ভারতে নৃত্য
| ভারতের সংস্কৃতি |
|---|
| ধারাবাহিকের অংশ |
| সমাজ |
| শিল্পকলা ও সাহিত্য |
| অন্যান্য |
| প্রতীক |
| সংস্থা |

ভারতে নৃত্য অনেক ধরনের নৃত্য নিয়ে গঠিত,যা সাধারণত ধ্রুপদী বা লোক নৃত্য হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়।[১] ভারতীয় সংস্কৃতির অন্যান্য দিকের মত, ভারতের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রকারের নৃত্যের উদ্ভব হয়েছে, যা স্থানীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী উন্নত হয়েছে এবং দেশের অন্যান্য অংশ থেকে উপাদান আত্নভূত করেছে।[২]
সংগীত নাটক একাডেমী, নাট্যকলার জন্য ভারতের জাতীয় একাডেমী, ৮ প্রকারের ঐতিহ্যবাহী নৃত্যকে ভারতের ধ্রুপদী নৃত্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়,[৩] যেখানে অন্যান্য পণ্ডিত ও সুত্রসমূহ আরও নাচকে ধ্রুপদী নৃত্যতে অন্তর্ভুক্ত করে।[৪][৫] এইসব নাচের উৎস সংস্কৃতি গ্রন্থ নাট্য শাস্ত্র,[১] এবং হিন্দুধর্মের ধর্মীয় শিল্প কলায় পাওয়া যায়।[৬][৭][৮]
অনেক সংখ্যায় এবং শৈলীর লোকনৃত্য পাওয়া যায় যা নিজ নিজ রাজ্য, জাতিগত বা ভৌগোলিক অঞ্চলের স্থানীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী পরিবর্তিত।সমসাময়িক নাচের মধ্য বিভিন্ন ধ্রুপদী, লোক ও পাশ্চাত্য ধরনের পরিমার্জিত ও পরীক্ষামূলক মিশ্রণ অন্তর্ভুক্ত। ভারতের নাট্য ঐতিহ্য শুধু পুরো দক্ষিণ এশিয়ার নাট্য ঐতিহ্যকে প্রভাবিত করেনি, বরং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার নাট্য ঐতিহ্যকেও প্রভাবিত করেছে।ভারতীয় সিনেমায় নাচ প্রায়ই তাদের মেজাজের বৈশিষ্ট্যর জন্য প্রসংশিত হয়, এবং ভারতীয় উপমহাদেশের জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে উল্লেখযোগ্য অংশ হয়ে থাকে।[৯]
নামকরণ
[সম্পাদনা]ভারতীয় নৃত্য সাধারণত ধ্রুপদী এবং লোক নৃত্যের,[১] পাশাপাশি মাঝেমধ্যে আধাধ্রুপদী ও উপজাতীয় নৃত্যে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়।[১০]
একটি ধ্রুপদী নাচ হচ্ছে সেই যার তত্ত্ব, প্রশিক্ষণ, অর্থ এবং ভাবপূর্ণ অনুশীলনের জন্য যুক্তি প্রাচীন শাস্ত্রীয় গ্রন্থে, যেমন নাট্য শাস্ত্র, নথিভুক্ত এবং তা অনুসরণ করা হয়।[১][১১] ভারতীয় ধ্রুপদী নৃত্য ঐতিহাসিকভাবে একটি বিদ্যালয় বা গুরু-শিষ্য পরমপরা (শিক্ষক-ছাত্র সম্পরক) ঘিরে আবর্তিত হয় এবং থিয়েটারে নৃত্য মঞ্চস্থ করার জন্য নাচের সাথে তার অন্তর্নিহিত খেলা বা রচনা, গায়ক এবং অর্কেস্ট্রার ধারাবাহিকভাবে সুসংগত রাখার জন্য শাস্ত্রীয় গ্রন্থের অধ্যয়ন, শারীরিক চর্চা এবং ব্যাপক প্রশিক্ষণ প্রয়োজন।[১২][১৩]
লোক নৃত্য হচ্ছে মূলত একটি মৌখিক প্রথা,[১৪] যার ঐতিহ্য ঐতিহাসিকভাবে শিখানো হয়েছে এবং বেশীরভাগ সময় মুখে মুখে ও অনিয়মিত যৌথ অনুশীলনের মাধ্যমে এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে ছড়িয়ে গেছে।[১১] আধা ধ্রুপদী নাচ হচ্ছে সেই নাচ যার একটি শাস্ত্রীয় ছাপ রয়েছে কিন্তু একটি লোকনৃত্যে পরিণত হয়েছে এবং তার গ্রন্থ বা বিদ্যালয় হারিয়েছে।একটি উপজাতীয় নাচ হচ্ছে লোকনৃত্যের একটি স্থানীয় রূপ, সাধারণত যা একটি নির্দিষ্ট উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে পাওয়া যায়; সাধারণত সময়ের সাথে উপজাতি নাচ লোকনৃত্যে পরিণত হয়।[১৫][১৬]
ভারতে নৃত্যের উৎপত্তি
[সম্পাদনা]
ভারতে নাচের উৎপত্তি হয়েছে প্রাচীন কালে।বেদে বিভিন্ন ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের সাথে অনেক শিল্পকলাকে সংযুক্ত করা হয়েছে যেমন নাটকে, যেখানে দেবতাদের প্রশংসা কেবল শুধু আবৃত্তি করা বা গাওয়া হয় না বরং বিভিন্ন আধ্যাত্মিক বিষয় নাটকীয় উপস্থাপনায় সংলাপ আকারে বলা হয়।[১৭][১৮] শতপথ ব্রাহ্মণের (~৮০০-৭০০ খ্রিস্টপূর্ব) সাংস্কৃতিক শ্লোক ১৩.২ টি দুই অভিনেতার মধ্যে একটি নাটক আকারে লেখা হয়ছে।[১৯]
বৈদিক উৎসর্গের অনুষ্ঠানকে (যজ্ঞ) এক ধরনের যুদ্ধ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, যেখানে এর অভিনেত, এর সংলাপ, এর অংশকে এর গর্ভাভিনয় ও চরম মুহূর্ত অনূসারে নির্ধারণ করা হয়।
আদিতম নাচ সম্পর্কিত গ্রন্থ হচ্ছে নটসূত্র, যার উল্লেখ পাওয়া যায় পাণিনির লেখায়, একজন ঋষি যিনি শাস্ত্রীয় সংস্কৃত ব্যাকরণ লিখেছিলেন এবং যার অস্তিত্ব খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ সালে ধরা হয়।[২০][২১] এইরকম শিল্পকলা সম্পর্কিত সূত্রের কথা অন্যান্য প্রাচীন বৈদিক গ্রন্থে পাওয়া যায়, যেমনটি শৈলালিন (IAST: Śilālin) এবং কৃষসভ (Kṛśaśva) নামক দুইজন পণ্ডিতকে প্রাচীন নাটক, গান গাওয়া, নাচ ও এই শিল্প কলার সংস্কৃত রচনার ওপর গবেষণার অগ্রদূত হিসেবে কৃতিত্ব দেয়া হয়।[২০][২২] রিচমন্ড এট অ্যালের অনুমান যে নটসূত্র ৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রচনা করা হয়েছিল যার পাণ্ডুলিপি আধুনিক যুগে এসে হারিয়ে গিয়েছে।[২১][২০]
