ব্যবহারকারী আলাপ:রমজান আলী রনি(ছড়াকার)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

আমি রমজান আলী। ডাকনাম- রনি। পিতার নাম- আব্দুস সামাদ (মৃত)। মাতা- তালাশী বেগম। গ্রাম- ইমামনগর। পোস্ট- কাটিগ্রাম। পোস্ট কোড-১৮২০। থানা+জেলা- মানিকগঞ্জ।ছোট ভাই- নূর ইসলাম (দশম শ্রেণী) আমি ২০১০ সালে মানিকগঞ্জ জেলার অন্তর্ভুক্ত কাটিগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করি। ২০১২ সালে সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করি। জেলার সনামধন্য কলেজ - সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ থেকে - ২০১৬ সালে সম্মান পাস করি (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) এবং ২০১৭ সালে একই কলেজ থেকে এম এস এস মাস্টার্স সম্পন্ন করি। আমি শৈশবকাল থেকে একটু দুরন্ত প্রকৃতির ছিলাম। মানিকগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীর তীরে আমার বেড়ে উঠা দস্যিপনায় মেতে উঠে। ২০১২ সালে বাবাকে হারাই। তখন আমি উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থী। চাপে পড়ে অনেকেই পাগল হয়। আমি পেয়েছি সাহিত্য চর্চার অনুপ্রেরণা। দেশের স্থানীয়, জাতীয়, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, ত্রৈমাসিক, দ্বিমাসিক পত্রিকায় তখন নিয়মিত লেখালেখি করি। নতুন অতিথি গল্পের জন্য ইউনিসেফ কর্তৃক সবাই ভিন্ন একিসাথে অনন্য থেকে পেয়েছি সম্মাননা। ২০১৭ সালে দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকায় - মানিকগঞ্জ জেলার প্রতিনিধি হয়ে কাজ করি। বিশেষ কারণে ২০২০ সালে চাকুরিটা ছেড়ে দেই। বর্তমানে বিভিন্ন পত্রিকায় লেখালেখি করছি। দেশ ও সাধারণত মানুষের অনুভূতির কাছাকাছি থাকতে পেরেছি। এটাই আমার অন্যতম পাওয়া৷ সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

বাংলা উইকিপিডিয়ায় স্বাগতম[সম্পাদনা]

ራማጃ ዒል ሪኒ রনি ১৬:৩৭, ১১ এপ্রিল ২০১৮ (ইউটিসি)

ছড়াকার রমজান আলী রনির ছড়া[সম্পাদনা]

বাবা তোমার স্বরণে রমজান আলী রনি

বাবা তোমার জন্য আজও চেয়ে থাকি আমি চোখের মাঝে মনের মাঝে আজও তুমি দামি।

আজকের দিনে আমায় ছেড়ে চলে গেলে দূরে আসবেনা আর কভু ফিরে রোদেলা ওই ভোরে।

মনের মাঝে দুঃখের ছবি বিষে হাহাকার স্বপ্ন মাঝে হঠাৎ করে আজও একাকার।

বাবা তোমার স্বরণে আজ করি শত প্রার্থনা হে দয়াময় ক্ষমা করো বাবার ত্রুটি মার্জনা। রনি ১৭:২৭, ১৩ এপ্রিল ২০১৮ (ইউটিসি)

উক্তি[সম্পাদনা]

সকাল হলে সবার আগে মায়ে উঠে ভোরে রাঙা প্রভাত হেসে উঠে আমার মায়ের ক্রোড়ে __রমজান আলী রনি রনি ০৬:১০, ১ মে ২০২১ (ইউটিসি)

পরিচয়[সম্পাদনা]

