মড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
মড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়
মড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়১.jpg
এসো সত্য ও সুন্দর পথে চলি
অবস্থান
গাবতলী উপজেলা
বগুড়া, বগুড়া–৫৮০০
বাংলাদেশ
তথ্য
বিদ্যালয়ের ধরন সরকারী প্রাথমিক
প্রতিষ্ঠাকাল ১৯১৫
অবস্থা সক্রিয়
বিদ্যালয় বোর্ড মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড,রাজশাহী
বিদ্যালয় জেলা বগুড়া
সেশন জানুয়ারি
কর্মকর্তা
শিক্ষকমণ্ডলী ১২
শ্রেণী ১ম–৫ম
লিঙ্গ ছেলে, মেয়ে
ছাত্র সংখ্যা ৭৮৮ জন
ভাষার মাধ্যম বাংলা মাধ্যম
ভাষা বাংলা
সময়সূচির ধরন প্রাথমিক
ক্যাম্পাসের আকার ৪০ শতাংশ

মড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলায় অবস্থিত একটি সরকারী বিদ্যালয়।

অবস্থান[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের বগুড়া জেলা শহর হতে প্রায় ১০ কিলোমিটার[১] পূর্বে এবং গাবতলী উপজেলা হতে প্রায় ৮ কিলোমিটার দক্ষিণে গোলাবাড়ি বাজার সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যালয়টি অবস্থিত।

ভবনের বর্ণনা[সম্পাদনা]

বিদ্যালয়ে মোট তিনটি ভবন রয়েছে। প্রথম দ্বিতল ভবনটির নাম পল্লী কবি জসিম উদ্দিন ভবন। এর পাশেই রয়েছে বেগম রোকেয়া ভবনকাজী নজরুল ইসলাম ভবন নামে দুইটি একতলা ভবন। অত্র ভবন সমূহে সর্বমোট ১১টি কক্ষ রয়েছে, যার মধ্যে ৯টি শ্রেনীকক্ষ, ১টি অফিস কক্ষ এবং ১টি স্টোর রুম রয়েছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

ব্রিটিশ শাসনআমলে ১৯১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে এক স্থানীয় আলোচনায় ভিত্তিতে মহর উল্লাহ প্রামাণিক নামক একজন ব্যক্তির ৪০ শতাংশ জমির উপর বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিদ্যালয়ের জন্য মড়িয়া বড় পুকুর পাড়ে জায়গা নির্ধারিত হয়। ১৯১৫ সালে তিন কক্ষ বিশিষ্ট ছন ও টিন দ্বারা বিদ্যালয়টি নির্মাণ করা হয়। প্রাথমিক অবস্থায় বিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয় মড়িয়া গ্রাম্য পাঠশালা এবং ৩ জন শিক্ষক এবং ২১ জন ছাত্র নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৭৩ সালে বিদ্যালয়টিকে সরকারী করণ করা হয় এবং ৫৮ বছর পর নাম পরিবর্তন করে মড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রাখা হয়। এরপর বিদ্যালয়ে পাঁচ কক্ষবিশিষ্ট অধাপাকা ঘর নির্মিত হয়। ২০০১ সালে একটি দ্বিতল ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়, যার তিন কক্ষ বিশিষ্ট একতলা ২০০১ সালে এবং বাকি একতলা ২০০৩ সালে নির্মিত হয়। আরেকটি ৩ কক্ষ বিশিষ্টি একতলা ভবন ২০০৫ সালে নির্মাণ করা হয়। ২০১০ সালে শেষ একটি দিকক্ষ বিশিষ্ট একতলা ভবন নির্মিত হয়। বিদ্যালয়টি ২০১১ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার কেন্দ্র[২] হিসাবে ব্যাবহৃত হয়ে আসছে।

শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রী[সম্পাদনা]

বিদ্যালয়ে বর্তমানে ১২ জন শিক্ষক রয়েছেন,[১] যার মধ্যে ৬ জন পুরুষ এবং ৫ জন মহিলা। বিদ্যালয়ে মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৭৮৮ জন যার মধ্যে ৩৯২ জন ছাত্র এবং ৩৯৬ জন ছাত্রী। বিদ্যালয়ে ১ জন সরকারি বেতনভুক্ত পিয়ন এবং একজন বিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিলে বেতন প্রদানকৃত পিয়ন রয়েছে।

অর্জন[সম্পাদনা]

২০১৩ এবং ২০১৪ সালের প্রথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় বিদ্যালয়ের পাশের হার ছিল যথাত্রমে ৯২.৭২ ও ৯৭.৩২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৫৫ ও ৩৭ জন।[১]

অনান্য সাফল্য[সম্পাদনা]

২০১২ সালে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ টূর্ণামেন্টে বিদ্যালয়টি উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হয়, এছাড়া ২০১০, ২০১১, ২০১৩ সালে ইউনিয়ন পর্যায়ে চাম্পিয়নশীপ অর্জন করে। বিদ্যালয় কাব স্কাউট সংগঠন সক্রিয়। এ পর্যন্ত বিদ্যালয় থেকে ৪ জন শিক্ষার্থী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রাথমিক পর্যায়ে সর্বোচ্চ পুরস্কার অর্জন করেছে। এছাড়া বিগত ২০১৪ সালে বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেনীর একজন ছাত্র বাংলাদেশ স্কাউটসের পক্ষ থেকে ভারত সফর করে এসেছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]