ভারতের যুবসম্প্রদায়

ভারত বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল রাষ্ট্র, যা বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। জাতিসংঘের অনুমান অনুযায়ী দেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১,৩৫২,৬৪২,২৮০।
ভারতের ২৫ বছরের কম বয়স্কের জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশের বেশি, আর ৩৫ বছরের কম বয়স্কের জনসংখ্যা ৬৫ শতাংশের বেশি। ২০২০ সালে একজন ভারতীয়ের গড় বয়স ২৯ বছর, যেখানে চীনাদের গড় বয়স ৩৭ বছর আর জাপানের ৪৮। ২০৩০ সালে দেশের নির্ভরশীলতার অনুপাত ০.৪-এর একটু বেশি হবে।[১] তবে এক দশকেরও বেশি আগে ভারতের শিশুসংখ্যা সর্বোচ্চ ছিল, যা এখন কমে আসছে। ২০০৭ সালে দেশের ৫ বছরের কম বয়স্ক শিশুর সংখ্যা সর্বোচ্চ ছিল, আর ২০১১ সালে ১৫ বছরের কম বয়স্কের জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ছিল।[২]
ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা দেশের যুবসম্প্রদায়কে প্রভাবিত করে। অন্যান্য সমস্যার মধ্যে শিশুশ্রম, অপুষ্টি, রাস্তার শিশু, বাল্যবিবাহ, শিশু পাচার ইত্যাদি।
শিক্ষা ব্যবস্থা
[সম্পাদনা]

২০১২ সালের অ্যানুয়াল স্টেটাস অব এডুকেশনাল রিপোর্ট (এএসইআর) অনুযায়ী ৯৬.৫ শতাংশ ৬-১৪ বছর বয়সী গ্রামীণ শিশুদের কোনো বিদ্যালয়ে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ২০০৭ থেকে ২০১৪ সালের পর্যন্ত ভারত এই ৬-১৪ বছরের বয়স গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের গড় তালিকাভুক্তির অনুপাত ৯৫ শতাংশ বজায় রেখেছে। এর ফলে ২০১৮ শিক্ষাবর্ষে কোনো বিদ্যালয়ে তালিকাভুক্ত নয় এমন ৬-১৪ বছর বয়সী গ্রামীণ শিশুর অনুপাত ২.৮ শতাংশে নেমে আসে (এএসইআর ২০১৮)।[৩] ২০১৩ সালের অপর প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ২২ কোটি ৯০ লাখ শিক্ষার্থী ভারতের বিভিন্ন অনুমোদিত পৌর ও গ্রামীণ বিদ্যালয়ে তালিকাভুক্ত। এটা ২০০২ সালের মোট তালিকাভুক্তির চেয়ে ২৩ লাখ বেশি, আর মেয়েদের তালিকাভুক্তির হার ১৯ শতাংশ।[৪] যদিও পরিমাণগত দিক থেকে ভারত সর্বজনীন শিক্ষার দিকে অগ্রসর হচ্ছে, তবুও বিশেষ করে সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত মান প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে। দেশের ৯৫ শতাংশের বেশি শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকলেও কেবল ৪০ শতাংশ কিশোর-কিশোরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে (নবম-দ্বাদশ শ্রেণি) উপস্থিত থাকে।
২০০০ সাল থেকে বিশ্ব ব্যাংক ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থায় ২ বিলিয়ন ডলার দান করে। নিকৃষ্ট মানের শিক্ষার বিভিন্ন কারণের মধ্যে ২৫ শতাংশ শিক্ষক-শিক্ষিকার দৈনিক অনুপস্থিতি উল্লেখযোগ্য।[৫] ভারতের বিভিন্ন রাজ্য সেরকম বিদ্যালয় শনাক্তকরণ ও মানোন্নয়নের জন্য পরীক্ষা ও মূল্যনির্ধারণ ব্যবস্থা চালু করেছে।[৬]

ভারতের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা দুইভাগে বিভক্ত: নিম্ন-প্রাথমিক (প্রথম-চতুর্থ শ্রেণি) ও উচ্চ-প্রাথমিক (পঞ্চম-অষ্টম শ্রেণি)। ভারত সরকার ৬-১৪ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষার (প্রথম-অষ্টম শ্রেণি) উপর গুরুত্ব আরোপ করে।[৭] যেহেতু শিক্ষা আইন দায়িত্ব বিভিন্ন রাজ্যের উপর, সেহেতু প্রাথমিক শিক্ষার সময়কাল রাজ্যভেদে ভিন্ন। এছাড়া ভারত সরকার শিশুশ্রম নিষিদ্ধ করেছে যাতে শিশুরা অনিরাপদ কর্ম পরিবেশে প্রবেশ না করে।[৭] তবে অর্থনৈতিক বৈষম্য ও সামাজিক অবস্থার জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা ও শিশুশ্রমে নিষেধ উভয়ই প্রয়োগ করা কঠিন।[৭] প্রাথমিক স্তরে সমস্ত অনুমোদিত বিদ্যালয়ের ৮০ শতাংশ সরকার দ্বারা চালিত বা সমর্থিত, যার ফলে সরকার দেশের শিক্ষার বৃহত্তম প্রতিপালক হয়ে উঠে।[৮]
