ব্যবহারকারী:Zihad/মার্ক টোয়েইন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
Mark Twain
Mark Twain, detail of photo by Mathew Brady, February 7, 1871
Mark Twain, detail of photo by Mathew Brady, February 7, 1871
জন্মSamuel Langhorne Clemens
(১৮৩৫-১১-৩০)৩০ নভেম্বর ১৮৩৫
Florida, Missouri, U.S.
মৃত্যুএপ্রিল ২১, ১৯১০(1910-04-21) (বয়স ৭৪)
Redding, Connecticut, U.S.
ছদ্মনামMark Twain
পেশাWriter, lecturer
জাতীয়তাAmerican
উল্লেখযোগ্য রচনাবলিAdventures of Huckleberry Finn, The Adventures of Tom Sawyer
দাম্পত্যসঙ্গীOlivia Langdon Clemens (বি. ১৮৭০১৯০৪)
সন্তানLangdon, Susy, Clara, Jean

স্বাক্ষর
Samuel L. Clemens stamp, 1940

Samuel Langhorne Clemens (November 30, 1835 – April 21, 1910),[২] better known by his pen name Mark Twain, was an American author and humorist. He wrote The Adventures of Tom Sawyer (1876) and its sequel, Adventures of Huckleberry Finn (1885),[৩] the latter often called "the Great American Novel."


টোয়েইনের বেড়ে ওঠা হ্যানিবাল, মিসৌরীতে। পরবর্তীতে এ শহর থেকেই টোয়েইন তার বিখ্যাত দুটি উপন্যাস হাকলবেরি ফিন এবং টম সয়্যার রচনার মূল উপাদান খুঁজে নিয়েছিলেন। একজন প্রকাশকের অধীনে কিছুদিন শিক্ষানবীশ হিসেবে কাজ করার পর তিনি একজন মূদ্রণ সন্নিবেশক হিসেবে কাজ করেছেন এবং তার বড় ভাই ওরিয়নের সংবাদপত্রের জন্য প্রবন্ধ রচনা করেছেন। বড়ভাই ওরিয়নের সাথে নেভাডাতে যোগ দেয়ার আগে টোয়েইন মিসিসিপি নদীতে নৌকার মাঝি হিসেবেও কাজ করেছেন। ১৮৬৫ সালে তার কৌতুকপূর্ণ গল্প "The Celebrated Jumping Frog of Calaveras County" প্রকাশিত হয়। গল্পটি তিনি শুনেছিলেন ক্যালিফোর্নিয়াতে কিছুদিন খনি শ্রমিক হিসেবে কাজ করার সময়ে। হাস্যরসেভরা এ ছোট গল্পটি তৎকালীন সময়ে তাঁকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়। এমনকি গ্রীক ক্লাসিক হিসেবে অনুদিত হয় তার এ ছোট গল্পটি। গল্পে কিংবা কথায় তাঁর বুদ্ধিদীপ্ত এবং ব্যাঙ্গাত্নক উপস্থাপণভঙ্গী সমালোচক, পাঠক নির্বিশেষে সকলের অকুণ্ঠ প্রশংসা কুড়িয়েছে। মার্ক টোয়েইন বক্তৃতা এবং লেখালেখি থেকে কামিয়েছেন অঢেল। কিন্তু তারপরও এক ব্যবসাতে টাকা বিনিয়োগ করে একবার তিনি প্রচুর আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। এই অনাকাঙ্ক্ষিত আর্র্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে তিনি পাওনাদারদের কাছ থেকে সুরক্ষিত হবার জন্য নিজেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দেউলিয়া ঘোষণা করেন এবং পরবর্তীতে হেনরি হাটলসন রজার্সের সহযোগিতায় আস্তে আস্তে আর্থিক দু:সময় কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হন। পুনরায় আর্থিক স্থিতিশীলতা অর্জনের পর টোয়েইন পাওনাদারদের সকল দেনা পরিশোধ করেন যদিও আইনগতভাবে তাঁর ওপর এমন কোন বাধ্যবাধকতা ছিলোনা।

টোয়েইনের জন্ম হয়েছিলো পৃথিবীর আকাশে হ্যালির ধূমকেতু আবির্ভাবের ঠিক কিছুদিন পরেই। তিনি ধারণা করতেন হ্যালির ধূমকেতুর সাথে সাথেই তিনি আবার পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবেন। অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে তিনি সত্যি সত্যিই হ্যালির ধূমকেতুর পুনরায় প্রত্যাবর্তনের পরদিনই পরলোকগমণ করেন। টোয়েইনকে অভিহিত করা হতো তাঁর সময়ের সর্বশেষ্ঠ কৌতুকবাজ হিসেবে,"[৪] এবং উইলিয়াম ফকনার টোয়েইনকে আখ্যায়িত করেছিলেন " আমেরিকান সাহিত্যের জনক হিসেবে।"[৫]


প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

স্যামুয়েল ল্যাঙহর্ন ক্লেমেন্স ৩০ নভেম্বর,১৮৩৫ সালে ফ্লোরিডা,মিসৌরীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন কেন্টাকির অধিবাসীনী জেন এবং জন্মসূত্রে ভার্জিনিয়ান জন মার্শাল ক্লেমেন্স এর সন্তান। তাঁর বাবা মিসৌরীতে বসবাস শুরু করার সময়ে তাঁর বাবা-মা'র পরিচয় ঘটে এবং পরবর্তীতে ১৮২৩ সালে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। [৬][৭] তিনি ছিলেন সাত ভাইবোনের মাঝে ষষ্ঠ, কিন্তু তাদের মধ্য থেকে শৈশব অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন মাত্র তিনজন: তার ভাই ওরিয়ন ক্লেমেন্স (১৮২৫-১৮৯৭), হেনরি, পরবর্তীতে যিনি নৌকা বিস্ফোরণে মারা যান (১৮৩৮-১৮৫৮) এবং পামেলা (১৮২৭-১৯০৪)। টোয়েইনের বয়স যখন তিন বছর তখন তাঁর বোন মার্গারেট(১৮৩৩-১৮৩৯) মারা যান, তারও তিনবছর পর মারা যান তার ভাই বেঞ্জামিন(১৮৩২-১৮৪২)। অন্য ভাই প্লেজেন্ট(১৮২৮-১৮২৯) মারা যান মাত্র ছয় মাস বয়সে।[৮] টোয়েইনের জন্ম হয় হ্যালির ধুমকেতু পৃথিবীর সবচে কাছাকাছি অবস্থানকালীন সময়ের ঠিক দু'সপ্তাহ পরে।

টোয়েইনের বয়স যখন চার বছর, তখন তার বাবা হ্যানিবাল, মিসৌরীতে বসবাস করার জন্য চলে আসেন। [৯] হ্যানিবাল মিসৌরী নদীর তীরে গড়ে ওঠা একটি ছোট্ট বন্ধরনগরী যেটা পরবর্তীতে টোয়েইনের দুই বিখ্যাত অভিযান গল্প "দ্য এডভেঞ্চার অফ হাকলবেরী ফিন" এবং "দ্য এডভেঞ্চার অফ টম সয়্যার" এ উল্লিখিত কাল্পনিক শহর সেন্ট পিটার্সবার্গ সৃস্টির পেছনে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিলো।[১০] মিসৌরী ছিলো একটি দাস শহর এবং ছোট্ট টোয়েইন আমেরিকার দাস প্রথার ইতিহাসের সাথে এখান থেকেই পরিচিত হন। পরবর্তীতে এ অভিজ্ঞতা তিনি তাঁর লেখাতেও নানা ভাবে টেনে এনেছেন। টোয়েইনের বাবা একজন এটর্নী এবং বিচারক ছিলেন। [১১]

