বিষয়বস্তুতে চলুন

ব্লু ডায়মন্ড সোসাইটি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

ব্লু ডায়মন্ড সোসাইটি (সংক্ষেপেঃ বিডিএস ; নেপালি : नील हीरा समाज) নেপালের একটি এলজিবিটি মানবাধিকার সংস্থা। সমকামিতার বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন পরিবর্তনের পক্ষে এবং নেপালের প্রান্তিক সমকামী, ট্রান্সজেন্ডার এবং অন্যান্য যৌন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকারের পক্ষে সওয়াল করার জন্য ২০০১ সালে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ব্লু ডায়মন্ড সোসাইটির লক্ষ্য নেপালি সমাজকে সঠিক যৌন স্বাস্থ্য সম্পর্কে শিক্ষিত করা, স্থানীয় সরকারের সম্মুখে সমকামী সংখ্যালঘুদের অধিকারের পক্ষে প্রশ্ন তোলা, এলজিবিটিকিউ+ তরুণদের শৈল্পিক অভিব্যক্তিকে উৎসাহিত করা এবং নেপালি সমকামীদের বিরুদ্ধে সহিংসতার সমস্ত ঘটনাকে নথিভুক্ত করা যাতে তার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সচেতন হতে পারে। ব্লু ডায়মন্ড সোসাইটি নেপালের এলজিবিটিকিউ+ সম্প্রদায়ের মধ্যে এইচাইভি/এইডস আক্রান্ত রোগীদের যত্ন, পরামর্শ এবং পরিষেবা প্রদান করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ব্লু ডায়মন্ড সোসাইটির বর্তমান নির্বাহী পরিচালক মনীষা ধাকাল। সুনীল বাবু পন্ত এই সংস্থার প্রতিষ্ঠা এবং ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনিই সংস্থার পরিচালনা করেছিলেন। সুনীল বাবু পন্ত নেপালের ইতিহাসের প্রথম সমকামী আইন প্রণেতা।

ব্লু ডায়মন্ড সোসাইটির অন্যতম বৃহৎ সাফল্য আসে ২০০৭ সালে যখন সুনীল বাবু পন্ত এবং তার সহযোগী মানবাধিকার কর্মীরা নেপালের সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন, যার ফলে আদালত সরকারকে এলজিবিটি সম্প্রদায়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে স্পষ্টভাবে বৈষম্যমূলক সমস্ত আইন বাতিল করার নির্দেশ দেয়। আদালত সরকারকে সমকামী বিবাহকে আইনত স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য আইন প্রণয়নের নির্দেশও দেয়। ২০১৫ সালে, নেপাল একটি নতুন সংবিধান অনুমোদন করে যা সকল লিঙ্গের জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করে। তবে, আইন থাকা সত্ত্বেও, নেপালের এলজিবিটি সম্প্রদায় এখনও বৈষম্য এবং নির্যাতনের সম্মুখীন হয়। দেশের সরকারী ক্ষেত্রে তাদের প্রতিনিধিত্ব সবচেয়ে কম। []

২০১৮ সালের গননা অনুসারে ব্লু ডায়মন্ড সোসাইটির সাথে প্রায় ৭০০ দেশীয় নেপালী স্বেচ্ছাসেবী যুক্ত আছেন এবং সংস্থার প্রায় চল্লিশটি দপ্তর রয়েছে। [] সংস্থার প্রধান কার্যালয় কাঠমান্ডুর ধুম্বারাহি হাইটে অবস্থিত। []

এলজিবিটি অধিকারের সংগ্রাম

[সম্পাদনা]

২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে, ব্লু ডায়মন্ড সোসাইটি, মিটিনি নেপাল, ক্রুস এইডস নেপাল, এবং পরিচয় নেপাল—যেসব সংস্থা সমকামী, রূপান্তরকামী ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের প্রতিনিধিত্ব করে—তারা নেপালের অন্তর্বর্তী সংবিধানের ১০৭(২) অনুচ্ছেদের অধীনে একটি আবেদন দায়ের করে। তারা এলজিবিটি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব এবং আইনি সুরক্ষার দাবি জানায়, যাতে যৌন পরিচিতি ও লিঙ্গ পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো ধরনের বৈষম্য নিষিদ্ধ করা হয়। নেপালের নাগরিকত্ব কার্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকদের রেশন কার্ড, পাসপোর্ট, আবাসিক কার্ড ইত্যাদি বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করা হয়। তবে, তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে চিহ্নিত মানুষদের সরকারি কর্মকর্তারা এসব পরিষেবা দিতে অস্বীকার করতেন।[]

নেপাল সরকার এই আবেদনটি খারিজ করে দেয় এবং দাবি করে যে এটি শুধুমাত্র অনুমান ও কল্পনার উপর ভিত্তি করে তৈরি এবং এতে যৌন পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্যের কোনো সুনির্দিষ্ট উদাহরণ নেই। সরকার পক্ষ আদালতে আরও দাবি করে যে, অন্তর্বর্তী সংবিধানে পর্যাপ্ত আইনি সুরক্ষা রয়েছে তাই যৌন অভিমুখিতার উপর ভিত্তি করে পৃথক আইন প্রণয়নের প্রয়োজন নেই।

