বিষয়বস্তুতে চলুন

ব্রিল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ব্রিল
মালিক প্রতিষ্ঠানডে গ্রুইটার ব্রিল (De Gruyter Brill)
প্রতিষ্ঠাকাল১৬৮৩; ৩৪৩ বছর আগে (1683)
প্রতিষ্ঠাতাজর্দান লুখটমান্স (Jordaan Luchtmans)
দেশনেদারল্যান্ডস
সদরদপ্তরলেইডেন
পরিবেশনটারপিন ডিস্ট্রিবিউশন (Turpin Distribution)[১]
প্রকাশনাবই, একাডেমিক জার্নাল
অধীনস্থ বাণিজ্যিক নামগ্লোবাল ওরিয়েন্টাল, হোতেই পাবলিশিং, ব্রিল–নিজহফ, ব্রিল হেস অ্যান্ড ডে গ্রাফ, ব্রিল–রোডোপি, ব্রিল–ওয়াখেনিনহেন অ্যাকাডেমিক
ওয়েবসাইটbrill.com

ব্রিল অ্যাকাডেমিক পাবলিশার্স (ওলন্দাজ: Koninklijke Brill NV) হলো একটি ডাচ আন্তর্জাতিক একাডেমিক প্রকাশনা সংস্থা, যা বই, একাডেমিক জার্নাল এবং তথ্যভিত্তিক ডেটাবেস প্রকাশ করে। ১৬৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি নেদারল্যান্ডসের অন্যতম প্রাচীন প্রকাশনা সংস্থা।

ব্রিলের প্রতিষ্ঠা হয় দক্ষিণ হল্যান্ডের লেইডেন শহরে, এবং এখনো এর প্রধান কার্যালয় সেখানেই অবস্থিত। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির বস্টন, পাডারবর্ন, ভিয়েনা, সিঙ্গাপুর ও বেইজিং-এ অফিস রয়েছে। ১৮৯৬ সাল থেকে ব্রিল একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি (ওলন্দাজ: naamloze vennootschap) হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।

ব্রিল মূলত প্রাচ্যবিদ্যা, প্রাচীন সাহিত্যে অধ্যয়ন, ধর্মতত্ত্ব, ইহুদি অধ্যয়ন, ইসলামী অধ্যয়ন, এশীয় অধ্যয়ন, আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবাধিকার বিষয়ে তার প্রকাশনার জন্য পরিচিত। প্রতিষ্ঠানটি ছাপার বই, একাডেমিক জার্নাল, অনলাইনে প্রাথমিক উৎসভিত্তিক উপকরণ এবং মাইক্রোফর্মে প্রকাশনা সরবরাহ করে।

সাম্প্রতিক কয়েক দশকে[কখন?] ব্রিল ডিজিটাল প্রকাশনার দিকেও অগ্রসর হয়েছে। এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ইবুক এবং অনলাইন ডেটাবেস ও বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে গঠিত বিশেষ সংগ্রহ।

প্রায় ১৮৫৬ সালের একটি লিথোগ্রাফি চিত্রে লুখটমান্স (Luchtmans) পরিবার।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

লুখটমান্সের দ্বারা প্রতিষ্ঠা (১৬৮৩–১৮৪৮)

[সম্পাদনা]
ব্রিলের প্রধান কার্যালয়, লেইডেন

১৬৮৩ সালের ১৭ মে, লেইডেন শহরের বই বিক্রেতাদের গিল্ড-এ জর্দান লুখটমান্স (Jordaan Luchtmans) (১৬৮৩–১৭০৮) কে একজন বই বিক্রেতা হিসেবে নিবন্ধিত করা হয়। তিনি বই বিক্রির পাশাপাশি বাইবেলীয় অধ্যয়ন, ধর্মতত্ত্ব, এশীয় ভাষা এবং জাতিতত্ত্ব বিষয়ক প্রকাশনায় যুক্ত ছিলেন। তিনি লেইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন, যা তখন এই ক্ষেত্রগুলিতে গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। এই ব্যবসা ১৮৪৮ সাল পর্যন্ত লুখটমান্স পরিবারের মালিকানায় ছিল। এরপর পরিবারের শেষ উত্তরাধিকারী একাডেমিক প্রকাশনার পরিবর্তে একাডেমিক জীবন বেছে নেন।[২]

লুখটমান্স থেকে ব্রিল (১৮৪৮–১৮৯৬)