Samuel Clemens, age 15

১৮৪৭ সালে, টোয়েইনের বয়স যখন এগারো, তখন তার বাবা নিউমোনিয়াতে মারা যান।[১২] এর পরের বছর টোয়েইন একজন প্রকাশকের অধীনে শিক্ষানবীশ হিসেবে যোগদান করেন। ১৮৫১ সালে তিনি একজন মুদ্রণ সন্নিবেশক হিসেবে কাজ শুরু করেন এবং "হ্যানিবাল জার্নালে" একজন প্রদায়ক হিসেবে নানা প্রবন্ধ ও রম্য স্কেচ আঁকা শুরু করেন। জার্নালটির মালিক ও পরিচালক ছিলেন তাঁর ভাই ওরিয়ন। ১৮বছর বয়সে টোয়েইন হ্যানিবাল ত্যাগ করেন এবং নিউইয়র্ক সিটি, ফিলাডেলফিয়া, সেন্ট লুইস,মিসৌরী এবং সিনসিনাট্টি,ওহিওতে প্রকাশক হিসেবে কাজ করেন।

একবার মিসিসিপি নদী ধরে নিউ ওর্লিয়েন্স, লুইজিয়ানা অভিমুখে গমণকালে এক বাস্পনৌকার নাবিক টোয়েইনকেও নাবিক হবার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। টোয়েইন তাঁর "Life on the Mississipi" বইতে একজন নাবিককে বাস্পনৌকার ক্যাপ্টেনের চেয়ে অধিকতর মর্যাদাপূর্ণ এবং কর্তৃত্ববান বলে বর্ণনা করেছেন। সেসময়ে একজন নাবিকের চাকরি যথেষ্ঠ মর্যাদাপূর্ণ ছিলো যাতে মাসিক বেতন ছিলো ২৫০ডলার। [১৩] বাস্পনৌকার একজন নাবিককে নিয়ত পরিবর্তনশীল নদী সম্পর্কে প্রচুর অধ্যয়ন করতে হতো যাতে এর তীরে গড়ে ওঠা শতশত বন্দর এবং কেঠো জমিতে সফলভাবে নোঙর করতে পারে। ১৮৫৯ সালে নাবিক লাইসেন্স পাবার পূর্বে টোয়েইনকে মিসিসিপি নদীর প্রায় ২০০০মাইল (৩২০০ কিমি) দৈর্ঘ্য পর্যন্ত অধ্যয়ন করতে হয়েছিলো। এই চাকরির কল্যাণেই তিনি "মার্ক টোয়েইন" কলম নামটি বেঁছে নেন। তাঁর চাকরির পরিভাষায় "মার্ক টোয়েইন" মানে হচ্ছে "দুই ফ্যাদম গভীরতার নদীর জন্য কান্না"। এই চাকরির জন্য প্রশিক্ষণকালীন সময়ে স্যামুয়েল তার ছোট ভাই হেনরিকেও একই চাকরিতে যোগদানের জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। পরবর্তীতে ২১জুন,১৮৫৮ সালে হেনরি তার কর্মস্থল বাস্পনৌকাতে কাজ করার সময় বিস্ফোরণে মারা যান। টোয়েইন তার ছোট ভাইয়ের এই মৃত্যুঘটনাটিকে বিস্ফোরণ ঘটার একমাস আগে স্বপ্নে দেখেছিলেন বলে তার আত্নজীবনীতে উল্লেখ করে গেছেন। [১৪] এর সূত্র ধরে তিনি পরবর্তীতে প্যারাসাইকোলজীতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তিনি প্যারাসাইকোলজী সোসাইটির একজন শুরুর দিকের সদস্য ছিলেন। [১৫] টোয়েন তাঁর ছোট ভাইয়ের এই হৃদয়বিদারক অনাকাঙ্ক্ষিত প্রস্থানের জন্য সারাজীবন অপরাধবোধে ভুগেছেন এবং তাঁর ভাইয়ের মৃত্যুর জন্য নিজেকে দোষী ভাবতেন। ১৮৬১ সালে আমেরিকার গৃহযুদ্ধ শুরু হবার পর মিসিসিপি নদী দিয়ে সবধরণের যোগাযোগ স্থগিত হয়ে যায়। এর আগ পর্যন্ত টোয়েইন তাঁর চাকরিতে বহাল ছিলেন।

গৃহযুদ্ধের প্রারম্ভে টোয়েইন কিছুদিনের জন্য স্থানীয় মৈত্রী ইউনিটে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে লিপিবদ্ধ ছিলেন। তারপর তিনি তাঁর ভাইয়ের সাথে কাজ করার উদ্দেশ্যে নেভাডা অভিমুখে গমণ করেন। তাঁর ভাই তখন কেন্দ্রীয় সরকারের একজন জৈষ্ঠ্য কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।[১৬] পরবর্তীতে টোয়েইন একটি স্কেচ আঁকেন যেখানে তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে তিনি ও তাঁর বন্ধু কোম্পানী ছেড়ে আসার পূর্বে দুই সপ্তাহের জন্য মৈত্রী সংগঠনে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছেন। [১৭]


ভ্রমণ[সম্পাদনা]

Library of Twain House, with hand-stenciled paneling, fireplaces from India, embossed wallpapers, and hand-carved mantel purchased in Scotland

১৮৬১ সালে টোয়েইন ও তার ভাই ওরিয়ন একসাথে পশ্চিমে রওনা দেন। ওরিয়ন তখন নেভাডা অঞ্চলের তৎকালীন গভর্ণর জেমস ডাব্লিউ নেই এর সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুই ভাই মিলে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে একটি স্টেজকোচে চেপে বৃহৎ ভূমি এবং রকি পর্বতের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করেন। এসময় সল্টলেক সিটির মর্মন সম্প্রদায়ও তাঁদের দেখা হয়ে যায়। টোয়েইনের ভ্রমণ ভার্জিনিয়া সিটি, নেভাডার রৌপ্য খনির শহরে এসে শেষ হয়। টোয়েইন সেখানে "কমস্টক লোড" এ খনি শ্রমিক হিসেবে যোগদান করেন।[১৭] কিন্তু টোয়েইন খনি শ্রমিক হিসেবে ব্যর্থ হন এবং ভার্জিনিয়া সিটির পত্রিকা "দ্য টেরিটরিয়াল এন্টারপ্রাইজ" এ কাজ শুরু করেন। [১৮] লেখক এবং বন্ধু ড্যান ডিক্যুইলের অধীনে কাজ করার সময়েই তিনি সর্বপ্রথম "মার্ক টোয়েইন" নামটি ব্যবহার করেন। ৩ফেব্রুয়ারি, ১৮৬৩ সালে তিনি "Letter From Carson – re: Joe Goodman; party at Gov. Johnson's; music" নামের এক রম্য ভ্রমণ কাহিনিতে নিজের নাম "মার্ক টোয়েইন" হিসেবে স্বাক্ষর করেন। [১৯] পশ্চিমে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তাঁকে "Roughing It" লিখতে অণুপ্রেরণা যুগিয়েছিলো। "The Celebrated Jumping Frog of Calaveras County" লেখার জন্য নানা উপাদানও তিনি খুঁজে নিয়েছিলেন তার এই ভ্রমণ অভিজ্ঞতা থেকে। ১৮৬৪ সালে টোয়েইন সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়াতে চলে আসেন। তখনো তিনি সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত। সেখানে তিনি ব্রেট হার্ট এবং আর্তিমাস ওয়ার্ড এর মত লেখকের সাথে পরিচিত হন। এসময়ে তরুণ কবি ইনা কুলব্রিথ এর সাথে তাঁর সম্ভবত প্রেম হয়েছিলো। [২০]

