মহিউদ্দিন আহমেদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
মহিউদ্দিন আহমেদ
সভাপতি, (ভারপ্রাপ্ত)
পূর্ব-পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন
অফিসে
২১ অক্টোবর ১৯৬২ – ৩১ মার্চ ১৯৬৫
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (১৯৩৮-০১-০১)জানুয়ারি ১, ১৯৩৮
জলঙ্গী, মুর্শিদাবাদ জেলা, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সী, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু জানুয়ারি ৪, ২০০০(২০০০-০১-০৪) (৬২ বছর)
ঢাকা, বাংলাদেশ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
রাজনৈতিক দল পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (১৯৬৬ সালের পূর্বে)
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) (১৯৬৬–১৯৭৯)
দাম্পত্য সঙ্গী রায়হান আখতার বানু (রনি)(বিবাহ ১৯৭০)
মাতা গুলশান নেশা
পিতা মোহাম্মদ মোবারক হোসেন
বাসস্থান সিদ্ধেশ্বরী, ঢাকা, বাংলাদেশ
শিক্ষা স্নাতকোত্তর
(ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি)
প্রাক্তন ছাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,[১]
পেশা রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক
ধর্ম ইসলাম

মহিউদ্দিন আহমেদ (জন্ম: ১ জানুয়ারি, ১৯৩৮ - মৃত্যু: ৪ জানুয়ারি ২০০০)[২] হলেন একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা, যিনি রাজশাহীর মহিউদ্দিন নামে অধিক পরিচিত ছিলেন। তিনি ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। এছাড়াও তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন।[২][৩]

রাজনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,[১] রাজশাহী কলেজ এবং রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের সাবেক ছাত্র । স্বাধীন বামপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন তথা বর্তমানের বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের [৪] একজন ছাত্র নেতা ছিলেন তিনি ।[৫] ভাষা আন্দোলনে সম্পুক্ততার কারণে অষ্টম শ্রেণীতে অধ্যয়ণকালে কিশোর মহিউদ্দিন পাকিস্তান পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার হন। ছাত্রজীবনোত্তর তিনি মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী-এর নেতৃত্বাধীন তৎকালিন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)-এর রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯৬২-এর শিক্ষা আন্দোলনে তিনি ছিলেন অন্যতম অগ্রগামী নেতা। [৪] বিরোধী রাজনৈতিক দল, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)- এর নেতা হিসাবে পূর্ব পাকিস্তান ব্যাপী ১৯৬৯-এর গণঅভ্যূত্থান সংগঠনে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি।[৩] ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সংগঠক হিসাবেও সক্রিয়ভাবে অংশ নেন জনাব মহিউদ্দিন ।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরুর মাত্র কয়েক মাস পূর্বে ৩০ অাগস্ট ১৯৭০ সালে আহমেদ নওগাঁ জেলার তৎকালিন ছাত্র নেত্রী (পরবর্তীতে সংসদ সদস্য) রায়হান আখতার বানু (রনি)-এর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের দুই পুত্র (জিয়াউদ্দিন আহমেদ ও ফয়সাল আহমেদ) এবং এক কন্যা (সোমা আহমেদ) রয়েছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Muhammad Quamrul Islam (১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬)। "Remembering Kazi Zafar Ahmed"Daily Sun (Bangladesh) (Dhaka)। 
  2. "Mohiuddin Ahmed dies"The Daily Star (Bangladesh) (Dhaka)। ৫ জানুয়ারি ২০০০। 
  3. Muhammad Quamrul Islam (২৯ জানুয়ারি ২০১৫)। "Observance of Shaheed Asad Day vis-à-vis Bangladesh To-Day"The News Today (Bangladesh) (Dhaka)। 
  4. Quazi Faruque Ahmed (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১০)। "Education Policy 2010 and '62 education movement"The Daily Star (Dhaka)। 
  5. মাহফুজ উল্লাহ (২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩)। "পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন গৌরবের দিনলিপি(১৯৫২-১৯৭১)"। ঢাকা: অ্যাডর্ন বুকস লিমিটেড। আইএসবিএন 978 984 20 0295-3