ব্রিজিত বার্দো
ব্রিজিট বার্দো | |
|---|---|
১৯৬২ সালে | |
| জন্ম | ব্রিজিট আন-মারি বার্দো ২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৩৪ |
| মৃত্যু | ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ (বয়স ৯১) |
| পেশা |
|
| কর্মজীবন | ১৯৫২-১৯৭৩ (বিনোদন) ১৯৭৩–বর্তমান (সক্রিয়কর্মী) |
| রাজনৈতিক দল | ন্যাশনাল রেলি |
| দাম্পত্য সঙ্গী |
|
| সন্তান | ১ |
| আত্মীয় | মিজানু বার্দো (বোন) |
| স্বাক্ষর | |
ব্রিজিট আন-মারি বার্দো (/brɪˌʒiːt
প্যারিসে জন্মগ্রহণ ও বেড়ে ওঠা বার্দো তার শৈশবকালে একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্যালেরিনা ছিলেন। তিনি ১৯৫২ সালে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন এবং ১৯৫৭ সালে এ দিও... ক্রেয়া লা ফাম (১৯৫৬) চলচ্চিত্রে তার ভূমিকার জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেন, অনেক ফরাসি বুদ্ধিজীবীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং তাকে "সেক্স কিটেন" ডাকনাম অর্জন করেন।[৬] তিনি দার্শনিক সিমন দ্য বোভোয়ারের ১৯৫৯ সালের প্রবন্ধ দ্য লোলিটা সিনড্রোমের বিষয়বস্তু ছিলেন, যা তাকে "নারী ইতিহাসের লোকোমোটিভ" হিসাবে বর্ণনা করেছিল এবং তাকে ফ্রান্সের সবচেয়ে স্বাধীন নারী ঘোষণা করার জন্য অস্তিত্ববাদী বিষয়বস্তুর উপর নির্মিত হয়েছিল। দ্য ট্রুথ (১৯৬০) ছবিতে কাজের জন্য তিনি ১৯৬১ সালে দাভিদ দি দোনাতেল্লা সেরা বিদেশী অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছিলেন। বার্ডো পরে জঁ-লুক গদারের চলচ্চিত্র লে মেপ্রিস (১৯৬৩) এ অভিনয় করেন। লুই মালের চলচ্চিত্র ভিভা মারিয়ায় (১৯৬৫) এ তার ভূমিকার জন্য তিনি সেরা বিদেশী অভিনেত্রীর জন্য বাফটা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন। ফরাসি প্রেসিডেন্ট শার্ল দ্য গোল বার্দোকে "রেনোঁ গাড়ির মতো গুরুত্বপূর্ণ ফরাসি রপ্তানি বস্তু" বলে অভিহিত করেছেন। [৭]
১৯৭৩ সালে অভিনয় থেকে অবসর নেওয়ার পর, বার্ডো একজন প্রাণী অধিকার কর্মী হয়ে ওঠেন এবং ব্রিজিট বারডট ফাউন্ডেশন তৈরি করেন। তিনি তার দৃঢ় ব্যক্তিত্ব, স্পষ্টভাষী, এবং পশু প্রতিরক্ষা বিষয়ে বক্তৃতা জন্য পরিচিত; জনসাধারণদের অপমান করার জন্য তাকে দুবার জরিমানা করা হয়েছে। তিনি একটি বিতর্কিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও ছিলেন, ২০২১ সালের নভেম্বর পর্যন্ত তিনি ফ্রান্সে অভিবাসন এবং ইসলামের সমালোচনা করার সময় জাতিগত ঘৃণা উসকে দেওয়ার জন্য ছয় বার [৮] জরিমানা করা হয়েছিল এবং রেউনিওঁ বাসিন্দাদের "বর্বর" বলে অভিহিত করেছিলেন। [৯] তিনি বার্নার্ড ডি'ওরমেলের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন, যিনি একজন অতি-ডানপন্থী ফরাসি রাজনীতিবিদ জিন-মারি লে পেনের প্রাক্তন উপদেষ্টা। বার্ডো জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির গ্লোবাল ৫০০ রোল অফ অনারের সদস্য এবং ইউনেস্কো এবং পেটা থেকে বেশ কয়েকটি পুরস্কার এবং প্রশংসা পেয়েছে। ২০১১ সালে, লস এঞ্জেলেস টাইমস ম্যাগাজিন "চলচ্চিত্রে ৫০ জন সবচেয়ে সুন্দরী নারী"-তে তাকে দ্বিতীয় স্থান দিয়েছিল।
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]