তবে সম্পদের ঘাটতি ও রাজনৈতিক অনিচ্ছার জন্য শিক্ষা ব্যবস্থা বিভিন্ন বিপুল ব্যবধানের সম্মুখীন হয়েছে, যেমন উচ্চ শিক্ষার্থী-শিক্ষক অনুপাত, পরিকাঠামোর ঘাটতি এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণের নিম্নমান। ২০১১ সালে ভারত সরকার দ্বারা প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে ৫৮,১৬,৬৭৩ জন প্রাথমিক স্কুলশিক্ষক ছিল।[৯] মার্চ ২০১২-এর হিসাব অনুযায়ী[হালনাগাদ] ভারতে ২১,২৭,০০০ জন মাধ্যমিক স্কুলশিক্ষক ছিল।[১০]
জাতীয় নমুনা সমীক্ষা সংগঠন এবং জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষা ভারতে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেছে এমন শিশুর শতকরা হারের উপাত্ত সংগ্রহ করে আর উভয় সমীক্ষার ফলাফল যথাক্রমে ৩৬.৮ ও ৩৭.৭।[১১] ২০০৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বলেন যে তিনি এটা জেনে দুঃখিত যে প্রথম শ্রেণিতে তালিকাভুক্ত ১০০ জন শিশুর মধ্যে কেবল ৪৭ জন অষ্টম শ্রেণিতে পৌঁছয়, যার ফলে শিক্ষাবিরতির হার ৫২.৭৮ শতাংশ।[১২] তখন অনুমান করা হয় যে কমপক্ষে ৩ কোটি ৫০ লাখ এবং সর্বোচ্চ ৬ কোটি ৬-১৪ বছর বয়সী শিশুরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত নয়।[১৩]
পুষ্টি
[সম্পাদনা]বেকারত্ব
[সম্পাদনা]২০০৫ সালে ভারতের যুব বেকারত্বের হার প্রায় ১০ শতাংশ, তবে পরবর্তী বছরে জাতিসংঘকে এই বিষয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান প্রেরণ করা হয়নি।[১৪] অবশ্য কর্মসংস্থানের অভাবের জন্য শিক্ষায় আবদ্ধ ও অতিরিক্ত ডিগ্রিপ্রাপ্ত তরুণ-তরুণীর সংখ্যার বৃদ্ধি হয়েছে। তারা সাধারণত নিম্নবিত্ত শ্রেণির হলেও বিভিন্ন বর্ণ ও শ্রেণির তরুণ-তরুণী এরকম অবস্থার শামিল হয়। ভারতে কর্মসংস্থান অনেকসময় সংযোগ বা সরকারি সুযোগের উপর নির্ভরশীল।[১৫]
শিশুশ্রম
[সম্পাদনা]
২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী ৫-১৪ বছর বয়সী শিশু শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি, যেখানে ঐ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা ২৫ কোটি ৯৬ লাখ। [১৬] শিশুশ্রমের সমস্যা শুধু ভারতে সীমাবদ্ধ নয়; বিশ্বজুড়ে প্রায় ২১ কোটি ৭০ লাখ শিশু কর্মে নিযুক্ত, যার অনেকেই পূর্ণকালীন নিযুক্ত।[১৭]
২০০১ সালে আনুমানিক ১ শতাংশ শিশু শ্রমিক, অর্থাৎ প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার শিশু কোনো বিপজ্জনক কর্মে নিযুক্ত।[১৮] প্রসঙ্গত, ভারতের সংবিধানের ২৪ নং অনুচ্ছেদ মৌলিক অধিকার হিসাবে বিপজ্জনক শিল্পে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ করে।[১৯]
রাস্তার শিশু
[সম্পাদনা]কলকাতা, নয়াদিল্লি ও মুম্বই এই তিন শহরের প্রত্যেকের রাস্তার শিশুর সংখ্যা আনুমানিক এক লক্ষ বা তার বেশি।[২০] প্রধানত পারিবারিক দ্বন্দ্বের জন্য তারা রাস্তায় বসবাস করে আর নিজেদের যত্ন নেওয়ার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেয়, যেমন রাস্তার অন্য শিশুদের সাহায্য বা রক্ষা করা। বৃহত্তর নিরাপত্তার জন্য রাস্তার শিশুরা কখনও কখনও গোষ্ঠী গঠন করলেও পুলিশ ও নিয়োগকারীরা প্রায়ই এদের শোষণ করে।[২১][২২]
