মরিয়ম আল-বাতুল মসজিদ
| মারিয়াম আল বাতুল মসজিদ | |
|---|---|
مسجد مريم البتول il-Moskea | |
মিনারসহ মসজিদ ভবন। | |
| ধর্ম | |
| অন্তর্ভুক্তি | সুন্নি |
| মালিকানা | ইসলামি প্রচার সংস্থা[১] |
| নেতৃত্ব | |
| অবস্থান | |
| অবস্থান | পাওলো, মাল্টা |
| প্রশাসন | ইসলামী প্রচার সংস্থা[৬][৭] |
| স্থানাঙ্ক | ৩৫°৫২′৩৩″ উত্তর ১৪°৩০′৩২″ পূর্ব / ৩৫.৮৭৫৮৯৭° উত্তর ১৪.৫০৮৮২২° পূর্ব |
| স্থাপত্য | |
| স্থপতি | মুহাম্মদ আবিদ আল-শুকরি |
| ধরন | মসজিদ |
| স্থাপত্য শৈলী | ইসলামি স্থাপত্য |
| সাধারণ ঠিকাদার | জেমকো ইন্টার্ন্যাশনাল লি. কোম্পানি [৮] |
| প্রতিষ্ঠার তারিখ | ১৯৮২ |
| নির্মাণ ব্যয় | £এম ৯০০,০০০[৯] |
| বিনির্দেশ | |
| ধারণক্ষমতা | ৫০০ মুসল্লি [১০][১১] |
| অভ্যন্তরীণ | ২২৫ মি২ (২,৪২০ ফু২)[৮][১০] |
| গম্বুজসমূহ | ১ |
| মিনার | ১ |
| মিনারের উচ্চতা | ৩১.৫ মি (১০৩ ফু)[৮] |
| উপাদানসমূহ | চুনাপাথর |
| ওয়েবসাইট | |
| mariamalbatool | |
মরিয়ম আল-বাতুল মসজিদ ( আরবি: مسجد مريم البتول; আক্ষরিক অর্থে "কুমারি মরিয়ম মসজিদ) [১২][১৩] হলো মাল্টার পাওলা শহরে অবস্থিত একটি মসজিদ। [১৪] এটি পাওলা মসজিদ [১৫] বা করাডিনো মসজিদ নামেও পরিচিত। [১৬] ১৯৭৮ সালে মসজিদের ভিত্তি হিসেবে এর প্রথম পাথর স্থাপন করেন লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি। ১৯৮২ সালে এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয় এবং ১৯৮৪ সালে গাদ্দাফি এতে ইমামতিও করেন। ভবনটির প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল মাল্টায় বসবাসরত মুসলিমদের সার্বিক সহায়তা প্রদান করা, যারা তখন মূলত লিবিয়া থেকে আসা অর্থনৈতিক অভিবাসী ছিলেন এবং মাল্টীয় সমাজে সুন্নি ইসলাম প্রচার করা। [১৭][১৮]
যদিও মাল্টায় আরও অনেক মুসলিম উপাসনালয় (মসজিদ) রয়েছে,[১৯][২০][২১] তবে মরিয়ম আল-বাতুল মসজিদ দেশের একমাত্র সরকারীভাবে স্বীকৃত মসজিদ এবং এটি কেবল মসজিদের জন্যে পরিকল্পিত কাঠামোয় নির্মিত হয়েছে। [২২][২৩] তাই কেবল এটিকে মাল্টীয় ভাষায় ইল-মোসকিয়া (আক্ষরিক অর্থে মসজিদ) বলা হয়। [২৪] এছাড়াও মাল্টায় আরো কিছু মসজিদ ভবন নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে। [২৫][২৬][২৭][২৮]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]মসজিদটি করাডিনো পাহাড়ে [২৯] করাডিনো লাইন ও তৃতীয় কর্ডিন মেগালিথিক মন্দিরের কাছে অবস্থিত। [৩০][৩১][৩২] ১৯৭৫ সালে মাল্টা সরকারের খাস জমি থেকে প্রায় ৬,৭০০ বর্গমিটার (০.০০২৬ বর্গমাইল) কেনা হয়েছিল (অথবা দান করা হয়েছিল), যা তখন একটি অনুন্নত স্থান হিসেবে অবহেলিত ছিল। ১৯৭৫ সালের ১৬ এপ্রিলের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন আবেদনপত্র তৈরি করা হয়েছিল। মসজিদটির নির্মাণ কাজ ১৯৭৮ সালে শুরু হয় এবং ১৯৮২ সালে এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। ১৯৮৪ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফি [৩৩] আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদটি উদ্বোধন করেন, যখন মাল্টা ও লিবিয়া বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। ফলে মাল্টা সরকার মসজিদ ও ইসলামি কেন্দ্রকে কূটনৈতিক দায়মুক্তি দেয়। [৩৪][৩৫] মুয়াম্মার গাদ্দাফি জমি কিনে ও মসজিদ নির্মাণের কাজে আংশিক অর্থায়ন করে [৩৬] প্রকল্পে সরাসরি অবদান রেখেছিলেন। [৩৭][৩৮]
মসজিদটি ডোম মিন্টফ সড়কের (পূর্বে করাডিনো রোড) পাশে অবস্থিত [৩৯][৪০] এবং এটি ওয়ার্ল্ড ইসলামিক কল সোসাইটির (ডব্লিউআইসিএস) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। এটি প্রধানমন্ত্রী ডম মিন্টফের কার্যকাল [৪১] চলাকালীন নির্মিত হয়েছিল, যখন মাল্টা ও লিবিয়ার মধ্যে অর্থনৈতিক আলোচনার প্রথম ধাপ শুরু হয়েছিল। [২৩][৪২] প্রধানমন্ত্রী ডম মিন্টফের নেতৃত্বে মাল্টা সরকারও মসজিদটি নির্মাণে অবদান রেখেছে। [৪৩] মসজিদ ও মিনার তৈরিতে খরচ হয়েছে প্রায় ৯,০০,০০০মিলিয়ন পাউন্ড। [৪৪]
ভবন
[সম্পাদনা]
মসজিদটি একটি ইসলামী ভবনে অবস্থিত,[১২] যাকে মসজিদ কমপ্লেক্স বা [৪৫] মাল্টা ইসলামি কেন্দ্র বলা হয়। [৪৬] কমপ্লেক্সে মারিয়াম আল-বাতুল স্কুল নামে একটি বিদ্যালয়,[৪৭] একটি ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, একটি উঠান, মাল্টা মুসলিম কবরস্থান এবং এর সাথে সংযুক্ত ইমামের বাড়ি রয়েছে। [৪৮][৪৯]
দ্বিতীয়টি (বিদ্যালয়) মসজিদ ভবনের পাশে সরকারি জমিতে অবস্থিত। [৫০] পূর্বে এর নাম ছিল গাদ্দাফি উদ্যান;[৫১][৫২][৫৩] তবে লিবীয় গৃহযুদ্ধের পর এটি লিবীয় উদ্যান নামে পরিচিতি লাভ করে। ২০১৬ সালের মার্চ মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে এর বর্তমান নামকরণ করা হয়। [৪০]
মাল্টা সরকারের অনুমতিক্রমে মাল্টা মুসলিম কবরস্থানটিও সরকারি জমিতে নির্মিত। [৫৪] এছাড়া মসজিদের পিছনে মুসলিম শিশুদের জন্য একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। [৫৫] এই ভবনটি বিশেষ করে মসজিদটি মাল্টায় ইসলামের পুনরুজ্জীবনের প্রতীক হয়ে উঠেছে [৪৪] এবং স্থানীয় কেউ কেউ এটিকে আধুনিক মুসলিম আধিপত্যের প্রথম তরঙ্গ হিসেবে দেখেছেন। [২৯][৫৬] তবে এটি উল্লেখযোগ্যভাবে লিবিয়ার ইউরোপের সাথে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে;[৫৭] বিশেষ করে লকারবি বোমা হামলার পর। [৫৮]
ব্যবস্থাপনা
[সম্পাদনা]
মসজিদটি স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায় কর্তৃক পরিচালিত হয় এবং ব্যবস্থাপনায় এটি মাল্টা সরকারের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত। [৫৯] মসজিদের প্রধান ইমাম হলেন মুহাম্মদ আল-সাদি,[৬০][৬১] যিনি "শেখ" (আক্ষরিক অর্থ "বয়স্ক") নামে পরিচিত। আরব-ইসরায়েলি যুদ্ধের কারণে মাল্টায় আসা ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের ঘরে আল-সাদির জন্ম। [৬২][৬৩] ফলস্বরূপ তিনি মাল্টার নাগরিকত্ব পেয়েছেন। [৬৪] শরীয়া আইনকে কঠোরভাবে মেনে চলাকে সমর্থন করার জন্য ফাদার রেনে ক্যামিলেরি তাকে একজন মৌলবাদী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু নৃবিজ্ঞানী রানিয়ার ফাসাদনি বিশ্বাস করেন যে, এটি মুসলমানদের মধ্যে প্রচলিত সাধারণ বিশ্বাস নয় এবং ইমাম আল-সাদি "বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সৎ"। [৬৫] প্রকৃতপক্ষে মাল্টার মুসলমানদের মধ্যে মদ্যপান একটি সাধারণ অভ্যাস, যা ইসলামের মৌলিক শিক্ষার পরিপন্থী। [১৭]
ইসলামী ধর্মীয় সংস্কৃতি-বিষয়ক দায়িত্ব ওমর আহমেদ ফারহাতের অধীনে। [৬৬] মুসলিমদের নিজেদের ধর্মীয় পরিবেশগত বিষয়গুলি মাল্টীয় আইন অনুসারে পরিচালনা করার অধিকার রয়েছে [৬৭] এবং মাল্টা সরকার এই বিষয়ে সংবেদনশীল। [২০] মসজিদটি উদ্বোধনের সময় অনেক বড় বলে ধারণা করা হলেও [২৯] বিদেশী মুসলিমদের অপ্রত্যাশিত বৃদ্ধির ফলে এটি এত ছোট হয়ে গেছে যে, স্থানীয় মুসলিমদের ধর্মীয় সেবা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। [৬৮][৬৯]
বাদের জেইনা নামে একজন ফিলিস্তিনি অভিবাসী ও মুসলিম সংগঠক [৭০] মালটা ইসলামি সম্প্রদায়ের (আইসিএম) নেতা।
স্থাপত্যশৈলী ও রীতি
