বিষয়বস্তুতে চলুন

ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন
Brent T. Christensen
২০২৫ সালে ক্রিস্টেনসেন
বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
১৫ জানুয়ারি ২০২৬
নিয়োগদাতাডোনাল্ড ট্রাম্প
পূর্বসূরীপিটার ডি. হাস
ব্যক্তিগত বিবরণ
প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাইস বিশ্ববিদ্যালয় (বিএ)
টেক্সাস এ অ্যান্ড এম বিশ্ববিদ্যালয় (এমএস)
ন্যাশনাল ওয়ার কলেজ (এমএস)
পেশাকূটনীতিক

ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন (ইংরেজি: Brent T. Christensen) হলেন একজন মার্কিন কূটনীতিক যিনি ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ক্রিস্টেনসেন এর আগে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারির দায়িত্বপালনকারী জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন।[][]

শিক্ষা এবং প্রাথমিক কর্মজীবন

[সম্পাদনা]

ক্রিস্টেনসেন রাইস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি এবং ব্যবস্থাপনা অধ্যয়নে স্নাতক (বিএ) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি টেক্সাস এ অ্যান্ড এম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যানে স্নাতকোত্তর (এমএস) ডিগ্রি লাভ করেন। ২০২২ সালে তিনি ন্যাশনাল ওয়ার কলেজ থেকে জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে মাস্টার অব সায়েন্স ডিগ্রি অর্জন করেন।[]

ফরেন সার্ভিসে যোগদানের আগে ক্রিস্টেনসেন হিউস্টন এবং নিউ ইয়র্ক সিটিতে ব্যবস্থাপনা পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করতেন।

কর্মজীবন

[সম্পাদনা]

ক্রিস্টেনসেন ২০০২ সালে মার্কিন ফরেন সার্ভিসে যোগদান করেন। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি রাজনৈতিক-সামরিক বিষয়ক ব্যুরোর আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অস্ত্র স্থানান্তর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২২ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ক্রিস্টেনসেন ইউনাইটেড স্টেটস স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের কমান্ডারের পররাষ্ট্র নীতি উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন।

২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি, রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রিস্টেনসেনকে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারির দায়িত্বপালনকারী জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে মনোনীত করেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত

[সম্পাদনা]

২০২৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর, রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রিস্টেনসেনকে বাংলাদেশে পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত করেন।[] ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর সিনেট বৈদেশিক সম্পর্ক কমিটিতে তার মনোনয়নের উপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর কমিটি তার মনোনয়নের পক্ষে মত দেয়। ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর মার্কিন সিনেটে কণ্ঠ ভোটে ক্রিস্টেনসেন নিশ্চিত হন।[] ২০২৬ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।[]

ব্যক্তিগত জীবন

[সম্পাদনা]

ক্রিস্টেনসেন স্পেনীয়, জার্মান এবং ভিয়েতনামী ভাষায় কথা বলতে পারেন। এছাড়াও তিনি ফরাসি, জাপানি এবং পর্তুগিজ ভাষা অধ্যয়ন করেছেন।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন, কে তিনি"আজকের পত্রিকা। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  2. "ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশে পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত মনোনীত"দ্য ডেইলি স্টার। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  3. "Brent T. Christensen"মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২৬
  4. "Nominations Sent to the Senate"দ্য হোয়াইট হাউস (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২৬
  5. "PN465-2 - Nomination of Brent Christensen for Department of State, 119th Congress (2025-2026)"মার্কিন কংগ্রেস। ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২৬
  6. @usembassydhaka। "U.S. Embassy Dhaka is pleased to welcome Brent Christensen as the newly sworn-in Ambassador to Bangladesh. "I am thrilled to return to Bangladesh, a country I know so well. I am excited to lead a great team at Embassy Dhaka, Americans and locally employed staff alike, to enhance U.S.-Bangladesh relations, advance President Trump's agenda, and work hard every day to make America safer, stronger, and more prosperous." - Ambassador Brent Christensen" (টুইট) টুইটার এর মাধ্যমে।