মহম্মদ উসমান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ব্রিগ্রেডিয়ার
মহম্মদ উসমান
এমভিসি
"নওশের কা শের"
জন্ম(১৯১২-০৭-১৫)১৫ জুলাই ১৯১২
বিবিপুর, মাও জেলা, সংযুক্ত অঙ্গরাজ্য, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু৩ জুলাই ১৯৪৮(১৯৪৮-০৭-০৩) (aged 35)
নওশের , জম্মু এবং কাশ্মীর, ভারত
আনুগত্য British India
ভারত ভারত অধিরাজ্য
সার্ভিস/শাখা ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনী
Flag of Indian Army.svg ভারতীয় সেনাবাহিনী
কার্যকাল১৯৩৪–১৯৪৮
পদমর্যাদাBrigadier of the Indian Army.svg ব্রিগ্রেডিয়ার
ইউনিটBadge of Baluch Regiment 1945-56.jpg 10th Baluch Regiment
20px Dogra Regiment
নেতৃত্বসমূহ50 Para Brigade
77 Para Brigade
14/10 Baluch
যুদ্ধ/সংগ্রামভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৪৭
পুরস্কারMaha Vir Chakra ribbon.svg মহা বীর চক্র

মহম্মদ উসমান (২৫ জুলাই ১৯১২-৩ জুলাই ১৯৪৮)[১] ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ অফিসার যিনি ১৯৪৭ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে মারা যান। ভারতের সামরিক বাহিনীর ইতিহাসে তিনি প্রথম সর্বোচ্চ পদাধিকারী সৈনিক যিনি সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে প্রান বিসর্জন দেন। তাকে ভারতীয় ধর্মনিরপেক্ষতার মূর্ত প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।[২]

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

মহম্মদ উসমান তদানীন্তন যুক্তপ্রদেশ বা উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের মৌ জেলার বিবিপুরে জন্মগ্রহণ করেন।[৩] বারাণসীর হরিশ চন্দ্র ভাই স্কুলে পড়াশোনা করেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই সাহসী ছিলেন। ১২ বছর বয়েসে কুয়োতে ডুবন্ত শিশুকে বাঁচান। ব্রিটিশ ভারতে সামরিক বাহিনীতে কমিশনড অফিসার পদে প্রবেশের কঠিন পরীক্ষায় কৃতকার্য হন এবং ইংল্যান্ড রয়াল মিলিটারি একাডেমী, স্যান্ডহার্স্ট এ পড়ার সুযোগ পান। মাত্র ১০ জন ভারতীয় ছাত্রের অন্যতম ছিলেন ওসিমান। ১৯৩২ সালে রয়াল একাডেমী তে ভর্তি হন ও ১৯৩৫ সালের ১৯ মার্চ তিনি ১০ বেলুুচ রেজিমেন্টে যোগ দেন সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসেবে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন।

সামরিক জীবন[সম্পাদনা]

১০ম বেলুুচ রেজিমেন্টের ৫ম ব্যাটেলয়নে যোগদান করার পর তিনি উত্তর পসচিম ফ্রন্টে চলে যান। ১৯৩৫ সালে তিনি প্রথম শ্রেনীর উর্দু ভাষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ন হয়েছিলেন। উসমান ক্রমশ লেফটেন্যান্ট ও ১৯৩৬ সালে ক্যাপ্টেন পদে উন্নীত হন। ১৯৪৪ সালের এপ্রিল মাসে সাময়িক মেজর হিসেবে কাজ করাকালিন তিনি বার্মাতে যান। ১০ বেলুচ রেজিমেন্টে ১৯৪৫ সালের এপ্রিল থেকে ১৯৪৬ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত অধিনায়কত্ব করেন। দেশবিভাগের সময় মুসলিম হওয়ার কারনে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর প্রধানরা তাকে গ্রহণ করত আগ্রহী হন। ভবিষ্যত সেনাপ্রধানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও উসমান ভারতীয় সেনাবাহিনী ছেড়ে যাননি। বেলুচ রেজিমেন্টের বিরাট অংশ পাকিস্তানের অধিভুক্ত হলে তার ডগরা রেজিমেন্টে বদলী হয়।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

স্মৃতি[সম্পাদনা]

মহম্মদ উসমানের সমাধি

মহম্মদ উসমানের দেহ দিল্লীর জামিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের পার্শ্ববর্তী কবরস্থানে সমাহিত আছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Govt of India notification 2014
  2. "Tributes paid to Brigadier Usman" The Hindu 5 July 2004
  3. " Army commemorates birth centenary of Brig Usman" "Business Standard" 3 July 2012