[সম্পাদনা]মারিয়াম আল-ব্যাতুল মসজিদ আধুনিক যুগে মাল্টায় নির্মিত প্রথম মসজিদ।[৭১][৭২] এর আগে মাল্টায় যে মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল, সেটি ১৭০২ সালে ‘অর্ডার অফ সেন্ট জন’[৭৩] শাসনামলে তুর্কি বন্দীদের[৭৪] জন্য নির্মিত হয়েছিল। তবে বর্তমান সেই মসজিদের কোনো অবশিষ্টাংশ আর নেই[৭৫]এবং তার গঠন কেমন ছিল সে সম্পর্কেও তেমন কোনো বিশদ বিবরণ পাওয়া যায় না।[৭৬] মাল্টার প্রাচীন শহর এমদিনার ‘ত্রিক মেস্কিতা’ রাস্তা ও ‘পিয়াজা মেস্কিতা’ নামক স্থানটির নামকরণ সম্ভবত সেই যুগের কোনো পুরনো মসজিদকে কেন্দ্র করেই করা হয়েছিল, যা আরব শাসনামলে সেখানে ছিল।[৭৭][৭৮] অনেকে মনে করেন, এই নামগুলো আসলে "ডন মেস্কিতা" নামক তৎকালীন এমদিনার একজন গভর্নরের নামানুসারে রাখা হয়েছে।[৭৯][৮০]
বর্তমানে মাল্টার জাতীয় পরিচয় ও ইতিহাস থেকে ইসলাম-সম্পর্কিত অনেক কিছুই মুছে ফেলা হয়েছে বলে গবেষকরা উল্লেখ করেছেন।[৮১][৮২]
১৯৭৫ সালের ২১শে এপ্রিল লিবিয়া মাল্টার পাওলায় একটি ইসলামি কেন্দ্র স্থাপনের উদ্দেশ্যে প্রায় ৬,৭০০ বর্গমিটার জমি কিনে নেয়। এই কেন্দ্রের নকশা তৈরি করেন লিবিয়ার স্থপতি মোহাম্মদ আবিদ শুকরি। এই প্রকল্পের আওতায় মসজিদ, ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং ছাদের উপরে বাগান ঘেরা স্থানে বর্তমান স্কুল ও কবরস্থান অন্তর্ভুক্ত ছিল। এটি নির্মাণের দায়িত্বে ছিল "জেবকো ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড"এবং তত্ত্বাবধানে ছিলেন মাল্টীয় প্রকৌশলী আলফ্রেড বালজান। ১৯৭৮ সালের ২ জুলাই লিবিয়ার নেতা মোয়াম্মার গাদ্দাফি এক জনসভায় মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। মসজিদটি মাল্টার ঐতিহ্যবাহী চুনাপাথর ব্যবহার করে গঠন করা হয় এবং রঙ হিসেবে ব্যবহৃত সবুজ, হলুদ ও গোলাপি। মসজিদের মিনারটি পাওলার দিগন্ত রূপ রেখায় একটি চিহ্নিত স্থাপনা হিসেবে পরিগণিত হয়, যার উচ্চতা ৩১.৫ মিটার (১০৩ ফুট)। এটি প্যারিশ চার্চের পরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভবন হিসেবে পরিচিত।[৮৩]
বাহ্যিক কাঠামো
[সম্পাদনা]
মসজিদের সামনের দেয়ালে একটি ফলক স্থাপন করা হয়েছে ,যেখানে শুধু মোসকে শব্দটি লেখা রয়েছে, যা মাল্টীয় ভাষায় মসজিদ বুঝাতে ব্যবহৃত হয়। আল-বাতুল মসজিদের মূল কাঠামো চুনাপাথর দিয়ে গঠিত হয়েছে এবং মসজিদের আরবীয় স্থাপত্যশৈলী নির্মিত হয়েছে চুনাপাথর ও কাঠের সম্মিলনে। মসজিদটিতে একটি সবুজ রঙের গম্বুজও রয়েছে[৮৪] এবং একটি মিনার রয়েছে, যা নিজেই একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা। মিনারটি এতটাই দৃশ্যমান যে, পার্শ্ববর্তী বিস্তীর্ণ অঞ্চল থেকে এটি দেখা যায় এবং এটি স্থানীয়ভাবে দিকনির্দেশনা প্রদানের জন্যও ব্যবহৃত হয়।[৮৫][৮৬]
সম্প্রতি মিনারটি সংস্কার করা হয়েছে এবং সংস্কারের সময় লিবিয়ার পতাকা সেখানে ওড়ানো হয়েছিল, যা লিবীয় গৃহযুদ্ধ চলাকালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। তবে সংস্কারের পরে মিনারটির রং পরিবর্তন করা হয়—গাঢ় সবুজ থেকে হালকা সবুজ রঙে রূপান্তর করা হয়[৮৪] এবং আগের গোলাপি রঙটি পুরোপুরি সরিয়ে ফেলা হয়।[৮৭] তবে মসজিদের মূল অংশে কোন বড় ধরণের সংস্কার করা হয়নি এবং গাদ্দাফির আমলে যে ঐতিহ্যবাহী রঙ ব্যবহার করা হয়েছিল, তা এখনো বজায় রয়েছে।[৮৮][৮৯]
মসজিদ ও এর মিনারের আরবীয় নির্মাণশৈলী—যেমন গম্বুজের নির্মাণ, জানালাগুলোর নকশা, অষ্টভুজাকৃতি মিনার—এটিকে মাল্টার অন্যান্য স্থাপত্যশৈলী থেকে আলাদা করে তুলে ধরে এবং বহিরাংশে চোখধাঁধানো হালকা রঙের ব্যবহার একে আলাদাভাবে দৃষ্টিগোচর করে তোলে।[৯০][৯১]
অভ্যন্তরীণ কাঠামো
[সম্পাদনা]নামাজের স্থান মূলত মসজিদের ভেতরে রয়েছে, যেখানে মুসলিম প্রথা অনুযায়ী পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে।[৯২] নারীদের নামাজ পড়ার স্থান মসজিদের পাশে অবস্থিত, যার প্রবেশদ্বার পেছন দিক দিয়ে এবং সম্ভবত সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ভবনের মধ্যে অবস্থিত।[৯২] মসজিদে ইসলামি পোশাকের বিধি মানা হয়। নারীদের জন্য পর্দার ও যথাযথ আবরণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।[৯২] মাল্টায় হিজাব বা নিকাবের উপর কোনো আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা নেই; তবে দেশে আইনগতভাবে মুখ সম্পূর্ণ ঢেকে রাখা (যেমন বোরকা বা নিকাব)[৯৩] অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।[৯৪][৯৫] ধর্মীয় কারণে পর্দা করা নিয়ে কোন সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা নেই। ব্যক্তি তার নিজ বাড়ি কিংবা মসজিদে ইচ্ছেমতো পোশাক পরিধান করতে পারেন।[৯৪]
ইমাম আল সাদি উল্লেখ করেছেন, বোরকা বা নিকাব নিষিদ্ধ করা মুসলিম নারীদের জন্য অপমানজনক বিষয়।[৯৬] তবে তিনি বলেন, মাল্টার মানুষ মুসলিম নারীদের পোশাকের প্রতি সহনশীল মনোভাব পোষণ করে থাকেন, যদিও কিছু সাংস্কৃতিক বিভেদ রয়েছে। [৯৭] অনেক মুসলিম নারী বিশ্বাস করেন যে, পর্দা ছাড়া প্রকাশ্যে বের হওয়া পাপ।[৯৮][৯৯] যদিও আইনি কারণে পরিচয়পত্রের ছবি তোলার সময় পর্দা সরাতে বাধ্য করা হয়।[১০০]
মসজিদের অভ্যন্তরে অযুর জন্য পৃথক ঘর রয়েছে,[১০১] যা নামাজের পূর্বে অজু করার প্রথা অনুযায়ী তৈরি হয়েছে।[১০২] ভেতরে একটি বৃহৎ আকৃতির কুরআন শরীফও প্রদর্শিত হয়েছে।[১০৩]
জননীতি
[সম্পাদনা]
মসজিদটি প্রত্যহ সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে, যার মধ্যে অমুসলিম পর্যটকরাও অন্তর্ভুক্ত।[১০৪][১০৫] প্রতি শুক্রবার দুপুর ১ টায় জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।[১০৬] তবে মসজিদে প্রবেশের সময় ইসলামি রীতিনীতিগুলো মানতে হয়; যেমন জুতা খোলা, নামাজের সময়ে পুরুষ ও নারীর জন্য পৃথক প্রার্থনার স্থান ও অন্যান্য ধর্মীয় রীতিনীতি পালন।[১০৭][১০৪]
বিবাহসংক্রান্ত ব্যবস্থা
[সম্পাদনা]ইমাম আল সাদির মতে, মসজিদে বিবাহের অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হয়, যার মধ্যে আন্তঃধর্মীয় বিবাহও অন্তর্ভুক্ত। তবে ইসলামি কেন্দ্র থেকে বিবাহের সার্টিফিকেট প্রদান করা হলেও তা রাষ্ট্রীয়ভাবে বৈধতা পায় না[১০৮][১০৯] এবং এর কোনো আইনি স্বীকৃতিও নেই। মুসলিম নারী যদি অমুসলিম পুরুষকে বিয়ে করতে চায়, তবে তাদের এই মসজিদে বিবাহের অনুমতি দেওয়া হয় না। অন্যদিকে যদি কোনো অমুসলিম নারী মুসলিম পুরুষকে বিয়ে করতে চায়, তাহলে তাকে পরামর্শ দেওয়া হয়, যেন সে সন্তানদের মুসলিম হিসেবে লালন-পালন করেন।[১১০]
মসজিদের ইমাম আল-সাদি আন্তঃধর্মীয় বিবাহকে নিরুৎসাহিত করেন। কারণ তাঁর মতে এসব বিবাহের বেশিরভাগই ব্যর্থ হয়।[১১১] মসজিদ এলজিবিটি ব্যক্তি বা তাদের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয় না,[১১২] যা মাল্টার রাজনৈতিক পরিসরে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। [১১৩][১১২]
মুসল্লি
[সম্পাদনা]এই মসজিদে সাধারণত মাল্টার মুসলিম, পর্যটক,[১১৪][১১৫] অভিবাসী ও শরণার্থীরা[১১৬][১১৭] নামাজ পড়তে আসেন। মাল্টার মুসলিম সম্প্রদায় ১৯৭৪ সালে মাত্র একশরও কম ছিল।[১১৮] ২০০৭ সালে এ সংখ্যা বেড়ে হয় ৩,০০০; [১১৯][১২০] ২০১১ সালে ৬,০০০[১২১] এবং ২০১৪ সালে তা প্রায় ১০,০০০-এ পৌঁছায়।[১২২] যদিও এসব পরিসংখ্যান নির্ভরযোগ্য নয়; কারণ মাল্টার জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস মুসলিম জনসংখ্যা নিয়ে কখনো সুষ্ঠু আদমশুমারি পরিচালনা করেনি।[১২৩]
দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের তথ্যমতে মাল্টায় প্রায় ১৮,০০০ শরণার্থী রয়েছে,[১২৪] যাদের অধিকাংশই পুরুষ[১২৪] ও মুসলিম।[১২৫][১২৬]