লেখক হিসেবে টোয়েইন সর্বপ্রথম সফলতার দেখা পান যখন নিউইয়র্কের "দ্য স্যাটারডে প্রেস" নামের একটা সাপ্তাহিক পত্রিকায় ১৮নভেম্ভর,১৮৬৫ সালে তাঁর রম্য বড় গল্প "The Celebrated Jumping Frog of Calaveras County" প্রকাশিত হয়। তাঁর এই লেখা তাকে জাতীয় পর্যায়ে খ্যাতি এনে দেয়। এক বছর পর তিনি স্যান্ডউইচ দ্বীপে (বর্তমান হাওয়াই) "স্যাক্রামেন্টো ইউনিয়ন" এর রিপোর্টার হিসেবে ভ্রমণ করেন। এ ভ্রমণকে উপজীব্য করে তাঁর লেখা ভ্রমণলিপি দারুণ পাঠিকপ্রিয়তা লাভ করে এবং তার জীবনের প্রথম বক্তৃতার ভিত্তিও রচিত হয় এ ভ্রমণকে ঘিরেই।[২১] ১৮৬৭ সালে একটি স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা তাঁকে মেডিটেরিনিয়ান সাগর ভ্রমণের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদাণ করে। তাঁর ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্য ভ্রমণকালীন সময়ে তিনি জনপ্রিয় অনেকগুলো ভ্রমণচিঠি রচনা করেন। পরবর্তীতে ১৮৬৯ সালে সেসব চিঠি একত্রে The Innocents Abroad নামে প্রকাশিত হয়। এই ভ্রমণকালীন সময়েই তাঁর হবু শ্যালক চার্লস ল্যাঙডন এর সাথে পরিচয় ঘটে। পবিত্রভূমি যাওয়ার পথে তাঁরা দু'জনেই "কোয়েকার সিটি" নামের একই জাহাজে সহযাত্রী ছিলেন। এসময় ল্যাঙডন তার বোন অলিভিয়া ল্যাঙডন ক্লেমেন্সের একটি ছবি টোয়েইনকে দেখান। ছবি দেখে টোয়েইন অলিভিয়ার প্রেমে পড়ে যান। পরবর্তীতে টোয়েইন এ ঘটনাকে "প্রথম দর্শনেই প্রেম" হিসেবে অভিহিত করেন।

আমেরিকায় প্রত্যাবর্তনের পর ১৮৬৮ সালে টোয়েইনকে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের গোপণ সংঘ "স্ক্রুল এন্ড কী"তে সদস্যপদ গ্রহণ করার আমন্ত্রণ জানানো হয়। [২২] এ সঙ্ঘের "বন্ধুত্ব, নৈতিক ও সাহিত্যিক আত্ম-উন্নয়ন, এবং সদয়তার" প্রতি নিষ্ঠা তাঁর সাথে বেশ ভালোভাবে মানিয়ে গিয়েছিলো।


বিবাহ এবং সন্তানাদি[সম্পাদনা]

Twain in 1867

১৮৬৮সালের পুরোটা সময়জুড়ে টোয়েইন এবং অলিভিয়া একসাথে ছিলেন কিন্তু অলিভিয়া টোয়েইনের প্রথমবার করা বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। অবশ্য এর দুই মাস পর তাঁরা পরস্পরের সম্মতিতে বাগদান করেন। অলিভিয়ার বাবা তাঁদের বিয়ের ব্যপারে প্রথমে গড়রাজি থাকলেও টোয়েইন একসময় তা' দূর করতে সক্ষম হন এবং ১৮৭০ সালের ফেব্রুয়ারিতে এলমিরা, নিউইয়র্কে অলিভিয়ার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।[২১][২৩] অলিভিয়া ছিলেন ধনী এবং প্রগতিশীল পরিবারের মেয়ে। অলিভিয়ার মাধ্যমে সমাজের প্রগতিশীল শ্রেণীর নানা প্রথিতযশা সমাজকর্মী ও ব্যক্তিত্বের সাথে টোয়েইনের পরিচয় ঘটে। টোয়েইন দম্পতি ১৮৬৯ থেকে ১৮৭১ সাল পর্যন্ত বাফেলো, নিউইয়র্কে বসবাস করেন। টোয়েইন "বাফেলো এক্সপ্রেস" পত্রিকার একাংশের স্বত্বাধিকারী ছিলেন এবং সেখানে তিনি সম্পাদক এবং লেখক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। বাফেলোতে থাকাকালীন সময়ে তাঁদের সন্তান ল্যাঙডন মাত্র উনিশ মাস বয়সে ডিপথেরিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। টোয়েইন দম্পতি তিন কন্যার জনক-জননী ছিলেন: সুসি ক্লেমেন্স(১৮৭২-১৮৯৬), ক্লারা ক্লেমেন্স(১৮৭৪-১৯৬২)[২৪] এবং জীন ক্লেমেন্স(১৮৮০-১৯০৯)। দীর্ঘ ৩৪বছর একসাথে কাটানোর পর ১৯০৪ সালে অলিভিয়া মৃত্যুবরণ করেন। ক্লেমেন্স পরিবারের সকল সদস্য এলমিরা,নিউইয়র্কের উডলন সমাধিতে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন।

টোয়েইন তার পরিবার নিয়ে হার্টফোর্ড, কানেক্টিকাটে চলে আসেন এবং ১৮৭৩ সালে সেখানে একটি বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেন। (পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে টোয়েইনের স্থানীয় গুণগ্রাহীরা একে ভেঙে ফেলার হাত থেকে রক্ষা করে এবং টোয়েন সংক্রান্ত বিষয়াদির জাদুঘরে পরিণত করে)। ১৮৭০ এবং ১৮৮০'র দশকে টোয়েইন এবং তার পরিবার অলিভিয়ার বোন,সুসান ক্রেনের বাসা "কোয়ারি ফার্ম"এ তাঁদের গ্রীষ্ম অতিবাহিত করেন।[২৫][২৬] ১৮৭৪ সালে সুসান টোয়েইনের জন্য মূল বাড়ি থেকে আলাদা একটি অধ্যয়ন কক্ষ তৈরি করে দেন যাতে তার বোনজামাই নির্বিঘ্নে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে লেখালেখিতে মনোনিবেশ করতে পারেন। টোয়েইন নিয়মিত পাইপ সহযোগে ধূমপান করতেন যেটি সুসানের পছন্দ ছিলোনা। টোয়েইনকে আলাদা কক্ষ করে দেয়ার পেছনে এটিও একটি কারণ ছিলো। হার্টফোর্ডে দীর্ঘ সতেরো বছর (১৮৭৪-১৮৯১) এবং "কোয়েরি ফার্ম"এ বিশটিরও বেশি গ্রীষ্ম অতিবাহিত করার সময়ে টোয়েইনের অনেকগুলো কালজয়ী সাহিত্যকর্ম রচিত হয় । এদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য রচনাগুলো হচ্ছে: The Adventures of Tom Sawyer (1876), The Prince and the Pauper (1881), Life on the Mississippi (1883), Adventures of Huckleberry Finn (1885) and A Connecticut Yankee in King Arthur's Court (1889).

