ভবানী শংকর বিশ্বাস
ভবানী শংকর বিশ্বাস | |
|---|---|
| পূর্ব পাকিস্তানের মন্ত্রী | |
| কাজের মেয়াদ ১৯৬২ – ১৯৬৫ | |
| গভর্নর | |
| দপ্তর | স্বাস্থ্য, শ্রম ও সমাজকল্যাণ |
| উত্তরসূরী | মং শৈ প্রু চৌধুরী |
| পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য | |
| কাজের মেয়াদ ১৯৬২ – ১৯৬৫ | |
| নেতা | |
| কাজের মেয়াদ ১৯৫৪ – ১৯৫৮ | |
| নেতা | |
| নির্বাচনী এলাকা | ফরিদপুর দক্ষিণ-পশ্চিম |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ১৯১৮ ফরিদপুর জেলা, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত |
| মৃত্যু | ২৭ জানুয়ারি ২০১১ (বয়স ৯২–৯৩) |
| রাজনৈতিক দল | স্বতন্ত্র |
| প্রাক্তন শিক্ষার্থী | সরকারি ফজলুল হক কলেজ |
| পেশা | রাজনীতিবিদ |
ভবানী শংকর বিশ্বাস একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ছিলেন যিনি হিন্দুদের জন্য পৃথক নির্বাচন ও তফসিলীদের জন্য কোটা ব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক মন্ত্রী ছিলেন।
জীবনী
[সম্পাদনা]ভবানী ১৯১৮ সালে ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির ফরিদপুর জেলার মাঝিগাতি গ্রামে (বর্তমানে বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলায় অবস্থিত) জন্মগ্রহণ করেন।[১] ওড়াকান্দী মিড হাই স্কুল ও নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে লেখাপড়া করার পর তিনি ১৯৪৪ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ভুক্ত সরকারি ফজলুল হক কলেজ থেকে স্নাতক অর্জন করেন।[২][৩] শিক্ষাজীবন সমাপ্ত করার পর তিনি শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন। কর্মজীবনে তিনি দীঘারগাতি উচ্চ বিদ্যালয় ও হলধর ইনস্টিটিউট হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বাগেরহাটের চান্দেরহাট উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন।[২] ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাজনের পর তিনি পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের দেশত্যাগ ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা থামাতে কাজ করেন।[১] ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র হিসেবে অংশ নিয়ে পূর্ববঙ্গ আইনসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। আইনসভায় তখন তিনি তফসিলী সম্প্রদায়ের সংসদীয় দলের উপনেতা নির্বাচিত হয়েছিলেন।[২] এরপর তিনি ১৯৬২ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনেও অংশ নেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।[১] ১৯৬২ সালে তাকে কনভেনশন মুসলিম লীগের সহযোগী সদস্য করা হয়েছিল।[৪] ১৯৬২ সাল থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত তিনি ফারুক ও প্রথম মোনেম মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে পূর্ব পাকিস্তানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ছিলেন।[১] ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি এনই-৯৮ ফরিদপুর-৫ আসন থেকে প্রার্থী হোন।[৫] তিনি ২৭ জানুয়ারি ২০১১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।[১] ভবানীর বড় ছেলে দুলাল বিশ্বাস বাংলাদেশ জাতীয় যুব সংগঠন ফেডারেশনের সভাপতি এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুব কল্যাণ তহবিলের পরিচালনা পর্ষদ সদস্য ছিলেন।[৬] তার ছোট ছেলে সমাজসেবক সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস ২০২৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।[৭]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 "সাবেক মন্ত্রী ভবানী শংকর বিশ্বাসের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী কাল"। দৈনিক ইনকিলাব। ২৬ জানুয়ারি ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ৪ ডিসেম্বর ২০২৪।
- 1 2 3 "BHABANI SANKAR"। দৈনিক মর্নিং নিউজ (ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ জুন ১৯৬২। পৃ. ৩।
- ↑ "Death anniversary"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ২৭ জানুয়ারি ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৪ ডিসেম্বর ২০২৪।
- ↑ আফজাল, এম রফিক (১৯৮৫)। "CONVENTION MUSLIM LEAGUE, 1962-1969: An Apprisal" (পিডিএফ)। পাকিস্তান জার্নাল অব হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার (ইংরেজি ভাষায়)। ৬ (২)। ইসলামাবাদ: ইসলামাবাদ জাতীয় ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গবেষণা ইনস্টিটিউট: ৪।
- ↑ "List of NA candidates"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার। ১৬ অক্টোবর ১৯৭০। পৃ. ১২।
- ↑ "Discussion on Bhabani Sankar Biswas held in city"। দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- ↑ "সাবেক মন্ত্রী ভবানী শংকর বিশ্বাসের ছোট ছেলের মৃত্যু"। মেট্রো নিউজ। ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪।