বিষয়বস্তুতে চলুন

ভারতেশ্বরী হোমস

ভারতেশ্বরী হোমস
অবস্থান
মানচিত্র
মির্জাপুর-১৯৪০, টাঙ্গাইল

বাংলাদেশ
স্থানাঙ্ক২৪°৫′৫০.৭২″ উত্তর ৯০°৫′৩৭.৮৮″ পূর্ব / ২৪.০৯৭৪২২২° উত্তর ৯০.০৯৩৮৫৫৬° পূর্ব / 24.0974222; 90.0938556
তথ্য
প্রাক্তন নামভারতেশ্বরী বিদ্যাপীঠ
প্রতিষ্ঠাকাল১৯৪৫
বিদ্যালয় জেলাটাঙ্গাইল
ট্রাস্টকুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট
ইআইআইএন১১৪৫২৯ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
চেয়ারম্যানরাজীব প্রসাদ সাহা
শ্রেণি১-১২
লিঙ্গনারী
স্বীকৃতিমাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা
ওয়েবসাইটbharateswarihomes.edu.bd

ভারতেশ্বরী হোমস হল বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুরে অবস্থিত একটি আবাসিক নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।[] ১৯৪৫ সালে টাঙ্গাইলের জমিদার দানবীর সমাজসেবক রণদা প্রসাদ সাহা এটি প্রতিষ্ঠা করেন।[] তিনি মেয়েদের শিক্ষার জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং তার পিতামহী ভারতেশ্বরী দেবীর নামে এর নামকরণ করেছিলেন।[] ২০২০ সালে, শিক্ষায় অবদানের জন্য স্কুলটিকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়।[]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

প্রতিষ্ঠানটি কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অব বেঙ্গল (বিডি) লিমিটেডের অধীনে পরিচালিত, যে ট্রাস্ট কুমুদিনী হাসপাতালসহ আরও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে।[] এই ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন রণদা প্রসাদ সাহা। বিদ্যালয়টি প্রথমে ভরতেশ্বরী বিদ্যাপীঠ নামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করে।[] ভরতেশ্বরী হোমসের ভিত্তিপ্রস্তর ১৯৩৮ সালের ২ জানুয়ারি রণদা প্রসাদ সাহার স্ত্রী কিরণবালা সাহা স্থাপন করেন। ১৯৭১ সালের ৭ মে আর. পি. সাহা ও তাঁর ছেলে ভবানী প্রসাদ সাহা পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে আটক হয়ে নিহত হন। তাঁদের মৃত্যুর পর মেয়ে জয়া পতি ট্রাস্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০০৭ সাল পর্যন্ত নাতি রাজীব প্রসাদ শাহী ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[]

শিক্ষা কার্যক্রম

[সম্পাদনা]

ভরতেশ্বরী হোমস এ অঞ্চলের প্রথম আবাসিক বালিকা বিদ্যালয়। ১৯৬২ সালে উচ্চ মাধ্যমিক শাখা চালু হলেও ১৯৭৩ সালে তা বন্ধ হয়ে যায় এবং ১৯৮৩ সালে পুনরায় চালু হয়। ২০১৩ সালে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ১,০০০ শিক্ষার্থী ও ৬০ জন শিক্ষক ছিল।[]

সহশিক্ষা কার্যক্রম

[সম্পাদনা]

বিদ্যালয়ে কম্পিউটার শিক্ষা, ইংরেজি ভাষা ক্লাব, বিজ্ঞান ক্লাব, বিতর্ক ক্লাব এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের একটি ইউনিট পরিচালিত হয়। ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠানে ‘গার্লস-ইন-স্কাউট’ গঠন হয়।

পুরস্কার

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর, সম্পাদকগণ (২০১২)। "বাংলাদেশ"বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিআইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১ওসিএলসি 883871743ওএল 30677644M
  2. "Mozena visits Bharateswari Homes"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ ডিসেম্বর ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০২৩
  3. ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর, সম্পাদকগণ (২০১২)। "বাংলাদেশ"বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিআইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১ওসিএলসি 883871743ওএল 30677644M
  4. "Govt. issues revised list of Independence Award 2020 recipients" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১২ মার্চ ২০২০। ২ মে ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০২৩
  5. "Mozena visits Bharateswari Homes"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ ডিসেম্বর ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০২৩
  6. "About Bharateswari Homes" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২ মে ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০২৩
  7. ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর, সম্পাদকগণ (২০১২)। "বাংলাদেশ"বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিআইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১ওসিএলসি 883871743ওএল 30677644M
  8. "Bharateswari Homes celebrates Victory Day"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ ডিসেম্বর ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০২৩
  9. Pratidin, Bangladesh (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ৯ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান |"bd-pratidin.com। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০২৫

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]