নাচ ও শিল্প কলার যে শাস্ত্রীয় গ্রন্থটি টিকে থাকতে পেরেছে সেটি হচ্ছে সেটি হচ্ছে হিন্দু শাস্ত্র নাট্য শাস্ত্র, যার রচয়িতা হিসেবে ধরা হয় ঋষি ভাড়তকে। তিনি তার লেখায় বলেছেন এই কলা তার সময়ের আগে সৃষ্টি হয়েছে, যার স্বীকৃতী তিনি ব্রহ্মাকে দিয়েছেন যিনি ঋগ্বেদ থেকে শব্দ, সামবেদ থেকে সুর, যজুর্বেদ থেকে মূকাভিনয়, অথর্ববেদ থেকে আবেগনিয়ে নাট্য বেদ সৃষ্টি করেছেন।[২৩][২৪][২৫] নাট্য শাস্ত্রের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সংকলন ২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ এবং ২০০ খ্রিষ্টাব্দ মধ্যে সংকলিত হয়,[২৬][২৭] কিন্তু ধারণা করা হয় ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ এবং ৫০০ খ্রিষ্টাব্দর মধ্যে।[২৮] নাট্য শাস্ত্রের বহুল চর্চিত সংস্করণ ৬০০০ শ্লোক যা ৩৫ অধ্যায়ে বিভক্ত।[২৬][২৯] ভারতীয় ধ্রুপদী সঙ্গীতের মূল নাট্য শাস্ত্র বলে ধরা হয়।[১]
ভারতের অনেক প্রকারের ধ্রুপদী নৃত্য আছে, যা দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে উদ্ভত হয়েছে।ভারতীয় ঐতিহ্য, মহাকাব্য ও পুরাণ থেকেও ধ্রুপদী ও লোক নৃত্যের উদ্ভব হয়েছে।[৩০][৩১]
ধ্রুপদী নৃত্য
[সম্পাদনা]ভারতের ধ্রুপদী নৃত্য একপ্রকারে নৃত্য-নাট্যের সৃষ্টি করেছে যা নিজে একটি পরিপূর্ণ থিয়েটার। নর্তকীরা শুধুমাত্র অঙ্গভঙ্গি দ্বারা একটি গল্প উপস্থাপন করে। ভারতের ধ্রুপদী নৃত্যের অধিকাংশই হিন্দু পুরাণের গল্প উপস্থাপন করে।[৩২] প্রতিটি নৃত্যই একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা নির্দিষ্ট অঞ্চলের তত্ত্ব ও সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে।[৩৩]
ধ্রুপদী হিসেবে বিবেচিত হবার প্রধান মানদণ্ড হচ্ছে নাট্য শাস্ত্রে উল্লেখিত নির্দেশিকা মেনে চলা, যা ভারতীয় অভিনয় শিল্প ব্যাখ্যা করে।সংগীত নাটক একাডেমী ৮ প্রকারের ভারতের ধ্রুপদী নৃত্যকে ধ্রুপদী নৃত্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়: ভরতনাট্যম (তামিল নাড়ু), কত্থক (উত্তর, পশ্চিম ও মধ্য ভারত), কথাকলি (কেরল), কুচিপুডি (অন্ধ্র প্রদেশ),ওড়িশি (ওড়িশা), মণিপুরি (মণিপুর), মোহিনীঅট্টম (কেরল), এবং সত্রীয়া (আসাম)।[৩৪][৩৫] ভারতের সকল ধ্রুপদী নৃত্যের মূলে হিন্দু ধর্মীয় আচার ও শিল্পকলা রয়েছে।[৬][৮]
নৃত্যের ঐতিহ্য নাট্যশাস্ত্রের মধ্যে বিধিবদ্ধ হয়েছে এবং একটি নাচ সম্পন্ন হয়েছে বলে তখনই ধরা হবে যখন একটি নির্দিষ্ট ভাব (অঙ্গভঙ্গি বা মুখভঙ্গি) এর মাধ্যমে নর্তকী দর্শকদের মাঝে একটি রস (আবেগ) তৈরি করতে পারে। ধ্রুপদী নৃত্য লোকনৃত্য থেকে আলাদা করা হয় কারণ এটি নাট্য শাস্ত্রের নিয়মানুযায়ী পরিচালনা করা হয় এবং শুধুমাত্র এর অনুসারে সঞ্চালন করা হয়।[৩৬]
ভরতনাট্যম
[সম্পাদনা]
১০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পুরানো, ভরতনাট্যম দক্ষিণ ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর একটি ধ্রুপদী নৃত্য, যা আধুনিক সময় প্রধানত নারীদের দ্বারা চর্চা করা হয়। এই নাচ সাধারণত শাস্ত্রীয় কর্ণাট সঙ্গীতের সাথে চর্চা করা হয়।[৩৭]
ভরতনাট্যম ভারতীয় ধ্রুপদী নৃত্যের এক প্রধান ধারা যা তামিল নাড়ু এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের হিন্দু মন্দির হতে উৎপত্তি হয়েছে।[৩৮][৩৯][৪০] ঐতিহ্যগতভাবে, ভরতনাট্যম একটি একক নাচ যা কেবলমাত্র নারীদের দ্বারা সঞ্চালন করা হয়,[৪১][৪২] এবং হিন্দু ধর্মীয় বিষয় ও আধ্যাত্মিক ধারণা, বিশেষত শৈবধর্ম, কিন্তু বৈষ্ণব এবং শাক্তধর্মও, প্রকাশ করে।[৩৮][৪৩][৪৪]
ভরতনাট্যম এবং ভারতের অন্যান্য ধ্রুপদী নাচ ব্রিটিশ রাজের ঔপনিবেশিক আমলে অবহেলিত এবং দমন করা হয়েছিল।[৪৫][৪৬][৪৭] ঔপনিবেশিক যুগের পরে, এটা ভারতে এবং বিদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় ভারতীয় ধ্রুপদী নৃত্যের শৈলীতে পরিণত হয়েছে, এবং অনেক ভারতীয় সংস্কৃতির নাচ এবং শিল্পকলার বৈচিত্র্য সম্পর্কে অজ্ঞ বিদেশিদের দ্বারা এটিই ভারতীয় নাচের সমার্থক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।[৪৮]
কথাকলি
[সম্পাদনা]
কথাকলি (কথা মানে "গল্প"; কালি মানে "অভিনয়") একটি অত্যন্ত শৈল্পিক ধ্রুপদী নৃত্য-নাট্য যা ১৭ শতকের মধ্যে কেরল থেকে উদ্ভব হয়েছে।[৪৯][৫০][৫১] এই ধ্রুপদী নাচের ধরন আরেক প্রকারের "গল্প অভিনয়" শিল্পের ধারা, এটিকে সাধারণত আলাদা করা হয় রঙিন-মেক আপ, পরিধানসমূহ এবং মুখের মুখোশ দ্বারা যা অভিনেতা-নর্তকীরা পরে থাকে, যারা ঐতিহ্যগতভাবে পুরুষ হয়ে থাকে।[৫০][৫১]
হিন্দু কলা হিসেবে কথাকলির উৎপন্ন হয়েছিল, যাতে হিন্দুধর্মের পৌরাণিক কিংবদন্তি ও নাটক অভিনয় করা হত।[৫২] যদিও এর উৎপত্তি আরো সাম্প্রতিক কালে হয়েছিল, এর উৎস সধারনত মন্দির এবং লোকশিল্পে যেমন কুটিয়াত্তম এবং ধর্মীয় নাটক যার উৎস ১ম সহস্রাব্দে।[৫০][৫৩] একটি কথাকলি সঞ্চালনে প্রাচীন দক্ষিণ ভারতীয় মার্শাল আর্ট এবং খেলাধুলার উপাদান সংযুক্ত থাকে।[৫০][৫১][৫২] যদিও প্রাচীন মন্দির নাট্য ঐতিহ্য যেমন কৃষ্ণনাট্যম, কুটিয়াত্তম , এবং অন্যান্যের সাথে তাকে সংযুক্ত করা হয়, কথাকলি এদের থেকে আলাদা কারণ প্রাচীন কলা যেখানে অভিনেতা-নর্তকী-গায়ক একজন ব্যক্তি হয়ে থাকে সেখানে তাদের মত না করে, কথকলি এই ত্রয়ী ভূমিকাকে বিচ্ছিন্ন করে অভিনেতা নর্তকীকে নৃত্যপরিকল্পনা উপর মনোযোগ স্থাপনের মাধ্যমে তার নাচের সঞ্চালনের ঊর্ধ্বসীমা অতিক্রম করতে সাহায্য করে এবং অন্যদিকে গায়ককে তার গায়কীর উপর মনোযোগের মাধ্যমে ভালো গান গাইতে সাহায্য করে।[৫৪]
কত্থক