আমি রমজান আলী। ডাকনাম- রনি। পিতার নাম- আব্দুস সামাদ (মৃত) মাতা- তালাশী বেগম। গ্রাম- ইমামনগর। পোস্ট- কাটিগ্রাম। পোস্ট কোড-১৮২০। থানা+জেলা- মানিকগঞ্জ। আমি ২০১০ সালে মানিকগঞ্জ জেলার অন্তর্ভুক্ত কাটিগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করি। ২০১২ সালে সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করি। জেলার সনামধন্য কলেজ - সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ থেকে - ২০১৬ সালে সম্মান পাস করি (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) এবং ২৯১৭ সালে একই কলেজ থেকে এম এস এস মাস্টার্স সম্পন্ন করি। আমি শৈশবকাল থেকে একটু দুরন্ত প্রকৃতির ছিলাম। মানিকগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীর তীরে আমার বেড়ে উঠা দস্যিপনায় মেতে উঠে। ২০১২ সালে বাবাকে হারাই। তখন আমি উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থী। চাপে পড়ে অনেকেই পাগল হয়। আমি পেয়েছি সাহিত্য চর্চার অনুপ্রেরণা। দেশের স্থানীয়, জাতীয়, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, ত্রৈমাসিক, দ্বিমাসিক পত্রিকায় তখন নিয়মিত লেখালেখি করি। নতুন অতিথি গল্পের জন্য ইউনিসেফ কর্তৃক সবাই ভিন্ন একিসাথে অনন্য থেকে পেয়েছি সম্মাননা। ২০১৭ সালে দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকায় - মানিকগঞ্জ জেলার প্রতিনিধি হয়ে কাজ করি। বিশেষ কারণে ২০২০ সালে চাকুরিটা ছেড়ে দেই। বর্তমানে বিভিন্ন পত্রিকায় লেখালেখি করছি। দেশ ও সাধারণত মানুষের অনুভূতির কাছাকাছি থাকতে পেরেছি। এটাই আমার অন্যতম পাওয়া৷ সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। রনি ০৬:২৪, ১ মে ২০২১ (ইউটিসি)

অপসারণের আপত্তি[সম্পাদনা]

এই পাতাটি দ্রুত অপসারণ করা উচিত নয় কারণ... (এখানে আপনার কারণ লিখুন) --রনি ০৬:৩৮, ১ মে ২০২১ (ইউটিসি) পরিচিতি ব্যক্ত করেছি। যা বিজ্ঞাপনের আওতাভুক্ত নয়

ছড়া[সম্পাদনা]

বুড়ো খোকা

                        রমজান আলী রনি।
                        অবচেতন কোমল মনে
                        কত কিছুই ভাসে,
                        শৈশবের খেলার স্মৃতি
                        আজও যেন হাসে।
                        পাড়ায়-পাড়ায় দুষ্টুমি
                        লতা পাতার ঝোপে,
                        নিখিল বিশ্বের মহামায়ায়
                        বুড়ো খোকা রূপে।
                        কাচের ভিতর প্রতিকৃতি
                        ডানা ঝাপটানো পোকা,
                        খোলসের চেনা বৃত্তে
                        শৈশবের বুড়ো খোকা।
                        ফুলের বনের গন্ধরাজ্যে
                        হাজার খোকার সুবাস,
                        হেসেখেলে বিলিয়ে যায়
                        সাবাস খোকা সাবাস! রনি ০৬:৫৬, ১ মে ২০২১ (ইউটিসি)

করোনা[সম্পাদনা]

আসুন সবাই মিলে মাস্ক পড়ি। সচেতন হই, নিজে বাঁচি অন্যকে বাঁচাই, দেশকে রক্ষা করি। রনি ০৯:২৪, ১ মে ২০২১ (ইউটিসি)

কান্না একটি ভাষা[সম্পাদনা]

পৃথিবীতে হাজার রকমের ভাষার সৃষ্টি হয়েছে বটে- কান্না যে একটি ভাষা, তা- কখনো কেউ ভেবে দেখেনি। শিশুর কান্না মায়ের কাছে প্রতীকী ভাষা হিসাবে গণ্য হয়- যা বুঝার ক্ষমতা একমাত্র মায়েরাই রাখে। ___আর_এ_রনি রনি ০৯:২১, ২ মে ২০২১ (ইউটিসি)