টোয়েইন পরবর্তীতে দ্বিতীয়বারের মত ইউরোপ ভ্রমণ করেন। ১৮৮০ সালে প্রকাশিত তাঁর বই "A Tramp Abroad" এ সে ভ্রমণের বর্ণনা পাওয়া যায়। এই ভ্রমণকালীন সময়ে তিনি ৬মে থেকে ২৩নভেম্বর,১৮৭৮ পর্যন্ত হাইডেলবার্গে অবস্থান করেন এবং লন্ডন শহরও ভ্রমণ করেছিলেন।

বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির প্রতি ভালোবাসা[সম্পাদনা]

Twain in the lab of Nikola Tesla, early 1894

বিজ্ঞান এবং বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিৎসা টোয়েইনকে বরাবরই আকৃষ্ট করতো। বিখ্যাত বিজ্ঞানী নিকোলা টেসলার সাথে টোয়েইনের অত্যন্ত নিকটবর্তী এবং দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্ব ছিলো। টেসলা'র গবেষণাগারে দু'জন একসাথে অনেক সময় কাটিয়েছেন। টোয়েইন তিনটি মৌলিক আবিস্কারের স্বত্বাধিকারী ছিলেন যাদের মধ্যে "কাপড়চোপড়ের জন্য মানানসই এবং বিচ্ছেদযোগ্য বন্ধনী" ( স্কন্ধবন্ধনী প্রতিস্থাপণ করার জন্য) এবং "ট্রিভিয়া গেমের ইতিহাস" অন্তর্ভুক্ত।[২৭] বানিজ্যিকভাবে সবচে সফল ছিলো তাঁর আবিস্কৃত একটি স্ব-লেপনযোগ্য স্ক্র্যাপবুক যেটার পৃষ্ঠাগুলোতে শুকনো আঁঠা যুক্ত থাকতো যা শুধুমাত্র ব্যবহারের পূর্বে আর্দ্র করে নেয়ার প্রয়োজন হতো।

তাঁর বই A Connecticut Yankee in King Arthur's Court এ তিনি সমসাময়িক আমেরিকান প্রেক্ষাপটে একটি সময় পরিভ্রমণকারী চরিত্রের অবতারণা করেছিলেন। চরিত্রটি নিজস্ব বিজ্ঞানের জ্ঞান কাজে লাগিয়ে ইংল্যান্ডের কিং আর্থারের সাথে আধুনিক প্রয়ুক্তির পরিচয় করিয়ে দেন। পরবর্তীতে একই ধরণের কাল্পনিক চরিত্রের ব্যবহার একসময় বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিগুলোতে অতি সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

১৯০৯ সালে টমাস এডিসন টোয়েইনের সাথে তাঁর রেডিং,কানেকটিকাট এর বাড়িতে দেখা করেন এবং টোয়েইনের গতিচিত্র ধারণ করেন। সেই গতিচিত্রের কিছু অংশ ১৯০৯ সালে তৈরি হওয়া 'The Prince and the Pauper চলচ্চিত্রে ব্যবহার করা হয়েছিলো।

আর্থিক দুর্গতি[সম্পাদনা]

Twain caricatured by Spy for Vanity Fair, 1908

টোয়েইন তাঁর লেখালেখি থেকে প্রচুর অর্থ আয় করেছিলেন। কিন্তু সে অর্থের একটি বড় অংশ তিনি নতুন আবিস্কার এবং প্রযুক্তিতে, বিশেষ করে "পেইগ মুদ্রণসন্নিবেশকারী যন্ত্রের" ওপর বিনিয়োগ করার মাধ্যমে খুইয়েছিলেন। যন্ত্রটি ছিলো অতি নিপুণ প্রকৌশলের ফসল যার কাজ দর্শকদেরকে মুগ্ধ করতো, কিন্তু এটি ছিল ভঙ্গুরপ্রবণ। ১৮৮০ থেকে ১৮৯৪ সালের মধ্যে টোয়েইন এই যন্ত্রের পেছনে ৩,০০,০০০ ডলার ব্যয় করেছিলেন (যা ২০১২ সালের ডলার অনুযায়ী[২৮] $ এর সমপরিমাণ )[২৯] কিন্তু এটি পুরোপুরি উপয়ুক্ত হবার পূর্বেই লাইনোটাইপ যন্ত্রের কারণে অযোগ্য হয়ে যায়। ফলশ্রুতিতে টোয়েইন তার বই থেকে উপার্জিত অর্থ হারানোর পাশাপাশি তার স্ত্রী অলিভিয়ার সম্পত্তির উল্লেখযোগ্য অংশও হারিয়ে ফেলেন।[৩০]

টোয়েইন তার প্রকাশন সংস্থার কারণেও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। এটি প্রাথমিক পর্যায় ইউলিসিস এস গ্রান্টের স্মৃতিস্মারক বিক্রির মাধ্যমে লাভের মুখ দেখলেও তার ঠিক পরপরই ত্রয়োদশ পোপ লিও'র আত্নজীবনী বিক্রি করতে গিয়ে লোকসানের সম্মুখীন হয়। বইটি সর্বসাকূল্যে দুইশো কপিরও কম বিক্রি হয়।[৩০]

টোয়েইনের লেখা এবং বক্তৃতা, সাথে এক নতুন বন্ধুর নি:স্বার্থ সহযোগিতা, তাঁকে আবার আর্থিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেছিলো।[৩১] ১৮৯৩ সালে হেনরি এইচ রজার্সের সাথে তার দীর্ঘ ১৫বছরের বন্ধুতার সূচনা হয়। রজার্স প্রথমে টোয়েইনকে দেউলিয়া ঘোষণার জন্য আবেদন করতে বলেন। অত:পর টোয়েইনের সকল লিখিতকর্মের স্বত্বাধিকার টোয়েইনের স্ত্রী অলিভিয়ার কাছে হস্তান্তর করান যাতে টোয়েইনের পাওনাদাররা সেসবের দখল নিতে না পারে। সবশেষে যতদিন পর্যন্ত সকল পাওনাদার তাঁদের প্রাপ্য পাওনা বুঝে পাচ্ছে ততদিন পর্যন্ত রজার্স টোয়েইনের সকল অর্থের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। টোয়েইন রবার্ট এ্যরো স্মীথের একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেন [৩২] এবং দীর্ঘ একবছর মেয়াদের জন্য বিশ্বব্যাপী বক্তৃতা প্রদাণের উদ্দ্যেশ্যে বেরিয়ে পড়েন। এটি ১৯৮৫সালের জুলাই মাসের ঘটনা। [৩৩] তাঁর পাওনাদারদের সকল পাওনা শোধ করার উদ্দেশ্যেই তাঁর এই যাত্রার সূচনা, যদিও পাওনা পরিশোধের ব্যপারে তার ওপর আইনগতভাবে কোন বাধ্যবাধকতা ছিলোনা।[৩৪] এটি ছিলো একটি দীর্ঘ এবং পরিশ্রমসাধ্য যাত্রা যার অধিকাংশ সময় তিনি ঠান্ডার কারণে অসুস্থতায় ভুগেছেন। এ যাত্রার অংশ হিসেবে তিনি হাওয়াই, ফিজি, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ভারত, মৌরিতানিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ইংল্যান্ড ভ্রমণ করেন। টোয়েইনের ভারত ভ্রমণের তিনমাস তার ৭১২ পৃষ্ঠার বই Following the Equator এর মূল উপজীব্য ছিলো। ১৯০০ সালের মাঝামাঝি সময়ে "ডলস হিল হাউস"এর মালিক হিউ জিলিয়ান রীডের আমন্ত্রণে তিনি উত্তর লন্ডনে গমণ করেন। পাওনা শোষ করার মত যথেষ্ট অর্থ উপার্জনে শেষে ১৯০০ সালে টোয়েইন আমেরিকায় ফিরে আসেন।