[সম্পাদনা]কত্থক ঐতিহ্যগতভাবে সংযুক্ত করা হয় প্রাচীন উত্তর ভারতের ভ্রাম্যমাণ গায়ক-কবিদের সংগে যারা কথাকার বা গল্পকার নামে পরিচিত।[৫৫] কত্থক শব্দটি এসেছে বৈদিক সংস্কৃত শব্দ কথা থেকে যার অর্থ "গল্প", এবং সংস্কৃততে কথাকার শব্দটির অর্থ হচ্ছে "যিনি গল্প বলেন" বা "গল্পের সাথে কাজ করা"।[৫৫][৫৬] ভক্তি আন্দোলনের সময় কত্থক প্রসূত হয়েছিল, বিশেষ করে হিন্দু দেবতা কৃষ্ণের শৈশব কালের প্রণয় কাহিনীগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার দ্বারা, পাশাপাশি স্বাধীনভাবে উত্তর ভারতীয় রাজ্যগুলোর রাজদরবারে।[৫৫][৫৭] এটি ১৬ ও ১৭ শতকের মোঘল রাজদরবার দ্বারা প্রভাবিত রুচি ও ফার্সি কলাকে রুপান্তর, উপযোগী করে এবং অংশভুক্ত করেছিল, ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ আমলে এর অবহেলা ও হ্রাস ঘটেছিল,[৪৭][৫৮] কিন্তু ভারতের স্বাধীনতা লাভের পর এর নবজন্ম ঘটে।[৪৬][৫৯]
কত্থকের তিনটি স্বতন্ত্র রূপ খুঁজে পাওয়া যায়, যার নামকরণ করা হয়েছে শহরগুলোর নামের সাথে মিল রেখে যেখানে কত্থক নাচের ঐতিহ্য বিকশিত হয়েছিল – জয়পুর,বারাণসী ও লখনউ।[৬০] শৈলীগতভাবে, কত্থক নাচ ছোট ঘণ্টাধ্বনির (ঘুঙরু) সাথে নাচুনে পায়ের ছন্দময় নড়নের উপর জোর দেয়, সেই নড়ানোকে সংগীতের সাথে একতান করানো হয়, পা এবং ধড় সাধারণত সোজা হয়, এবং গল্প এক উন্নত শব্দভাণ্ডারের মাধ্যমে যার ভিত্তি হচ্ছে বাহুর অঙ্গভঙ্গি ও শরীরের উপরের অংশের চালনা, মুখের অভিব্যক্তি, মঞ্চে অবস্থান পরিবর্তন, বাঁকের ও পালাবদন দ্বারা।[৪৬][৫৭][৬১]
কুচিপুডি
[সম্পাদনা]
কুচিপুডি ধ্রুপদী নাচের উৎপত্তি হয়েছে বর্তমান ভারতীয় রাজ্য অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণা জিলার একটি গ্রামে।[৬২][৬৩][৬৪] এর শিকড় প্রোথিত আছে প্রাচীন যুগে এবং ভারতের অন্যান্য ধ্রুপদী নৃত্যের মত এটি ভ্রাম্যমাণ গায়ক-কবি,মন্দির ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস সম্পর্কিত ধর্মীয় কলা হিসেবে বিকশিত হয়েছে।[৬৫][৬৬][৬৭] এর ইতিহাসে কুচিপুডি নর্তকীরা ছিল সব পুরুষ, সাধারণত ব্রাহ্মণ,যারা উপযুক্তভাবে অনুযায়ী পোশাক পরে গল্পের নারী ও পুরুষের ভূমিকা পালন করত।[৬৮]
আধুনিক কুচিপুডি ঐতিহ্য বিশ্বাস করে যে তীর্থ নারায়ণ জাতী ও তার শিষ্য সিদ্ধেন্দ্র যোগী নামক একজন এতিম ১৭শ শতকে এই শিল্প প্রতিষ্ঠা ও নিয়মাবদ্ধ করেন।[৬৯][৭০][৭১] কুচিপুডি মূলত হিন্দু দেবতা কৃষ্ণ ভিত্তিক একটি বৈষ্ণব ঐতিহ্য হিসেবে গড়ে উঠেছিল,[৭২] এবং এটা সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে তামিলনাড়ু পাওয়া যায় ভাগবত মেলা নামক শিল্পকলার সাথে সম্পর্কযুক্ত।[৬৬] কুচিপুডি সঞ্চালনে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে বিশুদ্ধ নাচ (নৃত্য),[৭৩] এবং সঞ্চালনের ভাবপূর্ণ অংশ (ব্যাখ্যামূলক নাচ "ন্রিত্য"), যেখানে ছন্দময় অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে একটি চিহ্ন ভাষা দ্বারা মূকাভিনয় করা হয়।[৭৩][৭৪] গায়ক এবং সঙ্গীতশিল্পীরা শিল্পীর সংগে থাকে, এবং তাল ও রাগ কর্ণাট সঙ্গীতের নির্ধারণ করা হয়।[৭৫] আধুনিক যুগে, কুচিপুডি নর্তকী নারী ও পুরুষ উভয়ই হয়।[৭৬]
ওড়িশি
[সম্পাদনা]
ওড়িশি ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলীয় রাষ্ট্র উড়িষ্যার হিন্দু মন্দির হতে উত্পত্তি হয়েছে।[৭৭][৭৮] ওড়িশি, তার ইতিহাসে,প্রধানত নারী দ্বারা সঞ্চালিত হত,[৪১][৭৭] এবং ধর্মীয় গল্প এবং আধ্যাত্মিক ধারণা বিশেষ করে বৈষ্ণব (জগন্নাথ যেমন বিষ্ণু) কিন্তু এর পাশাপাশি অন্যান্য যেমন হিন্দু দেবতা শিব ও সূর্য এবং হিন্দু দেবী (শাক্তধর্ম) সম্পর্কিত ঐতিহ্য প্রকাশ করতো।[৭৯] ওড়িশি ঐতিহ্যগতভাবে নাট্যকলার একটি নাচ-নাটক রীতি, যেখানে শিল্পী এবং সঙ্গীতশিল্পীরা একটি পৌরাণিক কাহিনী যেমন একটি আধ্যাত্মিক বার্তা বা হিন্দু গ্রন্থে থেকে ভক্তিমুলক কবিতা, প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্য অনুযায়ী প্রতীকী পরিচ্ছদ,অভিনয় (অভিব্যক্তি) এবং মুদ্রার (অঙ্গভঙ্গি এবং চিহ্ন ভাষা) মাধ্যমে অভিনয় করে বলতে থাকেন।[৮০][৮১]
সত্রীয়া
[সম্পাদনা]
সত্রীয়া একটি ধ্রুপদী নৃত্য-নাট্য নাট্যকলা যা আসামের কৃষ্ণ-কেন্দ্রিক বৈষ্ণব আশ্রম থেকে উদ্ভব হয়েছে এবং ভক্তি আন্দোলন এর পণ্ডিত এবং সন্ত শ্রীমন্ত শংকরদেব ১৫ শতকে এর প্রচলন করেন।[৮২][৮৩][৮৪] সত্রীয়ার একটি একাঙ্ক নাট্য হচ্ছে অঙ্কীয়া নাট যা চারণকাব্য, নাচ ও নাটকের মাধ্যমে নান্দনিকতার ও ধর্মের মিশ্রণ বলা যেতে পারে।[৮৫][৮৬] এই নাচ সাধারণত আশ্রম মন্দিরের (সত্ৰ)[৮৭] কমিউনিটি হলে (নামঘর[৮৬]) নাচা হয়। এর প্রধান বিষয়বস্তু হচ্ছে কৃষ্ণ ও রাধা কিন্তু বিষ্ণুর অন্য অবতারসমূহ যেমন রাম ও সীতার কথাও বলা হয়।[৮৮]
মণিপুরি
[সম্পাদনা]
মণিপুরি যা জাগই নামেও পরিচিত,[৮৯] মায়ানমারের (বার্মা) সীমান্তে ভারতের উত্তরপূর্ব রাজ্য মনিপুরের নামে নামকরণ করা হয়েছে।ভারতীয় উপমহাদেশে আসামের সিলেট অঞ্চলে এ নাচের উৎপত্তি ।[৯০][৯১]এটা বিশেষ করে তার হিন্দু বৈষ্ণব বিষয়াবলী, এবং রাস যাত্রা নামক রাধা-কৃষ্ণের প্রেম-অনুপ্রাণিত নৃত্যনাট্যের সঞ্চালনের জন্য পরিচিত।[৯০][৮৯][৯২] তবে এই নাচ এইছারাও শৈবধর্ম, শাক্তধর্ম ও অন্যান্য স্থানীয় দেবতা যেমন লাই হারাউবার সময় উমাং লাই এর বিষয়ের উপরও নাচা হয়।[৯৩][৯৪] মণিপুরি নাচ হচ্ছে দলগত নাচ, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল তার নিজস্ব অনন্য পরিধানসমূহ (একটি পিপা আকৃতির, সূচারূভাবে সজ্জিত স্কার্ট),এর নান্দনিকতা, নিয়মাবলী এবং নাট্যসংঘের কর্তৃক নিয়মিত নাচ মঞ্চস্থ করা।[৯৫] মণিপুরী নৃত্যনাট্য, বেশীরভাগভাগ সময়ে শোভাময়, চপল, সর্পিল হাত ও দেহের উপরের অংশের অঙ্গভঙ্গি সহ সঞ্চালনের উপর অধিক জোর দেওয়া হয়।[৯৬][৯৭]