[সম্পাদনা]

১৮৪৮ সালে, ব্যবসাটি লুখটমান্স পরিবার থেকে প্রাক্তন কর্মী ইভার্ট ইয়ান ব্রিল (Evert Jan Brill) এর হাতে চলে যায়। ব্রিলের বাবা জোহানেস দীর্ঘদিন ধরে কোম্পানির তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন, যখন প্রতিষ্ঠাতার শেষ উত্তরসূরি মারা যান।[৩] ব্রিল তার ওপর অর্পিত আর্থিক দায়িত্ব পূরণের জন্য ১৮৪৮ থেকে ১৮৫০ সালের মধ্যে কয়েকটি নিলামের মাধ্যমে লুখটমান্সের সম্পূর্ণ বইয়ের সংগ্রহ বিক্রি করে দেন।[৪] তিনি কোম্পানির প্রচলিত প্রধান বিষয়বস্তুর উপর প্রকাশনা চালিয়ে যান, মাঝে মাঝে অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রবেশ করেন। উদাহরণস্বরূপ, ১৮৮২ সালে প্রতিষ্ঠানটি দু’খণ্ডের Leerboek der Stoomwerktuigkunde ("স্টিম ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ক পাঠ্যপুস্তক") প্রকাশ করে।[৫] তবে ১৮৫৫ সালে প্রকাশিত Het Gebed des Heeren in veertien talen ("চৌদ্দটি ভাষায় প্রভুর প্রার্থনা") ছিল ব্রিলের অ-ল্যাটিন বর্ণমালায় (যেমন হিব্রু, আরামাইক, সামারিয়ান, সংস্কৃত, কপটিক, সিরিয়াক ও আরবি) ছাপার সক্ষমতা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে একটি প্রচারমূলক কাজ।[৬]

পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৮৯৬–১৯৪৫)

[সম্পাদনা]

১৮৯৬ সালে, ব্রিল একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি (public limited company) হিসেবে গঠিত হয়, যখন ইভার্ট ইয়ান ব্রিলের উত্তরসূরি এ. পি. এম. ফন অর্ড্ট ও ফ্রান্স দে স্টোপেলার, যাঁরা উভয়েই কিছুটা একাডেমিক পটভূমিসম্পন্ন ব্যবসায়ী ছিলেন, মৃত্যুবরণ করেন। এরপর একাধিক পরিচালক আসেন, যার মধ্যে ১৯৩৪ সালে থেউনিস ফোলকার্স দায়িত্ব গ্রহণ করেন।[৭] সে সময় কোম্পানির বার্ষিক আয় ছিল ১,৩২,০০০ গিল্ডার।[৮] ফোলকার্সের পরিচালনায় কোম্পানির ইতিহাসে এক নজিরবিহীন বিকাশ ঘটে, যার পেছনে ছিল জার্মান দখলদার বাহিনীর সঙ্গে তার সহযোগিতা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে ব্রিল জার্মানদের জন্য বিদেশি ভাষার পাঠ্যপুস্তক ও সামরিক নির্দেশিকা মুদ্রণ করে, যার মধ্যে ছিল "রুশ সেনাবাহিনীর প্রতীক চেনার জন্য জার্মান অফিসারদের প্রশিক্ষণ পুস্তিকা"।[৭] ১৯৪৩ সাল নাগাদ কোম্পানির বার্ষিক আয় বেড়ে দাঁড়ায় ৫,৭৯,০০০ গিল্ডার।[৮]

যুদ্ধ-পরবর্তী ব্রিল (১৯৪৫–বর্তমান)

[সম্পাদনা]
ইভার্ট ইয়ান ব্রিল, Collection Deutsches Buch- und Schriftmuseum

যুদ্ধশেষে ডাচ ডিনাজিফিকেশন কমিটি ব্রিলের অ্যাকাউন্টে "শত্রুপক্ষীয় অর্থ" থাকার প্রমাণ পায়। ১৯৪৬ সালের সেপ্টেম্বরে ফোলকার্সকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাকে ব্যবস্থাপনা পদ থেকে অপসারণ করা হয়।[৯] তবে কোম্পানিটি তুলনামূলকভাবে বড় ক্ষতি এড়িয়ে যায়; আলোচনার পর জরিমানা নির্ধারিত হয় ৫৭,০০০ গিল্ডার।[১০]