বাল্যবিবাহ
[সম্পাদনা]যৌন নির্যাতন
[সম্পাদনা]শিশু পাচার
[সম্পাদনা]ভারতে শিশু পাচারের পরিমাণ অনেক বেশি। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো অনুযায়ী প্রতি ১৮ মিনিটে অন্তত একজন শিশু বিলুপ্ত হয়ে যায়।[২৩] কিছুক্ষেত্রে শিশুদের তাদের ঘর থেকে তুলে বাজারে বিক্রয় করা হয়। অন্যান্য ক্ষেত্রে চাকরির প্রলোভনে শিশুদের পাচারকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ভারতে শিশু পাচারের বিভিন্ন কারণের মধ্যে রয়েছে শ্রম, ভিক্ষা ও যৌন নির্যাতন। অপরাধের গতিপ্রকৃতির জন্য এটা শনাক্ত করা কঠিন, আর দুর্বল আইন প্রয়োগ ব্যবস্থার জন্য এটা নির্মূল করা অসম্ভব।[২৪] এছাড়া এই সমস্যাকে নিয়ে কেবল আনুমানিক তথ্য দেওয়া সম্ভব। ভারত শিশু পাচারের অন্যতম মূল কেন্দ্র, আর পাচারকারীদের অনেকেই ভারতীয় কিংবা ভারতে আগত। বেশিরভাগ পাচার দেশের মধ্যে ঘটলেও নেপাল ও বাংলাদেশ থেকেও অনেক শিশুদের পাচার করা হয়েছে।[২৫] পাচারের শিকার শিশুরা ঘরে ফেরার সময় অভ্যর্থনার জায়গায় নিজেদের পরিজনের কাছে প্রায়ই অপমানের সম্মুখীন হয়।[২৬]
রাজনীতি
[সম্পাদনা]বিভিন্ন বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভারতের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের আগ্রহ জন্মানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ভারতে রাজনীতির ক্ষেত্র সাধারণত শিক্ষিত জনগণের জন্য উপযুক্ত নয় বলে ধরা হয়,[২৭] তবে জীবিকা হিসাবে রাজনীতির ধারণা নিয়ে বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীরা চিরাচারিত ধারণার পরিবর্তন আনে।
২০০৪ সালে ভারতের জনসংখ্যার ৫৭ শতাংশ ৩০ বছর বা তার কম বয়সী হলেও লোকসভার সদস্য হিসাবে তাদের সংখ্যা ৫৪৩ জনের মধ্যে কেবল ৩৫ জন, অর্থাৎ ৬ শতাংশ।[২৭] অবশ্য ২০০৬ সালের ওয়ার্ল্ড ভ্যালুজ সার্ভে অনুযায়ী রাজনীতিতে আগ্রহী ১৮-২৪ বছর বয়সীর অনুপাত ৫০ শতাংশ, যা ১৯৯০ সালের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি।[২৮]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]টীকা
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Basu, Kaushik (২৫ জুলাই ২০০৭)। "India's demographic dividend"। BBC News। সংগ্রহের তারিখ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১১।
- ↑ Ritchie, Hannah (১৫ জানুয়ারি ২০১৯)। "India's population growth will come to an end: the number of children has already peaked"। Our World in Data। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মে ২০২১।
- ↑ ASER-2018 RURAL, Annual Status of Education Report (Rural) (পিডিএফ)। India: ASER Centre। ২০১৯। পৃ. ৪৭। আইএসবিএন ৯৭৮৯৩৮৫২০৩০১৫।
- ↑ Enrollment in schools rises 14% to 23 crore The Times of India (22 January 2013)
- ↑ Sharath Jeevan & James Townsend, Teachers: A Solution to Education Reform in India Stanford Social Innovation Review (17 July 2013)
- ↑ B.P. Khandelwal, Examinations and test systems at school level in India UNESCO, pages 100-114
- 1 2 3 Blackwell, 93–94
