ভারতে ধর্মীয় সম্প্রীতি
এই নিবন্ধটি ইংরেজি উইকিপিডিয়ার সংশ্লিষ্ট নিবন্ধ অনুবাদ করে সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। (এপ্রিল ২০২৫) অনুবাদ করার আগে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশাবলি পড়ার জন্য [দেখান] ক্লিক করুন।
|

ভারতে ধর্মীয় সম্প্রীতি একটি ধারণা যা নির্দেশ করে যে ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস জুড়ে বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে ভালোবাসা ও স্নেহ বিদ্যমান ছিল। আধুনিক ভারতীয় প্রজাতন্ত্রে, ভারতীয় সংবিধান ধর্মীয় সম্প্রীতিকে সমর্থন করে এবং উৎসাহিত করে।[১] ভারতে, প্রত্যেক নাগরিকের যেকোনো ধর্ম বেছে নেওয়া এবং তা পালন করার অধিকার রয়েছে।[২] মুসলমান এবং শিখদের একসাথে মন্দির নির্মাণের উদাহরণ রয়েছে।[৩] বিভিন্ন ধর্মীয় নেতা ভারতে ধর্মীয় সম্প্রীতির আহ্বান জানান।[৪]
ভারত বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে যে ভারত একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র,[৫][৬] এবং ভারতের সংবিধান ধর্মের স্বাধীনতার অধিকারকে একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছে।[৭] ভারতে হিন্দু ধর্ম, শিখ ধর্ম, জরথুষ্ট্রীয় ধর্ম (অর্থাৎ পার্সি এবং ইরানি), জৈন ধর্ম এবং বাহাই ধর্মের অনুসারীদের সংখ্যা বিশ্বের মধ্যে সর্বাধিক। ইন্দোনেশিয়া এবং পাকিস্তানের পরে ভারতে বিশ্বের তৃতীয় সর্বাধিক ইসলাম ধর্মালম্বী মানুষ বসবাস করেন। বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান জনসংখ্যার বিচারে ভারত বিশ্বের মধ্যে যথাক্রমে নবম ও পঞ্চদশতম স্থান অধিকার করে।[৮] ভারতে বেশ কয়েকটি উপজাতি ধর্মও রয়েছে, যেমন দোন্যী-পোলো, সানামবাদ, সরনাবাদ, নিয়ামত্রে এবং অন্যান্য।
জনগণমন (মূল সঙ্গীত "ভারত ভাগ্য বিধাতা" এর প্রথম স্তবক), ভারতের জাতীয় সঙ্গীত, যা প্রথিতযশা সাহিত্যিক, চিন্তাবিদ ও দেশের প্রথম নোবেলজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দ্বারা রচিত,[৯] দেশের বিভিন্ন ভাষাভাষীর নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী ও বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উল্লেখ করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রচার করে। "ভারত ভাগ্য বিধাতা" সঙ্গীতের দ্বিতীয় স্তবকটিতে কবিগুরু লিখছেন "হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, পারসিক, মুসলমান, খ্রিস্টানী", যা বিভিন্ন ধর্মালম্বীর মানুষদের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা বহন করে। এটি সমস্ত ভারতীয়কে, তাদের ব্যাক্তিগত ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে, একটি একক জাতিসত্তার আদর্শে একত্রিত করার জন্য সঙ্গীতের উদ্দেশ্যকে প্রতিফলিত করে।