পরবর্তী বছরগুলোতে ব্রিলের পথচলা ছিল উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে, তবে একাডেমিক প্রকাশনার প্রতিশ্রুতি অটুট ছিল। ১৯৮০-এর দশকের শেষভাগে অতিরিক্ত সম্প্রসারণ, দুর্বল ব্যবস্থাপনা এবং প্রকাশনা খাতের পরিবর্তনের কারণে তীব্র সংকট দেখা দেয়। ১৯৮৮ থেকে ১৯৯১ সালের মধ্যে নতুন ব্যবস্থাপনায় একটি বড় সংস্কার করা হয়, যার অংশ হিসেবে বিদেশি কিছু অফিস যেমন কোলোন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর আগেই লন্ডনের শাখা বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া ব্রিল তাদের নিজস্ব ছাপাখানাও বিক্রি করে দেয়, যেটি ছিল "নিজের একটি অঙ্গ কেটে ফেলার" মতো কঠিন সিদ্ধান্ত।[১১] যদিও তা কষ্টদায়ক ছিল, তবুও কোম্পানিকে রক্ষার জন্য এটি জরুরি ছিল। এই প্রক্রিয়ায় কোনো কর্মী ছাঁটাই হয়নি। পুনর্গঠনের ফলে প্রতিষ্ঠানটি পুনরুজ্জীবিত হয় এবং ধীরে ধীরে সম্প্রসারণ ঘটে। ২০০৮ সাল নাগাদ ব্রিল বছরে প্রায় ৬০০টি বই ও ১০০টি জার্নাল প্রকাশ করত এবং এর বার্ষিক আয় ছিল ২.৬ মিলিয়ন ইউরো।[১২]

২০২৩ সালের অক্টোবরে ঘোষণা করা হয় যে, জার্মান প্রকাশনা সংস্থা ডে গ্রুইটার (De Gruyter) ব্রিলকে ৫১.১ মিলিয়ন ইউরোতে অধিগ্রহণ করবে এবং ২০২৪ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে নতুন কোম্পানি ডে গ্রুইটার ব্রিল (De Gruyter Brill) গঠিত হবে।[১৩]

প্রকাশনার ক্ষেত্র

[সম্পাদনা]

ব্রিল নিম্নলিখিত বিষয়বস্তুতে প্রকাশনা করে থাকে:

  • মানবিক ও সাহিত্যানুষঙ্গিক শাখা
  • আফ্রিকান অধ্যয়ন (African Studies)
  • আমেরিকান অধ্যয়ন (American Studies)
  • প্রাচীন নিকটপ্রাচ্য ও মিশরীয় অধ্যয়ন (Ancient Near East and Egypt Studies)
  • প্রত্নতত্ত্ব, শিল্প ও স্থাপত্য (Archaeology, Art & Architecture)
  • এশীয় অধ্যয়ন (Asian Studies) – হোতেই পাবলিশিং (Hotei Publishing) ও গ্লোবাল ওরিয়েন্টাল (Global Oriental) ইনপ্রিন্টের অধীনে
  • শাস্ত্রীয় অধ্যয়ন (Classical Studies)
  • শিক্ষা (Education)
  • ইহুদি অধ্যয়ন (Jewish Studies)
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি অধ্যয়ন – ব্রিল–রোডোপি ইনপ্রিন্টের অধীনে
  • গণমাধ্যম অধ্যয়ন (Media Studies)
  • মধ্যপ্রাচ্য ও ইসলামী অধ্যয়ন (Middle East and Islamic Studies)
  • দর্শন (Philosophy)
  • ধর্মতত্ত্ব (Religious Studies)
  • স্লাভিক ও ইউরেশীয় অধ্যয়ন (Slavic and Eurasian Studies)
  • আইন
(ব্রিল–নিজহফ ইনপ্রিন্টের অধীনে)
  • মানবাধিকার ও মানবিক আইন (Human Rights and Humanitarian Law)
  • আন্তর্জাতিক আইন (International Law)
  • আন্তর্জাতিক সম্পর্ক (International Relations)
  • বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান (Biology)
  • সামাজিক বিজ্ঞান
  • নৃতত্ত্ব (Anthropology)
  • মানচিত্রবিদ্যা (Cartography)
  • ইতিহাস (History)
  • ভাষা ও ভাষাতত্ত্ব (Language and Linguistics)
  • রাষ্ট্রবিজ্ঞান (Political Science)
  • সমাজবিজ্ঞান (Sociology)
  • গির্জাবিদ্যা (Ecclesiology)
  • বাইবেলীয় অধ্যয়ন ও প্রারম্ভিক খ্রিষ্টধর্ম (Biblical Studies and Early Christianity)
  • ধর্মতত্ত্ব ও বিশ্ব খ্রিষ্টধর্ম (Theology and World Christianity)