২০১৬ সালে ইভান ভেল্লা বলেন, মাল্টায় মুসলিমের সংখ্যা ৪৫,০০০ পর্যন্ত হতে পারে,[১২৭] যদিও এটিও রক্ষণশীল অনুমান। লিবীয় নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর ২০১১ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে লিবীয় নাগরিকদের জন্য ৫৫,০০০-এর বেশি ভিসা নথিভুক্ত করা হয়েছিল, যাদের বেশিরভাগ মুসলিম ধর্মাবলম্বী ছিলেন। তবে এসব ছিল অস্থায়ী ভিসা; তারা চিকিৎসা কিংবা অন্যান্য কারণে মাল্টায় আগমন করেন।[১২৮]

মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির পেছনে প্রধানত অর্থনৈতিক অভিবাসন[১২৯] ও আন্তঃধর্মীয় বিয়ে কাজ করে। [১৩০][১৩১] বর্তমানে প্রায় ১,৩০০ মুসলিম পুরুষ মাল্টীয় নাগরিকত্ব লাভ করেছেন,[১৩২] যাদের অধিকাংশই বিয়ের মাধ্যমে এই নাগরিকত্ব পেয়েছেন।[১৩৩] মাল্টায় জন্ম নেওয়া প্রায় ২৫ মুসলিম নাগরিকও রয়েছে। [১৩৪] এছাড়া প্রায় ৩৫০ জন মাল্টীয় ইসলাম গ্রহণ করেছেন, [১৩২] যাদের বেশিরভাগই নারী। তারা মুসলিম স্বামীকে বিয়ের আগে বা বিয়ের পরে ধর্মান্তরিত হয়েছে।[১৩৫] [১৩৬] এছাড়া অনেক মুসলিম চায় যে, তাদের সন্তান যেন ধার্মিক মুসলিম হিসেবে বড় হয়।[১৩৫][১৩৭]
কখনো কখনো ধর্মান্তর প্রক্রিয়াটি জোরপূর্বক, চাপ দিয়ে কিংবা প্রভাব খাটিয়ে ঘটানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়।[১৩৮] এমনও ঘটনা ঘটেছে যেখানে মুসলিম পিতা তাদের সন্তানদের মাল্টীয় মায়ের কাছ থেকে নিয়ে নিজ দেশে চলে গেছেন,[১৩৮] যাতে তারা মুসলিম পরিবেশে লালিত-পালিত হয়।[১৩৫][১৩৯][১৪০]
জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে মসজিদটি এখন খুবই ছোট হয়ে পড়েছে।[১২২] অধিকাংশ মুসল্লি লিবিয়া, সিরিয়া ও সোমালিয়া থেকে আগত।[১৪১] মাল্টায় বিদেশি মুসলিমদের মাধ্যমে অপরাধ বৃদ্ধির কারণে [১৪২][১৪৩] মসজিদভিত্তিক এই সম্প্রদায় একটি বিচ্ছিন্ন অঞ্চলে পরিণত হচ্ছে।[১৪৪] ইমাম আল সাদি নিজেই উল্লেখ করেছেন যে, মুসলিমদের লক্ষ্য ‘নির্দিষ্ট অঞ্চলে’ বাস করা নয়।[১৪৫][১৪৬] এই বিচ্ছিন্নতা রোধে কিছু মাল্টীয় রাজনীতিবিদ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন; যেমন মসজিদে সরকারি সফরের মাধ্যমে একাত্মতা প্রকাশ করা।[১৪৭]
যোগাযোগ
[সম্পাদনা]এই মসজিদে আরবি ভাষা ইসলামি ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ও ইংরেজি ভাষা বহুসাংস্কৃতিক মুসল্লিদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ব্যবহার করা হয়।[১৪৮] মসজিদে পূর্বে লাউডস্পিকার ব্যবহার করে আজান দেওয়া হতো।[১৪৯] কিন্তু আশপাশের বাসিন্দাদের অভিযোগের কারণে তা বন্ধ করা হয়। কারণ আজান কখনও কখনও খুব ভোরে; যেমন ভোর ৪টায় দেওয়া হতো, যার ফলে অমুসলিমরা বিরক্তি বোধ করত। [১৫০][১৫১]
মসজিদটি মাঝে মধ্যে বিদেশি মুসলমানদের সামান্য দ্বন্দ্বের স্থান হয়ে উঠলেও সাধারণত একটি শান্তিপূর্ণ স্থান।[১৫২][১৫৩][১৫৪] মসজিদের প্রশাসন তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট mariamalbatool.com এর মাধ্যমে সাধারণ জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। [১৫৫][১৫৬] এছাড়াও রেডিও ও টেলিভিশনের মতো গণমাধ্যমে আলোচনায় অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সম্মেলনের মাধ্যমে মাঝে মাঝে যোগাযোগ করা হয়।
মসজিদ ও রাষ্ট্রের সম্পর্ক
[সম্পাদনা]সরকারি সফর
[সম্পাদনা]
তৎকালীন মাল্টার রাষ্ট্রপতি জর্জ অ্যাবেলা পাওলাতে অবস্থিত ইসলামি কেন্দ্র, বিশেষ করে মারিয়াম আল-বাতুল স্কুল পরিদর্শন করেছিলেন।[১৫৮]
আর্চবিশপ পল ক্রেমোনা মসজিদটি পরিদর্শন করে সেখানে প্রার্থনা করেন[১৫৯][১৬০] এবং তিনি অন্য এক উপলক্ষে ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রও পরিদর্শন করেন।[১৬১]
মাল্টার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লরেন্স গনজি ছিলেন প্রথম মাল্টীয় রাজনীতিবিদ, যিনি মসজিদ পরিদর্শন করেন।[১৬২] এই সফরের মূল কারণ ছিল মারিয়াম আল-বাতুল স্কুলের আর্থিক সংকট নিয়ে আলোচনা করা।[১৬৩] এরপর মসজিদ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী জোসেফ মুস্কাট[১৬৪] ও মাল্টায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডগলাস ক্মিয়েক, তারাও মারিয়াম আল-বাতুল স্কুলের অর্থনৈতিক সংকটের কারণে সেখানে গিয়েছিল। [১৬৫][১৬৬]
২০১৫ সালে মাল্টায় নিযুক্ত কাতারের রাষ্ট্রদূত আলি খিরগি প্রধানমন্ত্রী জোসেফ মুসকাটের সাথে মসজিদ পরিদর্শন করেন, যেখানে তারা মাল্টার উত্তরে নতুন একটি মসজিদ নির্মাণের সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করেন।[১৬৭]
রাজনৈতিক কার্যকলাপ
[সম্পাদনা]ইমাম আল সাদি মাল্টা সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী উভয় রাজনৈতিক দলকে (প্রধানমন্ত্রীদের সফরকালীন) তার সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। [১৬২][১৬৮] তবে এই সমর্থনের প্রধান শর্ত ছিল মুসলিম সমাজের উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণ; যেমন নতুন মসজিদ নির্মাণ, মারিয়াম আল-বাতুল স্কুলে শিক্ষা খাতে সহায়তা ও ইসলামি ঐতিহ্যের স্বীকৃতি।
তবে আল সাদি নিজেই বলেছেন যে মুসলিম সম্প্রদায় প্রধানত শ্রমিক দলের সমর্থক। তাদের এই প্রবণতাকে উৎসাহিত করেন মারিও ফারুগিয়া বর্গ, যিনি একজন ধর্মান্তরিত মুসলিম[১৬৯] এবং পূর্বে তিনি জাতীয়তাবাদী দলের সমর্থক ছিলেন।[১৭০] তিনি ইসলামি কেন্দ্রটির নেতা এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জোসেফ মুসকাটের সচিবালয়ে কর্মরত ছিলেন।[১৭১]
জাতীয়তাবাদী দলের সমর্থকরা অতীতে মুসলিমদের তাল হাব্বাজিজ নামে ডাকতো। এই শব্দটি উত্তর আফ্রিকার এমন বাসিন্দাদের নির্দেশ করে, যারা মিঠা আলমুন্ড বিক্রি করতেন।[১৭২] এই শব্দটি ছিল অত্যন্ত অপমানজনক, যার মাধ্যমে মসজিদ ভবনকে একটি "দরিদ্রাঞ্চল" (গেটো) রূপে চিত্রায়িত করা হত এবং আরব ও আরবি ভাষার প্রতি নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করা হতো।[১৭৩][১৭৪]
তবে সাম্প্রতিক সময় দলটি মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক হওয়ার চেষ্টা করছে।[১৭৫] এমনকি একবার মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে ইফতার উদযাপনের জন্য একটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়, যাকে ইমাম এল সাদি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা বলে উল্লেখ করেছিলেন।[১৭৬]
মসজিদ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাল্টা সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ এখন একটি সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে; বিশেষ করে নির্বাচনের সময় ভোটের বিনিময়ে সুবিধা আদায়ের প্রক্রিয়ায়।[১৭৭]
বিকল্প নামাজঘর
[সম্পাদনা]মাল্টার রাজনীতিবিদদের বিদ্যালয়ের আর্থিক সংকট সমাধানের বিষয়টি ছাড়াও মসজিদ পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল নতুন মসজিদ নির্মাণ নিয়ে আলোচনা করা। এর কারণ হল, মাল্টায় বর্তমানে আল-বাতুল মসজিদই একমাত্র সরকারি স্বীকৃত মসজিদ, যদিও দেশের বিভিন্ন স্থানে মুসলিমদের নামাজ আদায়ের জন্য পনেরটিরও অধিক নামাজ ঘর ছড়িয়ে রয়েছে; যেমন: বিরকিরকারা,[১৭৮]বুগিব্বা[১৭৯][১৮০] ফগুরা, [১৮১] ঘাকশাক,[১৭৮] মার্সা (আলবার্ট টাউন),[১৮২][১৮৩] হাল সাফি (ওপেন সেন্টার),[১৭৯] পিয়েতা, [১৮৪][১৮৫] সেন্ট পলস বে,[১৮৬] সান গওয়ান (তা’ জিওর্নি), [১৮৭][১৮৮] স্লিয়েমা (দার তাল-ইসলাম), [১৭৯] হালফার, [১৮৩] কাওরা,[১৭৮] মসিদা,[১৮৪] জুররিক[১৭৮] ও অন্যান্য স্থান।[১৮৯][১৭৮]