বক্তৃতা প্রদাণে সংশ্লিষ্টতা[সম্পাদনা]

নির্বাচিত রম্য বক্তা হিসেবে টোয়েইনের দারুণ নামডাক হয়েছিলো। তিনি নানা জায়গায় গিয়ে একক রম্য বক্তৃতা প্রদান করতেন যেটাকে বর্তমান সময়ের স্ট্যান্ডআপ কমেডির সাথে তুলনা করা যায়।[৩৫] তিনি পেশাদার বক্তা হিসেবে নানা পুরুষ সংঘে বক্তৃতা দিয়ে বেড়িয়েছেন। এসব সংঘের মধ্যে অথরস' ক্লাব, বীফস্টিক ক্লাব, ভ্যাগাবন্ডস, হোয়াইট ফ্রায়ারস এবং হ্যার্টফোর্ডের সোমবারের সান্ধ্যকালীন সংঘ উল্লেখযোগ্য। তাকে স্যান ফ্রান্সিসকো শহরের বোহেমিয়ান ক্লাবের সম্মানসূচক সদস্যপদ প্রদান করা হয়। ১৮৯০ সালের শেষভাগে টোয়েইন লন্ডনের স্যাভেজ ক্লাবে বক্তৃতা দেন এবং সে ক্লাবের নির্বাচিত সম্মানসূচক সদস্যপদ লাভ করেন। যখন তাঁকে জানানো হয় যুক্তরাজ্যের প্রিন্স অফ ওয়েলস ষষ্ঠ এডওয়ার্ড সহ মাত্র তিনজনকে এখন পর্যন্ত এ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে, প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন - "এ খবর শুনে প্রিন্স নিশ্চয়ই খুব ভালো অনুভব করবেন।"[৩৬] ১৮৯৭সালে টোয়েইন ভিয়েনার কনকর্ডিয়া প্রেস ক্লাবে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা প্রদান করেন। জার্মান ভাষায় তিনি যখন তাঁর " Die Schrecken der deutschen Sprache" ("The Horrors of the German Language") শীর্ষক বক্তৃতা শুরু করেন উপস্থিত শ্রোতাগণ তা' শুনে মুগ্ধ হয়ে যান।[৩৭] ১৯০১ সালে তিনি প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের "সাইলোসোফিক সাহিত্য সংঘ"তে বক্তৃতা প্রদানের জন্য আমন্ত্রিত হন। পরবর্তীতে তাকে উক্ত সংঘের সম্মানসূচক সদস্যও করে নেয়া হয়।

পরবর্তী জীবন এবং মৃত্যু[সম্পাদনা]

১৮৯৬ সালে টোয়েইনের মেয়ে সুসি মেনিনজাইটিস রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। সেসময় থেকে টোয়েইন তার ব্যক্তিগত জীবনে গভীর বিষণ্নতাবোধে আক্রান্ত হন। সেটা ছিলো কেবল শুরু মাত্র। তাঁর স্ত্রী অলিভিয়া মারা যান ১৯০৪সালে, আরেক মেয়ে জীনকেও হারান তারও কয়েক বছর পরে, ১৯০৯সালে। এতগুলো কাছের মানুষের বিয়োগবেদনার সাক্ষী হয়ে টোয়েইনের বিষণ্নতা কেবল গভীরতর হয়।[৩৮] এখানেই শেষ নয়। ২০মে, ১৯০৯ সালে তার ঘণিষ্ঠ বন্ধু ও বিপদে পাশে দাঁড়ানো অকৃত্রিম বন্ধু রজার্সও হুট করে মৃত্যুবরণ করেন।

১৯০৬সালে টোয়েইন "নর্থ আমেরিকান রিভিউ"তে তাঁর আত্নজীবনী লেখা শুরু করেন। এপ্রিলে টোয়েইন খবর পান তাঁর বান্ধবী ইনা কুলবার্থ ১৯০৬ সালের স্যানফ্রান্সিসকো ভূমিকম্পে তার সহায় সম্পত্তির প্রায় সবকিছুই হারিয়ে ফেলেছেন। বান্ধবীর এ দু:সময়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে টোয়েইন তাঁর সাক্ষরসম্বলিত কিছু পোট্রেইট ছবি বিক্রির জন্য তুলে দেন। কুলবার্থকে আরও বড় পরিসরে সাহায্য করার জন্য জর্জ হোয়ার্টন জেমস নিউইয়র্কে টোয়েইনের সাথে দেখা করেন এবং একটি নতুন পোট্রেইট সেশন করার ব্যবস্থা করেন। প্রথমে গড়িমসি করলেও টোয়েইন শেষমেষ স্বীকার করেন যে উক্ত ব্যবস্থাপনায় তোলা তাঁর চারটি পোট্রেইট ছবিই ছিলো তাঁর তোলা সকল ছবিগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ।[৩৯]

টোয়েইন যেসব ছোট ছোট মেয়েদেরকে নিজের নাতনী হিসেবে মনে করতেন তাদের জন্য ১৯০৬ সালে "দ্য এঞ্জেল ফিশ এন্ড এক্যুয়ারিয়াম ক্লাব" নামে একটি সংঘ তৈরি করেন। এ সংঘের এক ডজনের মত সদস্যদের সবার বয়সসীমা ছিলো দশ থেকে ষোল বছরের মধ্যে। টোয়েইন এসব ছোট ছোট "এঞ্জেল ফিশ"দের সাথে নিয়মিত চিঠি আদানপ্রদাণ করতেন এবং তাদেরকে কনসার্ট, থিয়েটার কিংবা খেলার জন্য আমন্ত্রণ জানাতেন। ১৯০৮ সালে টোয়েইন তাঁর লেখায় এ সংঘটিকে উল্লেখ করেন নিজের "জীবনের পরম আনন্দ" হিসেবে। [৪০] ১৯০৭সালে টোয়েইন এগারো বছর বয়েসী ডরোথি কুইকের সাথে পরিচিত হন এবং তাঁদের এ বন্ধুত্ব জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত অটুট ছিলো।[৪১]

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ১৯০৭ সালে টোয়েইনকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে।

Mark Twain headstone in Woodlawn Cemetery.