মোহিনীঅট্টম
[সম্পাদনা]
মোহিনীঅট্টম কেরল রাজ্য থেকে বিকশিত হয়েছে , যার নামকরণ করা হয়েছে বিষ্ণুর সম্মোহিনী অবতার মোহিনী থেকে, যিনি হিন্দু পুরাণ মতে তার সম্মোহিনী শক্তি ব্যবহার করে ভালো এবং মন্দের মধ্যে যুদ্ধে দেবতাদের জয়ী হতে সাহায্য করেছিলেন।[৯৮][৯৯] মোহিনীঅট্টম নাট্য শাস্ত্রে বর্ণিত লাস্য শৈলী অনুসরণ করে, একটি নাচ যা নাজুক, নমনীয় চলন এবং মেয়েলী ভাবে নাচা হয়।[৯৯][১০০] এটা ঐতিহ্যগতভাবে একটি একক নাচ যা ব্যাপক প্রশিক্ষণের পরে নারীদের দ্বারা নাচা হয়। মোহিনীঅট্টম সাধারণত আবৃত্তি সহ[১০১][১০২] সোপান (ধীর সুর) শৈলীর গানের সাথে বিশুদ্ধ এবং ভাবপূর্ণ নৃত্য-নাট্য হিসেবে মঞ্চস্থ করা হয়। গীতিকাগুলি সংস্কৃত ও মালয়ালম ভাষার সংমিশ্রণে গঠিত মণিপ্রভালম-এ রচিত.[৯৯]
লোক এবং উপজাতী নৃত্য
[সম্পাদনা]
ভারতের লোকনৃত্য ও নাটক গ্রামাঞ্চল সমূহে তাৎপর্যপূর্ণ কারণ এইগুলো গ্রাম সম্প্রদায়ের দৈনন্দিন কাজের অভিব্যক্তি এবং ধর্মানুষ্ঠান প্রকাশ করে।[১০৩]
মধ্যযুগের সংস্কৃত সাহিত্য বিভিন্ন প্রকারের দলনৃত্যের বর্ণনা করে যেমন হাল্লিসাকা, রাসকা, দান্ড রাসকা এবং চরচরি। নাত্যশাস্ত্রে নাটক শুরু হবার পূর্বে মহিলাদের দলগত নাচও অন্তর্ভুক্ত।[১০৪]


ভারতে অনেক লোকনৃত্য রয়েছে। প্রতিটি রাজ্যের তার নিজস্ব লোকনৃত্য আছে যেমন কর্ণাটকের বেদারা ভেশা, দল্লু কুনিঠা নাচ, কেরলের থিরায়াত্তম এবং থাইয়াম নাচ, গুজরাটের গার্বা,গাগারী,গোধাখূন্ড,এবং ডান্ডিয়া নাচ, রাজস্থানের কালবেলিয়া,ঘুমর,এবং রাসিয়া নাচ, জম্মু ও কাশ্মীরের নেইয়োপা,এবং বাচা নাগমা নাচ, পাঞ্জাবের ভাংরা ও গিদ্ধা নাচ, উত্তরাখণ্ডের ছুলিয়া নাচ, আসামের বিহু এবং বাগুরুম্বা নাচ,পশ্চিম উড়িষ্যার সাম্বালিপুরী নৃত্য এবং একইভাবে প্রতিটি রাজ্য এবং এর ছোট অঞ্চল সমূহের বিভিন্ন নাচ।[১০৫] লাভানি ও কলি নাচ মহারাষ্ট্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় নাচের মধ্যে অন্যতম।
সমসাময়িক নাচ
[সম্পাদনা]ভারতে বর্তমানে সমসাময়িক নাচ হিসেবে ব্যাপক পরিধির নাচ মঞ্ছস্থ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ভারতীয় চলচ্চিত্রের জন্য নৃত্যপরিকল্পনা, আধুনিক ভারতীয় ব্যালে এবং বিভিন্ন শিল্পীদের দ্বারা বিদ্যমান ধ্রুপদ ও লোকনৃত্যের পরীক্ষা নিরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত।[১০৬]
উদয় শংকর ও শোবানা জয়সিংহকে আধুনিক ভারতীয় ব্যালের নেতৃত্বস্থানীয় হিসেবে ধরা হয় কারণ তারা ভারতীয় ধ্রুপদী নৃত্য ও গানের সাথে পশ্চিমা মঞ্চ কৌশলকে সংমিশ্রিত করেছেন। তাদের প্রযোজনার বিষয়বস্তু ছিল শিব-পার্বতী, লঙ্কা দহন, পঞ্চতন্ত্র, রামায়ণ ও অন্যান্য।[১০৭]
চলচ্চিত্রে নৃত্য
[সম্পাদনা]চলচ্চিত্রে ভারতীয় নাচ শৈলীর উপস্থাপনা, বিশেষ করে হিন্দি সিনেমায়, বিশ্বব্যাপী ভারতীয় নাচের পরিসীমাকে তুলে ধরেছে।[১০৮]
সারা ভারতব্যাপী নাচ ও গানের দৃশ্য চলচ্চিত্রের একটি অবিচ্ছেদ অংশ।১৯৩১ সালে আলম আরা চলচ্চিত্রের দ্বারা চলচ্চিত্রে শব্দ প্রবর্তনের সঙ্গে, নৃত্য পরিকল্পনার সহিত নাচ ক্রমে হিন্দি এবং অন্যান্য ভারতীয় চলচ্চিত্রে সর্বব্যাপী হয়ে ওঠে।[১০৯]

প্রথম দিকের হিন্দি চলচ্চিত্রে নৃত্য প্রাথমিকভাবে ভারতীয় ধ্রুপদ নৃত্য শৈলী হিসেবে যেমন কত্থক বা লোক নৃত্য অনুসারে পরিচালিত হত। আধুনিক ছায়াছবিতে প্রায়ই পশ্চিমা নৃত্য শৈলীর (এমটিভি বা ব্রডওয়ে থিয়েটারের মধ্যে) সঙ্গে এই পুরনো শৈলীর মিশ্রণ ঘটানো হয় ,যদিও একই চলচ্চিত্রে পশ্চিমা নৃত্যের সাথে পরিবর্তিত ধ্রুপদী নাচ পাশাপাশি দেখতে পাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। সাধারণত, নায়ক বা নায়িকারা একদল পার্শ্ব নর্তকীদের সাথে নেছে থাকে। ভারতীয় চলচ্চিত্রে অনেক গান ও নাচ দৃশ্যের মধ্যে গানের কলির সাথে পোশাক বা জায়গার নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে। নায়ক ও নায়িকাদের সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ বা স্থাপত্যে দিয়ে তৈরি বিশাল মঞ্চে বা দৃশ্যে,যাকে "পিকচারাইজেশন" বলে, একটি পাস ডি ডিউক্স (একটি ফরাসি ব্যালে শব্দটি, যার অর্থ "দুই এর নাচ") গাওয়া ও নাচা খুবই জনপ্রিয় ব্যাপার।[১১০] বর্তমানে ভারতীয় চলচ্চিত্রে প্রায় একটি "আইটেম নম্বর" থাকে যেখানে একজন নায়িকা অতিথি চরিত্র হিসেবে একটি গানের দৃশ্য নেচে যান। চলচ্চিত্রের ধারা এবং দৃশ্যের পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে আইটেম নম্বরের জন্য নৃত্যপরিকল্পনা পরিবর্তিত হয়। চলচ্চিত্র অভিনেত্রী এবং নৃত্যশিল্পী হেলেন তার সরাইখানার নাচগানের সংখ্যার জন্য বিখ্যাত ছিলেন।[১১১]