ভারতে সালমান খানের মতো জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তারকাদের কাছে হিন্দু ও মুসলিমদের উৎসব সমান।[১০] নোবেলবিজয়ী তিব্বতি ধর্মগুরু দলাই লামার মতে, ভারত ধর্মীয় সম্প্রীতির একটি মডেল। তিনি উল্লেখ করেন যে "গত ২০০০-৩০০০ বছরে, জৈন, ইসলাম, শিখ এবং অন্যান্য বিভিন্ন ধর্মীয় ঐতিহ্য এখানে বিকশিত হয়েছে।"[১১] ধর্মীয় সম্প্রীতির সমগ্র ধারণাটিই ভারতের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। শেষাদ্রীপুরম এডুকেশনাল ট্রাস্টের রজতজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় দলাই লামা আরও বলেন, বিভিন্ন ধর্মের দর্শন ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য ভিন্ন ভিন্ন হলেও, তাদের সকলেরই ভালোবাসার একই বার্তা বহন করে। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন যে একে অপরকে ভাই ও বোন হিসেবে মেনে নেওয়া অপরিহার্য। দলাই লামার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাচীন ভারতীয় জ্ঞান পুনরুদ্ধার আমাদের শান্তিপূর্ণভাবে এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ সম্প্রীতিতে বসবাস করতে সাহায্য করে। এই জ্ঞান আমাদের সঠিক পথের দিশা দেখায় এবং একটি সুখী ও শান্তিময় সমাজ তথা বিশ্ব গড়ে তোলার পথ উন্মুক্ত করে।[১২]
ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও প্রথা
[সম্পাদনা]বৈদিক যুগ
[সম্পাদনা]প্রাচীন ভারতীয় ধর্মগ্রন্থ ঋগ্বেদে ধর্মীয় চিন্তার বহুত্ববাদকে তুলে ধরা হয় এই উক্তির মাধ্যমে: একং সদবিপ্রা বহুধা বদন্তি (সংস্কৃত: एकं सद्विप्रा बहुधा वदन्ति), যার অর্থ হলো প্রজ্ঞাবানরা এক সত্যকে বিভিন্ন উপায়ে ব্যাখ্যা করেন।[১৩] এটি প্রাচীন উপনিষদীয় উক্তি, যা বোঝায় যে "এক ঈশ্বরকে বিভিন্ন নামে পূজা করা হয়।" এর আক্ষরিক অর্থ হলো "সত্য এক, প্রজ্ঞাবানরা তাকে বিভিন্নভাবে উপলব্ধি করে।" আমরা ঈশ্বরকে বিভিন্ন নামে ডাকতে পারি এবং তাকে নানাভাবে উপলব্ধি করতে পারি, কিন্তু তিনি এক এবং অদ্বিতীয়, তিনিই পরম জ্ঞানের অধিকারী।[১৪]
অশোকের ভাবনা
[সম্পাদনা]অশোক (৩০৪–২৩২ খ্রিস্টপূর্ব) তার দ্বাদশ শিলালিপিতে উল্লেখ করেন:[১৫]
দেবানামপ্রিয়, রাজা পিয়াদাসি সকল ধর্মের ত্যাগী ও গৃহস্থ উভয়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন, এবং তিনি তাদেরকে নানা রকম উপহার ও সম্মান দিয়ে সম্মানিত করেন। যে কেউ অতিরিক্ত ভক্তির কারণে নিজের ধর্মের প্রশংসা করে এবং এই চিন্তায় অন্য ধর্মকে নিন্দা করে যে 'আমি আমার ধর্মকে মহিমান্বিত করব', সে আসলে নিজের ধর্মকেই ক্ষতি করে। তাই ধর্মগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা ভালো। অন্য ধর্মাবলম্বীদের মতবাদ শোনা ও সম্মান করা উচিত। দেবানামপ্রিয়, রাজা পিয়াদাসির আকাঙ্ক্ষা যে, সকলেই যেন অন্যান্য ধর্মের উত্তম মতবাদগুলিতে সুপরিজ্ঞাত হয়।
কলিঙ্গের যুদ্ধের পর অশোক বৌদ্ধ দর্শন গ্রহণ করেন এবং ধর্ম প্রচারে নিজেকে নিবেদিত করেন। তিনি সামাজিক সম্প্রীতির অগ্রদূত হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। তার কাছে ধর্ম কেবলমাত্র ধর্মীয় আচার বা বিশ্বাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। ধর্ম হলো এক ধরনের জীবনপদ্ধতি, যা নৈতিক নীতিমালার ওপর ভিত্তি করে গঠিত। এই নীতিগুলো মানুষের জন্য একটি নৈতিক বিধান প্রদান করত এবং নিজের ধর্মকে প্রতিষ্ঠার জন্য অন্য কোনো ধর্মকে অপমান বা হেয় করা তার দৃষ্টিতে অনুচিত। তার দ্বিতীয় শিলালিপিতে তিনি লেখেন:[১৬]
