মাখামরা পরিবার
المخامرة | |
|---|---|
| মোট জনসংখ্যা | |
| অধিকাংশ ইয়াত্তা শহরে; এছাড়াও আল-কারমিল, খিরবেত আত-তুওয়ানি ও মা'ইনে বসবাস | |
| উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার অঞ্চল | |
| ভাষা | |
| ফিলিস্তিনি আরবি | |
| ধর্ম | |
| ইসলাম (ইহুদি ঐতিহ্যের কিছু প্রথা সংরক্ষিত আছে) |
মাখামরা পরিবার (আরবি: المخامرة), যাদের মুহামারা বা মাহামারা নামেও ডাকা হয়, একটি ফিলিস্তিনি বংশ, যারা পশ্চিম তীরের হেবরন গভর্নোরেটের ইয়াত্তা শহরে বসবাস করে।[১] এটি দক্ষিণ হেবরন পাহাড়ের বৃহত্তম বংশগুলোর একটি, যারা নিজেদের আরবের একটি ইহুদি গোত্রের বংশধর হিসেবে মনে করে।[১] তারা এখনও কিছু ইহুদি রীতিনীতি অনুসরণ করে।[২]
নামের অর্থ
[সম্পাদনা]একটি জনপ্রিয় ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ফিলিস্তিনি আরবি ভাষায় 'মাখামরা' শব্দের অর্থ "ওয়াইন প্রস্তুতকারী", যেটি ইসলামে নিষিদ্ধ।[৩]
ইহুদি বংশোদ্ভূত হওয়ার তত্ত্ব
[সম্পাদনা]মাখামরা পরিবার বিশ্বাস করে, তারা আরবের ইহুদি গোত্র থেকে এসেছে, যারা খায়বার থেকে বিতাড়িত হয়েছিল।[১][২][৪]
একটি প্রচলিত ঐতিহ্য অনুযায়ী, ইয়াত্তা গ্রামের ছয়টি বংশের মধ্যে তিনটির পূর্বপুরুষ ছিলেন 'মুখাইমার', একজন ইহুদি যিনি তাঁর গোত্র নিয়ে মরুভূমি থেকে এসে গ্রামটি দখল করেছিলেন। এটি সম্ভবত অষ্টাদশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে ঘটেছিল।[৪][৫][৬][৭]
বিবরণ
[সম্পাদনা]ইৎসহাক বেন-ৎসভি (১৯২৮)
[সম্পাদনা]ইসরায়েলের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট ও গবেষক ইৎসহাক বেন-ৎসভি ১৯২৮ সালে হেবরনে সফরে এসে জানতে পারেন, স্থানীয় আরবরা ইহুদি ব্যবসায়ীদের 'আওলাদ আম্মানা' অর্থাৎ "আমাদের চাচাতো ভাই" বলে সম্বোধন করত। ইয়াত্তার মাখামরা পরিবার সম্পর্কে তিনি জানতে পারেন, যাদের পূর্বপুরুষ ২০০ বছর আগে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেও তারা হানুক্কার সময় প্রদীপ জ্বালানোর মতো কিছু ইহুদি রীতিনীতি ধরে রেখেছিল।[৪][৫][৬][৭][৮]
বেন-ৎসভি ইয়াত্তা পরিদর্শনে গেলে মাখামরা পরিবারের মুখতার জাবারিন বেন আব্দ আল-রহমান নিশ্চিত করেন, "আমরা মাখামরা পরিবার ইহুদি বংশধর। আমাদের পূর্বপুরুষ খায়বার থেকে এসেছিলেন।"[৪][৫][৬][৭][৮]
স্থানীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী, মুখাইমার নামে এই পূর্বপুরুষ ইয়াত্তায় এসে গ্রামটির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সেখানে শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর দুই ছেলের বংশধরেরা গ্রামটির উঁচু ও নিচু অংশে বসবাস করেন। পরবর্তী সময়ে মুখাইমারের নাতিরা ১৮৩৪ সালে মিসরের ইব্রাহিম পাশার বিরুদ্ধে যুদ্ধেও অংশ নেন।[৪][৫][৬][৭][৮]
ওয়ান্ডারার্স অ্যাসোসিয়েশন (১৯২৯)