সরকার পক্ষের দাবী অস্বীকার করে আবেদনকারী পক্ষ থেকে সুনীল বাবু পন্ত যুক্তি দেন যে সমাজে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের সমান মর্যাদা দেওয়া হচ্ছেনা। দেশের যেকোন যোগ্য অধিবাসীকে জন্মসনদ, নাগরিকত্ব সনদ, পাসপোর্ট ও ভোটার পরিচয়পত্র প্রদান করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কিন্তু পরিচয়পত্র না থাকায় তৃতীয় লিঙ্গের মানুষরা শিক্ষা ও অন্যান্য সরকারী সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং তাঁরা সমাজে অসহায় ও বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। []

দীর্ঘ সংগ্রামের পর আদালত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে, যৌন অভিমুখিতা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যা কোনো "মানসিক বিকৃতি" বা "আবেগজনিত ও মানসিক ব্যাধি" নয়। আদালত এই ধারণাও প্রত্যাখ্যান করে যে, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষরা যৌন বিকৃত। সরকার সমলিঙ্গ বিবাহ সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে বিবেচনা করতে শুরু করে। আদালত সিদ্ধান্ত দেয় যে, সমলিঙ্গ বিবাহকে অপরাধমূলক না বলে স্বীকৃতি দেওয়া ও সামাজিক কলঙ্কমুক্ত করা উচিত। পাশাপাশি এমন আইন প্রণয়ন করা হয়, যাতে সব লিঙ্গের মানুষ সমান অধিকার পান। এই সিদ্ধান্তের ফলস্বরূপ নতুন নাগরিকত্ব কার্ড চালু হয়, যেখানে তৃতীয় লিঙ্গের জন্য একটি আলাদা বিভাগ রাখা হয়েছে। এই আন্দোলনে ব্লু ডায়মন্ড সোসাইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং সেই থেকেই এটি দেশের অন্যতম প্রধান এলজিবিটিকিউ সংগঠন হিসেবে পরিচিত। []

একটি সংগঠন হিসেবে ব্লু ডায়মন্ড সোসাইটি তাদের কার্যক্ষেত্রে নানা রকম বাধার মুখোমুখি হয়। নেপালের সংবিধানে যৌন সংখ্যালঘুদের স্বীকৃতি না থাকায় সংগঠনটি এনজিও হিসাবে স্বীকৃতি পায়নি যার ফলে প্রথমে এটি যৌন স্বাস্থ্য কার্যক্রম হিসেবে পরিচিত ছিল। পরে ধীরে ধীরে এই প্রতিষ্ঠানটি নিজেকে একটি সম্পূর্ণ এলজিবিটিকিউ সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। বর্তমানে আইনি ও উদারনৈতিক কাঠামো এই সম্প্রদায়কে সমর্থন করে, তবুও নেপালি সমাজে যৌনতা সংক্রান্ত বিষয়গুলিতে এখনো রক্ষণশীল মানসিকতা প্রবলভাবে বিরাজমান।[]

দৃষ্টিভঙ্গি

[সম্পাদনা]

ব্লু ডায়মন্ড সোসাইটির লক্ষ্য হলো এমন একটি সমাজ তৈরি করা যেখানে প্রত্যেক যৌন পরিচয় ও লিঙ্গ সংখ্যালঘুদের সম্মান ও মূল্য দেওয়া হবে, সাধারন মানুষদের মতো এদেরও সমান আইনি অধিকার এবং সামাজিক মর্যাদা দেওয়া হবে, এমন একটি সমাজ যেখানে সমস্ত যৌন ও লিঙ্গ সংখ্যালঘুদের সমান সুযোগ দেওয়া হবে। []

ব্লু ডায়মন্ড সোসাইটির অর্জন

[সম্পাদনা]

ব্লু ডায়মন্ড সোসাইটি স্থানীয় সরকার ও সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে নেপালের নির্বাচন কমিশন এবং জনগণনা ফর্মে পুরুষ ও নারীর সাথে তৃতীয় লিঙ্গের অন্তর্ভুক্তি সুনিশ্চিত করতে সক্ষম হয়। ২০০৭ সালে নেপালের সুপ্রিম কোর্টের রায়ে, একজন তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি বিশ্বনু অধিকারী পূর্ণ নাগরিকত্ব ও পরিচয়পত্র লাভ করেন। এই ঘটনাটি অন্যান্য তৃতীয় লিঙ্গের নাগরিকদের সঠিক লিঙ্গ পরিচয়ের ভিত্তিতে আইনগত স্বীকৃতির দাবি করতে উৎসাহিত করে। স্থানীয় থেকে জাতীয় স্তর পর্যন্ত তাদের প্রতিনিধিদল পাঠানো এবং অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে বিডিএস ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।[] মনীষা ঢাকা ২০০৭ সালে সমানাধিকারের দাবিতে করা মামলায় সক্রিয়ভাবে সওয়াল করেন, এবং এলজিবিটিকিউ অধিকারে অবদানের জন্য ২০১০ সালে নাই রানি লক্ষ্মী পুরস্কারে ভূষিত হন।