বেশীরভাগ সময় চলচ্চিত্রে, অভিনেতারা যে গানের উপর নেচে থাকেন তা তারা গেয়ে থাকেন না, কিন্তু অন্য শিল্পীরা পটভূমিতে গেয়ে থাকেন। একজন অভিনেতার গানটির গাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম কিন্তু বিরল নয়। বলিউডের নাচ ধীর নাচ থেকে শুরু করে দ্রুত হিপ হপ শৈলীর নাচ পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। নাচটি সকল নাচের সংমিশ্রণ হতে পারে।এটা হতে পারে ভারতীয় ধ্রুপদী নৃত্য, ভারতীয় লোকনৃত্য, ব্যালী ড্যান্সিং, জ্যাজ, হিপ হপ এবং অন্য সব কিছু যা আপনি কল্পনা করতে পারেন।[১১২]
নৃত্য শিক্ষা
[সম্পাদনা]ঔপনিবেশিক শাসন থেকে ভারতের স্বাধীনতার পর, উচ্চশিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং সামাজিকতা বা শুধুমাত্র ব্যায়াম এবং সুস্থতার একটি উপায় হিসেবে[১১৩] নৃত্য শিক্ষার জন্য অনেক বিদ্যালয় খোলা হয়েছে।[১১৪][১১৫]
ভারতের প্রধান শহরগুলোতে এখন অনেক বিদ্যালয় আছে যারা নাচের যেমন ভরতনাট্যম নৃত্যের শিক্ষা দেয়, এবং এই শহরগুলো সারা বছর জুড়ে অনেক নৃত্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।[১১৬][১১৭] নৃত্য সমূহ যা শুধুমাত্র এক লিঙ্গের লোকের একচেটিয়া ছিল, এখন নারী ও পুরুষ উভয়ই অংশগ্রহণ করে।[১১৮] অ্যানি-ম্যারি গেস্টন এর মতে, ভারতীয় ধ্রুপদী নৃত্যের অধুনিক প্রশিক্ষণের অনেক উদ্ভাবন ও উন্নয়ন একটি আধা ধর্মীয় ধরনের হয়ে থাকে।[৪৮]
ভৌগোলিক বিস্তার
[সম্পাদনা]ভারতীয় ধ্রুপদী নৃত্য কিছু ঐতিহ্য পুরো ভারতীয় উপমহাদেশে চর্চা করা হয়, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সহ, যারা ভারতের অন্যান্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যের অংশীদার।ভারতীয় পুরাণ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর নাচ শৈলীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, একটি উদাহরণ হচ্ছে জাভার নাচ যা রামায়ণ উপর ভিত্তি করে মঞ্চস্থ হয়।[১১৯]
উৎসব
[সম্পাদনা]সংগীত নাটক একাডেমী সারা ভারত ব্যাপী বিভিন্ন নাচের উৎসব আয়োজন করে থাকে।[১২০]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 James G. Lochtefeld (২০০২)। The Illustrated Encyclopedia of Hinduism: N-Z। The Rosen Publishing Group। পৃ. ৪৬৭। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮২৩৯-৩১৮০-৪।, Quote: "the Natyashastra remains the ultimate authority for any dance form that claims to be 'classical' dance, rather than 'folk' dance".
- ↑ McCormick, Charlie T.; White, Kim Kennedy (১৩ ডিসেম্বর ২০১০)। Folklore: An Encyclopedia of Beliefs, Customs, Tales, Music, and Art। ABC-CLIO। পৃ. ৭০৫। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫৯৮৮৪-২৪১-৮। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- ↑ Bishnupriya Dutt; Urmimala Sarkar Munsi (২০১০)। Engendering Performance: Indian Women Performers in Search of an Identity। SAGE Publications। পৃ. ২১৬। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৩২১-০৬১২-৮।
- ↑ Williams 2004, পৃ. 83-84, the other major classical Indian dances are: Bharatanatyam, Kathak, Odissi, Kathakali, Kuchipudi, Sattriya, Cchau, Manipuri, Yaksagana and Bhagavata Mela।
- ↑ Don Rubin; Chua Soo Pong; Ravi Chaturvedi (২০০১)। The World Encyclopedia of Contemporary Theatre: Asia/Pacific। Routledge। পৃ. ১৩০–১৩৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪১৫-২৬০৮৭-৯।
- 1 2 Julius Lipner (২০১২)। Hindus: Their Religious Beliefs and Practices। Routledge। পৃ. ২০৬। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৫-২৪০৬১-৫।, Quote: "It would be appropriate here to comment on Hindu classical dance. This developed in a religious context and was given high profile as part of temple worship. There are a number of regional and other styles as well as source texts, but the point we wish to stress is the participative nature of such dance. In form and content, the heart of dance as worship in Hinduism has always been 'expression' (abhinaya), i.e. the enacting of various themes".
- ↑ Jean Holm; John Bowker (১৯৯৪)। Worship। Bloomsbury Academic। পৃ. ৮৫। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৫৫৬৭-১১১-৯।, Quote: Hindu classical dance-forms, like Hindu music, are associated with worship. References to dance and music are found in the vedic literature, (...)".
- 1 2 Frank Burch Brown (২০১৩)। The Oxford Handbook of Religion and the Arts। Oxford University Press। পৃ. ১৯৫–১৯৬। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৯৭২১০৩-০।, Quote: All of the dances considered to be part of the Indian classical canon (Bharata Natyam, Chhau, Kathak, Kathakali, Kuchipudi, Manipuri, Mohiniattam, Odissi, Sattriya and Yakshagana) trace their roots to religious practices (...) the Indian diaspora has led to the translocation of Hindu dances to Europe, North America and to the world."
