhav। "My Fundays"। The telegraph। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০১২।
- ↑ "Centre for Ecological Sciences"। Indian Institute of Science। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- 1 2 "HONORARY MEMBERSHIP AWARD" (পিডিএফ)। Ecological Society of America। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৫।
- ↑ "FDI does not benefit any country"। ReDiff Business। ২৭ জুলাই ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৫।
- ↑ "Report of the Western Ghats Ecology Expert Panel" (পিডিএফ)। Ministry of Environment and Forests। ২০১৫। ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৫।
- 1 2 3 "Padma Awards" (পিডিএফ)। Ministry of Home Affairs, Government of India। ২০১৫। ১৫ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৫।
- 1 2 PTI (১০ ডিসেম্বর ২০২৪)। "Ecologist Madhav Gadgil gets U.N.'s highest environmental honour, says he 'stood up for what's right'"। The Hindu (ভারতীয় ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0971-751X। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০২৪।
- ↑ "Madhav Gadgil was a nation builder: Jairam Ramesh"। Deccan Herald (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 "IAS Fellow"। Indian Academy of Sciences। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- 1 2 Gadgil, M. (সেপ্টেম্বর ১৯৯৩)। "In love with life"। Seminar (409): ২৫–৩০।
- ↑ "Shri. Dhananjayrao Gadgil"। Saharakar Bharati। ২০১৫। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০১৫।
- 1 2 3 4 5 6 "INSA Fellow"। Indian National Science Academy। ২০১৫। ১২ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৫।
- 1 2 Ramachandra Guha (২০০৬)। How Much Should a Person Consume?: Environmentalism in India and the United States। University of California Press। পৃ. ২৬২। আইএসবিএন ৯৭৮০৫২০২৪৮০৩৮।
- ↑ (Michael L. Lewis 2003)
- 1 2 3 "2015 Tyler Laureates"। University of Southern California। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৫।
- 1 2 3 Sulochana Gadgil (২০১৫)। "My tryst with the monsoon" (পিডিএফ)। Indian Academy of Sciences। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০২১।
- 1 2 "Visiting Research Professor"। University of Goa। ২০১৫। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- ↑ "Madhav Gadgil to file Goa's ecological history"। VN। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 "Indian Institute of Astrophysics profile"। Indian Institute of Astrophysics। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৫।
- 1 2 3 "Why India must protect the Western Ghats from getting lost"। Hindustan Times। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৫।
- ↑ "User profile"। Encyclopedia of Earth। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- 1 2 "Gadgil committee recommendations on Western Ghats ideal, practical: Experts"। Times of India। ২৯ আগস্ট ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৫।
- 1 2 3 4 5 6 7 "National Institute of Engineering profile" (পিডিএফ)। National Institute of Engineering। ২০১৫। ৫ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- ↑ A. P. Deshpande (২০১১)। Vidnyanyatri – Dr. Madhav Gadgil। Rajhans Prakashan। আইএসবিএন ৯৭৮৮১৭৪৩৪৫৫১৬। ২৯ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- ↑ "Renowned ecologist Madhav Gadgil passes away at 82"। The Hindu (ভারতীয় ইংরেজি ভাষায়)। ৮ জানুয়ারি ২০২৬। আইএসএসএন 0971-751X। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 "ज्येष्ठ पर्यावरण तज्ज्ञ माधव गाडगीळ यांचे निधन, वयाच्या ८३ व्या वर्षी घेतला अखेरचा श्वास"। Lokmat। ৮ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Veteran ecologist, Madhav Gadgil, passes away in Pune after brief illness"। Hindustan Times (ইংরেজি ভাষায়)। ৮ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 "Vested interests harm Western Ghats"। Deccan Herald। ২৮ মার্চ ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- 1 2 3 "Tyler Prize"। University of Southern California। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- 1 2 "Central University of Orissa DSc"। 2013। Odisha Samachar। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "People's Biodiversity Registers"। Centre for Ecological Sciences। ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- ↑ "IAS Open Access Repository"। Indian Academy of Sciences। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- 1 2 "National Institute of Ecology profile"। National Institute of Ecology। ২০১৫। ৬ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- ↑ Madhav Gadgil, Ramachandra Guha (১৯৯২)। This Fissured Land। Oxford University Press India। পৃ. ৩১২। আইএসবিএন ৯৭৮০১৯৮০৭৭৪৪২।
