ভিক্টর হোপ, লিনলিথগোর ২য় মার্কুইস
লিনলিথগোর মার্কুইস | |
|---|---|
১৯৩৫ সালে লিনলিথগো | |
| ভারতের গভর্নর-জেনারেল | |
| কাজের মেয়াদ ১৮ এপ্রিল ১৯৩৬ – ১ অক্টোবর ১৯৪৩ | |
| সার্বভৌম শাসক | অষ্টম এডওয়ার্ড ষষ্ঠ জর্জ |
| প্রধানমন্ত্রী | স্ট্যানলি বল্ডউইন নেভিল চেম্বারলেইন উইনস্টন চার্চিল |
| পূর্বসূরী | উইলিংডনের মার্কেস |
| উত্তরসূরী | ভিসকাউন্ট ওয়েভেল |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৮৭ South Queensferry, Linlithgowshire, Scotland |
| মৃত্যু | ৫ জানুয়ারি ১৯৫২ (বয়স ৬৪) South Queensferry, Linlithgowshire, Scotland |
| দাম্পত্য সঙ্গী | Doreen Milner (বি. ১৯১১) |
| সন্তান |
|
| মাতা | Hersey Everleigh-de-Moleyns |
| পিতা | জন হোপ, লিনলিথগোর ১ম মার্কুইস |
| শিক্ষা | Ludgrove School এটন কলেজ |
| পেশা |
|
| সামরিক কর্মজীবন | |
| আনুগত্য | |
| সেবা/ | |
| পদমর্যাদা | কর্ণেল |
| ইউনিট | Lothians and Border Horse রয়েল স্কট |
| যুদ্ধ/সংগ্রাম | |
ভিক্টর আলেকজান্ডার জন হোপ, ২য় মার্কুইস অব লিনলিথগো, কেজি, কেটি, জিসিএসআই, জিসিআইই, ওবিই, টিডি, পিসি, এফআরএসই (২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৮৭ – ৫ জানুয়ারি ১৯৫২) হলেন একজন ব্রিটিশ ইউনিয়নবাদী রাজনীতিবিদ ও রাষ্ট্রনায়ক, কৃষিবিদ এবং ঔপনিবেশিক প্রশাসক। তিনি ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর-জেনারেল এবং ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি রয়্যাল সোসাইটি অফ এডিনবরার সহ-সভাপতি, এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর এবং চার্চ অফ স্কটল্যান্ডের জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে লর্ড হাই কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাকে সাধারণত লর্ড লিনলিথগো বা সংক্ষেপে লিনলিথগো নামে উল্লেখ করা হতো।
জন্ম ও পারিবারিক পরিচিতি
[সম্পাদনা]হোপ ১৮৮৭ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর স্কটল্যান্ডের লিনলিথগোশায়ারের সাউথ কুইন্সফেরির হোপটোউন হাউসে জন্মগ্রহণ করেন।[১]
তিনি ছিলেন জন অ্যাড্রিয়ান লুই হোপ, হোপটোউনের ৭ম আর্ল (পরবর্তীতে লিনলিথগোর ১ম মার্কুইস) এবং হার্সি এভারলি-ডি-মোলিনস, হোপটাউনের কাউন্টেস (পরবর্তীতে লিনলিথগোর মার্চিওনেস) ও চতুর্থ ব্যারন ভেন্ট্রির কন্যার জ্যেষ্ঠ পুত্র।[২] তার ধর্মমাতা ছিলেন রানী ভিক্টোরিয়া।[৩]
শিক্ষা ও প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]তিনি লুডগ্রোভ স্কুল এবং ইটন কলেজে শিক্ষা লাভ করেন এবং ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯০৮-এ তিনি লিনলিথগোর ২য় মার্কুইস হিসাবে তার পিতার স্থলাভিষিক্ত হন।[১]
১৯১২ সালে, মাত্র ২৫ বছর বয়সে, তিনি রয়্যাল সোসাইটি অব এডিনবার্গের ফেলো নির্বাচিত হন।[১] তার প্রস্তাবকরা ছিলেন উইলিয়াম টার্নার, আলেকজান্ডার ক্রাম ব্রাউন, কারগিল গিলস্টন নট এবং জেমস হেইগ ফার্গুসন। তিনি ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত সোসাইটির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[৪]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 (Hesilrige 1921)
- ↑ John Glendevon, Viceroy at Bay: Lord Linlithgow in India, 1936–43, London: Collins, 1971
- ↑ Dictionary of Australian Artists Online
- ↑ Biographical Index of Former Fellows of the Royal Society of Edinburgh 1783–2002 (পিডিএফ)। The Royal Society of Edinburgh। জুলাই ২০০৬। আইএসবিএন ০-৯০২-১৯৮-৮৪-X। ২৪ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১৬।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ১৮৮৭-এ জন্ম
- ১৯৫২-এ মৃত্যু
- ভারতের ভাইসরয়
- ১৯৩০-এর দশকে ব্রিটিশ ভারত
- ১৯৪০-এর দশকে ব্রিটিশ ভারত
- লর্ড অফ অ্যাডমিরালটি
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের রাজনৈতিক নেতা
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তা
- যুক্তরাজ্যের প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য
- নাইটস গ্র্যান্ড কমান্ডার অফ দ্য অর্ডার অফ দ্য স্টার অফ ইন্ডিয়া
- নাইটস গ্র্যান্ড কমান্ডার অফ দ্য অর্ডার অফ দ্য ইন্ডিয়ান এম্পায়ার
- অফিসার্স অব দি অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভারত
- এডিনবার্গের রাজনীতিবিদ
- নাইটস অব দ্য গার্টার