- ↑ McFee, Graham (১৯৯৪)। The concept of dance education। Routledge। পৃ. ১২৭–১২৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪১৫-০৮৩৭৬-৮। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- ↑ Pallabi Chakravorty; Nilanjana Gupta (২০১২)। Dance Matters: Performing India on Local and Global Stages। Routledge। পৃ. ১৮৮। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৬-৫১৬১২-২।
- 1 2 John Gassner; Edward Quinn (২০০২)। The Reader's Encyclopedia of World Drama। Courier। পৃ. ৪৪৮–৪৫৪। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪৮৬-৪২০৬৪-৬।
- ↑ Pallabi Chakravorty; Nilanjana Gupta (২০১২)। Dance Matters: Performing India on Local and Global Stages। Routledge। পৃ. ৫৬–৫৭, ১৬৯–১৭০, ২০৯–২১০। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৬-৫১৬১২-২।
- ↑ Urmimala Sarkar Munsi; Stephanie Burridge (২০১২)। Traversing Tradition: Celebrating Dance in India। Taylor & Francis। পৃ. ১১৫–১১৬। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৬-৭০৩৭৮-২।
- ↑ Pallabi Chakravorty; Nilanjana Gupta (২০১২)। Dance Matters: Performing India on Local and Global Stages। Routledge। পৃ. ৪০। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৬-৫১৬১২-২।
- ↑ Pallabi Chakravorty; Nilanjana Gupta (২০১২)। Dance Matters: Performing India on Local and Global Stages। Routledge। পৃ. ৪৩–৪৫। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৬-৫১৬১২-২।
- ↑ Kamal Sharma (২০০৪)। Folk Dances of Chambā। Indus। পৃ. ৩৫–৩৬। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৩৮৭-১৬৬-৫।
- 1 2 ML Varadpande (1990), History of Indian Theatre, Volume 1, Abhinav, আইএসবিএন ৯৭৮-৮১৭০১৭২৭৮৯, pages 45–47
- ↑ Maurice Winternitz 2008, পৃ. 181–182।
- ↑ ML Varadpande (1990), History of Indian Theatre, Volume 1, Abhinav, আইএসবিএন ৯৭৮-৮১৭০১৭২৭৮৯, page 48
- 1 2 3 Natalia Lidova (১৯৯৪)। Drama and Ritual of Early Hinduism। Motilal Banarsidass। পৃ. ১১১–১১৩। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২০৮-১২৩৪-৫।
- 1 2 Farley P. Richmond, Darius L. Swann এবং Phillip B. Zarrilli 1993, পৃ. 30।
- ↑ Tarla Mehta 1995, পৃ. xxiv, xxxi–xxxii, 17।
- ↑ Magda Romanska (২০১৪)। The Routledge Companion to Dramaturgy। Routledge। পৃ. ৯৪–৯৫। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৫-১২২৮৯-৮।
- ↑ Daniel S. Burt (২০০৮)। The Literature 100: A Ranking of the Most Influential Novelists, Playwrights, and Poets of All Time। Infobase। পৃ. ৩৩৫। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৩৮১-২৭০৬-৪।
- ↑ Sinha, Aakriti (২০০৬)। Let's know dances of India (1st সংস্করণ)। New Delhi: Star Publications। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৬৫০-০৯৭-৫।
- 1 2 Natalia Lidova 2014।
- ↑ Tarla Mehta 1995, পৃ. xxiv, 19–20।
- ↑ Wallace Dace 1963, পৃ. 249।
- ↑ Emmie Te Nijenhuis 1974, পৃ. 1–25।
- ↑ Sinha, Aakriti (২০০৬)। Let's know dances of India (1st সংস্করণ)। New Delhi: Star Publications। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৬৫০-০৯৭-৫।
- ↑ Kapoor, Sukhbir Singh (মার্চ ১৯৮৯)। Sikh festivals। Rourke Enterprises। পৃ. ৪৪। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৬৫৯২-৯৮৪-৫। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- ↑ editor; Ramchandani, vice president Dale Hoiberg; editor South Asia, Indu (২০০০)। A to C (Abd Allah ibn al-Abbas to Cypress)। New Delhi: Encyclopædia Britannica (India)। পৃ. ১৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৫২২৯-৭৬০-৫।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ Chander, Prakash (১ জানুয়ারি ২০০৩)। India: past & present। APH Publishing। পৃ. ১৩১। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৬৪৮-৪৫৫-৮। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- ↑ "Indian Classical Dance"। One India। ১৯ এপ্রিল ২০০৯। ১৭ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০১০।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|প্রকাশক=-এ ইটালিক বা গাঢ় লেখা অনুমোদিত নয় (সাহায্য) - ↑ Narayan, Shovana (২০০৫)। Indian classical dances: "ekam sat vipraah bahudaa vadanti"। Shubhi Publications। পৃ. ৫। আইএসবিএন ৯৭৮১৮৪৫৫৭১৬৯৬।
- ↑ Culture of India। The Rosen Publishing Group। ২০১০। পৃ. ৩৫২। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৬১৫৩০-২০৩-১।
- ↑ "A Dance Recital of Bharatanatya"। SPICMACAY chapter, Cornell university। ১৭ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জানুয়ারি ২০১২।
- 1 2 Bharata-natyam Encyclopædia Britannica. 2007
- ↑ Williams 2004, পৃ. 83-84, the other major classical Indian dances are: Kathak, Kuchipudi, Odissi, Kathakali, Manipuri, Cchau, Satriya, Yaksagana and Bhagavata Mela।
- ↑ Banerjee, Projesh (১৯৮৩)। Indian Ballet Dancing। New Jersey: Abhinav Publications। পৃ. ৪৩।
- 1 2 Peter J. Claus; Sarah Diamond; Margaret Ann Mills (২০০৩)। South Asian Folklore: An Encyclopedia। Routledge। পৃ. ১৩৬। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪১৫-৯৩৯১৯-৫।
- ↑ Khokar, Mohan (১৯৮৪)। Traditions of Indian Classical Dance। India: Clarion Books। পৃ. ৭৩–৭৬।
- ↑ Richard Schechner (২০১০)। Between Theater and Anthropology। University of Pennsylvania Press। পৃ. ৬৫–৬৬। আইএসবিএন ০-৮১২২-০০৯২-৬।
- ↑ T Balasaraswati (1976), Bharata Natyam, NCPA Quarterly Journal, Volume 4, Issue 4, pages 1-8
- ↑ Leslie C. Orr (২০০০)। Donors, Devotees, and Daughters of God: Temple Women in Medieval Tamilnadu। Oxford University Press। পৃ. ১১–১৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৫৩৫৬৭২-৪।
- 1 2 3 Mary Ellen Snodgrass (২০১৬)। The Encyclopedia of World Folk Dance। Rowman & Littlefield। পৃ. ১৬৫–১৬৮। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৪২২-৫৭৪৯-৮।
- 1 2 Margaret E. Walker (২০১৬)। India's Kathak Dance in Historical Perspective। Routledge। পৃ. ৯৪–৯৮। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৩১৭-১১৭৩৭-৭।
- 1 2 Anne-Marie Gaston (১৯৯২)। Julia Leslie (সম্পাদক)। Roles and Rituals for Hindu Women। Motilal Banarsidass। পৃ. ১৪৯–১৫০, ১৭০–১৭১। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২০৮-১০৩৬-৫।
- ↑ Zarrilli, Phillip B. (১৯৮৪)। The Kathakali complex: actor, performance & structure। Abhinav Publications। পৃ. ৩–১১। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭০১৭-১৮৭-৪। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- 1 2 3 4 James G. Lochtefeld (২০০২)। The Illustrated Encyclopedia of Hinduism: A-M। The Rosen Publishing Group। পৃ. ৩৫৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮২৩৯-৩১৭৯-৮।
- 1 2 3 Peter J. Claus; Sarah Diamond; Margaret Ann Mills (২০০৩)। South Asian Folklore: An Encyclopedia। Routledge। পৃ. ৩৩২–৩৩৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪১৫-৯৩৯১৯-৫।
- 1 2 Phillip B. Zarrilli (২০০০)। Kathakali Dance-drama: Where Gods and Demons Come to Play। Routledge। পৃ. xi, ১৭–১৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪১৫-১৩১০৯-৪।