- ↑ "DISE--District Information System for Education"। ৩১ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬।
- ↑ "flashstatistics2009-10.pdf" (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯।
- ↑ Ministry of Human Resource Development (মার্চ ২০১২)। "Report to the People on Education 2010-11" (পিডিএফ)। New Delhi। ১৭ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ ডিসেম্বর ২০১৬।
- ↑ "Social Exclusion of Scheduled Caste Children from Primary Education in India" (পিডিএফ)। Source: UNICEF। সংগ্রহের তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১১।
- ↑ "Global campaign for education- more teachers needed"। Source: UNICEF India। সংগ্রহের তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১১।
- ↑ "The Challenges for India's Education System" (পিডিএফ)। Source: Chatham House। সংগ্রহের তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১১।
- ↑ "Youth unemployment rate, aged 15-24, men"। United Nations Statistic Division। ৩ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০১৩।
- ↑ Jeffrey, Craig (১৪ জুলাই ২০১০)। "Timepass: Youth, class, and time among unemployed young men in India"। American Ethnologist। ৩৭ (3): ৪৬৫–৪৮১। ডিওআই:10.1111/j.1548-1425.2010.01266.x।
- ↑ Age Data C13 Table (India/States/UTs ), Final Population - 2011 Census of India
- ↑ "Child Labour - ILO"। ILO, United Nations। ২০১১।
- ↑ "Children and Work (Annual Report 2009)" (পিডিএফ)। Census 2001। ২০০৮। পৃ. ১০৮।
- ↑ "Constitution of India"। Vakilno1.com। Government of India। ৭ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২৫।
- ↑ Poonam R. Naik, Seema S. Bansode, Ratnenedra R. Shinde & Abhay S. Nirgude (২০১১)। "Street children of Mumbai: demographic profile and substance abuse"। Biomedical Research। ২২ (4): ৪৯৫–৪৯৮।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ Chatterjee, A. (১৯৯২)। "India: The forgotten children of the cities"। Florence, Italy: Unicef। সংগ্রহের তারিখ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Bose, A.B. (১৯৯২)। "The Disadvantaged Urban Child in India"। Innocenti Occasional Papers, Urban Child Series। সংগ্রহের তারিখ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- ↑ Shah, Shreya (১৬ অক্টোবর ২০১২)। "India's Missing Children, By the Numbers"। Wall Street Journal।
- ↑ Harlan, Emily K. "It Happens in the Dark: Examining Current Obstacles to Identifying and Rehabilitating Child Sex-Trafficking Victims in India and the United States." University of Colorado Law Review, vol. 83, 01 July 2012, p. 1113.
- ↑ "Vulnerable Children - Child Trafficking India"। www.childlineindia.org.in। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ অক্টোবর ২০২০।
- ↑ , Chopra, Geeta. Child Rights in India. [Electronic Resource]: Challenges and Social Action. Springer eBooks., New Delhi: Springer India : Imprint: Springer, 2015., 2015.
- 1 2 Gupte 2004
- ↑ "More Indian Youth Interested in Politics" 2006