এসব নামাজ ঘরের মধ্যে দুটি[১৯০] মাল্টা পরিবেশ ও পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষের (এমইপি)[১৯১] কাছ থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে মসজিদ হিসেবে ব্যবহারের জন্য আইনগত অনুমোদন পেয়েছে। আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব মাল্টার[১৯২] মার্সাস্কালা এলাকায় একটি মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলেও তা স্থগিত রাখা হয়েছে।[১৯৩]
মাল্টা সরকার মাটার দেই হাসপাতালে[১৯৪] (যা দেশের প্রধান সরকারি হাসপাতাল) একটি আন্তঃধর্মীয় কক্ষ (বহু ধর্মাবলম্বীর জন্য উন্মুক্ত উপাসনালয়) বরাদ্দ দিয়েছে। এছাড়াও গোযো[১৯৫][১৯৬] দ্বীপের জিউকিয়া নামী এলাকায় বিখ্যাত স্থপতি রিচার্ড ইংল্যান্ডের[১৯৭] নকশা অনুযায়ী মসজিদ, গির্জা ও সিনাগগ সমন্বিত একটি আন্তঃধর্মীয় উপাসনালয় নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল; তবে স্থানীয় বিরোধিতার কারণে সেই প্রকল্পটিও স্থগিত রাখা হয়েছে ।[১৮৮]
পরিস্থিতি
[সম্পাদনা]
যেসব নামাজঘর মসজিদ হিসেবে পরিচালনার আইনি অনুমতি পায়নি, তাদের কিছু বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। [১৯৮] মাল্টা নিরাপত্তা সংস্থা[১৯৯][২০০] এসব নামাজ ঘরের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন বলে জানান। কারণ তাদের আশঙ্কা, এসব স্থানে মুসলিমরা চরমপন্থায় প্রভাবিত হতে পারে এবং নতুন ধর্মান্তরিত তরুণদের চরমপন্থী দলে যুক্ত করার চেষ্টা হতে পারে, যা দেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে।[২০১] এর প্রতিবাদে বাদার জেইনা একদল মুসলিমকে সাথে নিয়ে মাল্টার স্লিয়েমা ওয়াটারফ্রন্টে নামাজ আদায় করেন, যেখানে তারা দাবি তোলেন যে, নিজের বাসস্থানে ও সরকারি জমিতে কোন আইনি বাধা ছাড়াই উপাসনার অধিকার রাখা মানুষের একটি মৌলিক অধিকার। এই প্রসঙ্গে জেইনা আরো বলেন, যদি তারা বৈষম্য, সহিংসতা বা প্রতিহিংসার শিকার হন, তবে প্রতিক্রিয়ায় হিংসাত্মক ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।[২০২]
মাল্টার জাতীয় সাংবিধানিক আদালত বলেছে, যদিও ব্যক্তিগত সম্পত্তির যথেচ্ছা ব্যবহারের অধিকার সবার রয়েছে, তবে এর ব্যবহারেও কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। আদালতের মতে, এখানে কোনো বৈষম্য হয়নি এবং সংবিধানের ৮(১) ধারা লঙ্ঘন হয়নি। এটি ইউরোপীয় মানবাধিকার সনদ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মৌলিক অধিকার সনদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।[২০৩]
এরপর ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে শুধুমাত্র পুরুষদের একটি মুসলিম দল এমসিদা শহরে একটি রোমান ক্যাথলিক গির্জার সামনে শুক্রবারের নামাজ আদায় করা শুরু করে। এ নামাজকে তাদের প্রতিবাদ হিসেবে দেখা হয়; কারণ তাদের প্রার্থনার জন্য উপযুক্ত জায়গা ছিল না।[২০৪][২০৫][২০৬][২০৭][২০৮] এর আয়োজক বাদের জেইনা পূর্বে স্লিয়েমা[২০৯] ও বুগিব্বাতেও একই ধরনের প্রতিবাদে যুক্ত ছিলেন।[২১০] পরবর্তীতে এটি স্পষ্ট হয় যে, সমস্যা জায়গার ছিল না; বরং তাদের উদ্দেশ্য ছিল মারিয়াম আল-বাতুল মসজিদের বাইরে একটি বিকল্প প্রার্থনাস্থল পাওয়া। এই পরিস্থিতিতে, মুসলমানদের চাহিদার প্রেক্ষিতে সরকার অস্থায়ীভাবে ফ্লোরিয়ানার ‘ওস্পিজিও’ নামক ভবনকে নামাজের জন্যে বরাদ্দ দেয়। এটি এক সময় মানসিক হাসপাতাল ছিল এবং বর্তমান এটি পুলিশের সদর দফতরের পাশে অবস্থিত, যা প্রার্থনার জন্য নিরাপদ ও সুবিধাজনক স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়।[২১১][২১২][২১৩][২১৪][২১৫]
ইমাম আল সাদি জানিয়েছেন, বাদের জেইনার নেতৃত্বে আয়োজিত এই প্রকাশ্য নামাজের ব্যাপারে তাকে কিছু জানানো হয়নি।[২১৬] তিনি আরো বলেন যে, স্লিয়েমা ও এমসিদায়[২১৭] আয়োজিত এই নামাজ তার উদ্যোগে ছিল না এবং সরকার ও আয়োজকদের মধ্যে কোনো আলোচনার খবরও তার কাছে ছিল না।[২১৬]
ধর্মীয় স্বাধীনতা
[সম্পাদনা]মরিয়াম আল-বাতুল মসজিদ ও দেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রসঙ্গে মার্কিন দূতাবাস একাধিকবার জানিয়েছে যে, মাল্টা সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সেখানে "জোরপূর্বক ধর্মান্তর" সংক্রান্ত কোনো রিপোর্ট নেই।[২১৮] খ্রিস্টান থেকে ইসলামে ধর্মান্তরিত ও আল-বাতুল মসজিদে কর্মরত মারিও ফারুজিয়া বর্গ বলেন, প্রধানমন্ত্রী দপ্তরে ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে নিয়োগ পেতে তার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার বৈষম্য হয়নি।[২১৯] এছাড়া ইমাম আল সাদি মাল্টার সমাজকে "উদার ও সহনশীল" বলে উল্লেখ করেছেন।[২২০] তবে খালেদ বারেল নামী একজন প্রাক্তন মুসলিম টেলিভিশনের একটি অনুষ্ঠানে ইসলাম থেকে খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরের কথা ঘোষণা করলে তাকে মুসলিম সম্প্রদায় থেকে বাদ দেওয়া হয় এবং সে কিছু সিরীয় শরণার্থীর কাছ থেকে মৃত্যুর হুমকি পান বলে অভিযোগ করে।[২২১]

প্রধানমন্ত্রী জোসেফ মুসকাট কিছু গোষ্ঠীর ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন , যারা সালাফিবাদের মাধ্যমে মাল্টায় চরমপন্থী সুন্নি ইসলাম প্রচার করে। এই সংকট মোকাবেলায় জোসেফ মারিয়াম আল-বাতুল মসজিদ প্রশাসনের সহায়তার ওপর ভরসা করেন।[২২২][২২৩] মাল্টায় শরণার্থীদের সমাজে একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়া ব্যর্থ হয়েছে। কারণ অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক বিদেশি মাল্টায় প্রবেশ করেছে।[২১৯] মাল্টায় আগত অধিকাংশ শরণার্থী যুদ্ধবিধ্বস্ত মুসলিম দেশ; যেমন লিবিয়া, সোমালিয়া ও সিরিয়া থেকে এসেছিল এবং তাদের মধ্যে কিছু চরমপন্থী মনোভাবের অধিকারী ব্যক্তিও ছিলেন বলে ধারণা করা হয়।[২২৪] মাল্টার উত্তরাঞ্চলে কিছু মুসলিম পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে উগ্র মন্তব্যও করেন বলে রিপোর্ট করা হয়। নওমুসলিম ফারুজিয়া বর্গ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।[২১৯][২২৫] ইমাম আল সাদি চরমপন্থা থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন; [২২৬] তবে তিনি ইসলাম ধর্মের মৌলিক নীতিগুলোর পক্ষে রয়েছেন।[২২৭] তিনি মনে করেন যে, মাল্টায় সন্ত্রাসবাদের হুমকি নেই।[২২৮] তবে স্থানীয় মুসলিমদের মধ্যে উগ্রপন্থার প্রতি সহানুভূতি থাকতে পারে—এটি তিনি পুরোপুরি অস্বীকার করেন না।[২২৯] মাল্টার সশস্ত্র বাহিনী এ বিষয়ে কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে।[২৩০]
পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত আহমদিয়া জামাতের মাল্টা শাখার সভাপতি লায়েক আহমেদ আতিফ বলেন, ইসলাম শব্দের অর্থ শান্তি; তবে কিছু মানুষের আচরণ তা প্রতিফলিত করে না।[২৩১] লায়েক আতিফ ইসলামি সংস্কৃতির সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন এবং মুসলিমদের মাল্টায় শান্তিতে বসবাস করার ধর্মীয় দায়িত্বের কথা উল্লেখ করেন।[২৩২] তিনি শরণার্থীদের সমাজে মিশে যাওয়ার জন্য মাল্টীয় ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানোর উপর গুরুত্ব দেন।[২৩১] তবে ইমাম আল সাদি বলেন, মাল্টীয় সংস্কৃতি যদি ইসলামি ঐতিহ্যের বিরোধী হয়, তাহলে তা শিক্ষা দেওয়া উচিত নয়।[২৩৩]