১৯০৯ সালে টোয়েইন মন্তব্য করেন:[৪২]

"১৮৩৫ সালে হ্যালির ধূমকেতুর সাথেই আমি পৃথিবীতে এসেছিলাম। আগামী বছর এটি আবার আসছে, এবং আমি আশা করি এর সাথেই আমি আবার চলে যাবো। হ্যালির ধূমকেতুর সাথে সাথেই যদি আমার প্রস্থাণ না ঘটে তাহলে এটি হবে আমার জীবনের সবচে বড় হতাশাপূর্ণ ঘটনা। কোন সন্দেহ নেই যে স্রষ্টা বলেছিলেন: 'এই হলো দুই দায়িত্বজ্ঞানহীন উন্মাদ; এরা এসেছিলো একসাথে, এদের যেতেও হবে একসাথে"

তাঁর সেই ভবিষ্যতবাণী অক্ষরে অক্ষরে ফলে গিয়েছিলো। টোয়েইন এপ্রিল ২১, ১৯১০সালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রীডিং,কানেকটিকাট শহরে মৃত্যুবরণ করেন। দিনটি ছিলো হ্যালির ধূমকেতু পৃথিবীর সাথে সবচে কাছাকাছি দূরত্বে অবস্থান করার ঠিক পরের দিন। টোয়েইনের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম হাওয়ার্ড ট্যাফ্ট বলেছিলেন: [৪৩][৪৪]

"মার্ক টোয়েইন অজস্র মানুষকে বুদ্ধিদীপ্ত আনন্দ দান করে গেছেন এবং তাঁর সৃষ্টিকর্ম অনাগত অসংখ্য মানুষকেও ভবিষ্যতে আনন্দ দান করে যেতে থাকবে.. তিনি আমেরিকান রম্য করতেন, কিন্তু ইংরেজরা সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের মানুষজনও তাঁর নিজ দেশের মানুষের মতই তাঁর কাজের প্রশংসা করেছেন। তিনি আমেরিকান সাহিত্যের একটি চিরস্থায়ী অংশ"

নিউইয়র্কের "ওল্ড ব্রীক" প্রেসবাইটেরিয়ান চার্চে টোয়েইনের শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয় [৪৫] এলমিরা, নিউইয়র্ক শহরে তাঁদের পারিবারিক "উডলন সমাধি"তে টোয়েইনকে সমাহিত করা হয়। ল্যাঙডন পরিবারের যে জায়গাটিতে তিনি সমাহিত আছেন সেখানে ১২ফুট দৈর্ঘ্যের একটি স্তম্ভ স্থাপণ করেন তার জীবিত মেয়ে, ক্লারা।[৪৬][৪৭] তার মাথার কাছে ছোট একটি সমাধিস্তম্ভও স্থাপন করা আছে। জীবদ্দশায় টোয়েইন চাইতেন যেন মৃত্যুর পর তাঁর দেহভস্ম করা হয়। (যেমন: "Life on the Mississipi" বইতে তিনি এ কথা উল্লেখ করেছেন।)। তবে তিনি এও জানিয়ে গিয়েছিলেন যে, মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

Writing[সম্পাদনা]

Overview[সম্পাদনা]

Mark Twain in his gown (scarlet with grey sleeves and facings) for his D.Litt. degree, awarded to him by Oxford University

Twain began his career writing light, humorous verse, but evolved into a chronicler of the vanities, hypocrisies and murderous acts of mankind. At mid-career, with Huckleberry Finn, he combined rich humor, sturdy narrative and social criticism. Twain was a master at rendering colloquial speech and helped to create and popularize a distinctive American literature built on American themes and language. Many of Twain's works have been suppressed at times for various reasons. Adventures of Huckleberry Finn has been repeatedly restricted in American high schools, not least for its frequent use of the word "nigger," which was in common usage in the pre-Civil War period in which the novel was set.

A complete bibliography of his works is nearly impossible to compile because of the vast number of pieces written by Twain (often in obscure newspapers) and his use of several different pen names. Additionally, a large portion of his speeches and lectures have been lost or were not written down; thus, the collection of Twain's works is an ongoing process. Researchers rediscovered published material by Twain as recently as 1995.[৩০]

Early journalism and travelogues[সম্পাদনা]

Cabin where Twain wrote "Jumping Frog of Calaveras County," Jackass Hill, Tuolumne County. Click on historical marker and interior view.

While writing for the Virginia City newspaper, the Territorial Enterprise in 1863, Clemens met lawyer Tom Fitch, editor of the competing newspaper Virginia Daily Union and known as the "silver-tongued orator of the Pacific."[৪৮]:৫১ He credited Fitch with giving him his "first really profitable lesson" in writing. In 1866, Clemens presented his lecture on the Sandwich Islands to a crowd in Washoe City, Nevada.[৪৯] Clemens commented that, "When I first began to lecture, and in my earlier writings, my sole idea was to make comic capital out of everything I saw and heard." Fitch told him, "Clemens, your lecture was magnificent. It was eloquent, moving, sincere. Never in my entire life have I listened to such a magnificent piece of descriptive narration. But you committed one unpardonable sin—the unpardonable sin. It is a sin you must never commit again. You closed a most eloquent description, by which you had keyed your audience up to a pitch of the intensest interest, with a piece of atrocious anti-climax which nullified all the really fine effect you had produced."[৫০] It was in these days that Twain became a writer of the Sagebrush School, and was known later as the most notable within this literary genre.[৫১]

Twain's first important work, "The Celebrated Jumping Frog of Calaveras County," was first published in the New York Saturday Press on November 18, 1865. The only reason it was published there was that his story arrived too late to be included in a book Artemus Ward was compiling featuring sketches of the wild American West.

After this burst of popularity, the Sacramento Union commissioned Twain to write letters about his travel experiences. The first journey he took for this job was to ride the steamer Ajax in its maiden voyage to Hawaii, referred to at the time as the Sandwich Islands. These humorous letters proved the genesis to his work with the San Francisco Alta California newspaper, which designated him a traveling correspondent for a trip from San Francisco to New York City via the Panama isthmus. All the while, Twain was writing letters meant for publishing back and forth, chronicling his experiences with his burlesque humor. On June 8, 1867, Twain set sail on the pleasure cruiser Quaker City for five months. This trip resulted in The Innocents Abroad or The New Pilgrims' Progress.

This book is a record of a pleasure trip. If it were a record of a solemn scientific expedition it would have about it the gravity, that profundity, and that impressive incomprehensibility which are so proper to works of that kind, and withal so attractive. Yet not withstanding it is only a record of a picnic, it has a purpose, which is, to suggest to the reader how he would be likely to see Europe and the East if he looked at them with his own eyes instead of the eyes of those who traveled in those countries before him. I make small pretense of showing anyone how he ought to look at objects of interest beyond the sea – other books do that, and therefore, even if I were competent to do it, there is no need.

In 1872, Twain published a second piece of travel literature, Roughing It, as a semi-sequel to Innocents. Roughing It is a semi-autobiographical account of Twain's journey from Missouri to Nevada, his subsequent life in the American West, and his visit to Hawaii. The book lampoons American and Western society in the same way that Innocents critiqued the various countries of Europe and the Middle East. Twain's next work kept Roughing It's focus on American society but focused more on the events of the day. Entitled The Gilded Age: A Tale of Today, it was not a travel piece, as his previous two books had been, and it was his first attempt at writing a novel. The book is also notable because it is Twain's only collaboration; it was written with his neighbor Charles Dudley Warner.

Twain's next two works drew on his experiences on the Mississippi River. Old Times on the Mississippi, a series of sketches published in the Atlantic Monthly in 1875, featured Twain's disillusionment with Romanticism.[৫২] Old Times eventually became the starting point for Life on the Mississippi.

Tom Sawyer and Huckleberry Finn[সম্পাদনা]

Twain's next major publication was The Adventures of Tom Sawyer, which drew on his youth in Hannibal. Tom Sawyer was modeled on Twain as a child, with traces of two schoolmates, John Briggs and Will Bowen. The book also introduced in a supporting role Huckleberry Finn, based on Twain's boyhood friend Tom Blankenship.

The Prince and the Pauper, despite a storyline that is omnipresent in film and literature today, was not as well received. Telling the story of two boys born on the same day who are physically identical, the book acts as a social commentary as the prince and pauper switch places. Pauper was Twain's first attempt at historical fiction, and blame for its shortcomings is usually put on Twain for having not been experienced enough in English society, and also on the fact that it was produced after a massive hit. In between the writing of Pauper, Twain had started Adventures of Huckleberry Finn (which he consistently had problems completing[৫৩]) and started and completed another travel book, A Tramp Abroad, which follows Twain as he traveled through central and southern Europe.

