আব্দুস সালাম মুবারকপুরী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে


আব্দুস সালাম মুবারকপুরী (রহ.)(আরবীঃعبد السلام المباركفوري) ছিলেন হিজরী চতুর্দশ শতকের একজন খ্যাতিমান আলেম। মুবারকপুরের ঐতিহ্যবাহী পরিবারের এই কৃতী সন্তান শিক্ষকতা ও লেখালেখিতে নিজের সারাজীবন ব্যয় করেছেন।উর্দু ভাষায় ইমাম বুখারি(রহ.) এর পূর্ণাঙ্গ জীবনী লিখেছেন "সিরাতুল বুখারি" নামে।

আব্দুস সালাম মুবারকপুরী
ব্যক্তিগত
জন্ম১২৮৯ (হিজরি)
মৃত্যু১৩৪২(হিজরি)
ধর্মইসলাম
জাতিসত্তাব্রিটিশ ভারত
অঞ্চলভারত
ধর্মীয় মতবিশ্বাসআছারি
প্রধান আগ্রহফিকহ, হাদিস
উল্লেখযোগ্য কাজসিরাতুল বুখারি

মাওলানা আব্দুস সামাদ হুসাইনাবাদী বলেন,

كان الشيخ رحمه الله تعالى بارعاً في جميع العلوم العربية، وله اليد الطولى في علوم الحديث والتفسير والفقه والأصول، وكان ماهراً في صناعة الأدب والمعقول، ومتبحراً في فنون الحكمة والطب والفرائض والكلام، وله قدرةٌ تامةٌ على نظم الشعر الجيد-

অনুবাদঃ মাওলানা আব্দুস সালাম মুবারকপুরী আরবীর সকল বিদ্যায় দক্ষ ছিলেন। হাদিছ, তাফসীর, ফিক্বহ ও উছূলে ফিক্বহে তিনি গভীর জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন। সাহিত্য ও মা‘কূলাতে তিনি অভিজ্ঞ ছিলেন। হিকমত (দর্শন), হেকিমী চিকিৎসা, ফারাইয ও ধর্মতত্ত্বেও তিনি গভীর জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন। চমৎকার কবিতা রচনায় ছিলেন সিদ্ধহস্ত।[১]

জন্ম ও শৈশব[সম্পাদনা]

আব্দুস সালাম মুবারকপুরী(রহ.) ভারতের আজমগড় জেলার মুবারকপুরের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১২৮৯ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন।[২] তার পিতা খান মুহাম্মদ অত্যন্ত ইবাদতগুজার ও ইলম অন্বেষী ব্যক্তি ছিলেন।পেশায় ছিলেন একজন কাপড় ব্যাবসায়ী।[৩] তাঁর প্রপিতামহ হুসামুদ্দীন ব্রিটিশ ভারতে স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্রনীসৈনিক সৈয়দ আহমদ ব্রেলভী (রহ.)শাহ ইসমাঈল শহীদ (রহ)-এর সাথী ও সহযোদ্ধা ছিলেন। তিনি তাঁদের সাথে জিহাদে গমন করেছিলেন এবং তাঁদের পূর্বেই ১২৪৪ হিজরীতে এক যুদ্ধে শাহাদতবরণ করেন।[৪]

ইলমী ও দ্বীনি পরিবেশে জন্ম হাওয়ায় বাল্যকালেই জ্ঞানার্জনের পথে ধাবিত হন তিনি।

শিক্ষা জীবন[সম্পাদনা]