[সম্পাদনা]১৯২৯ সালে, "ওয়ান্ডারার্স অ্যাসোসিয়েশন" নামে ইহুদি পর্যটকদের একটি ধর্মনিরপেক্ষ দল হেবরনের দক্ষিণাঞ্চলীয় পাহাড় এলাকা পরিদর্শন করে। তারা তাদের ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ নিয়ে হারেৎজ পত্রিকায় একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে তারা মাখামারা পরিবার সম্পর্কেও লিখেছিল। তারা ইয়াত্তায় পৌঁছালে স্থানীয় লোকজন জানায়, তাদের গ্রামের প্রাচীন নাম ছিল "আল-জায়ুর"। তারা আরও জানায়, "আমাদের পূর্বপুরুষরা আসলে ছিল বনি ইসরায়েল সম্প্রদায়ের মানুষ। একটি পরিবার এখানে সম্ভবত সাতশ বছর আগে এসেছিল, তাদের 'খাইবার' নামে পরিচিত ছিল [...] আমাদের পূর্বপুরুষরা প্রথমে স্থানীয়দের সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধ করেছিল, পরে সম্পূর্ণ মূল্য দিয়ে জমিটি কিনে নিয়েছিল। [...] মুহাম্মদ ও আলীর সময়, যখন তরবারির জোরে বিভিন্ন শহর জয় করা হয়, তখন আমাদের মুসলমান হতে বাধ্য করা হয়েছিল। সেই থেকে আমরা মুসলমান।" আশেপাশে আরও ইহুদি আছে কি না জানতে চাইলে তারা বলে, "হেবরন ও আশেপাশের গ্রামে অনেক ইহুদি ছিল।" তারা আরও বলে, গ্রামের কিছু লোক উটের মাংস খায় না, কারণ এটি ইহুদি ধর্মে নিষিদ্ধ।[৯] একই ভ্রমণ নিয়ে দাভার পত্রিকাতেও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।[১০]
একটি পৃথক প্রতিবেদনে, ওয়ান্ডারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ডেভিড বেনবেনিশতি জানান, তারা খিরবেত খুরাইসায় মাখামারা পরিবারের দুই রাখালের সঙ্গেও দেখা করেন। রাখালরাও তাদের জানায়, তাদের পূর্বপুরুষ ছিল খাইবার থেকে আসা ইহুদি।[১১] পরে যখন তারা পার্শ্ববর্তী আস-সামু গ্রাম পরিদর্শন করেন, সেখানকার লোকজন জানান যে, বিবাহ-সম্পর্কের মাধ্যমে কয়েকজন গ্রামবাসীর সঙ্গে মাখামারা পরিবারের আত্মীয়তা রয়েছে। তারা নিয়মিত তাদের বিদ্রূপ করে বলতো, "তোমরা ইহুদি, তাই তোমরা প্রতারক"।[১২] পরবর্তীতে দুরা গ্রামে স্থানীয়রা মাখামারা পরিবারের ইহুদি বংশোদ্ভূত হওয়ার তথ্য জানায়। একজন স্থানীয় দাবি করে, তাদের উৎস নিকটবর্তী খিরবেত খাইবার নামে এক ধ্বংসাবশেষ। যদিও মানচিত্রে এটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। আরেকজন দাবি করেন, তারা মূলত হেবরন থেকে এসেছে।[১৩]
প্যালেস্টাইন পোস্ট (১৯৩৮)
[সম্পাদনা]১৯৩৮ সালে ইয়াত্তা গ্রামের কিছু আরব পরিবার হানুক্কা নামের ইহুদি ধর্মীয় উৎসব পালন করতো। এ সময় তারা হেবরন থেকে সংগ্রহ করা মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করতো।[৪]
শাআরিম (১৯৫২)
[সম্পাদনা]১৯৫২ সালে "শাআরিম" পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, ১৯৪৮ সালের নভেম্বরে মাখামারা পরিবারের আবু আয়্যাশ নামে একজন মুখতার ও ব্যবসায়ীকে গাজায় হত্যা করা হয়। তাকে ইহুদিদের গুপ্তচর হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছিল, কারণ তাদের পরিবারের ইহুদি পূর্বপুরুষ ছিল। বেন-ৎসভি কর্তৃক লিখিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, তখন মাখামারা পরিবারের সদস্যরা রুহামা ও নেগবার আশপাশে বসতি স্থাপন করেছিল। স্থানীয় আরব ও ইহুদি বসবাসকারীরা তাদের ইহুদি পরিচয় সম্পর্কে জানত।[১৪]