Twain's next major published work, Adventures of Huckleberry Finn, solidified him as a noteworthy American writer. Some have called it the first Great American Novel, and the book has become required reading in many schools throughout the United States. Huckleberry Finn was an offshoot from Tom Sawyer and had a more serious tone than its predecessor. The main premise behind Huckleberry Finn is the young boy's belief in the right thing to do though most believed that it was wrong. Four hundred manuscript pages of Huckleberry Finn were written in mid-1876, right after the publication of Tom Sawyer. Some accounts have Twain taking seven years off after his first burst of creativity, eventually finishing the book in 1883. Other accounts have Twain working on Huckleberry Finn in tandem with The Prince and the Pauper and other works in 1880 and other years. The last fifth of Huckleberry Finn is subject to much controversy. Some say that Twain experienced, as critic Leo Marx puts it, a "failure of nerve." Ernest Hemingway once said of Huckleberry Finn:

If you read it, you must stop where the Nigger Jim is stolen from the boys. That is the real end. The rest is just cheating.

Hemingway also wrote in the same essay:

All modern American literature comes from one book by Mark Twain called Huckleberry Finn.[৫৪]

Near the completion of Huckleberry Finn, Twain wrote Life on the Mississippi, which is said to have heavily influenced the former book.[৩০] The work recounts Twain's memories and new experiences after a 22-year absence from the Mississippi. In it, he also states that "Mark Twain" was the call made when the boat was in safe water – two fathoms (১২ ফুট অথবা ৩.৭ মিটার).

Later writing[সম্পাদনা]

After his great work, Twain began turning to his business endeavors to keep them afloat and to stave off the increasing difficulties he had been having from his writing projects. Twain focused on President Ulysses S. Grant's Memoirs for his fledgling publishing company, finding time in between to write "The Private History of a Campaign That Failed" for The Century Magazine. This piece detailed his two-week stint in a Confederate militia during the Civil War. The name of his publishing company was Charles L. Webster & Company, which he owned with Charles L. Webster, his nephew by marriage.[৫৫]

Twain in his later years

Twain next focused on A Connecticut Yankee in King Arthur's Court, which featured him making his first big pronouncement of disappointment with politics. Written with the same historical fiction style of The Prince and the Pauper, A Connecticut Yankee showed the absurdities of political and social norms by setting them in the court of King Arthur. The book was started in December 1885, then shelved a few months later until the summer of 1887, and eventually finished in the spring of 1889.

Twain had begun to furiously write articles and commentary, with diminishing returns, to pay the bills and keep his business projects afloat, but it was not enough. He filed for bankruptcy in 1894.

His next large-scale work, Pudd'nhead Wilson, was written rapidly, as Twain was desperately trying to stave off the bankruptcy. From November 12 to December 14, 1893, Twain wrote 60,000 words for the novel.[৩০] Critics have pointed to this rushed completion as the cause of the novel's rough organization and constant disruption of continuous plot. There were parallels between this work and Twain's financial failings, notably his desire to escape his current constraints and become a different person.

Like The Prince and the Pauper, this novel also contains the tale of two boys born on the same day who switch positions in life. Considering the circumstances of Twain's birth and Halley's Comet, and his strong belief in the paranormal, it is not surprising that these "mystic" connections recur throughout his writing.

The actual title is not clearly established. It was first published serially in Century Magazine, and when it was finally published in book form, Pudd'nhead Wilson appeared as the main title; however, the disputed "subtitles" make the entire title read: The Tragedy of Pudd'nhead Wilson and the Comedy of The Extraordinary Twins.[৩০]

Twain's next venture was a work of straight fiction that he called Personal Recollections of Joan of Arc and dedicated to his wife. Twain had long said that this was the work he was most proud of, despite the criticism he received for it. The book had been a dream of his since childhood. He claimed he had found a manuscript detailing the life of Joan of Arc when he was an adolescent.[৩০] This was another piece Twain was convinced would save his publishing company. His financial adviser, Henry Huttleston Rogers, quashed that idea and got Twain out of that business altogether, but the book was published nonetheless.

During this time of dire financial straits, Twain published several literary reviews in newspapers to help make ends meet. He famously derided James Fenimore Cooper in his article detailing Cooper's "Literary Offenses." He became an extremely outspoken critic not only of other authors, but also of other critics, suggesting that before praising Cooper's work, Thomas Lounsbury, Brander Matthews, and Wilkie Collins "ought to have read some of it."[৫৬]

Other authors to fall under Twain's attack during this time period (beginning around 1890 until his death) were George Eliot, Jane Austen, and Robert Louis Stevenson.[৫৭] In addition to providing a source for the "tooth and claw" style of literary criticism, Twain outlines in several letters and essays what he considers to be "quality writing." He places emphasis on concision, utility of word choice, and realism (he complains that Cooper's Deerslayer purports to be realistic but has several shortcomings). Ironically, several of his works were later criticized for lack of continuity (Adventures of Huckleberry Finn) and organization (Pudd'nhead Wilson).

Twain's wife died in 1904 while the couple were staying at the Villa di Quarto in Florence, and after an appropriate time Twain allowed himself to publish some works that his wife, a de facto editor and censor throughout his life, had looked down upon. Of these works, The Mysterious Stranger, depicting various visits of Satan to the Earth, is perhaps the best known. This particular work was not published in Twain's lifetime. There were three versions found in his manuscripts, made between 1897 and 1905: the Hannibal, Eseldorf, and Print Shop versions. Confusion among the versions led to an extensive publication of a jumbled version, and only recently have the original versions as Twain wrote them become available.

Twain's last work was his autobiography, which he dictated and thought would be most entertaining if he went off on whims and tangents in non-chronological order. Some archivists and compilers have rearranged the biography into more conventional forms, thereby eliminating some of Twain's humor and the flow of the book. The first volume of autobiography, over 736 pages, was published by the University of California in November 2010, 100 years after his death as Twain wished.[৫৮][৫৯] It soon became an unexpected[৬০] best seller,[৬১] making Twain one of very few authors publishing new best-selling volumes in all three of the 19th, 20th, and 21st centuries.

Views[সম্পাদনা]

Twain's views became more radical as he grew older. He acknowledged that his views changed and developed over his life, referring to one of his favorite works:

When I finished Carlyle's French Revolution in 1871, I was a Girondin; every time I have read it since, I have read it differently – being influenced and changed, little by little, by life and environment ... and now I lay the book down once more, and recognize that I am a Sansculotte! – And not a pale, characterless Sansculotte, but a Marat.[৬২]

Anti-imperialist[সম্পাদনা]

In the New York Herald, October 15, 1900, he describes his transformation and political awakening, in the context of the Philippine-American War, from being "a red-hot imperialist":

I wanted the American eagle to go screaming into the Pacific ... Why not spread its wings over the Philippines, I asked myself? ... I said to myself, Here are a people who have suffered for three centuries. We can make them as free as ourselves, give them a government and country of their own, put a miniature of the American Constitution afloat in the Pacific, start a brand new republic to take its place among the free nations of the world. It seemed to me a great task to which we had addressed ourselves.

But I have thought some more, since then, and I have read carefully the treaty of Paris [which ended the Spanish-American War], and I have seen that we do not intend to free, but to subjugate the people of the Philippines. We have gone there to conquer, not to redeem.