ধর্ম কী? ক্ষুদ্র পাপ ও গুরুতর পাপ পরিহার করা। রাগ, নিষ্ঠুরতা, ক্রোধ, অহংকার, হিংসা ইত্যাদি অশুভ আচরণ পরিহার করা এবং দয়া, দানশীলতা, সত্যবাদিতা, আত্মসংযম, সরলতা, হৃদয়ের পবিত্রতা ও নৈতিকতা ইত্যাদিতে আসক্ত থাকা। নৈতিক আচরণ, অন্তরের ও বাহ্যিক পবিত্রতা পালন ইত্যাদি।
অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব
[সম্পাদনা]খারবেল (খ্রিষ্টপূর্ব ১৯৩ – খ্রিষ্টপূর্ব ১৭০-এর পর) কলিঙ্গ (বর্তমান ওডিশা) অঞ্চলের মহান মহামেঘবাহন বংশের তৃতীয় ও শ্রেষ্ঠ সম্রাট। খারবেল সম্পর্কে প্রধান তথ্যসূত্র হলো তার বিখ্যাত সতেরো-পঙ্ক্তির হাথিগুম্ফা শিলালিপি, যা ভুবনেশ্বরের নিকট উদয়গিরি পর্বতের একটি গুহায় খোদিত। এই শিলালিপিতে উল্লেখ আছে যে, সম্রাট খারবেল উদার ধর্মীয় মনোভাবসম্পন্ন। খারবেল নিজেকে এভাবে বর্ণনা করেন:[১৭]
সব পাসণ্ড পুজকো সবদেবায়তন সংস্কার কারকো (প্রাকৃত ভাষায়, দেবনাগরী লিপিতে)। এর বাংলা অনুবাদ: সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উপাসক, সকল দেবতার মন্দিরের সংস্কারকারী।
গ্রহপতি কোক্কল শিলালিপি (তারিখ: ১০০০–১০০১ খ্রিষ্টাব্দ) এর তৃতীয় শ্লোকে শিবকে পরম ব্রহ্মা, বুদ্ধ, বামন ও জিনের সঙ্গে তুলনা করা হয়।[১৮]
রামকৃষ্ণ পরমহংসের শিক্ষা
[সম্পাদনা]ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন
[সম্পাদনা]সম্মিলিত জাতীয়তাবাদ
[সম্পাদনা]নেতাজির ভাবনা
[সম্পাদনা]ধর্মীয় সম্প্রীতি স্থাপনকারী উপাসনাস্থল
[সম্পাদনা]ধর্মস্থল মন্দির
[সম্পাদনা]আজমির শরীফ দরগাহ
[সম্পাদনা]বাংলার সত্য পীরের মন্দির
[সম্পাদনা]সুন্দরবনের (বাংলা) বনবিবি ও দক্ষিণ রায়ের মন্দির
[সম্পাদনা]পুন্নাথালা
[সম্পাদনা]রাজনৈতিক, সামরিক ও ব্যবসায়িক নেতা
[সম্পাদনা]ভারত হিন্দু-প্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও, দেশটির নেতৃবর্গের মধ্যে প্রায়শই মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান, জৈন, জরথুষ্ট্রীয় প্রভৃতি বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীরা স্থান পেয়েছেন।
- ভারতের রাষ্ট্রপতিগণ: ড. জাকির হুসেইন, ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ এবং ড. এ. পি. জে. আবদুল কালাম মুসলমান ছিলেন এবং জৈল সিং একজন শিখ ছিলেন।
- ভারতের সেনাপ্রধানগণ: জেনারেল (পরবর্তীতে ফিল্ড মার্শাল) শ্যাম হরমুজি ফ্রামজি জামশেদজি মানেকশ এমসি জরথুষ্ট্রীয় ধর্মাবলম্বী ছিলেন; জেনারেল সুনীথ ফ্রান্সিস রদরিগেয ছিলেন খ্রিস্টান; এবং জেনারেল যোগীন্দার যশবন্ত সিং (পিভিএসএম, এভিএসএম, ভিএসএম, এডিসি) ও জেনারেল বিক্রম সিং (পিভিএসএম, ইউওয়াইএসএম, এভিএসএম, এসএম, ভিএসএম, এডিসি) শিখ ধর্মাবলম্বী।