ৎসভি মিসিনাই (২০০৯)
[সম্পাদনা]২০০৯ সালে ইসরায়েলের চ্যানেল ১-এ প্রচারিত ৎসভি মিসিনাই সম্পর্কিত একটি প্রতিবেদনে মাখামারা পরিবারের বেশ কয়েকজন জানান যে, তারা নিজেদের ইহুদি পূর্বপুরুষ সম্পর্কে সচেতন। তবে বহু প্রজন্ম ধরে তারা মুসলিম পরিচয় নিয়েই আছেন।[১৫]
দোরোন সার-আভি (২০১৯)
[সম্পাদনা]ইতিহাসবিদ দোরোন সার-আভি লক্ষ করেছেন, ইয়াট্টার মুসলিম অধিবাসী ও সেখানকার মাখামরা বংশের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক দেখা যায় না। ইয়াট্টার পার্শ্ববর্তী গ্রাম আল-কারমিল এবং খিরবেত আত-তুওয়ানিতেও একই অবস্থা বিদ্যমান। সার-আভি একবার মা'ঈন এলাকার মাঠে ইয়াট্টার তিন কিশোরের সঙ্গে আকস্মিকভাবে দেখা করেন। কথোপকথনের সময় একজন কিশোর জানায়, তার পরিবার আবু আরাম, যারা মাখামরা বংশের অন্তর্ভুক্ত। ইয়াট্টায় তাদের পরিবারের আকার সম্পর্কে জানতে চাইলে সে বলে, "মুসলিমরা ৫০,০০০, আর আমরা ৬০,০০০।" সার-আভির মতে, এই কথায় তাদের পৃথক পরিচয়ের স্পষ্ট ধারণা ফুটে উঠেছে।[৮]
সার-আভি ইয়াট্টার বাসিন্দাদের সাথে আরও কিছু সাক্ষাৎকার নেন, যেখান থেকে কিছু ইহুদি রীতির সঙ্গে মিল পাওয়া যায়। যেমন, ইয়াট্টার একজন শ্রমিক জানান, তার মা পিঠা তৈরি করার সময় নজর থেকে বাঁচতে আগুনে একটু ময়দার টুকরা ফেলে দেন। এটি ইহুদি ময়দা উৎসর্গ করার রীতির অনুরূপ। এছাড়াও ইসহাক নামে একজন জানান, তিনি ইয়াট্টায় একটি প্রাচীন ইহুদি উপাসনালয়ের অবস্থান সম্পর্কে অবগত, যা তার পরিবার ঐতিহাসিকভাবে সংরক্ষণ করত। বর্তমানে সেই স্থানে একটি আধুনিক স্কুল তৈরি হয়েছে।[৮]
অন্য প্রতিবেদন অনুসারে, ইয়াট্টার মাখামরা পরিবার বংশের ভেতরেই বিয়ে করে এবং অন্য পরিবারের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক করে না। স্থানীয় ভবনগুলোতে মেজুজা রাখার চিহ্নও দৃশ্যমান।[১৬][১৭]
বিশ্লেষণ
[সম্পাদনা]মাখামরা পরিবারের ইহুদি ঐতিহ্যের বিষয়ে বিভিন্ন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। বেন-জভি মাখামরা বংশের ঐতিহ্য অনুসারে জানান, তারা মূলত খাইবার থেকে বিতাড়িত ইহুদিদের বংশধর। তারা হেজাজ থেকে এসে ইয়াট্টায় বসতি স্থাপন করে।[৫]
ইয়াট্টাকে প্রাচীন জুত্তাহ শহরের স্থান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার উল্লেখ হিব্রু বাইবেলে পাওয়া যায়।[১৮] চতুর্থ শতাব্দীতে ইউসেবিয়াস ইয়াট্টাকে উল্লেখ করেছিলেন "ইহুদিদের একটি অত্যন্ত বড় গ্রাম" হিসেবে।[১৯] বার কোখবা বিদ্রোহের পরও দক্ষিণ হেবরন পাহাড়ে ইহুদি জনবসতি থেকে যায়।[২০][২১] ঐতিহাসিক লেখা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন (বহু সিনাগগসহ) এর প্রমাণ দেয়। মুসলিম বিজয়ের পূর্ব পর্যন্ত সেখানে ইহুদিদের বসবাসের প্রমাণ আছে, যখন সুসিয়া ও এশতেমোয়া-র সিনাগগগুলোকে মসজিদ বানানো হয়।[২২] তবে স্থানীয় ইহুদিরা পালিয়ে গিয়েছিল, নাকি তারা ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