২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে শার্লি এবদো হামলার আল সাদি ও আতিফ উভয়েই নিন্দা করেছেন।[২৩৪] সেই বছরের ডিসেম্বর মাসে শুক্রবারের নামাজের পর মসজিদে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচি হয়, যেখানে প্রায় ১০০ জন মুসলিম অংশগ্রহণ করেন, যারা ইসলাম ও সন্ত্রাসবাদকে আলাদা করে দেখাতে চেয়েছিলেন। এই উপস্থিতি থেকেই ধারণা করা যায়, শুক্রবারের নামাজে যেখানে সাধারণত সর্বোচ্চ উপস্থিতি থাকার কথা ছিল, সেখানে মারিয়াম আল-বাতুল মসজিদে মুসলিমদের অংশগ্রহণ তুলনামূলক কম ছিল।[২৩৫][২৩৬][২৩৭][২৩৮]
ইমাম এল সাদি মনে করেন মাল্টায় অনেক মুসলমান ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞ এবং যেহেতু তারা একজাতিক সমাজ থেকে এসেছে, তাই মাল্টার বৈচিত্র্যময় সমাজ—এমনকি অন্যান্য মুসলিম জাতিগোষ্ঠীর সাথেও—খাপ খাওয়াতে তাদের সমস্যা হয়।[২৩৯]
প্রেক্ষাপট
[সম্পাদনা]এসব কারণে মারিয়াম আল-বাতুল মসজিদ আবারও মাল্টার জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।[২৪০] ১৯৮৪ সালে মোয়াম্মার গাদ্দাফি কর্তৃক উদ্বোধনের পর থেকে তা নানা বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।[২৪১] এই সংকট মোকাবেলায় মাল্টা সরকার ও মুসলিম সম্প্রদায় একমত হয় যে, দেশে আরেকটি মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া দরকার।[২৪২] যদি তা বাস্তবায়িত হয়, তবে মারিয়াম আল-বাতুল মসজিদ আর মাল্টার একমাত্র মসজিদ থাকবে না।[২৪৩]
আরো দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Christian W Troll; C T R Hewer (eds.) (2012), Christian lives given to the study of Islam, Fordham University Press, p.259.
- ↑ "MARIAM ALBATOOL SCHOOL"। www.mariamalbatool.com। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "Malta imam warns Libyans 'foreign intervention is not free of charge'"। MaltaToday.com.mt।
- ↑ Nielsen, Jørgen; Akgönül, Samim; Alibašić, Ahmet; Racius, Egdunas (১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩)। Yearbook of Muslims in Europe। BRILL। পৃ. ৪৩২। আইএসবিএন ৯৭৮৯০০৪২৫৫৮৬৯।
- ↑ "MaltaMedia.com New chapter in Maltese inter-religious history"। Maltamedia.com। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Nielsen, Jørgen; Akgönül, Samim; Alibašić, Ahmet; Racius, Egdunas (১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩)। Yearbook of Muslims in Europe। BRILL। পৃ. ৪৩০। আইএসবিএন ৯৭৮৯০০৪২৫৫৮৬৯।, Volume 5.
- 1 2 "Islamic Centre - NCFHE - National Commission for Further Higher Education Malta"। NCFHE - National Commission for Further and Higher Education Malta। ১৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০১৫।
- 1 2 3 Camilleri, William (২০০৬)। "Ic-Centru Islamiku"। postijiet.webs.com (Maltese ভাষায়)। ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - ↑ "ThinkSite.eu"। ১৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০১৫।
- 1 2 Nielsen, Jørgen S.; Nielsen, Jørgen; Akgönül, Samim; Alibasi, Ahmet; Racius, Egdunas (১২ অক্টোবর ২০১২)। Yearbook of Muslims in Europe। BRILL। পৃ. ৩৯১। আইএসবিএন ৯৭৮-৯০০৪২২৫২১৩।
- ↑ "The Muslim Cemetery at Paola"। lineone.net। ১০ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০১৫।
- 1 2 Religious Education in a Multicultural Europe: Children, Parents and Schools। Palgrave Macmillan। ২০১৩। পৃ. ৭৮–৮২। আইএসবিএন ৯৭৮১১৩৭২৮১৫০০।
- ↑ Allied Newspapers Ltd. (২৩ জুলাই ২০০৬)। "A school with a difference"। Times of Malta।
- ↑ "Press Releases - Valletta, Malta - Embassy of the United States"। usembassy.gov। ১৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ নভেম্বর ২০১৫।
- ↑ "Mepa approves building of secondary school next to mosque"। The Malta Independent। ৫ জুলাই ২০১৩। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Calleja, Claudia (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। "Archbishop prays at mosque in message of dialogue"। Times of Malta। ১৬ আগস্ট ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- 1 2 "MaltaToday"। maltatoday.com.mt।
- ↑ https://ncpe.gov.mt/en/Documents/Our_Publications_and_Resources/Resources_and_Tools/Brochures/info_booklet_en(1).pdf ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে [অনাবৃত ইউআরএল পিডিএফ]
- ↑ "Islelanders"। ৭ জুলাই ২০১৪।
- 1 2 "MaltaToday"। maltatoday.com.mt।
- ↑ Yearbook of Muslims in Europe, Volume 5। BRILL। ২০১৩। পৃ. ৪৩১। আইএসবিএন ৯৭৮৯০০৪২৫৫৮৬৯।
- ↑ Ziebertz, Hans-Georg; Riegel, Ulrich (২০০৯)। How Teachers in Europe Teach Religion। LIT Verlag Münster। পৃ. ১২৬। আইএসবিএন ৯৭৮৩৬৪৩১০০৪৩৬।
- 1 2 "Moskea Malta, the Only Mosque and Islamic Center in Malta"। our-travel-destinations.com। অক্টোবর ২০১০। ২৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Rix, Juliet (২০১৩)। Malta and Gozo। Bradt Travel Guides। পৃ. ১৮৮। আইএসবিএন ৯৭৮১৮৪১৬২৪৫২৫।
- ↑ Borg, Joe (৯ মে ২০০৯)। "Should there be more mosques in Malta?"। Times of Malta। ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Peregin, Christian (১১ জানুয়ারি ২০১৩)। "Gonzi: I'll write off Muslim school's debts"। Times of Malta। ৯ আগস্ট ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Camilleri, Neil (৭ আগস্ট ২০১৫)। "Islamic Call Society asks government for help to find land for a new mosque and school"। The Malta Independent। ১৬ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Camilleri, Neil (২৭ আগস্ট ২০১৫)। "OPM says there are no plans for a new mosque on AUM Marsascala campus, no request was made"। The Malta Independent। ১৭ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- 1 2 3 "Muslims don't define themselves as Muslim, just as Catholics don't define themselves as Catholic - The Malta Independent"। independent.com.mt।
- ↑ The New Encyclopćdia Britannica: Macropćdia - Encyclopaedia Britannica, inc। Encyclopædia Britannica। ১৯ মার্চ ২০০৭। আইএসবিএন ৯৭৮০৮৫২২৯৫৭১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "Research Initiatives Archive - University of Malta"। Um.edu.mt। ২৬ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "Islam in Malta"। ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪। ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "The Muslim Cemetery at Paola" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ আগস্ট ২০১৭ তারিখে Malta Family History.