- ↑ Phillip B. Zarrilli (২০০০)। Kathakali Dance-drama: Where Gods and Demons Come to Play। Routledge। পৃ. ২২–২৫, ১৯১। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪১৫-১৩১০৯-৪।
- ↑ Farley P. Richmond; Darius L. Swann; Phillip B. Zarrilli (১৯৯৩)। Indian Theatre: Traditions of Performance। Motilal Banarsidass। পৃ. ৩১৭–৩১৮। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২০৮-০৯৮১-৯।
- 1 2 3 Reena Shah (২০০৬)। Movement in Stills: The Dance and Life of Kumudini Lakhia। Mapin। পৃ. ৮। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৮৮২০৪-৪২-৭।
- ↑ Massey 1999, পৃ. 15।
- 1 2 James G. Lochtefeld (২০০২)। The Illustrated Encyclopedia of Hinduism: A-M। The Rosen Publishing Group। পৃ. ৩৫৮–৩৫৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮২৩৯-৩১৭৯-৮।
- ↑ Nalini Ghuman (২০১৪)। Resonances of the Raj: India in the English Musical Imagination, 1897-1947। Oxford University Press। পৃ. ৯৭ footnote ৭২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৯৩১৪৮৯-৮।
- ↑ Reena Shah (২০০৬)। Movement in Stills: The Dance and Life of Kumudini Lakhia। Mapin। পৃ. ৯। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৮৮২০৪-৪২-৭।
- ↑ Williams 2004, পৃ. 83।
- ↑ John H. Beck (২০১৩)। Encyclopedia of Percussion। Routledge। পৃ. ১৭০–১৭৫। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৩১৭-৭৪৭৬৮-০।
- ↑ Manohar Laxman Varadpande (১৯৮২)। Krishna Theatre in India। Abhinav Publications। পৃ. ১৩৩। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭০১৭-১৫১-৫।
- ↑ Ragini Devi 1990, পৃ. 60-68।
- ↑ Sunil Kothari ও Avinash Pasricha 2001, পৃ. 43-46, 80 footnote 8।
- ↑ James G. Lochtefeld (২০০২)। The Illustrated Encyclopedia of Hinduism: A-M। The Rosen Publishing Group। পৃ. ৩৭৬–৩৭৭। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮২৩৯-৩১৭৯-৮।
- 1 2 Massey 2004, পৃ. 79-81।
- ↑ Ragini Devi 1990, পৃ. 67-68।
- ↑ Bruno Nettl; Ruth M. Stone; James Porter; এবং অন্যান্য (১৯৯৮)। The Garland Encyclopedia of World Music: South Asia : the Indian subcontinent। Routledge। পৃ. ৫১৬–৫১৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮২৪০-৪৯৪৬-১।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|লেখক3=-এ "et al." এর সুস্পষ্ট ব্যবহার (সাহায্য) - ↑ Ragini Devi 1990, পৃ. 73।
- ↑ Martin Banham; James R. Brandon (১৯৯৩)। The Cambridge guide to Asian theatre। Cambridge University Press। পৃ. ৯৬। আইএসবিএন ৯৭৮-০৫২১৫৮৮২২৫।
- ↑ Sunil Kothari ও Avinash Pasricha 2001।
- ↑ Farley P. Richmond, Darius L. Swann এবং Phillip B. Zarrilli 1993, পৃ. 173।
- 1 2 Sunil Kothari ও Avinash Pasricha 2001, পৃ. 43-45, 97-104, 117-121।
- ↑ Cornelia Müller (২০১৩)। Body - Language - Communication। De Gruyter। পৃ. ৩১০–৩১৯। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-১১-০২৬১৩১-৮।
- ↑ Sunil Kothari ও Avinash Pasricha 2001, পৃ. 147-149।
- ↑ Sunil Kothari ও Avinash Pasricha 2001, পৃ. 20-21, 190-204।
- 1 2 Odissi Encyclopædia Britannica (2013)
- ↑ Centre for Cultural Resources and Training (CCRT);
"Archived copy"। ১৪ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০১৩।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: শিরোনাম হিসাবে আর্কাইভকৃত অনুলিপি (লিঙ্ক) Guidelines for Sangeet Natak Akademi Ratna and Akademi Puraskar - ↑ Sunil Kothari; Avinash Pasricha (১৯৯০)। Odissi, Indian classical dance art। Marg Publications। পৃ. ৪–৬, ৪১। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৮৫০২৬-১৩-৮।, Quote: "There are other temples too in Orissa where the maharis used to dance. Besides the temple of Lord Jagannatha, maharis were employed in temples dedicated to Shiva and Shakti."
- ↑ Stephanie Arnold (২০১৪)। The Creative Spirit: An Introduction to Theatre। McGraw Hill। পৃ. ৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-০৭-৭৭৭৩৮৯-২।
- ↑ Sunil Kothari; Avinash Pasricha (১৯৯০)। Odissi, Indian classical dance art। Marg Publications। পৃ. ১–৪, ৭৬–৭৭। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৮৫০২৬-১৩-৮।
- ↑ Frank Burch Brown (২০১৪)। The Oxford Handbook of Religion and the Arts। Oxford University Press। পৃ. ১৯৩–১৯৫। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৫১৭৬৬৭-৪।
- ↑ Shovana Narayan (২০১১)। The Sterling Book of INDIAN CLASSICAL DANCE। Sterling Publishers। পৃ. ৭৩–৭৪। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২০৭-৯০৭৮-০।
- ↑ Farley P. Richmond, Darius L. Swann এবং Phillip B. Zarrilli 1993, পৃ. 22।
- ↑ Ankiya Nat ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে, UNESCO: Asia-Pacific Database on Intangible Cultural Heritage (ICH), Japan
- 1 2 Lavanya Vemsani (২০১৬)। Krishna in History, Thought, and Culture: An Encyclopedia of the Hindu Lord of Many Names। ABC-CLIO। পৃ. ১২–১৩। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৬১০৬৯-২১১-৩।
- ↑ Siyuan Liu (২০১৬)। Routledge Handbook of Asian Theatre। Routledge। পৃ. ১৯–২১। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৩১৭-২৭৮৮৬-৩।
- ↑ Maheswar Neog (১৯৮০)। Early History of the Vaiṣṇava Faith and Movement in Assam: Śaṅkaradeva and His Times। Motilal Banarsidass। পৃ. ২৯৪–২৯৯। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২০৮-০০০৭-৬।
- 1 2 Massey 2004, পৃ. 177।
- 1 2 James G. Lochtefeld (২০০২)। The Illustrated Encyclopedia of Hinduism: A-M। The Rosen Publishing Group। পৃ. ৪২০–৪২১। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮২৩৯-৩১৭৯-৮।
- ↑ Massey 2004, পৃ. 177-187।
- ↑ Ragini Devi 1990, পৃ. 175-180।
- ↑ Massey 2004, পৃ. 177-180।
- ↑ Saroj Nalini Parratt (১৯৯৭)। The pleasing of the gods: Meitei Lai Haraoba। Vikas Publishers। পৃ. ১৪–২০, ৪২–৪৬।
- ↑ Saryu Doshi 1989, পৃ. 19-20, 93-99।
- ↑ Farley P. Richmond, Darius L. Swann এবং Phillip B. Zarrilli 1993, পৃ. 174-175।
- ↑ Ragini Devi 1990, পৃ. 176।
- ↑ James G. Lochtefeld (২০০২)। The Illustrated Encyclopedia of Hinduism: A-M। The Rosen Publishing Group। পৃ. ৪৩৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮২৩৯-৩১৭৯-৮।
- 1 2 3 Mohini Attam, Encyclopedia Britannica (2016)
- ↑ Bharati Shivaji; Avinash Pasricha (১৯৮৬)। The Art of Mohiniyāttam। Lancer Publishers। পৃ. ৬, ৪৪–৪৮। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭০৬২-০০৩-৭।
- ↑ Siyuan Liu (২০১৬)। Routledge Handbook of Asian Theatre। Routledge। পৃ. ১৩১–১৩২। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৩১৭-২৭৮৮৬-৩।
- ↑ Bharati Shivaji; Avinash Pasricha (১৯৮৬)। The Art of Mohiniyāttam। Lancer Publishers। পৃ. ৭৯–৯০। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭০৬২-০০৩-৭।
- ↑ Hoiberg, Dale (২০০০)। Students' Britannica India, Volume 2। Popular Prakashan। পৃ. ৩৯২। আইএসবিএন ৯৭৮০৮৫২২৯৭৬০৫।
- ↑ Devi, Ragini (১৯৯০)। Dance dialects of India। Motilal Banarsidass Publ.। পৃ. ১৮১। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২০৮-০৬৭৪-০। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- ↑ Gupta, Shobhna (২০০৫)। Dances of India। Har-Anand Publications। আইএসবিএন ৯৭৮৮১২৪১০৮৬৬৬।