ব্রিজিত আন-মারি বার্দো ১৯৩৪ সালের ২৮শে সেপ্টেম্বর প্যারিসের ১৫তম আরঁদিস্মঁ-এ জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা লুই বার্দো এবং মাতা আন-মারি ম্যুসেল।[১০] বার্দোর পিতার জন্মস্থান লিইনি-অঁ-বারোয়া, তিনি একজন প্রকৌশলী ও প্যারিসের কয়েকটি শিল্প-কারখানার মালিক ছিলেন।[১১][১২] তার মাতা একজন বীমা কোম্পানির পরিচালকের কন্যা ছিলেন।[১৩] বার্দো তার পিতার মত রক্ষণশীল ক্যাথলিক পরিবারে বেড়ে ওঠেন।[১৪][১৫] শৈশবে তিনি অ্যামব্লাইয়োপিয়ায় আক্রান্ত হন, যার ফলে তার বাম চোখের দৃষ্টি কমে যায়।[১৬] তার ছোট বোন মিজানু বার্দো একজন লেখিকা ও অভিনেত্রী।[১৭]
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]বার্দো ১৯৫২ সালে এল পত্রিকার প্রচ্ছদে তার ছবি প্রকাশিত হয়, যার ফলে তিনি সে বছর জঁ বোয়ে পরিচালিত হাস্যরসাত্মক ল্য ত্রু নর্মাঁ চলচ্চিত্রে একটি ছোট চরিত্রে কাজের প্রস্তাব পান। তার অভিনয় জীবন শুরু করেন।[১৮] এই চলচ্চিত্রের মূল চরিত্রে অভিনয়শিল্পী বুরভিলের বোনের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি ২০০,০০০ ফ্রাঁ পারিশ্রমিক পান।[১৯] বার্দোর দ্বিতীয় চলচ্চিত্র হল উইলি রোজিয়ে পরিচালিত মানিনা, লা ফিই সঁ ভোয়াল (১৯৫২)।[২০] এরপর তিনি ১৯৫৩ সালে লে দঁ লঙে ও ল্য পোর্ত্রে দ্য সোঁ পের চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। একই বছর তিনি হলিউডের অর্থায়নে প্যারিসে ধারণকৃত অ্যাক্ট অব লাভ চলচ্চিত্রে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয় করেন। এই চলচ্চিত্রের জন্য ১৯৫৩ সালের এপ্রিলে কান চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ করলে তিনি গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।[২১]
তিনি অতিনাটকীয় এ দিও... ক্রেয়া লা ফাম (১৯৫৬) চলচ্চিত্রে জঁ-লুই ত্রাতিইঁয় ও কার্ট ইয়ুর্গেনের বিপরীতে অভিনয় করেন। এটি রজার ভাদিমের পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র। এটি ১৯৫৭ সালে গ্রেট ব্রিটেনের শীর্ষ ১০ জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের একটি ছিল।[২২] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলচ্চিত্রটি ৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী বিদেশি চলচ্চিত্র ছিল। লেখক পিটার লেভ এর বর্ণনায় লিখেন "সে সময়ে একটি বিদেশি চলচ্চিত্রের জন্য পরিমাণটি বিস্ময়কর।"[২৩] চলচ্চিত্রটি বার্দোকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এনে দেয় এবং তিনি অনেক ফরাসি সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।[২১] ১৯৫৬ সালের পর থেকে তাকে "সেক্স কিটেন" নামে অভিহিত করা হত।[২৪][২৫][২৬][২৭]

বার্দোর পরবর্তী চলচ্চিত্র ছিল অঁরি-অর্জ ক্লুজো পরিচালিত আদালত-ভিত্তিক নাট্যধর্মী লা ভেরিতে (১৯৬০)। এটি ব্যাপক প্রচারণাপ্রাপ্ত নির্মাণ ছিল। এটি ফ্রান্সে বার্দোর সবচেয়ে ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র এবং সে বছরের তৃতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র।[২৮] এই চলচ্চিত্রে কাজের জন্য তিনি ১৯৬১ সালে শ্রেষ্ঠ বিদেশি অভিনেত্রী বিভাগে দাভিদ দি দোনাতেল্লা অর্জন করেন।[২৯] বার্দো এরপর জঁ-লুক গদারের চলচ্চিত্র লে মেপ্রিস (১৯৬৩) এ অভিনয় করেন। লুই মালের চলচ্চিত্র ভিভা মারিয়ায় (১৯৬৫) এ তার ভূমিকার জন্য তিনি সেরা বিদেশী অভিনেত্রীর জন্য বাফটা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন।[৩০]
মৃত্যু ও শ্রদ্ধাঞ্জলি
[সম্পাদনা]বার্দো ২০২৫ সালের ২৮শে ডিসেম্বর ৯১ বছর বয়সে সাঁ-ত্রপেতে তার নিজ বাড়ি লা মাদ্রাগে মৃত্যুবরণ করেন।[৩১]