মাওলানা আব্দুস সালাম পিতার তত্ত্বাবধানে ধার্মিক পরিবেশে বেড়ে ওঠেন। ছোটবেলা থেকেই তাঁর লেখাপড়ার ব্যাপারে পিতা খান মুহাম্মাদ যত্নবান ছিলেন। তিনি কাফিয়া ও শাফিয়া পর্যন্ত মাওলানা হাফেয আব্দুর রহীম মুবারকপুরী (আব্দুর রহমান মুবারকপুরীর পিতা) ও অন্য শিক্ষকদের কাছে পড়েন। তিরমিযীর বিশ্বখ্যাত ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘তুহফাতুল আহওয়াযী’ প্রণেতা আব্দুর রহমান মুবারকপুরীর কাছে শরহে জামী ও শরহে তাহযীব অধ্যয়ন করেন। মোল্লা হুসামুদ্দীন মৌভী (মৃঃ ১৩১০ হিঃ)-এর নিকট শরহে বেকায়া পড়েন। অতঃপর ১৩০৭ হিজরীতে গাযীপুর শহরে গিয়ে ‘উসতাযুল আসাতিযাহ’ (শিক্ষককুল শিরোমণি) হাফেয আব্দুল্লাহ গাযীপুরীর মাদ্রাসায় ভর্তি হন। এরপর দিল্লীতে গিয়ে ‘মাদ্রাসা ফতেহপুরী’তে মাওলানা আব্দুল হক বেলায়াতী মুলতানীর (মৃঃ ১৩২১ হিঃ) নিকট কতিপয় দরসী কিতাব পাঠ করেন।[৫] [৬] এরপর তিনি সাইয়িদ নাযীর হুসাইন মুহাদ্দিছ দেহলভী(রহ.) এর নিকট গমন করেন এবং তাঁর নিকট কুতুবে সিত্তাহ, মিশকাতুল মাসাবীহ, মুত্তয়াত্ত্বা ইমাম মালেক, দারাকুতনী, শরহে নুখবাতিল ফিকার, তাফসীরে জালালাইন এবং হেদায়া ও বায়যাভীর কিয়দংশ পাঠ করেন। তাছাড়া তিনি তাঁর নিকট থেকে কুরআন মাজীদের অনুবাদও শ্রবণ করেন। ১৩১১ হিজরীতে মিয়াঁ নাযীর হুসাইনের নিকট থেকে শিক্ষা সমাপনী সনদ লাভ করেন। সনদের শেষে মিয়াঁ ছাহেব বলেন,

وأوصيه بتقوى الله تعالى وإشاعة السنة بلا خوف لومة لائم، اللهم أيده بالاستقامة إلى الدين القويم،

অনুবাদঃ ‘আমি তাঁকে তাক্বওয়া অর্জনের এবং নিন্দুকের নিন্দাকে পরোয়া না করে নির্ভয়ে সুন্নাহর প্রচার-প্রসারের জন্য অছিয়ত করছি। হে আল্লাহ! তুমি তাঁকে সঠিক দ্বীনের উপর অবিচল থাকতে সহায়তা করো।'[৭][৮]

দিল্লীতে বিশিষ্ট মুহাদ্দিছ শায়খ হুসাইন বিন মুহসিন ইয়ামানী আনছারী (মৃঃ ১৩২৭ হিঃ) আগমন করলে মাওলানা আব্দুস সালাম তাঁর নিকট হাযির হয়ে কুতুবে সিত্তাহ, মুওয়াত্ত্বা ইমাম মালেক ও দারেমীর প্রথম দিকের কিছু অংশ পাঠ করে ১৩১০ হিজরীতে ‘ইজাযাহ’ লাভ করেন। অতঃপর ১৩২১ সালে তাঁর সাথে মাওলানার দ্বিতীয়বার সাক্ষাৎ হয়। এ সময় তিনি তাঁর নিকট থেকে হাদীছের ‘মুসালসাল বিল আওয়ালিয়াহ’ সনদ হাছিল করেন।[৯] লাক্ষ্মৌর প্রসিদ্ধ হেকিম আব্দুল অলী বিন আব্দুল উলার নিকট তিনি হেকিমী বিদ্যা শিক্ষা করেন।[১০]

১৩১৩ হিজরীর রামাযান মাসে তিনি প্রখ্যাত আলেম ও মুহাদ্দিছ মাওলানা মুহাম্মাদ বিন আব্দুল আযীয জা‘ফরী মিছলীশহরীর (মৃঃ ১৯০৪) নিকট আযমগড়ে হাফেয ইবনু হাজার আসক্বালানী সংকলিত ‘বুলূগুল মারাম’ পাঠ করে সনদ লাভ করেন। পাঠদান শেষে স্নেহের নিদর্শন স্বরূপ উস্তাদ তাঁর নিজের কপিটি প্রিয় ছাত্রকে হাদিয়া দেন। যা অদ্যাবধি তাঁর পাঠাগারে সংরক্ষিত আছে।[১১][১২][১৩]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