ইমপ্রিন্টসমূহ

[সম্পাদনা]

ব্রিল–নিজহফ (Brill–Nijhoff)

[সম্পাদনা]

মার্টিনাস নিজহফ পাবলিশার্স (Martinus Nijhoff Publishers) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৫৩ সালে মার্টিনাস নিজহফের (Martinus Nijhoff) দ্বারা, যিনি ছিলেন একই নামে পরিচিত ডাচ কবির দাদা এবং একজন দুর্লভ বই বিক্রেতা।[১৪]

১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে, নিজহফ আন্তর্জাতিক আইনে বিশেষায়িত একটি স্বতন্ত্র প্রকাশনা সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭০ সালে ওল্টার্স ক্লুয়্যার (Wolters Kluwer) দ্বারা অধিগৃহীত হয়।[১৫][১৬]

২০০৩ সালে ব্রিল নিজহফকে অধিগ্রহণ করে।[১৭] ২০১৩ সালে এর নাম পরিবর্তন করে ব্রিল–নিজহফ রাখা হয়,[১৭] এবং এটি বর্তমানে ব্রিলের একটি ইমপ্রিন্ট। নিজহফের প্রকাশনা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার, মানবিক আইন এবং ক্রমবর্ধমানভাবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে কেন্দ্রীভূত। প্রতিবছর নিজহফের প্রকাশনায় থাকে ২০টিরও বেশি একাডেমিক জার্নাল, ২০টি বার্ষিক গ্রন্থ, এবং প্রায় ১২০টি নতুন বই। এছাড়া এর সংগ্রহে রয়েছে ২,০০০টির বেশি শিরোনাম।

রোডোপি (Rodopi)

[সম্পাদনা]

রোডোপি (Rodopi), ১৯৬৬ সালে আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস-এ প্রতিষ্ঠিত একটি একাডেমিক প্রকাশনা সংস্থা, যার অফিস ছিল নেদারল্যান্ডস ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। এর নামকরণ করা হয় রোডোপি পর্বতমালার (Rhodope Mountains) নামানুসারে, যা বুলগেরিয়া ও উত্তর গ্রীসের সীমানা গঠন করে।

রোডোপি প্রতি বছর প্রায় ১৫০টি শিরোনাম প্রকাশ করে, প্রায় ৭০টি সহকর্মী মূল্যায়িত (peer-reviewed) বই সিরিজ ও জার্নালে। এর প্রকাশনা ছাপা ও ইলেকট্রনিক উভয় মাধ্যমেই পাওয়া যায়। যদিও এর প্রধান প্রকাশনাভাষা ইংরেজি, তবুও এর বহুভাষিক তালিকায় রয়েছে জার্মান, ফরাসি ও স্প্যানিশ ভাষা।

২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি ব্রিল রোডোপিকে অধিগ্রহণ করে এবং সে সময় প্রায় ৩,০০০টি বইয়ের শিরোনাম যুক্ত হয়।[১৮]

ওয়াখেনিনহেন অ্যাকাডেমিক (Wageningen Academic)

[সম্পাদনা]

২০২২ সালের এপ্রিল মাসে ব্রিল ওয়াখেনিনহেন অ্যাকাডেমিক পাবলিশার্স (Wageningen Academic Publishers)-এর সম্পূর্ণ মালিকানা অর্জন করে।[১৯]

মুক্ত প্রবেশাধিকার (Open access)

[সম্পাদনা]

ব্রিল একাধিক মুক্ত প্রবেশাধিকার (open access) জার্নাল প্রকাশ করে থাকে,[২০] এবং এটি এমন ১৩টি প্রকাশকের একটি, যারা নলেজ আনল্যাচড (Knowledge Unlatched) পাইলট প্রকল্পে অংশ নিয়েছিল। এই প্রকল্পটি হলো একটি বৈশ্বিক গ্রন্থাগার কনসোর্টিয়াম যা ওপেন অ্যাক্সেস বই অর্থায়নের একটি যৌথ পন্থা।[২১]