- ↑ Madhav Gadgil, Ramachandra Guha (১৯৯৫)। Ecology and Equity: The Use and Abuse of Nature in Contemporary India। Routeledge। পৃ. ২২৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০৪১৫১২৫২৪৬।
- ↑ Madhav Gadgil, P. R. Seshagiri Rao (১৯৯৮)। Nurturing Biodiversity: An Indian Agenda। Centre for Environment Education। পৃ. ১৬৩। আইএসবিএন ৯৭৮৮১৮৬৩৮৫১৩৫।
- ↑ Madhav Gadgil (২০০৫)। Diversity : The cornerstone of life। Vigyan Prasar। পৃ. ৬৪। আইএসবিএন ৮১৭৪৮০০২৬৩।
- ↑ Madhav Gadgil (২০০৫)। Ecological Journeys। Orient Blackswan। পৃ. ২৫৭। আইএসবিএন ৯৭৮৮১৭৮২৪১১২৮।
- ↑ "PEW Fellow"। The PEW Charitable Trusts। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- ↑ Madhav Gadgil (২০০৬)। "Ecology is for the People: A Methodology Manual for People's Biodiversity Register" (পিডিএফ)। Centre for Ecological Sciences। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- ↑ "NASI Fellow"। National Academy of Sciences India। ২০১৫। ২১ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- 1 2 "Honorary Fellow ATBC"। Association for Tropical Biology and Conservation। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- ↑ "Foreign Associate"। [U.S. National Academy of Sciences। ২০১৫। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- ↑ "Shanti Swarup Bhatnagar Prize"। Council of Scientific and Industrial Research। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- ↑ "Harvard Centennial Medal"। Harvard University। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- ↑ "Volvo Environment Prize"। The Volvo Environment Prize Foundation। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- ↑ "H K Firodia awards"। H K Firodia Foundation। ২০১৫। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- ↑ "Georgescu-Roegen Award"। The Energy and Resources Institute। ২০১৫। ৪ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
আরও পড়ুন
[সম্পাদনা]- Michael L. Lewis (২০০৩)। "Modern Ecology Comes to India"। Inventing Global Ecology: Tracking the Biodiversity Ideal in India, 1947–1997। Ohio University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮২১৪-১৫৪০-৫।
- "Report of the Western Ghats Ecology Expert Panel" (পিডিএফ)। Ministry of Environment and Forests। ২০১৫। ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৫।
- Madhav Gadgil (২০০৬)। "Ecology is for the People: A Methodology Manual for People's Biodiversity Register (Full Text)" (পিডিএফ)। Centre for Ecological Sciences। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- A. P. Deshpande (২০১১)। Vidnyanyatri – Dr. Madhav Gadgil। Rajhans Prakashan। আইএসবিএন ৯৭৮৮১৭৪৩৪৫৫১৬। ২৯ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- Gadgil, M. (সেপ্টেম্বর ১৯৯৩)। "In love with life"। Seminar (409): ২৫–৩০।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- "Home Page on IISc"। Faculty home page। Indian Institute of Science। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
- "A dialougue on Development & Environment"। Students in conversation with Dr. Madhav Gadgil and Dr. Amit Bhaduri- YouTube video। Goa University। ৩১ জানুয়ারি ২০১৪। ২৫ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৫।
টেমপ্লেট:SSBPST recipients in Biological Scienceটেমপ্লেট:Padma Shri Award Recipients in Civil Service
- ভারতীয় পরিবেশবিদ
- ২০শ শতাব্দীর ভারতীয় জীববিজ্ঞানী
- ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলির শিক্ষক
- স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক
- মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- সাবিত্রীবাই ফুলে পুণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- ওয়ার্ল্ড একাডেমি অফ সায়েন্সেস এর সভ্য
- হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক
- ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস, ইন্ডিয়ার সভ্য
- ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেসের সভ্য
- ভারতীয় জাতীয় বিজ্ঞান একাডেমীর সভ্য
- ভারতীয় বাস্তুবিদ
- জীববিজ্ঞানে শান্তি স্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার প্রাপক
- হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে পদ্মভূষণ প্রাপক
- সিভিল সার্ভিসে পদ্মশ্রী প্রাপক
- ২০২৬-এ মৃত্যু
- ১৯৪২-এ জন্ম