ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
ময়মনসিংহ প্রকৌশল কলেজ
ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ.jpg
ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
ধরন পাবলিক প্রকৌশল কলেজ
স্থাপিত ২০০৮
অধ্যক্ষ ড. ইঞ্জিনিয়ার নুরুল ইসলাম
শিক্ষার্থী প্রায় ৪৫০
ঠিকানা রঽমতপুর বাইপাসমোড়,খাগডঽর,সদর,ময়মনসিংঽ, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ
শিক্ষাঙ্গন ৭ একর
অধিভুক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ওয়েবসাইট কলেজ তথ্য বাতায়ন
MEC LOGO.jpg

ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ময়মনসিংহ বিভাগের অন্যতম সেরা প্রকৌশল বিদ্যাপাঠ । এটি বুয়েট, কুয়েট, চুয়েট ও রুয়েটের মত বি.এস. সি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী প্রদানকারী (পাবলিক) প্রকৌশল কলেজ। ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের অধিভূক্ত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বাংলাদেশকে তথ্য ও প্রযুক্তি নির্ভর করে গড়ে তুলার লক্ষ্যে ২০০৫ সালে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপনা প্রকল্প অনুমোদন করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৭ সালে ময়মনসিংহ বিভাগের একমাত্র প্রকৌশল শিক্ষার বিদ্যাপাঠ হিসেবে ৬০ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। বর্তমান সরকারের মাননীয় ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান ২০০৯ সালে ইইই ডিপার্টমেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্ভোধন করেন।

অবস্থান[সম্পাদনা]

ময়মনসিংহ শহর থেকে প্রায় ৭কিমি দূরে ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে রহমতপুর বাইপাস মোড় সংলগ্ন ক্যামপাসটি খাগডহর, ময়মনসিংহ সদর, ময়মনসিংহ অবস্থিত।

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

৩টি একাডেমিক বিল্ডিং, ১টি লাইব্রেরি ও কম্পিউটার বিল্ডিং, অধ্যক্ষের বাসভবন, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বাসভবন নিয়ে মোট ১৩ টি ভবন নিয়ে কলেজের পুরো কাঠামোটি গঠিত। এছাড়াও ছাত্রদের জন্য ২টি ও ছাত্রীদের ১টি আবাসিক হল রয়েছে। ধর্মীয় উপাসনার জন্য মসজিদ, পূজা কক্ষ এবং ক্যাম্পাসে একটি শহীদ মিনার রয়েছে।

বিভাগসমুহ ও আসনসংখ্যা[সম্পাদনা]

ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে মোট ৩টি বিভাগ রয়েছে। ২০০৮-২০০৯ শিক্ষাবর্ষে শুধুমাত্র ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টে ৬০ জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির মাধ্যমে যাত্রা শুরু এই প্রতিষ্ঠানটির। পরবর্তীতে ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টে ৬০ জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয়। বর্তমানে ইইই ও সিভিল ডিপার্টমেন্টে ১২০ জন করে ছাএ-ছাত্রী ভর্তি করানো হয়। আগামী ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট চালু হওয়ার কথা রয়েছে । বর্তমানে প্রায় ৪৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী এখানে অধ্যয়ন করছে।

ল্যাব সুবিধা[সম্পাদনা]

শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে প্রায় ৩৫০+ উপরে কম্পিউটার ও রয়েছে একটি অত্যাধুনিক পাওয়ার স্টেশন। তিনটি ডিপার্টমেন্টই রয়েছে আলাদা আলাদা উন্নতমানের ল্যাব।

ভর্তি প্রক্রিয়া[সম্পাদনা]

এসএসসি এবং এইসএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা জিপিএ ও প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি পরীক্ষায় অর্জিত নম্বরের ভিত্তিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়। ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় মেধাক্রম অনুসারে এখানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়।

আবাসন ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

এই কলেজের শিক্ষার্থীদের থাকার জন্য রয়েছে তিনটি হল যার ২টি ছেলেদের জন্য ও ১টি মেয়েদের জন্যঃ

  • মুক্তিযোদ্ধা হল - ২০০ ছাত্রের আবাসন সুবিধা সম্পন্ন;
  • অমর একুশেহল - ২০০ ছাত্রের আবাসন সুবিধা সম্পন্ন;
  • বীর মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি হল - ১৫০ ছাত্রীর আবাসন সুবিধা সম্পন্ন।

কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার[সম্পাদনা]

ইন্টারনেট সংবলিত আধুনিক গ্রন্থাগার রয়েছে এতে। লাইব্রেরিটি প্রয়োজনীয় বইয়ে সমৃদ্ধ। প্রতিটি কক্ষে প্রায় ৮০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করতে পারে। শিক্ষার্থীরা এখান হতে তাদের প্রয়োজনে বই ধার নিতে পারে।

কার্যক্রম[সম্পাদনা]

সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্রবার) বাদে প্রতিদিন সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ২টা পর্যন্ত ক্লাস হয়ে থাকে। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা সফরের আয়োজন করা হয়। কলেজে সবরকম প্রশাসনিক কর্মকান্ড সম্পন্ন করে এর প্রশাসনিক কার্যালয়ে। প্রশাসনিক কার্যালয়ের অধীনস্থ আরো কয়েকটি উপবিভাগ রয়েছে। বছরজুড়েই ক্যাম্পাসে নানারকম সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চলে এবং বিশেষ দিবস উদযাপিত হয়।

সহ শিক্ষা কার্যক্রম[সম্পাদনা]

শিক্ষার্থীরা পড়াশুনার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষামূলক কাছে নিজেকে সমৃদ্ধ করা সুযোগ রয়েছে।

রোভার ডেন সাংস্কৃতিক সংঘটন

ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের রোভার স্কাউট শাখা। "সেবা" এই মটো নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে রোভার সদস্যরা।

"সাংস্কৃতি আমাদের ঐতিহ্যের বাহক" এই বিশ্বাস নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে মইক সাংস্কৃতিক সংঘটন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]