ফরাসি রাষ্ট্রপতি এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার মৃত্যুতে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে বার্দোকে "শতাব্দীর কিংবদন্তি" বলে বর্ণনা করেন।[৩২] ফ্রান্সের প্রাচীনতম প্রাণি-সংরক্ষণ সংস্থা সোসিয়েতে প্রোতেকত্রিস দে আনিমো বার্দোর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাকে "প্রাণি অধিকারে আইকনিক ও আবেগপ্রবণ ব্যক্তিত্ব" বলে বর্ণনা করে।[৩৩][৩৪]
বইয়ের তালিকা
[সম্পাদনা]বার্দো কয়েকটি বই লিখেছেন, সেগুলো হল:
- নুনোয়া: ল্য পেতি পোক ব্লঁক (Noonoah: Le petit phoque blanc; গ্রাসে, ১৯৭৮)[৩৫]
- ইনিশিয়ালস বি.বি. (Initiales B.B.; আত্মজীবনী, গ্রাসে অ্যান্ড ফাস্কেল, ১৯৯৬)[৩৬]
- ল্য কারে দ্য প্ল্যুতোঁ (Le Carré de Pluton, গ্রাসে অ্যান্ড ফাস্কেল, ১৯৯৯)[৩৭]
- অঁ ক্রি দঁ ল্য সিলঁস (Un Cri dans le silence, এদিশিওঁ দ্যু রোশে, ২০০৩)[৩৮]
- পুরকোয়া (Pourquoi?, এদিশিওঁ দ্যু রোশে, ২০০৬)[৩৯]
- ব্রিজিত বার্দো: মাই লাইফ ইন ফ্যাশন (Brigitte Bardot: My Life in Fashion, অঁরি-জঁ স্যরভা'র সাথে যৌথভাবে, ২০১৯)
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ নাটাল, রিচার্ড (২৮ ডিসেম্বর ২০২৫)। "Brigitte Bardot, Star of 'And God Created Women' and 'Contempt,' Dies at 91"। ভ্যারাইটি (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "And Bardot Became BB"। Institut français du Royaume-Uni। ৮ আগস্ট ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ Probst 2012, পৃ. 7।
- ↑ Cherry 2016; Vincendeau 1992.
- ↑ Wypijewski, Joann (৩০ মার্চ ২০১১)। "Elizabeth Taylor: What Becomes a Legend Most"।
- ↑ হ্যান্ডলি, জন (১৬ মার্চ ১৯৮৬)। "St. Tropez: What Hath Brigitte Bardot Wrought?"। শিকাগো ট্রিবিউন।
- ↑ Poirier, Agnès (২১ সেপ্টেম্বর ২০০৯)। "Happy birthday, Brigitte Bardot"। দ্য গার্ডিয়ান (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0261-3077। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০২৩।
- ↑ "Brigitte Bardot is Handed Her Sixth Fine for "Inciting Racial Hatred""। ভ্যানিটি ফেয়ার। ৫ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "Brigitte Bardot at 80: still outrageous, outspoken and controversial"। দ্য গার্ডিয়ান। ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
- ↑ বার্দো ১৯৯৬, পৃ. ১৫।
- ↑ "Brigitte Bardot: 'J'en ai les larmes aux yeux'"। Le Républicain Lorrain (ফরাসি ভাষায়)। ২৩ মে ২০১০। ২ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Singer 2006, পৃ. 6।
- ↑ বিগো ২০১৪, পৃ. ১২।
- ↑ বিগো ২০১৪, পৃ. ১১।
- ↑ পোয়ারিয়ে, আইনেস (২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Brigitte Bardot at 80: still outrageous, outspoken and controversial"। দি অবজারভার। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ ল্যলিয়েভ্র ২০১২, পৃ. ১৮।
- ↑ বার্দো ১৯৯৬, পৃ. ৪৫।
- ↑ বার্দো ১৯৯৬, পৃ. ৮১।
- ↑ এডভিনসন, রডনি। "Historical Currency Converter"। হিস্টরিক্যাল স্ট্যাটিস্টিকস। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ বার্দো ১৯৯৬, পৃ. ৮৪।
- 1 2 রবিনসন, জেফ্রি (১৯৯৪)। Bardot — Two Lives (ফার্স্ট ব্রিটিশ সংস্করণ)। লন্ডন: সিমন অ্যান্ড শুস্টার। ASIN: B000KK1LBM।
- ↑ Most Popular Film of the Year. The Times (London, England), Thursday, 12 December 1957; pg. 3; Issue 54022.