মাওলানা আব্দুস সালাম মুবারকপুরী স্বীয় যুগের একজন খ্যাতিমান ও বড় মাপের শিক্ষক ছিলেন।তিনি মাদ্রাসা আহমাদিয়াহ, আরাহ-তে শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবনে পদার্পণ করেন। সেখানে তিনি মুদাররিসে চাহারম তথা চতুর্থ শিক্ষক পদে নিযুক্ত হন। এরপর প্রায় ১৫ বছর ছাদেকপুর, পাটনার মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। এ দীর্ঘ সময় ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত। এখানে তাঁর ইলমী যোগ্যতার মুক্তা বিচ্ছুরিত হয়। তারীখুল মিনওয়াল ওয়া আহলুহু, সীরাতুল ইমাম আল-বুখারী সহ অধিকাংশ গ্রন্থ তিনি এ সময় রচনা করেন।[১৪][১৫] কর্মময় জীবনে আব্দুস সালাম মাদ্রাসা আলিয়া আরাবিয়া মৌনাথভঞ্জনে তিন বছর, বলরামপুর যেলার বনঢেয়ার গ্রামে অবস্থিত মাদ্রাসা সিরাজুল উলূমে ৪ বছর এবং দেড় বছর দারুল হাদীছ রহমানিয়া, দিল্লীতে শায়খুল হাদীছ হিসাবে পাঠদান অব্যাহত রাখেন।[১৬][১৭][১৮]

উস্তায হিসেব তার সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে চতুর্দিকে। যেমন কাযী আতহার মুবারকপুরী(রহ.) (১৯১৬-১৯৯৬) আব্দুস সালাম মুবারকপুরী(রহ.) সম্পর্কে বলেন,

‘তাঁর পাঠদানের যোগ্যতা ও খিদমতের খ্যাতি দূর-দূরান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল'।[১৯]

দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে অসংখ্য ছাত্রের উস্তায হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন আব্দুস সালাম মুবারকপুরী (রহ.)।যার সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রদান করা হলোঃ

  • মাওলানা আব্দুল আযীয মুবারকপুরী
  • মাওলানা ওবায়দুল্লাহ মুবারকপুরী(মুবারকপুরীর পুত্র ও মিশকাতের ব্যাখ্যা গ্রন্থ মিরআতুল মাফাতীহ গ্রন্থের লেখক)
  • মাওলানা আব্দুছ ছামাদ মুবারকপুরী
  • মাওলানা হাকীম মুহাম্মাদ বাশীর মুবারকপুরী
  • মাওলানা নাযীর আহমাদ রহমানী আমলুবী (‘আহলেহাদীছ আওর সিয়াসাত’ গ্রন্থের লেখক)।
  • মাওলানা আব্দুল গাফফার ছাদেকপুরী
  • মাওলানা হাকীম আব্দুর রায্যাক ছাদেকপুরী
  • প্রফেসর মুহাম্মাদ মুসলিম ছাদেকপুরী
  • মাওলানা হাকীম আব্দুল ওয়াহ্হাব ছাদেকপুরী
  • মাওলানা আব্দুস সাত্তার ছাদেকপুরী
  • মাওলানা মুজীবুল্লাহ আযীমাবাদী
  • সাইয়িদ মুহাম্মাদ সাঈদ বাযীদপুরী
  • মৌলভী মাসঊদ বিন সাঈদ আযীমাবাদী
  • মৌলভী লাডলে ছাহেব আযীমাবাদী
  • মাওলানা সাইয়িদ আব্দুল গফূর দানাপুরী
  • হাকীম সাইয়িদ মুহাম্মাদ ফরীদ
  • মাওলানা মুমতায আলী বাস্তাবী
  • মাওলানা ইকবাল আলী বাস্তাবী
  • মাওলানা আব্দুল জাববার খান্ডেলবী
  • মাওলানা আব্দুস সাত্তার মাওলানগরী
  • মাওলানা আব্দুল হাকীম মুযাফফরপুরী
  • মাওলানা আব্দুল উলা মৌভী
  • মাওলানা হাকীম মুহাম্মাদ ইয়াসীন বনঢেয়ার
  • মাওলানা হাকীম আহমাদ হাসসান সানজারপুরী আযমগড়ী
  • মাওলানা শুজাউদ্দীন বাসুদেবপুরী (গোদাগাড়ী, রাজশাহী)
  • মাওলানা আব্দুল আযীয রহমানী ডুমরানবী
  • মাওলানা হুসাইন বাঙ্গালী ইত্যাদি।[২০][২১]

ইলমী খিদমত[সম্পাদনা]