- ↑ Banerji, Projesh (অক্টোবর ১৯৮৩)। Indian ballet dancing। Abhinav Publications। পৃ. ১৭২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩৯১-০২৭১৬-৯। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- ↑ Kathleen Kuiper (১ জুলাই ২০১০)। The Culture of India। The Rosen Publishing Group। পৃ. ২৮৪। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৬১৫৩০-২০৩-১। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- ↑ Gopal, Sangita; Moorti, Sujata (২০০৮)। Global Bollywood: travels of Hindi song and dance (Illustrated সংস্করণ)। U of Minnesota Press। পৃ. ২৪৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১৬৬-৪৫৭৯-৪। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- ↑ Shreshthova, Sangita (২০০৮)। Between cinema and performance: Globalizing Bollywood dance। ProQuest। পৃ. ৩৭২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫৪৯-৯০০৮১-৮। ২১ মে ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।
- ↑ Gopal, Sangita (২০০৮)। Global Bollywood: travels of Hindi song and dance। Minneapolis: University of Minnesota Press। আইএসবিএন ৯৭৮০৮১৬৬৪৫৭৮৭।
- ↑ Meyer, Michael (২০০৯)। Word & image in colonial and postcolonial literatures and cultures। Rodopi। পৃ. ৩৭৯। আইএসবিএন ৯৭৮-৯০-৪২০-২৭৪৩-৫।
- ↑ (Campbell, 2007)
- ↑ Gokulsing, edited by K. Moti; Dissanayake, Wimal (২০০৯)। Popular culture in a globalised India। London: Routledge। পৃ. ১২৫–১২৬। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪১৫-৪৭৬৬৬-৯।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|প্রথমাংশ=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - ↑ Meduri, Avanthi (২০০৪)। "Bharatanatyam as a Global Dance: Some Issues in Research, Teaching, and Practice"। Dance Research Journal। ৩৬ (2): ১১। ডিওআই:10.2307/20444589।
- ↑ O'Shea, Janet (২০০৩)। "At Home in the World? The Bharatanatyam Dancer As Transnational Interpreter"। TDR। ৪৭ (1)। MIT Press: ১৭৬–১৮৬। ডিওআই:10.1162/105420403321250071।
- ↑ Anne-Marie Gaston (১৯৯২)। Julia Leslie (সম্পাদক)। Roles and Rituals for Hindu Women। Motilal Banarsidass। পৃ. ১৫০–১৫২। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২০৮-১০৩৬-৫।
- ↑ Ester Gallo (২০১৬)। Migration and Religion in Europe: Comparative Perspectives on South Asian Experiences। Routledge। পৃ. ৩২–৩৩। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৩১৭-০৯৬৩৭-৫।
- ↑ Sharma, Arvind; editors, Katherine K. Young, (১৯৯৮)। Feminism and world religions। Albany, N.Y.: State University of New York Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৯১৪-৪০২৩-০।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|লেখক2=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অতিরিক্ত বিরামচিহ্ন (লিঙ্ক) উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ Studies in Indo-Asian art and culture, Volume 3। International Academy of Indian Culture। ১৯৭৪। পৃ. ১৩১।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|প্রথমাংশ=এর জন্য|প্রথমাংশ=অনুপস্থিত (সাহায্য) - ↑ Shah, Purnima (২০০০)। National dance festivals in India: public culture, social memory and identity। University of Wisconsin--Madison। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০১২।
টীকা
[সম্পাদনা]- Massey, Reginald (২০০৪), "India's Dances: Their History, Technique, and Repertoire", Abhinav Publications
- Narayan, Shovanna (2005). “ The Sterling Book :Indian Classical Dance”, New Dawn Press Group, New Delhi, India.
- "Revealing the Art of Natyasastra" by Narayanan Chittoor Namboodiripad আইএসবিএন ৯৭৮৮১২১৫১২১৮৩
- Ragini Devi (১৯৯০)। Dance Dialects of India। Motilal Banarsidass। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২০৮-০৬৭৪-০।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য) - Saryu Doshi (১৯৮৯)। Dances of Manipur: The Classical Tradition। Marg Publications। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৮৫০২৬-০৯-১।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য) - Sunil Kothari; Avinash Pasricha (২০০১)। Kuchipudi। Abhinav Publications। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭০১৭-৩৫৯-৫।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য) - Natalia Lidova (২০১৪)। "Natyashastra"। Oxford University Press। ডিওআই:10.1093/obo/9780195399318-0071।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য); উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - Natalia Lidova (১৯৯৪)। Drama and Ritual of Early Hinduism। Motilal Banarsidass। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২০৮-১২৩৪-৫।
- Massey, Reginald (১৯৯৯)। India's Kathak Dance - Past, Present, Future। Abhinav Publications। আইএসবিএন ৮১-৭০১৭-৩৭৪-৪।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য) - Tarla Mehta (১৯৯৫)। Sanskrit Play Production in Ancient India। Motilal Banarsidass। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২০৮-১০৫৭-০।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য) - Emmie Te Nijenhuis (১৯৭৪)। Indian Music: History and Structure। BRILL Academic। আইএসবিএন ৯০-০৪-০৩৯৭৮-৩।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য) - Williams, Drid (২০০৪)। "In the Shadow of Hollywood Orientalism: Authentic East Indian Dancing" (পিডিএফ)। Visual Anthropology। ১৭ (1)। Routledge: ৬৯–৯৮। ডিওআই:10.1080/08949460490274013। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য) - Farley P. Richmond; Darius L. Swann; Phillip B. Zarrilli (১৯৯৩)। Indian Theatre: Traditions of Performance। Motilal Banarsidass Publ.। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২০৮-০৯৮১-৯।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য) - Wallace Dace (১৯৬৩)। "The Concept of "Rasa" in Sanskrit Dramatic Theory"। Educational Theatre Journal। ১৫ (3): ২৪৯। ডিওআই:10.2307/3204783। জেস্টোর 3204783।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য) - Maurice Winternitz (২০০৮)। History of Indian Literature Vol 3 (Original in German published in 1922, translated into English by VS Sarma, 1981)। New Delhi: Motilal Banarsidass। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১২০৮০০৫৬৪।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য)
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- Dance - Indian performing arts, National Centre for the Performing Arts, Mumbai
- Center for the Performance Arts in India[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ], University of Pittsburgh
- Dance and Theatre in India, Goethe Institut
- Center for India Studies, Performance Art Series: Classical Dances, Stony Brook University
- Dance in India college exchange programs ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৬ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে, City University of New York
- Dance in India Study Abroad Programs in the USA, Schools for International Training
- The Anthropology of Theater and Spectacle William Beeman (1993)