- ↑ "DIPARTIMENT TAL-INFORMAZZJONI DEPARTMENT OF INFORMATION MALTA - Press Release" (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Goodwin, Stefan (২০০২)। Malta, Mediterranean Bridge। Greenwood Publishing Group। পৃ. ১৮৬। আইএসবিএন ৯৭৮০৮৯৭৮৯৮২০১।
- ↑ Malta and the security of the Mediterranean region। ১৪ জুন ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Allied Newspapers Ltd. (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১)। "Four decades in Libya's embrace"। Times of Malta।
- ↑ Rudolf, Uwe Jens; Berg, Warren G. (২০১০)। Historical Dictionary of Malta। Scarecrow Press। পৃ. ১৪৩। আইএসবিএন ৯৭৮০৮১০৮৭৩৯০২।
- ↑ Camilleri, Neil (২৬ আগস্ট ২০১৫)। "Most AUM students will be Muslim, Social Impact Assessment urges construction of mosque in Zonqor"। The Malta Independent। ১৭ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- 1 2 "Corradino Road becomes Dom Mintoff Road, Gaddafi Gardens renamed"। Times of Malta। ৩০ মার্চ ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০১৬।
- ↑ Administrator। "Profil"। ghaqdaduminkumintoff.com। ১৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০১৫।
- ↑ Allied Newspapers Ltd. (সেপ্টেম্বর ২০১১)। "Gaddafi and Malta-Libya relations"। Times of Malta।
- ↑ Kullhadd। "Kullhadd - Gazzetta bil-Malti - Sitwazzjoni Difficli Ghall-Girien Taghna - Ahbarijiet"। kullhadd.com। ১৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০১৫।
- 1 2 "ThinkSite.eu"। ১৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০১৫।
- ↑ "Maltastar.com"। www.maltastar.com। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "World Islamic Call Society"। islamicfinder.org। ২৮ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Sansone, Kurt (২ মার্চ ২০১৩)। "Muslim school gets Labour's support"। Times of Malta। ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Bonnici, Joseph; Cassar, Michael (২৬ জুন ২০০৮)। A Chronicle of Twentieth Century Malta - Joseph Bonnici, Michael Cassar। Book distributors limited। আইএসবিএন ৯৭৮৯৯৯০৯৭২২৭৬। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "L-aħħar tislima lil Rodwan, it-tifel fost 10 aħwa li miet traġikament"। TVM। ১৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০১৫।
- ↑ "No Need for Gaddafi Gardens to be renamed - The Malta Independent"। independent.com.mt।
- ↑ "Postijiet interessanti - F'Rahal Gdid"। postijiet.webs.com। ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Gaul, Simon (২০০৭)। Malta, Gozo and Comino। Cadogan Guides। পৃ. ২২৬। আইএসবিএন ৯৭৮১৮৬০১১৩৬৫৯।
- ↑ "New student facilities for MCAST campus in Paola"। MEPA। জুন ২০১১। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Nielsen, Jørgen S.; Nielsen, Jørgen (১২ অক্টোবর ২০১২)। Yearbook of Muslims in Europe -। BRILL। আইএসবিএন ৯৭৮-৯০০৪২২৫২১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Allied Newspapers Ltd. (৪ আগস্ট ২০১৩)। "Islamic school expansion given green light"। Times of Malta।
- ↑ Gerard, Alison (2014), The Securitization of Migration and Refugee Women, Routledge, p. 19.
- ↑ "MaltaToday"। maltatoday.com.mt।
- ↑ Nielsen, Jørgen S.; Nielsen, Jørgen (১২ অক্টোবর ২০১২)। Yearbook of Muslims in Europe। BRILL। পৃ. ৩৮৯–৩৯০। আইএসবিএন ৯৭৮-৯০০৪২২৫২১৩।
- ↑ "Islamic Call Society asks government for help to find land for a new mosque and school - The Malta Independent"। independent.com.mt।
- ↑ Studi magrebini। ৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Schembri Orland, Kevin (১৭ ডিসেম্বর ২০১৪)। "Muslim spiritual leader in Malta Imam Elsadi strongly condemns ISIS"। The Malta Independent। ৭ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Allied Newspapers Ltd. (সেপ্টেম্বর ২০১২)। "Mother, baby mourn at slain migrant's funeral"। Times of Malta।
- ↑ "Malta Today"। maltatoday.com.mt।
- ↑ "Imam El Sadi condemns Boko Haram kidnapping - The Malta Independent"। independent.com.mt।
- ↑ Allied Newspapers Ltd. (১৯ নভেম্বর ২০০৯)। "What's wrong with chopping off thieves' hands, Imam asks"। Times of Malta।
- ↑ "U.S. Ambassador Visits Paola Mosque and Mariam Albatool School"। Embassy of the United States in Malta। ৯ ডিসেম্বর ২০০৯। ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Malta" (পিডিএফ)। State.gov। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Allied Newspapers Ltd. (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৯)। "Spiritual detox through fasting"। Times of Malta।
- ↑ "Maltastar.com"। www.maltastar.com। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "Protest 'to reflect deadly Gaza bombings' held - REMEMBER.COM.MT - Malta's TOP informative one stop website"। remember.com.mt। ১৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ নভেম্বর ২০১৫।
- ↑ New Oxford Review (ইংরেজি ভাষায়)। American Church Union। ২০০৬।
- ↑ Geo। ১৯৮১।
- ↑ Wettinger, Godfrey (2002), Slavery in the Islands of Malta and Gozo ca. 1000-1812, Publishers Enterprises Group, p. 455.
- ↑ Brydone, Patrick (১৮১৩)। A Tour Through Sicily and Malta।
- ↑ Wettinger, Godfrey (2002), in Cini, George, "Horrible torture on streets of Valletta".
- ↑ Wettinger, Godfrey (২০০২)। Slavery in the Islands of Malta and Gozo ca. 1000-1812। Publishers Enterprises। আইএসবিএন ৯৭৮৯৯৯০৯০৩১৬৪।
- ↑ "Islamic Focus".
- ↑ David Tschanz। "Malta and the Arabs"। Academia.edu। p.6.
- ↑ Francesco Balbi, Ernle Dusgate Selby Bradford (1965), "The Siege of Malta, 1565", Boydell Press, আইএসবিএন ৯৭৮১৮৪৩৮৩১৪০২, p. 176.
- ↑ Pickes, Time (1998), "Malta 1565: Last Battle of the Crusades", Osprey Publishing, আইএসবিএন ৯৭৮১৮৫৫৩২৬০৩৩, p. 79.
- ↑ Gerard, Alison (2014), The Securitization of Migration and Refugee Women, Routledge, p. 19.
- ↑ AlliedNewspapers Ltd. (২১ মার্চ ২০১৩)। "Perceptions of Muslims shaped by island's history"। Times of Malta।
- ↑ "Postijiet interessanti"। ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - 1 2 "Postijiet interessanti - F'Rahal Gdid"। postijiet.webs.com। ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "First PRE-HISTORY DAY AT KORDIN III TEMPLE, PAOLA - The Malta Independent"। independent.com.mt।
- ↑ Armstrong, Gary; Mitchell, Jon P. (২০০৮)। Global and Local Football: Politics and Europeanization on the Fringes of the EU। Routledge। পৃ. ৬৭। আইএসবিএন ৯৭৮-১১৩৪২৬৯১৯-৮।
- ↑ Allied Newspapers Ltd. (২৩ আগস্ট ২০১১)। "Libyans in Malta feel born again"। Times of Malta।
- ↑ Allied Newspapers Ltd. (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১)। "Four decades in Libya's embrace"। Times of Malta।
- ↑ Rudolf, Uwe Jens; Berg, Warren G. (২০১০)। Historical Dictionary of Malta। Scarecrow Press। পৃ. ১৪৩। আইএসবিএন ৯৭৮০৮১০৮৭৩৯০২।
- ↑ "Moskea Malta, the Only Mosque and Islamic Center in Malta"। our-travel-destinations.com। অক্টোবর ২০১০। ২৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Peter L. Twohig and Vera Kalitzkus (eds.) (2005), Social Studies of Health, Illness and Disease: perspectives from the social sciences and humanities, p. 50.
- 1 2 3 "Moskea Malta, the Only Mosque and Islamic Center in Malta"। our-travel-destinations.com। অক্টোবর ২০১০। ২৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Yearbook of Muslims in Europe, Volume 4 p. 393.
- 1 2 Dalli, Miriam (2015), "MP calls for banning of the burqa: ‘Decision requires rational debate’", Malta Today.
- ↑ Camilleri, Neil (2015), "In Malta, wearing a burqa while driving is ‘not illegal’ - police", The Malta Independent.
- ↑ "Imam says burqa and niqab ban 'offends' Muslim women"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "Times of Malta ‒ 'Muslim women should be able to wear hijab at work'"। Timesofmalta.com। ২১ জানুয়ারি ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "Report on Equality" (পিডিএফ)। Euroinfo.ee (এস্তোনীয় ভাষায়)। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Ltd, Allied Newspapers (২৯ মে ২০১১)। "Election of Muslim girl champions diversity"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Jørgen Nielsen; Samim Akgönül; Ahmet Alibašić; Egdunas Racius (2014), Yearbook of Muslims in Europe, Volume 6, Brill, p.411.
- ↑ "MaltaToday"। maltatoday.com.mt।
- ↑ Ahmad Chaudhry, Rashid (2015),"Ahmad and Sarah go to Mosque", Ahmadiyya Muslim Jamaat Malta.
