ব্যুপ্রিনরফিন
| রোগশয্যাসম্বন্ধীয় তথ্য | |
|---|---|
| বাণিজ্যিক নাম | Buprenex, Subutex, Suboxone, Butrans |
| এএইচএফএস/ ড্রাগস.কম | মনোগ্রাফ |
| মেডলাইনপ্লাস | a605002 |
| গর্ভাবস্থার শ্রেণি |
|
| প্রয়োগের স্থান | sublingual, IM, IV, transdermal, intranasal, rectally on |
| এটিসি কোড | |
| আইনি অবস্থা | |
| আইনি অবস্থা | |
| ফার্মাকোকাইনেটিক উপাত্ত | |
| জৈবপ্রাপ্যতা | 55%(sublingual)[২]/48.2% +/- 8.35%(intranasal)[৩] |
| প্রোটিন বন্ধন | 96% |
| বিপাক | hepatic CYP3A4, CYP2C8 |
| বর্জন অর্ধ-জীবন | 20–70, mean 37 hours |
| রেচন | biliary and renal |
| শনাক্তকারী | |
| |
| সিএএস নম্বর | |
| পাবকেম সিআইডি | |
| আইইউপিএইচএআর/ বিপিএস | |
| ড্রাগব্যাংক | |
| কেমস্পাইডার | |
| ইউএনআইআই | |
| কেইজিজি | |
| সিএইচইবিআই | |
| সিএইচইএমবিএল | |
| কমপটক্স ড্যাশবোর্ড (আইপিএ) | |
| ইসিএইচএ ইনফোকার্ড | 100.052.664 |
| রাসায়নিক ও ভৌত তথ্য | |
| সংকেত | C29H41NO4 |
| মোলার ভর | 467.64 g/mol |
| থ্রিডি মডেল (জেএসমোল) | |
| |
| |
ব্যুপ্রিনরফিন, ইংরেজি: buprenorphine, একটি অপিওয়েড শ্রেণীর একটি ঔষধ। এটি একটি আধা-সংশ্লেষিত (Semi-synthetic) অপিওয়েড জাতক। ব্যুপ্রিনরফিন একটি লিপিড আকর্ষী যৌগ। এটি থিবেইন এর জাতক এবং মরফিনের থেকে ২৫-৫০ গুন বেশি শক্তিশালী (potent)।[৪] ব্যুপ্রিনরফিন মিউ নামক অপিওয়েড গ্রাহক অণুর receptor আংশিক অ্যাগোনিস্ট partial agonist হিসেবে কাজ করে। স্বাভাবিক রোগীতে এটি মরফিনের মতোই কাজ করে। তবে মরফিন নেশাগ্রস্তদের মরফিন ছাড়াতে এই ঔষধ সাহায্য করে থাকে।[৫]ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে অপিওয়েড নেশাগ্রস্তদের চিকিৎসায় ঔষধটিকে ব্যবহারের অনুমোদন দেয়। নেদারল্যান্ডস এ ওপিয়ম আইনে (opium law) লিস্ট ২ ঔষধ হিসেবে এটি চিহ্নিত। এই আইনের ফলে কেবল বিশেষ নিয়ম ও নির্দেশনা অনুসারে এ ঔষধটির ব্যবস্থাপত্র এবং বিক্রয় হতে পারে। আমেরিকাতে জাতিসংঘ এর কনভেনশন অন সাইকোট্রপিক সাবস্টানসেস অনুসারে এটি তৃতীয় তফসিল ঔষধ (Schedule III drug) হিসেবে চিহ্নিত।[৬]
পাদটীকা
[সম্পাদনা]- ↑ "Lawriter - ORC - 3719.41 Controlled substance schedules"। Codes.ohio.gov। ১৭ মে ২০০০। সংগ্রহের তারিখ ৩০ আগস্ট ২০১০।
- ↑ http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/2458208
- ↑ http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/2576057
- ↑ Laurence L. Brunton, Keith L. Parker, Donald K. Blumenthal, Iain L.O. Buxton (২০০৮)। "Opioid Analgesics"। Goodman and Gilman's Manual of Pharmacology and Therapeutics (e-book) (English ভাষায়)। United
States of America: The McGraw-Hill Companies, Inc.। আইএসবিএন ০-০৭-১৪৪৩৪৩-৬।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|অবস্থান=এর 7 নং অবস্থানে line feed character রয়েছে (সাহায্য); উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটার রয়েছে:|origmonth=(সাহায্য); লেখা "pages: 363-364" উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ Richard Finkel, Michelle A. Clark, Luigi X. Cubeddu (২০০৬) [1992]। "Opioids"। Lippincott's Illustrated Reviews: Pharmacology (English ভাষায়)। Philadelphia: Lippincott Williams and Wilkins। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৮১৭-৭১৫৫-৯।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|format=এর জন্য|url=প্রয়োজন (সাহায্য); উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটার রয়েছে:|origmonth=(সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ "List of psychotropic Substances under international control" (পিডিএফ)। ৩১ আগস্ট ২০১২ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জানুয়ারি ২০১৩।