  • সিরাতুল বুখারিঃ

এটি আব্দুস সালাম মুবারকপুরী লিখিত সবচেয়ে প্রসিদ্ধ গ্রন্থ। এতে ইমাম বুখারী (রহঃ)-এর জীবনী, ফিক্বহ ও ইজতিহাদ, সহিহুল বুখারির বৈশিষ্ট্য ও এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ সমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে। সাথে সাথে এতে সহিহ বুখারি সম্পর্কে কিছু অমূলক সন্দেহ-সংশয়ের জবাব প্রদান করা হয়েছে। বিশেষতঃ মাওলানা শিবলী নোমানী ‘সীরাতুন নুমান’ গ্রন্থে ইমাম বুখারি ও সহিহ বুখারি সম্পর্কে যেসব সংশয় উত্থাপন করেছেন তার যথোচিত খন্ডন রয়েছে এতে।[২২]

গ্রন্থটি সম্পর্কে সুলাইমান নাদভী লিখেছেন,

‘মুসলিম বিশ্বে ইমাম বুখারীর যে গুরুত্ব রয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এজন্য তাঁর জীবনী, রচনাবলী ও ইজতিহাদ সমূহ সম্পর্কে আমাদের ভাষায় (উর্দূ) পৃথক কোন গ্রন্থ রচনার প্রয়োজন ছিল। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে, মাওলানা আব্দুস সালাম মুবারকপুরী ছাহেব অত্যন্ত সুন্দরভাবে এই গুরু দায়িত্ব পালন করেছেন। সাবলীল বর্ণনাভঙ্গি, দলীল উপস্থাপন পদ্ধতি, ঘটনাবলীর বিস্তারিত বিবরণ, উদ্দেশ্য সমূহের বিস্তারিত ব্যাখ্যা, মাসআলা সমূহের তাহকীক প্রত্যেক বিষয়ে তাঁর কলম উর্দূ ধর্মীয় সাহিত্যের উত্তম নমুনা পেশ করেছে’।[২৩]

  • তারিখুল মিনওয়াল ওয়া আহলুহুঃ

তারিখুল মিনওয়াল ওয়া আহলুহু বা তাঁত ও তাঁতিদের ইতিহাস নামে মাওলানা সাহেব গ্রন্থ খানি লিখেছেন। তদানীন্তন সময়ে তাঁতিদেরকে সম্ভ্রান্ত মুসলিম ব্যক্তিরা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে দেখত। তাঁতীদের সার্বিক উন্নতি দেখে তারা হিংসা করত। এতে এদের অনেকে তাদের পরিচয় গোপন করত। মাওলানা আব্দুস সালাম এই শ্রেণী বৈষম্যের বিরুদ্ধে কলম ধরেন এবং উক্ত গ্রন্থ লিখে প্রমাণ করে দেন যে, কোন পেশাই তুচ্ছ বা হীন নয়। গ্রন্থটি ইলমী ও সাংস্কৃতিক জগতে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।[২৪][২৫]

  • আওলিয়াউল্লাহ আওর তাছাওউফঃ

ড. ফাওয়ায আব্দুল আযীয মুবারকপুরীর তাহকীক সহ হারেছ পাবলিকেশন্স, করাচী থেকে ২০১৯ সালে এটি প্রকাশিত হয়। মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা ২৮৮।[২৬]

  • দাস সুওয়ালাত কে জওয়াব মেঁঃ মুবারকপুর ও এর আশপাশের অঞ্চল সমূহে মৌলভী আলী হুসাইন আশরাফী নামক পীরের বেশ প্রভাব ছিল। ১৩৩৩ হিজরীতে মাওলানা আব্দুস সালাম তাঁর নিকট ১০টি প্রশ্ন প্রেরণ করেন এবং এর দলীল চান। পীর ছাহেব রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে প্রশ্নপত্র ছিড়ে ফেলে জ্বালিয়ে দেন। এদিকে জনৈক ব্যক্তি ঐ প্রশ্নগুলো ছাপিয়ে বিতরণ করেন। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায় এবং মুবারকপুরের জামে মসজিদ রাজা শাহ মুবারকে মুনাযারা অনুষ্ঠিত হয়। পীর ছাহেবের দৌহিত্র মৌলভী আবুল মাহামিদ মুহাম্মাদ আশরাফী মাওলানার জবাবে ‘নোকে তীর বর জিগরে বে পীর’ শিরোনামে একটি বইও লিখেছিলেন। এর জবাবে মাওলানা আব্দুস সালাম উক্ত গ্রন্থটি রচনা করেন। এতে উক্ত দশটি প্রশ্নের সাথে সাথে আক্বীদার মৌলিক বিষয়গুলি আলোচনা করা হয়েছে। গ্রন্থটি এখনো আলোর মুখ দেখেনি।[২৭]
  • গিযাউর রূহ লিত-তাফরীক বায়না গিযাইর রূহ আল-খাবীছাহ ওয়ার রূহ আত-তইয়িবঃ

