মহামায়া ধাম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

মহামায়া ধাম অথবা বোগিবাড়ির মহামায়া মন্দির, ধুবড়ী শহর থেকে প্রায় ৩০ কিমি পূর্বদিকে এবং বিলাসীপাড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কিমি পশ্চিমদিকে অবস্থিত একটি মন্দির, হিন্দু তীর্থযাত্রীদের জন্য নিম্ন আসাম অবস্থিত এই মন্দিরটিকে ৫২টি শক্তিপীঠের[১] অন্যতম হিসেবে অভিহিত করা হয়। আকর্ষণীয়তার দিক থেকে এই মন্দিরটি গুয়াহাটিতে অবস্থিত কামাখ্যা মন্দিরের পর পর্যটক ও তীর্থযাত্রীদের কাছে দ্বিতীয় আকর্ষণীয় মন্দির।[২] বিশ্বাস করা হয় যে পর্বতজোয়ার জাতির লোকেরা (যেমন, কাছাড়ী, কোচ, নাথ) ঐতিহ্যগতভাবে এই মহামায়া দেবীর পূজা করতেন। এছাড়া পর্বতজোয়ারের জমিদারদের প্রধান উপাস্য ছিল এই দেবী। পরবর্তীতে এই দেবী সার্বজনীন স্বীকৃতি অর্জন করে এবং বর্তমানে নিম্ন আসামের প্রায় সকল হিন্দুই এই দেবীর পূজা করে থাকে।

এই মন্দিরে পশু উৎসর্গ করার ঐতিহ্য ৪০০ বছরের পুরনো এবং এই বলি বিশেষত দুর্গা পূজার সময় দেওয়া হয়। উৎসর্গের জন্য সাধারণত মোষ, বকরি, কবুতর ও হাঁসের মতো পশু-পাখি জবাই করা হয়। বড় মাপের নতুন কোনও নির্মাণ কাজ মূলত নতুন সেতু নির্মাণের পূর্বে এখানে পশুবলি দেওয়া হয় বলে সবসময় গুজব শুনতে পাওয়া যায়। বর্তমানে পশুপ্রেমীরা এই ভয়ানক প্রথার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে।[৩]

মন্দির পরিসরে প্রবেশের দ্বার, মহামায়া, ধুবড়ী

মহামায়া দেবীর সাথে আরও একটি স্থান যুক্ত সেটি মহামায়া স্নানঘাট মন্দির নামে পরিচিত এবং এটি মূল মহামায়া মন্দির থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থি। স্থানীয় মানুষদের বিশ্বাস অনুযায়ী, প্রাচীনকালে এই স্থানেই দেবী ৃহাৃায়া স্নান করতেন; তখন থেকেই এ মন্দিরের পুরোহিতরা একটি শক্তিযজ্ঞ' আয়োজন করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Priceless heritage gets funds to survive"The Telegraph। Kolkata। ১৩ অক্টোবর ২০০৭। 
  2. Sharma, B. K. (২৪ জানুয়ারি ২০০৭)। "Blueprint to develop tourist hotspots"। The Telegraph। Kolkata। 
  3. Fried Eye Killing the festive spirit, Oct 2011

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]