অন্য তত্ত্ব অনুযায়ী, মোরদেখাই নিসান-সহ অন্যান্য গবেষকের মতে, ইয়াট্টার বর্তমান বাসিন্দারা সম্ভবত দ্বিতীয় মন্দির যুগের স্থানীয় ইহুদিদেরই বংশধর, যারা পরে ইসলাম গ্রহণ করেছিল।[১৭] ১৯৮৯ সালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, "মাখামরা" নামটি "এদোমীয়দের" আরবি রূপ হতে পারে। এদোমীয়রা প্রাচীনকালে এই এলাকায় বাস করত এবং হেলেনিস্টিক যুগে ইহুদিধর্ম গ্রহণ করেছিল।[২৩] বেন-জভি আরও উল্লেখ করেন, শালেম-এর মতে ঐতিহ্যবাহী খাইবার নামটি সম্ভবত স্থানীয় একটি পুরাকীর্তি, যা খিরবেত কারমিলের কাছাকাছি বা একই স্থানে অবস্থিত।[৫]
বর্তমান পরিস্থিতি
[সম্পাদনা]২০১০-এর দশকে মাখামরা বংশের সদস্যদের সাথে ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক সহিংসতার সম্পর্ক পাওয়া যায়। ২০১৬ সালের ৮ জুন, এই বংশের দুই সদস্য, খালেদ মাহামরা ও মুহাম্মদ মাহামরা তেল আবিবের সারোনা মার্কেটে বন্দুক হামলা চালায়। এই হামলায় চারজন নিহত হয়েছিলেন।[২৪] কয়েকজন লেখকের মতে, এই হামলা তাদের প্রতিবেশীদের দেখানোর একটি প্রচেষ্টা ছিল যে, "ইহুদি অতীত" থাকা সত্ত্বেও তারা ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতে অন্যান্য ফিলিস্তিনিদের পক্ষেই অবস্থান করছে।[২]
মাখামরা বংশের সদস্যরা বর্তমানে ইয়াত্তার অধিকাংশ জনগোষ্ঠী গঠন করে। পাশাপাশি তারা আশেপাশের গ্রাম যেমন—আল-কারমিল,[৮] খিরবেত আত-তুওয়ানি[৮] এবং মাঈনে বসবাস করেন।[২৫]
বর্তমানে এই বংশের সদস্যরা তাদের ইহুদি অতীতকে স্বীকার করতে অনিচ্ছুক।[২]
মধ্যপ্রাচ্য-বিশেষজ্ঞ মোশে এলাদ ইসরায়েলের আরবি ভাষার টেলিভিশনে জানান, মাখামরা পরিবারের দুইজন সদস্য ইহুদি ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং বর্তমানে তারা ইসরায়েলের নাগরিক হিসেবে সে দেশে বসবাস করছেন।[২৬]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]- খায়বার যুদ্ধ
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 Lowin, Shari (১ অক্টোবর ২০১০)। "Khaybar"। Encyclopedia of Jews in the Islamic World। Brill। পৃ. ১৪৮–১৫০। ডিওআই:10.1163/1878-9781_ejiw_com_0012910। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০২৩ – brillonline.com এর মাধ্যমে।
Khaybar's Jews appear in Arab folklore as well. [...] The Muḥamara family of the Arab village of Yutta, near Hebron, trace their descent to the Jews of Khaybar. Families in other nearby villages tell of similar lineages.