মৌলভী মুহাম্মাদ হানীফ চিশতী ছাবেরী জলন্ধরী সামা‘ (আধ্যাত্মিক) সঙ্গীত শোনা জায়েয মর্মে ‘গিযায়ে রূহ’ নামে একটি গ্রন্থ লিখেন। মাওলানা ছানাউল্লাহ অমৃতসরীর নির্দেশে মুবারকপুরী তার জবাবে এই গ্রন্থটি রচনা করেন। এটিও অপ্রকাশিত রয়ে গেছে।[২৮]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]


তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. নাকীবুল হিন্দ (ত্রৈমাসিক পত্রিকা), অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০১৮।
  2. আতহার মুবারকপুরী, তাযকেরায়ে ওলামায়ে মুবারকপুর (২০১০), পৃষ্ঠা ২১৫।
  3. মুহাম্মাদ তানযীল ছিদ্দীকী হুসাইনী, দাবিস্তানে নাযীরিয়াহ (২০১৯), ২য় খন্ড, পৃষ্ঠাঃ২২/৫৩০।
  4. মুহাম্মাদ তানযীল ছিদ্দীকী হুসাইনী, দাবিস্তানে নাযীরিয়াহ (২০১৯), ২য় খন্ড, পৃষ্ঠাঃ ৫২৮।
  5. তাযকেরায়ে ওলামায়ে মুবারকপুর, পৃষ্ঠাঃ২১৫-১৬।
  6. দাবিস্তানে নাযীরিয়াহ ২য় খন্ড,পৃষ্ঠাঃ৫৩১।
  7. দাবিস্তানে নাযীরিয়াহ ২য় খন্ড,পৃষ্ঠাঃ৫৩১-৫৩২
  8. সীরাতুল বুখারী ২য় খন্ড,পৃষ্ঠাঃ৪৮৮।
  9. দাবিস্তানে নাযীরিয়াহ ২য় খন্ড,পৃষ্ঠাঃ৫৩৩।
  10. আব্দুর রশীদ ইরাকী, চালীস ওলামায়ে আহলে হাদিস,পৃষ্ঠাঃ ১১১।
  11. সীরাতুল বুখারি ২য় খন্ড,পৃষ্ঠাঃ৪৮৯।
  12. মির‘আতুল মাফাতীহ ১ম খন্ড,পৃষ্ঠাঃ৭৩।
  13. দাবিস্তানে নাযীরিয়াহ ২য় খন্ড,পৃষ্ঠাঃ৫৩৩।
  14. দাবিস্তানে নাযীরিয়াহ ২য় খন্ড,পৃষ্ঠাঃ৫৩৩-৫৩৪।
  15. নাকীবুল হিন্দ (ত্রৈমাসিক পত্রিকা), অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০১৮।
  16. তারাজিমে ওলামায়ে হাদীছ হিন্দ, পৃষ্ঠাঃ ৩২৩।
  17. দাবিস্তানে নাযীরিয়াহ ২য় খন্ড,পৃষ্ঠাঃ৫৩৩-৫৩৪।
  18. নাকীবুল হিন্দ (ত্রৈমাসিক পত্রিকা), অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০১৮।
  19. তাযকেরায়ে ওলামায়ে মুবারকপুর, পৃষ্ঠাঃ২১৭।
  20. দাবিস্তানে নাযীরিয়াহ ২য় খন্ড,পৃষ্ঠাঃ৫৩৭-৫৩৮।
  21. নাকীবুল হিন্দ (ত্রৈমাসিক পত্রিকা), অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০১৮,
  22. সীরাতুল বুখারী ২য় খন্ড,পৃষ্ঠাঃ২৭৮-২৮৬।
  23. মাসিক মা‘আরিফ, আযমগড়, ইউপি, ভারত, বর্ষ ২, সংখ্যা ১১, মে ১৯১৮, পৃষ্ঠাঃ ৫৫।
  24. তাযকেরায়ে ওলামায়ে মুবারকপুর, পৃষ্ঠাঃ ২১৮।
  25. দাবিস্তানে নাযীরিয়াহ ২য় খন্ড,পৃষ্ঠাঃ৫৪১-৫৪৩।
  26. মাসিক আত তাহরীক, মার্চ ২০২১।
  27. মাসিক আত তাহরীক, মার্চ ২০২১।
  28. দাবিস্তানে নাযীরিয়াহ ২য় খন্ড,পৃষ্ঠাঃ৫৪১-৫৪৩।