২০১৩ সালে, ব্রিল এবং আন্তর্জাতিক গ্রন্থাগার সমিতি ও প্রতিষ্ঠান ফেডারেশন (International Federation of Library Associations and Institutions - IFLA) যৌথভাবে "আইএফএলএ/ব্রিল ওপেন অ্যাক্সেস অ্যাওয়ার্ড" (IFLA/Brill Open Access Award) চালু করে, যা মুক্ত প্রবেশাধিকার গ্রন্থ প্রকাশনায় উদ্যোগকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য প্রবর্তিত হয়।[২২]

ব্রিল ওপেন অ্যাক্সেস স্কলারলি পাবলিশার্স অ্যাসোসিয়েশন (Open Access Scholarly Publishers Association)-এর সদস্য।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

ব্রিল টাইপফেস

[সম্পাদনা]

ব্রিল একটি বাণিজ্যিক ফন্ট (font) তৈরি করেছে, যা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। এই ফন্ট ল্যাটিন, গ্রিক ও সিরিলিক বর্ণমালার বেশিরভাগ অক্ষর সমর্থন করে, যার মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক ধ্বনিমূলক বর্ণমালা (IPA) এবং ঐতিহাসিক রূপসমূহও। এতে বেশিরভাগ পূর্বনির্ধারিত কম্পিউটার ফন্টের তুলনায় ডায়াক্রিটিক চিহ্ন (diacritic) আরও ভালোভাবে প্রদর্শিত হয়, যদিও পুরোপুরি IPA কভারেজ দেয় না।[২৩]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑ Ordering from Brill
  2. ↑ van der Veen 2008, পৃ. 12–13।
  3. ↑ van der Veen 2008, পৃ. 9–10।
  4. ↑ van der Veen 2008, পৃ. 45।
  5. ↑ van der Veen 2008, পৃ. 66–67।
  6. ↑ van der Veen 2008, পৃ. 51।
  7. 1 2 van der Veen 2008, পৃ. 108।
  8. 1 2 van der Veen 2008, পৃ. 103 and 109।
  9. ↑ van der Veen 2008, পৃ. 111।
  10. ↑ van der Veen 2008, পৃ. 115।
  11. ↑ van der Veen 2008, পৃ. 144।
  12. ↑ van der Veen 2008, পৃ. 153।
  13. ↑ Page, Benedict (১২ অক্টোবর ২০২৩)। "De Gruyter acquires Brill for €51.5m"। The Bookseller। সংগ্রহের তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০২৪।
  14. ↑ "Nijhoff (Martinus)"। Nieuw Nederlandsch Biografisch Woordenboek। খণ্ড ২। পৃ. ১০১০–১০১১। ৯ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  15. ↑ Andriesse, Cornelis (৩০ নভেম্বর ২০০৮)। Dutch Messengers: A History of Science Publishing, 1930-1980। Library of the Written Word (ইংরেজি ভাষায়)। Brill। পৃ. ২৩০। আইএসবিএন ৯৭৮-৯০-৪৭৪-২৪১৫-৪।
  16. ↑ Annebeth Rosenboom (১৯৯৭)। "Martinus Nijhoff Publishers as Disseminator of UN Information"। Peter I. Hajnal (সম্পাদক)। International Information: Documents, Publications, and Electronic Information of International Governmental Organizations। Libraries Unlimited। পৃ. ৩৩৫–৩৩৭। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫৬৩০৮-১৪৭-৭।
  17. 1 2 Brill Publishers (নভেম্বর ২০১৩)। "Change of Martinus Nijhoff Imprint"। ১০ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  18. ↑ "Brill rondt overname Editions Rodopi af"। De Telegraaf (Dutch ভাষায়)। ১২ জুন ২০১৪। ৩ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  19. ↑ S&P Capital IQ (১৮ এপ্রিল ২০২২)। "Koninklijke Brill NV acquired Wageningen Academic Publishers B.V. from Enrico Kunst and Mike Jacobs"। MarketScreener। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০২৩।
  20. ↑ "Open Access with Brill"। brill.com।
  21. ↑ "KU Select For Publishers"। knowledgeunlatched.org। ২০ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০২৫।
  22. ↑ "Brill and IFLA announce new OA prize"। Research Information। Cambridge, UK: Europa Science Ltd.। ১৫ জানুয়ারি ২০১৩। আইএসএসএন 1744-8026।
  23. ↑ Brill Typeface