- 1 2 3 4 "The killers of Yatta"। The Jerusalem Post (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৮ জুলাই ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
- ↑ "'This is a conflict between brothers; it's all a big misunderstanding'"। The Jerusalem Post | JPost.com (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২০ আগস্ট ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
- 1 2 3 4 5 6 "Yatta, Ancient and Modern"। The Palestine Post। ২১ ডিসেম্বর ১৯৩৮। পৃ. ৮। ১৬ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০২৫।
- 1 2 3 4 5 6 Ben-Zvi, Itzhak (১৯৬৭)। שאר ישוב: מאמרים ופרקים בדברי ימי הישוב העברי בא"י ובחקר המולדת [She'ar Yeshuv] (Hebrew ভাষায়)। תל אביב תרפ"ז। পৃ. ৪০৭–৪১৩।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - 1 2 3 4 Ḥevrah la-haganat ha-ṭevaʻ (১৯৯০), Israel - land and nature, Society for the Protection of Nature in Israel, পৃ. ৮৩, সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০১১
- 1 2 3 4 Wolf, Amaliah (১৯৮৪)। "היהודים של הר־חברון הם באו מסעודיה " [The Jews of Mount Hebron: They came from Saudi Arabia]। www.nli.org.il (হিব্রু ভাষায়)। ৭ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
- 1 2 3 4 5 6 7 Sar-Avi, Doron (২০১৯)। "מניין באו הערבים 'היהודים'?"। Segula Magazine। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- ↑ ד' בנבנשתי, 'מעון כרמל זיף ויוטה ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৫ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে' (חלק א'), הארץ, גליון 2893, 10.2.1929 (Hebrew), עמ' 3
- ↑ Bar-Adon, P (১২ এপ্রিল ১৯২৯)। "פלחים ממוצא יהודי" [ইহুদি বংশোদ্ভূত গ্রামীণ জনগোষ্ঠী]। Davar - Supplement for Sabbath and holidays। ৩ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০২৫।
- ↑ ד' בנבנשתי, "מעון כרמל זיף ויוטה ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৫ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে" (חלק ב'), הארץ, גליון 2895, 12.2.1929, עמ' 3. (Hebrew)
- ↑ ד' בנבנשתי, 'אשתמוע ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৫ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে', הארץ, גליון 2923, 13.3.1929 (Hebrew), עמ' 3
- ↑ ד' בנבנשתי, "כפר עזיז ואדוריים ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৫ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে", הארץ, גליון 2927, 17.3.1929, עמ' 3 (Hebrew)
- ↑ "המוה־קנ' האחרון בלתי מסי | שערים | 11 ינואר 1952 | אוסף העיתונות | הספרייה הלאומית"। www.nli.org.il (হিব্রু ভাষায়)। ২৬ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- ↑ "The Jewish Origins of Palestinians", Channel 1 (Israel) (News Report) (ইংরেজি ভাষায়), 10:20, ২০০৯, সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২
- ↑ Zissu, Boaz (২০০৬)। "קברים וקבורה באשתמוע שבדרום הר-חברון" [Tombs and burial in Esthemoa, southern Hebron Hills]। אשל, יעקב (সম্পাদক)। ספר המדבר בארץ-ישראל: דברי הכנס הראשון תשס"ו , 2006। סוסיא, מרכז סיור ולימוד ומו"פ אזורי השומרון ובקעת הירדן। পৃ. ১৭–২৯।
- 1 2 Nisan, Mordechai (২০১০)। ישראל במזרח: מסע תרבותי ומדיני באסיה [Israel in the East: A Cultural and Political Journey in Asia] (Hebrew ভাষায়)। ירושלים: הוצאת ספרים ראובן מס। পৃ. ৯৪। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৬৫-০৯-০২৮৬-৫।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - ↑ Robinson and Smith, 1841, vol 2, p. 190
- ↑ Eusebius, Onomasticon - The Place Names of Divine Scripture, (ed.) R. Steven Notley & Ze'ev Safrai, Brill: Leiden 2005, p. 104 (§545)
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; ":02" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; ":03" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; ":2" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; ":6" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ "4 killed in Tel Aviv terror attack; 2 arrested"। FOX8 WGHP। ৮ জুন ২০১৬। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
- ↑ Ma'in village profile, ARIJ, 2009
- ↑ "Who Are the Palestinians?"। Jerusalem Center for Public Affairs (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।