- ভারতের বিমানবাহিনীর প্রধানগণ: এয়ার মার্শাল এ্যাসপি মেরওয়ান ইঞ্জিনিয়ার ডিএফসি এবং এয়ার চিফ মার্শাল ফালি হোমি মেজর (পিভিএসএম, এভিএসএম, এসসি, ভিএম, এডিসি) জরথুষ্ট্রীয় (পারসি) ধর্মাবলম্বী ছিলেন/আছেন; এয়ার মার্শাল (পরবর্তীতে এয়ার চিফ মার্শাল ও মার্শাল অব দ্য ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স) অর্জুন সিং ডিএফসি, এয়ার চিফ মার্শাল দিলবাগ সিং (পিভিএসএম, এভিএসএম, ভিএম) এবং বীরেন্দ্র সিং ধানোয়া (পিভিএসএম, এভিএসএম, ওয়াইএসএম, ভিএম, এডিসি) শিখ ছিলেন/আছেন; এয়ার চিফ মার্শাল ইদ্রিস হাসান লতিফ (পিভিএসএম) মুসলিম ছিলেন; এবং এয়ার চিফ মার্শাল ডেনিস অ্যান্থনি লা ফঁতেন (পিভিএসএম, এভিএসএম, ভিএম) খ্রিস্টান ছিলেন।
- ভারতের ১০০ জন ধনী ব্যক্তির (২০১৯ সালের হিসাব অনুযায়ী) তালিকায় দিলিপ সাংঘভি, একজন জৈন; আজিম প্রেমজী, একজন মুসলিম; এবং পালনজি মিস্ত্রি, একজন পার্সি অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
আরোও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Article 51(A) e। ভারতের সংবিধান। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুন ২০১৭।
৫১ক. মৌলিক কর্তব্য: ভারতের প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য হবে— (ক) সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা এবং এর আদর্শ ও প্রতিষ্ঠানের, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীতের সম্মান রক্ষা করা; (ঙ) ধর্মীয়, ভাষাগত ও আঞ্চলিক বা গোষ্ঠীগত বৈচিত্র্যের ঊর্ধ্বে উঠে ভারতের সকল মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সাধারণ ভ্রাতৃত্ববোধ প্রচার করা; নারীর মর্যাদাহানিকর প্রথা পরিত্যাগ করা; (চ) আমাদের বহুত্ববাদী সংস্কৃতির সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকে মূল্যায়ন ও সংরক্ষণ করা;
{{বই উদ্ধৃতি}}:|উক্তি=এর 59 নং অবস্থানে line feed character রয়েছে (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ "ভারতীয় সংস্কৃতি"। Mapsofindia.com। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুন ২০১৩।
- ↑ উইলিয়াম, রাজু (১২ জুলাই ২০০৩)। "মুসলিম দম্পতি ও শিখরা হিন্দুদের জন্য মন্দির নির্মাণ করেন"। লুধিয়ানা: টাইমস অফ ইন্ডিয়া। ২০ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০১৩।
- ↑ "ধর্মীয় সম্প্রীতির আহ্বান গুরুসন্তের"। ২৩ এপ্রিল ২০০২। ২০ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০১৩।
- ↑ "Preamble To The Indian Constitution | Legal Service India - Law Articles - Legal Resources"। www.legalserviceindia.com। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০২৫।
- ↑ "S. R. Bommai v. Union of India"। www.legalserviceindia.com। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০২৫।
- ↑ "Durga Das Basu"। Wikipedia (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ জানুয়ারি ২০২৫।
- ↑ "India has 79.8% Hindus, 14.2% Muslims, says 2011 census data on religion - Firstpost"। www.firstpost.com। ২৬ এপ্রিল ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০২৫।