- ↑ "Press Releases | Valletta, Malta - Embassy of the United States"। malta.usembassy.gov (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ মে ২০২৫।
- 1 2 "Moskea Malta, the Only Mosque and Islamic Center in Malta"। our-travel-destinations.com। অক্টোবর ২০১০। ২৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Maltastar.com"। www.maltastar.com। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "Malta-Information.com - Malta & Gozo - Useful Information - Religion"। malta-information.com। ১৪ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ মে ২০২৫।
- ↑ "Il-Moskea" (পিডিএফ)। Ahmadiyya.org। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Sadegh, Ibtisam; Zammit, David E. (১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। "Legitimizing a Muslim Marriage in Malta: Navigating Legal and Normative Structures"। Oxford Journal of Law and Religion। ৭ (3): ৪৯৮–৫১৮। ডিওআই:10.1093/ojlr/rwy037।
- ↑ "MALTA QORTI CIVILI (SEZZJONI TAL-FAMILJA) ONOR. IMHALLEF : ROBERT G MANGION"। Justiceservices.gov.mt। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "Imam El Sadi condemns Boko Haram kidnapping - The Malta Independent"। independent.com.mt।
- ↑ Allied Newspapers Ltd. (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৯)। "Spiritual detox through fasting"। Times of Malta।
- 1 2 Peregin, Christian (২৫ জুন ২০১০)। "Muslims and Catholics unite against gay marriage but disagree on divorce"। Times of Malta। ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Attard Montalto, Tim (৮ নভেম্বর ২০১৩)। "Muslim candidate is in line with Labour policy, says Muscat"। Malta Today। ৫ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Moskea Malta, the Only Mosque and Islamic Center in Malta"। our-travel-destinations.com। অক্টোবর ২০১০। ২৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "» A Muslim-Friendly Travel Guide to Malta"। Halaltrip.com। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "Report on Equality" (পিডিএফ)। Euroinfo.ee (এস্তোনীয় ভাষায়)। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Nielsen, Jørgen; Akgönül, Samim; Alibašić, Ahmet; Racius, Egdunas (৩১ অক্টোবর ২০১৪)। Yearbook of Muslims in Europe। BRILL। পৃ. ৪১১। আইএসবিএন ৯৭৮৯০০৪২৮৩০৫৩। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Impact: International Fortnightly। ৯ মার্চ ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Group, Taylor Francis (১ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭)। Europa World Year - Taylor & Francis Group। Routledge। আইএসবিএন ৯৭৮১৮৫৭৪৩৩০৫০। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|last1=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - ↑ Mazawi, André E.; Sultana, Ronald G. (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০)। World Yearbook of Education 2010: Education and the Arab 'World': Political। Routledge। পৃ. ২৪৪। আইএসবিএন ৯৭৮১১৩৫১৭৭০৫৮। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ AlliedNewspapers Ltd. (২১ মার্চ ২০১৩)। "Perceptions of Muslims shaped by island's history"। Times of Malta।
- 1 2 "Il-komunità Musulmana b'xewqa għal żewġ Moskej ġodda u skola akbar"। TVM (Maltese ভাষায়)। ২৯ ডিসেম্বর ২০১৪। ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - ↑ Zammit Martin R. (2012), in Jørgen S. Nielsen, Jørgen Nielsen, Samim Akgönül, Ahmet Alibasi and Egdunas Racius (2012), Yearbook of Muslims in Europe, Volume 4, Brill, p. 389.
- 1 2 Freeman, Colin (2013), "EU immigration: 'Malta is the smallest state, and we are carrying a burden that is much bigger than any other country'"
- ↑ Gerard, Alison (2014), The Securitization of Migration and Refugee Women, Routledge, p. 20–28.
- ↑ "Nitkelmu" (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Diacono, Tim (2016), "[WATCH] ‘Patriot’ arrested after harassing media during protest", Malta Today
- ↑ "Aktar minn 55,000 visa lil Libjani", netnews.com.mt, 2015.
- ↑ "If Malta votes divorce, some fear the winner will be radical Islam"। Catholic News Agency।
- ↑ "ThinkSite.eu"। www.thinksite.eu। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ মে ২০২৫।
- ↑ "Church commission talks of alarming rate of interfaith marriages"। MaltaToday.com.mt।
- 1 2 Nielsen, Jørgen S.; Nielsen, Jørgen; Akgönül, Samim; Alibasi, Ahmet; Racius, Egdunas (১২ অক্টোবর ২০১২)। Yearbook of Muslims in Europe। BRILL। আইএসবিএন ৯৭৮-৯০০৪২২৫২১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭ – Google Books এর মাধ্যমে।
- ↑ Goodwin, Stefan (2002), Malta, Mediterranean Bridge, p. 185.
- ↑ Annual Report on International Religious Freedom 2002। ২০০২।
- 1 2 3 "Court: Father Fears daughter maybe brought up as a Muslim - The Malta Independent"। www.independent.com.mt। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Ltd, Allied Newspapers (২৯ মে ২০১১)। "Election of Muslim girl champions diversity"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Ltd, Allied Newspapers (১৪ নভেম্বর ২০১৩)। "Mother fights to bring children back to Malta"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- 1 2 Ltd, Allied Newspapers (১৩ নভেম্বর ২০১৩)। "Updated - Maltese mother in battle for return of children 'abducted' to Libya"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "Mother fights to bring children back to Malta Libyan father took son and daughter after marriage failed"
- ↑ "Court: Father Fears daughter maybe brought up as a Muslim"
- ↑ Allied Newspapers Ltd. (২৮ এপ্রিল ২০১৫)। "Libyans top list of people who apply for asylum"। Times of Malta।
- ↑ Pisani, John (2010), "Heddewh wara li deher fuq il-programm Xarabank: Ragel li kien musulman u sar kristjan", L-Orizzont.
- ↑ Micallef, Keith (2015), "Somali, Libyan remanded in custody over Paceville fight", Times of Malta.
- ↑ Sammut, Carmen (2015), in Leone-Ganado Philip, at "Facebook fiction that became media fact", Allied Newspapers - Times of Malta.
- ↑ "Malta Today"। maltatoday.com.mt।
- ↑ Vogel, Dita (2009), Stories and Reflections of Immigrant Activists in Europe, Peter Lang, p. 29.
- ↑ "President George Abela pays a Visit Miriam Al Batool School."। gov.mt।
- ↑ "World Islamic Call Society, Paola"। halaltrip। ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Smyth, Emer; Lyons, Maureen; Darmody, Merike (২৯ আগস্ট ২০১৩)। Religious Education in a Multicultural Europe। Springer। পৃ. ৭৮। আইএসবিএন ৯৭৮১১৩৭২৮১৫০০।
- ↑ "Mepa approves building of secondary school next to mosque"। The Malta Independent। ৫ জুলাই ২০১৩। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Mosque In St Paul's Bay - The Malta Independent"। independent.com.mt।
- ↑ Attard, Charmaine (২৫ এপ্রিল ২০১৪)। "Ġlieda qrib il-Moskea f'Raħal Ġdid"। Newsbook (Maltese ভাষায়)। ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - ↑ "Ġlieda bejn ħames persuni wara talb fil-Moskea f'Raħal Ġdid"। TVM (Maltese ভাষায়)। ২৫ এপ্রিল ২০১৪। ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - ↑ Ameen, Juan (২৬ এপ্রিল ২০১৪)। "Five men arrested for brawl at Paola mosque"। Times of Malta। ৪ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Sorry. The page you are looking for does not exist"। www.ncfhe.org.mt। ১৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "MARIAM ALBATOOL SCHOOL"। mariamalbatool.com। ২৫ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০১৫।
- ↑ "ThinkSite.eu"। web.archive.org। ১৭ নভেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৪ মে ২০২৫।
- ↑ "President George Abela pays a Visit Miriam Al Batool School."। gov.mt।
- ↑ Calleja, Claudia (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। "Archbishop prays at mosque in message of dialogue"। Times of Malta। ১৬ আগস্ট ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Mons Scicluna jitlob ma' mexxejja reliġjużi oħrajn fil-Moskea ta' Raħal Ġdid"। NET News (Maltese ভাষায়)। ২০ জুন ২০১৪। ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - ↑ Peregin, Christian (২৫ জুন ২০১০)। "Muslims and Catholics unite against gay marriage but disagree on divorce"। Times of Malta। ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- 1 2 Borg, Bertrand (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩)। "May Malta have a stable future - Imam"। Times of Malta। ১ মার্চ ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Peregin, Christian (১১ জানুয়ারি ২০১৩)। "Gonzi: I'll write off Muslim school's debts"। Times of Malta। ৯ আগস্ট ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Muscat tells Muslim school: 'consider school loan as an investment by government'"। MaltaToday.com.mt।
- ↑ "U.S. Ambassador Visits Paola Mosque and Mariam Albatool School"। Embassy of the United States in Malta। ৯ ডিসেম্বর ২০০৯। ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Libyan embassy presents €10,000 to Mariam al Batool School"। Times of Malta। ৩০ ডিসেম্বর ২০১০। ৩ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Islamic Call Society asks government for help to find land for a new mosque and school - The Malta Independent"। independent.com.mt।
- ↑ Allied Newspapers Ltd. (২ মার্চ ২০১৩)। "Muslim school gets Labour's support"। Times of Malta।
- ↑ "A Muslim from Qormi - Mario Farrugia Borg"। MaltaToday.com.mt।
- ↑ Christian Peregin (৭ ফেব্রুয়ারি ২০১১)। "Muslim and former PN councillor converts . . . to Labour"। TIMES OF MALTA। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৪।
- ↑ "Muscat meets Muslim community at Castille"। MaltaToday.com.mt।
- ↑ Martin Morana (2011). Bejn Kliem u Storja. p. 100.
