মাতারবাড়ি বন্দর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মাতারবাড়ি বন্দর
অবস্থান
দেশবাংলাদেশ
অবস্থানমাতারবাড়ি, মহেশখালী উপজেলা, কক্সবাজার
স্থানাঙ্ক২১°৫৯′২০″ উত্তর ৯০°১৬′৪৫″ পূর্ব / ২১.৯৮৯০° উত্তর ৯০.২৭৯২° পূর্ব / 21.9890; 90.2792স্থানাঙ্ক: ২১°৫৯′২০″ উত্তর ৯০°১৬′৪৫″ পূর্ব / ২১.৯৮৯০° উত্তর ৯০.২৭৯২° পূর্ব / 21.9890; 90.2792
বিস্তারিত
চালু২০২৩ (2023)
মালিকমাতারবাড়ি বন্দর কর্তৃপক্ষ
পোতাশ্রয়ের প্রকারগভীর সমুদ্র বন্দর
পরিসংখ্যান
ন্যাভিগেশন চ্যানেলের দৈর্ঘ্য১৫ কিলোমিটার
ন্যাভিগেশন চ্যানেলের বিস্তৃত৩৫০ মিটার
খসড়া গভীরতা১৬.৩ মিটার

মাতারবাড়ি বন্দর হল বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের, কক্সবাজার জেলার, মাতারবাড়ি এলাকার প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দর। [১] কক্সবাজার জেলার মহেশখালীতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য আনা কয়লাবাহী জাহাজ ভেড়ানো জেটিকে সম্প্রসারণ করে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক বন্দর হিসাবে নির্মাণ করা হবে। এই বন্দরে অন্তত ১৬ দশমিক ৩ মিটার গভীরের জাহাজ অনায়াসে প্রবেশ করতে পারবে। প্রস্তাবিত মাতারবাড়ি বন্দরের গভীরতা ১৬ দশমিক ৩ মিটার হওয়ায় প্রতিটি জাহাজ ৮ হাজারের বেশি কন্টেইনার আনতে পারবে।[২] বর্তমানে, ৯-মিটারের চেয়ে কম খসড়া গভীরতার জাহাজ দেশের দুটি সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম এবং মোংলাতে প্রবেশ করতে পারে। মাতারবাড়ি বন্দর স্থাপনের কাজে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি চ্যানেল তৈরি করবে জাইকা। প্রধান ন্যাভিগেশনাল চ্যানেল ৩৫০ মিটার চওড়া হবে। সে সাথে বন্দরের অর্থায়নে নির্মাণ করা হবে ১০০ মিটার দীর্ঘ জেটি।

২০২২ সালের নভেম্বর গভীর সমুদ্রবন্দরটির বহুমুখী টার্মিনাল কন্টেইনার জাহাজের জন্য প্রস্তুত হবে এবং ২০২২ সালের আগস্টের মধ্যে একটি কয়লা টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে।[৩]

প্রথম দফায়[সম্পাদনা]

নির্মাণের প্রথম পর্যায়ে কন্টেইনার টার্মিনালটি ১৮ হেক্টর জমিতে নির্মিত হবে, ৪৬০ মিটার দীর্ঘ বার্থ থাকবে, ৮,০০০ টিইইউ জাহাজ ধারণ করতে সক্ষম হবে এবং এর বার্ষিক ক্ষমতা ৬,০০,০০০ থেকে ১.১ মিলিয়ন টিইইউ হবে।

পরে, কনটেইনার টার্মিনাল প্রসারিত করা হবে, ৭০ হেক্টর জমিতে, এই পর্যায়ে একটি ১,৮৫০-মিটার বার্থ থাকবে, এবং এর বার্ষিক ক্ষমতা হবে ২.৮ মিলিয়ন-টন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]