- ↑ Lev, Peter (১৯৯৩)। The Euro-American Cinema। ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস প্রেস। পৃ. ১৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০-২৯২-৭৬৩৭৮-৪।
- ↑ "Mam'selle Kitten New box-office beauty"। অস্ট্রেলিয়ান উইমেন্স উইকলি। ৫ ডিসেম্বর ১৯৫৬। পৃ. ৩২। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ – Trove এর মাধ্যমে।
- ↑ "Brigitte Bardot: her life and times so far – in pictures"। দ্য গার্ডিয়ান। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Brigitte Bardot: Rare and Classic Photos of the Original 'Sex Kitten'"। টাইম। এপ্রিল ২০১৩। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ The earliest use cited in the OED Online is in the Daily Sketch, 2 June 1958.
- ↑ "Box office figures in France for 1956"। বক্স অফিস স্টোরি (ফরাসি ভাষায়)।
- ↑ রবার্টস, পল জি (২০১৫)। "Brigitte Bardot"। Style icons Vol 3 − Bombshells। সিডনি: ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি ব্রডকাস্ট। পৃ. ৫৬। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৬২৭৭-৬১৮৯-৫।
- ↑ বালিও, টিনো (১৯৮৭)। "United Artists: The Company That Changed the Film Industry"। ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন প্রেস। পৃ. ২৮১।
- ↑ "চলে গেলেন সাড়া জাগানো ফরাসি অভিনেত্রী ব্রিজিত বার্দো"। দ্য ডেইলি স্টার। ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "EN DIRECT - Mort de Brigitte Bardot : Emmanuel Macron rend hommage à «une légende du siècle»"। europe1.fr (ফরাসি ভাষায়)। ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "BBC News Live: Brigitte Bardot coverage"। বিবিসি নিউজ। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ গেটস, আনিতা। "Brigitte Bardot, French Movie Icon Who Renounced Stardom, Dies at 91"। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Bardot, Brigitte (১৯৭৮)। Noonoah le petit phoque blanc। Grasset Jeunesse। আইএসবিএন ২২৪৬০০৫৭৪৪।
- ↑ Bardot, Brigitte (১৯৯৬)। Initiales B.B.। Grasset। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Bardot, Brigitte (১৯৯৯)। Le Carre de Pluton। Grasset & Fasquelle। আইএসবিএন ২২৪৬৫৯৫০১০।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: তারিখ এবং বছর (লিঙ্ক) - ↑ Bardot, Brigitte (২০০৩)। Un cri dans le silence। Éditions du Rocher। আইএসবিএন ২২৬৮০৪৭২৫৩।
- ↑ Bardot, Brigitte (২০০৬)। Pourquoi?। Éditions du Rocher। আইএসবিএন ৯৭৮২২৬৮০৫৯১৪৩।
আরও পড়ুন
[সম্পাদনা]- Brigitte Tast, Hans-Jürgen Tast (Hrsg.) Brigitte Bardot. Filme 1953–1961. Anfänge des Mythos B.B. (Hildesheim 1982) আইএসবিএন ৩-৮৮৮৪২-১০৯-৮.
- স্যরভা, অঁরি-জঁ (২০১৬)। Brigitte Bardot – My Life in Fashion (শক্তমলাট)। প্যারিস: ফ্ল্যামেশন এস.এ.। আইএসবিএন ৯৭৮-২--০৮-০২০২৬৯৭।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- Official website (ইংরেজি ভাষায়)
- Fondation Brigitte Bardot (ফরাসি ভাষায়)
- আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউট ক্যাটালগে ব্রিজিত বার্দো
- ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে ব্রিজিত বার্দো (ইংরেজি)
- টার্নার ক্লাসিক মুভিজ ডেটাবেজে ব্রিজিত বার্দো (ইংরেজি)
- ব্রিজিট বার্ডো
- ১৯৩৪-এ জন্ম
- ২০২৫-এ মৃত্যু
- ২১শ শতাব্দীর ফরাসি গায়িকা
- ২০শ শতাব্দীর ফরাসি অভিনেত্রী
- ইসলামের খ্রিস্টান সমালোচক
- ইসলামের ফরাসি সমালোচক
- নারীবাদের নারী সমালোচক
- প্যারিসের অভিনেত্রী
- ফরাসি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী
- ফরাসি গায়িকা
- ফরাসি নারী মডেল
- ফরাসি নারী সক্রিয়কর্মী
- ফরাসি প্রাণী অধিকার কর্মী
- ফরাসি রোমান ক্যাথলিক
- ফরাসি সক্রিয়কর্মী
- এমজিএম রেকর্ডের শিল্পী
- যৌন ইতিবাচকতা
- দাভিদ দি দোনাতেল্লো বিজয়ী