মসজিদে নূর (বকশীগঞ্জ)
| মসজিদে নূর | |
|---|---|
২০২৪ সালে মসজিদের সম্মুখভাগ | |
| ধর্ম | |
| অন্তর্ভুক্তি | ইসলাম |
| শাখা/ঐতিহ্য | সুন্নি ইসলাম |
| জেলা | জামালপুর জেলা |
| অবস্থা | সক্রিয় |
| অবস্থান | |
| অবস্থান | দড়িপাড়া, বকশীগঞ্জ পৌরসভা |
| দেশ | বাংলাদেশ |
| স্থানাঙ্ক | ২৫°১০′২১.৪″ উত্তর ৮৯°৫২′২৬.০″ পূর্ব / ২৫.১৭২৬১১° উত্তর ৮৯.৮৭৩৮৮৯° পূর্ব |
| স্থাপত্য | |
| স্থাপত্য শৈলী | উসমানীয় |
| প্রতিষ্ঠাতা | মাবুবুল হক চিশতী |
| অর্থায়নে | মাবুবুল হক চিশতী |
| প্রতিষ্ঠার তারিখ | ১১ মে ২০১৮ |
| বিনির্দেশ | |
| সম্মুখভাগের দিক | পূর্ব |
| ধারণক্ষমতা | ২৫০০ |
| অভ্যন্তরীণ | ৫ একর |
| গম্বুজসমূহ | ৭ |
| মিনার | ৪ |
| উপাদানসমূহ | মার্বেল |
মসজিদে নূর জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা, পৌরসভার দড়িপাড়া এলাকায়, শহরের প্রবেশপথে জামালপুর-বকশীগঞ্জ সড়কের ডানপাশে অবস্থিত একটি জামে মসজিদ। তুরস্কের উসমানীয় স্থাপত্যশৈলী অনুসৃত, মার্বেল পাথরে বানানো স্থাপনাটির ধারণক্ষমতা প্রায় ২৫০০।[১] সীমানা বেষ্টিত দ্বিতল মসজিদটি স্থানীয় মাহবুবুল হক চিশতীর ব্যক্তিগত অর্থায়নে তৈরী। মসজিদটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় ২০১৮ সালের ১১ মে।[২][৩]
বিবরণ
[সম্পাদনা]মসজিদে নূর মূলত একটি দ্বিতল ভবন।[২] মুল সড়ক হতে ৫০০ মিটার সংযোগ সড়ক দিয়ে মসজিদ যুক্ত করা হয়েছে।[১] ফুল ও ফলের বাগানে ঘেরা[৪] মসজিদ ছাড়াও এটির চৌহদ্দিতে গাড়ি পার্কিং, বৃদ্ধাশ্রম, অনাথ আশ্রম ও মাদ্রাসা আছে।[১] অযুর স্থান মূল মসজিদের বাইরে। সীমানা প্রাচীর দিয়ে ঘেরা[১] অবকাঠামোর খোলা জায়গাগুলি ঝাউ গাছ দিয়ে পূর্ণ।[৪][২] মূল প্রার্থনা কক্ষের ছাদ থেকে ঝুলছে ঝাড়বাতি।[১] নীচের মূল প্রার্থনা কক্ষ ও দোতলাসহ মসজিদে সর্বোচ্চ আড়াই হাজার লোক একসাথে সালাত আদায় করতে পারে।[৪]
স্থাপত্য
[সম্পাদনা]মসজিদে নূর যা ৫ একর ভূমির উপর তুরক্সের উসমানীয় স্থাপত্যরীতি অনুসরণে তৈরী।[৩] মার্বেল পাথরের টাইলস দিয়ে মূল ভিত্তি বা মেঝে আবৃত। অভ্যন্তরের দেয়াল বিভিন্ন কারুকাজে সজ্জিত।[১] মূল বড় গম্বুজ, মসজিদের ঠিক কেন্দ্রে, ছাদে স্থাপিত। এছাড়াও আরও ছয়টি সহ মোট সাতটি গম্বুজ ও চারটি সুউচ্চ মিনার আছে। কেন্দ্রীয় গম্বুজের ভিতরে বিভিন্ন নকশা বসানো। লোকজন গমনের জন্য তিনটি ভিন্ন দরজা রাখা হয়েছে।[৪]
চিত্রশালা
[সম্পাদনা]- মসজিদের সংযোগ সড়ক
- মূল দরজা
- মিনার ও গম্বুজ
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 6 "জামালপুরে দৃষ্টিনন্দন 'মসজিদে নূর' দেখতে মানুষের ভিড়"। প্রথম আলো। ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০২৬।
- 1 2 3 ফরাজি, সাগর (২৭ মার্চ ২০২৪)। "সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে জামালপুরের মসজিদে নূর"। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০২৬।
- 1 2 "সৌন্দর্য ছড়ানো জামালপুরের মসজিদে নূর"। বার্তা২৪.কম। ৪ মে ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০২৬।
- 1 2 3 4 রানা, মোহাম্মদ সোহেল (১ মে ২০২৫)। "পর্যটকদের নজর কাড়ে মসজিদে নূর"। জাগো নিউজ। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০২৬।