বিতর্ক

[সম্পাদনা]

২০১২ সালে ব্লু ডায়মন্ড সোসাইটির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগ ওঠে, যার ফলে সংগঠনটি গুরুতর আর্থিক সমস্যায় পড়ে। সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবী করা হয় যে এটি তাদের বদনাম করার ষড়যন্ত্র এবং তৃতীয় লিঙ্গ ও যৌন সংখ্যালঘুদের অধিকারের আন্দোলন দুর্বল করার ষড়যন্ত্র। তদন্ত চলাকালীন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সুনীল বাবু পন্থ লন্ডনে অভিবাসিত হন। [] জাতীয় সংবাদমাধ্যমে এই সংগঠনকে দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশকারীদের উপর শারীরিক হামলার ঘটনাতেও অভিযুক্ত করা হয়েছে। এমনকি এই কথাও শোনা যায় যে, সংগঠনের পক্ষ থেকে যেসব হিজড়া ব্যক্তি তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে নিজেদের পরিচিতি দিতে চান না, তাদের চুপ থাকার ও এই বিষয়ে মুখ না খোলার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। [][]

সমালোচনা

[সম্পাদনা]

ব্লু ডায়মন্ড সোসাইটি একজন অনিশ্চিত লিঙ্গের ব্যক্তি (এমন মানুষ যার লিঙ্গ সুনিশ্চিতভাবে নির্ধারন করা যায়না) -কে উপহাস করেছে বলে জানা গেছে।।লিঙ্গ-সমকামী বা অনিশ্চিত লিঙ্গের ব্যক্তিদের প্রতি অবমাননাকর মনোভাব পোষণ করার জন্য সংগঠনটি সমালোচিত হয়েছে। ২০১৯ সালে, সংগঠনের পক্ষ থেকে অনলাইনে পোস্ট করা একাধিক স্বীকারোক্তি সংগঠনটির ট্রান্সফোবিয়ার কথা প্রকাশ করে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন][ তথ্যসূত্র প্রয়োজন ] অভিযোগ অনুযায়ী, খ্যাতনামা নেপালি অভিনেতা সন্তোষ পন্তের ট্রান্সজেন্ডার কন্যাকে ব্লু ডায়মন্ড সোসাইটির এক প্রতিনিধি নিজেকে তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পরামর্শ দেন, যা তার আত্মপরিচয়ের বিরুদ্ধ ছিল। [১০]

পুরস্কার

[সম্পাদনা]

২০০৭ সালে, ব্লু ডায়মন্ড সোসাইটি আন্তর্জাতিক সমকামী ও সমকামী মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে ফেলিপা ডি সুজা পুরস্কার জিতেছে। []

গৌরব পদযাত্রা

[সম্পাদনা]

ব্লু ডায়মন্ড সোসাইটি নেপালে গৌরব পদযাত্রা উৎসবের আয়োজন[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] করে। নেপালে বিডিএস কর্তৃক প্রথম বার্ষিক গৌরব পদযাত্রা উৎসব ২০১০ সালে কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হয়। গ্লোবাল ফান্ড এমএসএ প্রোগ্রামের অধীনে এবং ইউএনডিপির সহায়তায় ২০১৬ সালে নেপালে ৬ষ্ঠ আন্তর্জাতিক এলজিবিটিআই গর্ব উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। [১১]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "Understanding LGBT rights in Nepal"ucanews.com (ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০১৯
  2. Cousins, Sophie (১ নভেম্বর ২০১৮)। "Blue Diamond Society: working with Nepal's LGBT community" (ইংরেজি ভাষায়): e৬১৫। ডিওআই:10.1016/S2352-3018(18)30297-2আইএসএসএন 2352-3018পিএমআইডি 30507442 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  3. "Welcome to Blue Diamond Society ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১৬-০২-২৩ তারিখে." Web. 15 February 2016.
  4. 1 2 3 "Sunil Babu Pant and Others/ v. Nepal Government and Others, Supreme Court of Nepal (21 December 2007) | International Commission of Jurists" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০১৯
  5. 1 2 "Blue Diamond Society Nepal"www.bds.org.np। ২৭ মে ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০১৯
  6. Chang, Jenni and Dazols, Lisa. "Nepal's Sunil Pant Keeps His Country at the Forefront of LGBT Rights. Huffington Post. Huffpost Queer Voices. Web. 15 February 2015.
  7. "सुनील बाबु पन्त र नीलहिरा समाजको वास्तविकता"। ২৪ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০১৯
  8. "Blue Diamond Report"। Sagarmatha TV। ২৫ ডিসেম্বর ২০১২। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুন ২০২৫{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  9. "Corruption in Blue Diamond Society : Sunil Panta Accused"। Reporters Club Nepal। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুন ২০২৫{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) Violent video of Blue Diamond Society members attacking and raiding Reporters Club
  10. "मलाई बिहेको हतार छैन: केटलिन पन्त"। Kantipur Daily। ৪ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১৯
  11. "Blue Diamond Society 6th International Pride Festival "Gai Jatra" 2016"www.bds.org.np। ১৯ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০১৯