ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
Bacterial vaginosis
Vaginose-G15.jpg
Micrograph of bacterial vaginosis — cells of the cervix covered with rod-shaped bacteria, Gardnerella vaginalis (arrows).
শ্রেণীবিভাগ এবং বহিঃস্থ সম্পদ
বিশিষ্টতা স্ত্রীরোগ-সম্বন্ধীয় শল্যচিকিৎসা
আইসিডি-১০ B৯৬, N৭৬
আইসিডি-৯-সিএম ৬১৬.১
পেশেন্ট ইউকে ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস
মেএসএইচ D০১৬৫৮৫ (ইংরেজি)

ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস (ভিবি), ভ্যাজাইনাল ব্যাকটেরিওসিস অথবা গার্ডনেরেলা ভ্যাজাইনোটিস নামে পরিচিত,[১] এটি যোনিনালীর রোগ যা অতিরিক্ত ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। [২] সাধারণ উপসর্গের মধ্যে যোনিস্রাব বৃদ্ধি পায় যা প্রায়সই আঁশটে গন্ধ করে। যোনিস্রাব সাধারণত সাদা অথবা ধূসর রংয়ের হয়। প্রস্রাবের সাথে জ্বালাপোড়া দেখা যেতে পারে।[৩] চুলকানি থাকবেই।[২][৩] মধ্যে লক্ষণ নাও দেখা যেতে পারে।[৩] ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস বৃদ্ধি পেলে এইচআইভি/এইডস সহ অন্যান্য যৌন সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।[৪] এটি গর্ভবতী নারীদেরও সময়ে পূর্বে প্রসব এর ঝুঁকির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।[৫]

কারণ ও রোগ নির্ণয়[সম্পাদনা]

প্রাকৃতিকভাবে যোনির মধ্যে অস্বাভাবিক ব্যাকটেরিয়ার কারণে ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস হয়। [৬] সবচেয়ে সাধারণ ব্যাকটেরিয়া পরিবর্তন হয়ে এবং মোট ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা একশত থেকে হাজার গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে লক্ষ করা যায়। [২] ঝুঁকির বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত, নতুন অথবা একাধিক যৌন সঙ্গী, অ্যান্টিবায়োটিক এবং জরায়ুস্থ অন্যান্য ডিভাইস ব্যবহারের ফলে। [৬] তবে, এটি একটি যৌনবাহিত সংক্রমণ বিবেচনা করা হয় না। [৭] উপসর্গ এবং নির্গত যোনিস্রাব পরীক্ষার মাধ্যমে এবং সাধারণ যোনির (পিএইচ এবং বহু সংখ্যক ব্যাকটেরিয়া রোগ নির্ণয়ের ভিত্তি হতে পারে। [২] ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস প্রায়ই ভ্যাজাইনাল ঈস্ট ক্ষত বা ট্রাইকোমোনাস সংক্রমণ এর সাথে বিভ্রান্তি হয়। [৮]

প্রতিরোধ ও চিকিৎসা[সম্পাদনা]

সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক ক্লিন্ডামাইসিন অথবা মেট্রোনিডাজল দিয়ে চিকিৎসা হয়। গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় বা তৃতীয় মাসেও এই ঔষধ ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রায়ই এই অবস্থা; তৎসত্ত্বেও, পুনরায় নিম্নলিখিত চিকিৎসা। প্রোবায়োটিক পুনরাবৃত্তি রোধে সাহায্য হতে পারে।[২] প্রোবায়োটিক অথবা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে গর্ভাবস্থার ফলাফলে প্রভাব হয় কিনা এটা ষ্পস্ট নয়।[২][৯]

রোগ বিস্তার সংক্রান্ত বিদ্যা এবং ইতিহাস[সম্পাদনা]

ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস প্রজনন বয়সের নারীদের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ যোনি সংক্রমণ রোগ।[৬] যে কোন সময়ে আক্রান্ত নারীদের শতকরা হার ৫% থেকে ৭০% এর মধ্যে থাকে।[৪] ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস আফ্রিকার কিছু অংশে সবচেয়ে প্রচলিত এবং এশিয়া ও ইউরোপে কম প্রচলিত।[৪] যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ থেকে ৪৯ বছর বয়সের প্রায় ৩০% মহিলা আক্রান্ত।)[১০] একটা দেশের বিভিন্ন জাতিগোষ্টীর মধ্যে এই হার তারতম্য হয়।[৪] প্রচুর নথিভূক্ত ইতিহাসের জন্য যখন ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস উপসর্গ আকারে বর্ণনা করা হয়েছিল, প্রথম পরিস্কারভাবে ঘটনা নথিভূক্ত হয়েছিল ১৮৯৪ সালে।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Borchardt, Kenneth A. (১৯৯৭)। Sexually transmitted diseases : epidemiology, pathology, diagnosis, and treatment। Boca Raton [u.a.]: CRC Press। পৃ: 4। আইএসবিএন 9780849394768 
  2. Donders, GG; Zodzika, J; Rezeberga, D (এপ্রিল ২০১৪)। "Treatment of bacterial vaginosis: what we have and what we miss."। Expert opinion on pharmacotherapy 15 (5): 645–57। পিএমআইডি 24579850 
  3. "What are the symptoms of bacterial vaginosis?"http://www.nichd.nih.gov/। ২০১৩-০৫-২১। সংগৃহীত ৩ মার্চ ২০১৫ 
  4. Kenyon, C; Colebunders, R; Crucitti, T (ডিসেম্বর ২০১৩)। "The global epidemiology of bacterial vaginosis: a systematic review."। American journal of obstetrics and gynecology 209 (6): 505–23। পিএমআইডি 23659989 
  5. "What are the treatments for bacterial vaginosis (BV)?"http://www.nichd.nih.gov/। ২০১৩-০৭-১৫। সংগৃহীত ৪ মার্চ ২০১৫ 
  6. "Bacterial Vaginosis (BV): Condition Information"http://www.nichd.nih.gov/। ২০১৩-০৫-২১। সংগৃহীত ৩ মার্চ ২০১৫ 
  7. "Bacterial Vaginosis – CDC Fact Sheet"Centers for Disease Control and Prevention। মার্চ ১১, ২০১৪। সংগৃহীত ২ Mar ২০১৫ 
  8. Mashburn, J (২০০৬)। "Etiology, diagnosis, and management of vaginitis."। Journal of midwifery & women's health 51 (6): 423–30। পিএমআইডি 17081932 
  9. Othman, M; Neilson, JP; Alfirevic, Z (২৪ জানুয়ারি ২০০৭)। "Probiotics for preventing preterm labour."। The Cochrane database of systematic reviews (1): CD005941। পিএমআইডি 17253567 
  10. "Bacterial Vaginosis (BV) Statistics Prevalence"cdc.gov। সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১০। সংগৃহীত ৩ মার্চ ২০১৫