- ↑ "National anthem of India: a brief on 'Jana Gana Mana'"। News18। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০২৫।
- ↑ আহমেদ, আফসানা; শর্মা, স্মৃতি (১৪ নভেম্বর ২০০৪)। "দীপাবলি ও ঈদ—উভয়ই সমান গুরুত্বপূর্ণ"। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০১৩।
- ↑ "ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে ভারতের দৃষ্টান্ত অনুকরণীয়: দলাই লামা"। NDTV.com। ২৫ নভেম্বর ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুন ২০১৩।
- ↑ "ধর্মীয় সম্প্রীতি ভারতের সম্পদ: দলাই লামা" (ভারতীয় ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২১।
- ↑ ঋগ্বেদ 1.64.46
- ↑ Network, Newsroom24x7 (১৭ নভেম্বর ২০১৮)। "Ekam sat Vipra Bahudha Vadanti"। Sanatan Mission (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|প্রথমাংশ=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ Dhammika, Ven.। "Edicts of Ashoka"। Livius.org (ইংরেজি ভাষায়)। ১৮ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "সমাজিক সম্প্রীতির অগ্রদূত ছিলেন সম্রাট অশোক"। টাইমস অব ইন্ডিয়া ব্লগ (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২১।
- ↑ Agrawal, Sadananda (2000): Śrī Khāravela, Sri Digambar Jain Samaj, Cuttack, Orissa
- ↑ Khajuraho, Kanhiayalal Agrawal, The MacMillan Company of India, 1980, p. 141-146
আরও পড়ুন
[সম্পাদনা]- জৈন, সন্দ্যা (২০১০)। ইভানজেলিক্যাল অনুপ্রবেশ: ত্রিপুরা, একটি গবেষণা। নয়াদিল্লি: রূপা অ্যান্ড কো।
- এলস্ট, কে. (২০০২)। হিন্দু কে?: হিন্দুধর্ম পুনরুজ্জীবনবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে অ্যানিমিজম, বৌদ্ধধর্ম, শিখধর্ম ও হিন্দুধর্মীয় উৎস থেকে উৎপন্ন অন্যান্য মতবাদ।
- গোয়েল, এস.জি. (২০১৬)। হিন্দু-খ্রিষ্টান সংঘাতের ইতিহাস, খ্রিষ্টীয় ৩০৪ থেকে ১৯৯৬।
- পানিক্কর, কে. এম. (১৯৫৯)। এশিয়া ও পাশ্চাত্য আধিপত্য। লন্ডন: অ্যালেন অ্যান্ড আনউইন। আইএসবিএন ৯৭৮১৫৯৭৪০৬০১৭
- মালহোত্র, রাজীব (২০১১)। ভিন্ন থাকা: পাশ্চাত্য সার্বজনীনতাবাদের প্রতি একটি ভারতীয় চ্যালেঞ্জ। প্রকাশক: হার্পারকলিন্স ইন্ডিয়া। আইএসবিএন ৯৭৮-৯-৩৫০-২৯১৯০-০
- স্বরূপ, রাম (১৯৮৪)। বৌদ্ধধর্ম বনাম হিন্দুধর্ম।
- স্বরূপ, রাম (১৯৯৫)। খ্রিষ্টধর্ম ও ইসলাম সম্পর্কে হিন্দু দৃষ্টিভঙ্গি।
- শৌরি, অরুণ (২০০৬)। ভারতে মিশনারিরা: ধারাবাহিকতা, পরিবর্তন ও দ্বন্দ্ব। নয়াদিল্লি: রূপা। আইএসবিএন ৯৭৮৮১৭২২৩২৭০২
- মধ্যপ্রদেশ (ভারত), এবং নিয়োগী, এম. বি. (১৯৫৬)। সময়ের দ্বারা সমর্থিত: খ্রিষ্টান মিশনারি কার্যক্রম বিষয়ে নিয়োগী কমিটির প্রতিবেদন। নাগপুর: গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং, মধ্যপ্রদেশ।
- নারায়ণ, হর্ষ (১৯৯৭)। সমষ্টিগত সংস্কৃতি ও ধর্মসমতার মিথ। নয়াদিল্লি: ভয়েস অফ ইন্ডিয়া।