- ↑ Sammut, Carmen (2015), in Leone-Ganado Philip, at "Facebook fiction that became media fact", Allied Newspapers - Times of Malta.
- ↑ E Mazawi, André and Sultana, Ronald G. (eds.) (2010), World Yearbook of Education 2010: Education and the Arab 'World': Political Projects, Struggles and Geometries of power, p. 245.
- ↑ Cioffi, Yendrick (2014), "LOKALI Il-Komunità Musulmana tagħni lis-soċjetà Maltija - Simon Busuttil" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৮ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে
- ↑ Il-komunita musulmana f' Malta ticcelebra l-iftar mal-partit nazzjonalista.
- ↑ Vella Gauchi J (1991), Islamic Law and Mixed Marriages in Malta ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে, London.
- 1 2 3 4 5 Jørgen Nielsen; Samim Akgönül; Ahmet Alibašić; Egdunas Racius (2014), Yearbook of Muslims in Europe, Volume 6, Brill, p.411.
- 1 2 3 "MaltaToday"। maltatoday.com.mt।
- ↑ "US News -Business Recorders"। bizrecorders.com। ১৩ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ মে ২০২৫।
- ↑ "Il-Kuran qatt ma qalilna noqtlu lilna nfusna u lil ħaddieħor"। MaltaToday.com.mt। ১৯ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০১৫।
- ↑ "Islelanders"। ৭ জুলাই ২০১৪।
- 1 2 "Ecosprinter » An African diaspora: A look at the Marsa Open Centre for refugees fleeing conflict and famine"। ecosprinter.eu। ৫ জুন ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ মে ২০২৫।
- 1 2 Yearbook of Muslims in Europe, Volume 4 p.391.
- ↑ "Mosque In St Paul's Bay - The Malta Independent"। independent.com.mt।
- ↑ "Islamic Call Society asks government for help to find land for a new mosque and school - The Malta Independent"। independent.com.mt।
- ↑ "Msida Local Council" (পিডিএফ)। ১৯ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ মে ২০২৫।
- 1 2 Allied Newspapers Ltd. (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৪)। "Mepa finally halts use of 'illegal mosque'"। Times of Malta।
- ↑ Nielsen, Jørgen Schøler; Akgönül, Samim; Alibašić, Ahmet; Maréchal, Brigitte; Moe, Christian (২০০৯)। Yearbook of Muslims in Europe। BRILL। পৃ. ২৩১। আইএসবিএন ৯৭৮-৯০০৪১৭৫০৫১।
- ↑ "Malta", state.gov, p. 1.
- ↑ "International Religious Freedom Report for 2011"। State.gov। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "OPM says there are no plans for a new mosque on AUM Marsascala campus, no request was made - The Malta Independent"। Independent.com.mt। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Marvin Formosa PhD। "SOCIAL IMPACT ASSESSMENT : AMERICAN UNIVERSITY OF MALTA CAMPUS COTTONERA SITE" (পিডিএফ)। Opm.gov.mt। ১৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Jørgen Nielsen, Samim Akgönül, Ahmet Alibašić, Egdunas Racius (eds.) (2013), Yearbook of Muslims in Europe, Volume 5, Brill Publishing, p. 431. আইএসবিএন ৯৭৮৯০০৪২৫৫৮৬৯.
- ↑ "Archbishop gives blessing to ecumenical house of worship"। MaltaToday.com.mt।
- ↑ Allied Newspapers Ltd. (১৫ এপ্রিল ২০১৫)। "Plan to make Gozo a 'plateau of peace'"। Times of Malta। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Cauci Cunnigham, Albert (2015), "Il-pjanijiet għal moskea ġdida fit-tramuntana fil-‘friża’", Illum.
- ↑ Allied Newspapers Ltd. (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৪)। "Mepa finally halts use of 'illegal mosque'"। Times of Malta।
- ↑ "Security Services increasingly concerned by ISIS in Libya, Times of Malta, 2015.
- ↑ "Tħassib fuq is-sigurtà minħabba skola Iżlamika f'Malta"। MaltaToday.com.mt।
- ↑ "Malta: Security concerns arise over local Madrassa"। The Muslim Times। ১৪ জানুয়ারি ২০১৫।
- ↑ Peregin, Christian (2009), "Muslims gather in prayer along Sliema front".
- ↑ Camilleri, Silvio;Valenzia, Geoffrey; Caruana Demajo; Giannino (2011), "Qorti Kostituzzjonali", pp. 4–8.
- ↑ Ltd, Allied Newspapers (১৫ জানুয়ারি ২০১৬)। "Muslims gather again for prayers in Msida while search for premises continues"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Ltd, Allied Newspapers (১৭ জানুয়ারি ২০১৬)। "Drive-through Islam at Msida"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Ltd, Allied Newspapers (১৯ জানুয়ারি ২০১৬)। "Muslim congregation just wants permit for a stable place to pray"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "WATCH: Msida Muslims claim they are only praying and not inconveniencing anybody - TVM News"। ৮ জানুয়ারি ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "Muslim community calls on authorities to grant permits for places of worship"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "MaltaToday"। maltatoday.com.mt।
- ↑ "Regulated prayer rooms and preachers 'will eliminate possibility of extremism' - The Malta Independent"। www.independent.com.mt। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Ltd, Allied Newspapers (২১ জানুয়ারি ২০১৬)। "Muslims given temporary use of Ospizio for Friday prayers - no further meetings at Msida"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Ltd, Allied Newspapers। "Times of Malta ‒ General, sporting, and business news for Malta and the surrounding region"। www.timesofmalta.com। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "Muslims are happy with the 'Ospizio' but they want more places for praying - TVM News"। ২১ জানুয়ারি ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "No prayers in Msida on Friday as government extends hand of cooperation to Muslims - The Malta Independent"। www.independent.com.mt। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "[WATCH] Muslim community 'happy' with temporary solution for Friday prayers"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- 1 2 "Islamic Centre apologises to those offended by Msida public prayers - TVM News"। ১০ মে ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Ltd, Allied Newspapers (৯ মে ২০০৯)। "Muslims pray again on seafront"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "Malta" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৮ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে.
- 1 2 3 "A Muslim from Qormi - Mario Farrugia Borg"। MaltaToday.com.mt।
- ↑ "Muslims don't define themselves as Muslim, just as Catholics don't define themselves as Catholic - The Malta Independent"। independent.com.mt।
- ↑ Pisani, John (2010), "Heddewh wara li deher fuq il-programm Xarabank: Ragel li kien musulman u sar kristjan", L-Orizzont.
- ↑ Cauci Cunnigham, Albert (2015), "Il-pjanijiet għal moskea ġdida fit-tramuntana fil-‘friża’", Illum.
- ↑ "Online poll - 72% fear Malta could be threatened by ISIS"। maltatoday.com.mt।
- ↑ "Tħassib fuq is-sigurtà minħabba skola Iżlamika f'Malta"। MaltaToday.com.mt।
- ↑ Zammit Cordina, Mark (2013), "European Court blocks deportation of migrants - NGOs protest outside police HQ - PM to make statement". Times of Malta.
- ↑ "Can neutral Malta fend off foreign threats? - The Malta Independent"। independent.com.mt।
- ↑ Allied Newspapers Ltd. (১৯ নভেম্বর ২০০৯)। "What's wrong with chopping off thieves' hands, Imam asks"। Times of Malta।
- ↑ Allied Newspapers Ltd. (১৩ জানুয়ারি ২০১৫)। "No Islamic extremists in Malta - Imam"। Times of Malta।
- ↑ Camilleri, Neil (2015), "Imam does not exclude Muslims having sympathy towards extremists, but says no terrorists in Malta", The Malta Independent.
- ↑ "International terrorism: Malta's security apparatus inadequate"। corpidelite.net। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫।
- 1 2 Dalli, Kim (2013), "Muslims in Malta need to ‘work hard at integration’", Times of Malta.
- ↑ Carabott, Sarah (2014), "'Muslims have a religious duty to love island'", Times of Malta.
- ↑ Vogel, Dita (২০০৯)। Stories and Reflections of Immigrant Activists in Europe। Peter Lang। পৃ. ২৯, ৩০। আইএসবিএন ৯৭৮৩৬৩১৫৮৪২২৪।
- ↑ "Malta's Muslim leaders condemn Paris attacks", Times of Malta, 2015.
- ↑ Dalli, Miriam (2015), "[WATCH] Maltese Muslim community protests terrorism, calls for unity", Malta Today.
- ↑ "Muslim community protests against terrorism - urges world action against IS" Times of Malta, 2015.
- ↑ "Muslim community in Malta condemns terrorism", China.org.cn, 2015.
- ↑ "Muslims in Malta protest against terrorism", tvm.com.mt, 2015.
- ↑ Vogel, Dita (2009), Stories and Reflections of Immigrant Activists in Europe, Peter Lang, p. 29.
- ↑ "ThinkSite.eu"। ১৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০১৫।
- ↑ "The Muslim Cemetery at Paola"। website.lineone.net। ২২ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ মে ২০২৫।
- ↑ Neil Camilleri (৭ আগস্ট ২০১৫)। "Islamic Call Society asks government for help to find land for a new mosque and school - The Malta Independent"। Independent.com.mt। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Gary Armstrong; Jon P. Mitchell (৩১ মার্চ ২০০৮)। Global and Local Football: Politics and Europeanization on the Fringes of the EU। Routledge। পৃ. ৬৭। আইএসবিএন ৯৭৮১১৩৪২৬৯১৯৮। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
আরো পড়ুন
[সম্পাদনা]- Il-Moskea (মাল্টীয় ভাষায়)
- Ic-Centru Islamiku ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে (মাল্টীয় ভাষায়)
- Islam in Malta ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]
উইকিমিডিয়া কমন্সে মরিয়ম আল-বাতুল মসজিদ সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।