It should, it seems to me, be our pleasure and duty to make those people free, and let them deal with their own domestic questions in their own way. And so I am an anti-imperialist. I am opposed to having the eagle put its talons on any other land.[৬৩]

Before 1899 Twain was an ardent imperialist. In the late 1860s and early 1870s he spoke out strongly in favor of American interests in the Hawaiian Islands.[৬৪] In the mid-1890s he explained later, he was "a red-hot imperialist. I wanted the American eagle to go screaming over the Pacific."[৬৫] He said the war with Spain in 1898 was "the worthiest" war ever fought.[৬৬] In 1899 he reversed course, and from 1901, soon after his return from Europe, until his death in 1910, Twain was vice-president of the American Anti-Imperialist League,[৬৭] which opposed the annexation of the Philippines by the United States and had "tens of thousands of members."[৬৮] He wrote many political pamphlets for the organization. The Incident in the Philippines, posthumously published in 1924, was in response to the Moro Crater Massacre, in which six hundred Moros were killed. Many of his neglected and previously uncollected writings on anti-imperialism appeared for the first time in book form in 1992.[৬৭]

Twain was critical of imperialism in other countries as well. In Following the Equator, Twain expresses "hatred and condemnation of imperialism of all stripes."[৬৮] He was highly critical of European imperialism, notably of Cecil Rhodes, who greatly expanded the British Empire, and of Leopold II, King of the Belgians.[৬৮] King Leopold's Soliloquy is a stinging political satire about his private colony, the Congo Free State. Reports of outrageous exploitation and grotesque abuses led to widespread international protest in the early 1900s, arguably the first large-scale human rights movement. In the soliloquy, the King argues that bringing Christianity to the country outweighs a little starvation. Leopold's rubber gatherers were tortured, maimed and slaughtered, until the movement forced Brussels to call a halt.[৬৯][৭০]

During the Philippine-American War, Twain wrote a short pacifist story entitled The War Prayer, which makes the point that humanism and Christianity's preaching of love are incompatible with the conduct of war. It was submitted to Harper's Bazaar for publication, but on March 22, 1905 the magazine rejected the story as "not quite suited to a woman's magazine." Eight days later, Twain wrote to his friend Daniel Carter Beard, to whom he had read the story, "I don't think the prayer will be published in my time. None but the dead are permitted to tell the truth." Because he had an exclusive contract with Harper & Brothers, Twain could not publish The War Prayer elsewhere; it remained unpublished until 1923. It was republished as campaigning material by Vietnam War protesters.[৬৮]

Twain acknowledged he originally sympathized with the more moderate Girondins of the French Revolution and then shifted his sympathies to the more radical Sansculottes, indeed identifying as "a Marat." Twain supported the revolutionaries in Russia against the reformists, arguing that the Tsar must be got rid of, by violent means, because peaceful ones would not work.[৭১] He summed up his views of revolutions in the following statement:

I am said to be a revolutionist in my sympathies, by birth, by breeding and by principle. I am always on the side of the revolutionists, because there never was a revolution unless there were some oppressive and intolerable conditions against which to revolute.[৭২]

Civil rights[সম্পাদনা]

Twain was an adamant supporter of abolition and emancipation, even going so far to say "Lincoln's Proclamation ... not only set the black slaves free, but set the white man free also."[৭৩] He argued that non-whites did not receive justice in the United States, once saying "I have seen Chinamen abused and maltreated in all the mean, cowardly ways possible to the invention of a degraded nature ... but I never saw a Chinaman righted in a court of justice for wrongs thus done to him."[৭৪] He paid for at least one black person to attend Yale Law School and for another black person to attend a southern university to become a minister.[৭৫]

Mark Twain was a staunch supporter of women's rights and an active campaigner for women's suffrage. His "Votes for Women" speech, in which he pressed for the granting of voting rights to women, is considered one of the most famous in history.[৭৬]

Helen Keller benefited from Twain's support, as she pursued her college education and publishing, despite her disabilities and financial limitations.

Twain's views on race were not reflected in his early sketches of Native Americans. Of them, Twain wrote in 1870:

His heart is a cesspool of falsehood, of treachery, and of low and devilish instincts. With him, gratitude is an unknown emotion; and when one does him a kindness, it is safest to keep the face toward him, lest the reward be an arrow in the back. To accept of a favor from him is to assume a debt which you can never repay to his satisfaction, though you bankrupt yourself trying. The scum of the earth![৭৭]

As counterpoint, Twain's essay on "The Literary Offenses of Fenimore Cooper" offers a much kinder view of Indians.[৫৬] "No, other Indians would have noticed these things, but Cooper's Indians never notice anything. Cooper thinks they are marvelous creatures for noticing, but he was almost always in error about his Indians. There was seldom a sane one among them."[৭৮] In his later travelogue Following the Equator (1897), Twain observes that in colonized lands all over the world, "savages" have always been wronged by "whites" in the most merciless ways, such as "robbery, humiliation, and slow, slow murder, through poverty and the white man's whiskey"; his conclusion is that "there are many humorous things in this world; among them the white man's notion that he is less savage than the other savages."[৭৯]

Labor[সম্পাদনা]

Twain wrote glowingly about unions in the riverboating industry in Life on the Mississippi, which was read in union halls decades later.[৮০] He supported the labor movement, especially one of the most important unions, the Knights of Labor.[৬৮] In a speech to them, he said:

Who are the oppressors? The few: the King, the capitalist, and a handful of other overseers and superintendents. Who are the oppressed? The many: the nations of the earth; the valuable personages; the workers; they that make the bread that the soft-handed and idle eat.[৮১]

Vivisection[সম্পাদনা]

Twain was opposed to the vivisection practices of his day. His objection was not on a scientific basis but rather an ethical one. He specifically cited the pain caused to the animal as his basis of his opposition.[৮২]

I am not interested to know whether vivisection produces results that are profitable to the human race or doesn't. ... The pain which it inflicts upon unconsenting animals is the basis of my enmity toward it, and it is to me sufficient justification of the enmity without looking further.

Religion[সম্পাদনা]

Although Twain was a Presbyterian,[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] he was sometimes critical of organized religion and certain elements of Christianity through his later life. He wrote, for example, "Faith is believing what you know ain't so," and "If Christ were here now there is one thing he would not be – a Christian."[৮৩] Nonetheless, as a mature adult he engaged in religious discussions and attended services, his theology developing as he wrestled with the deaths of loved ones and his own mortality.[৮৪] His own experiences and suffering within his family made him particularly critical of "faith healing," such as espoused by Mary Baker Eddy and Christian Science.[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

Twain generally avoided publishing his most heretical opinions on religion in his lifetime, and they are known from essays and stories that were published later. In the essay Three Statements of the Eighties in the 1880s, Twain stated that he believed in an almighty God, but not in any messages, revelations, holy scriptures such as the Bible, Providence, or retribution in the afterlife. He did state that "the goodness, the justice, and the mercy of God are manifested in His works," but also that "the universe is governed by strict and immutable laws," which determine "small matters," such as who dies in a pestilence.[৮৫] At other times he wrote or spoke in ways that contradicted a strict deist view, for example, plainly professing a belief in Providence.[৮৬] In some later writings in the 1890s, he was less optimistic about the goodness of God, observing that "if our Maker is all-powerful for good or evil, He is not in His right mind." At other times, he conjectured sardonically that perhaps God had created the world with all its tortures for some purpose of His own, but was otherwise indifferent to humanity, which was too petty and insignificant to deserve His attention anyway.[৮৭]

In 1901 Twain criticized the actions of missionary Dr. William Scott Ament (1851–1909) because Ament and other missionaries had collected indemnities from Chinese subjects in the aftermath of the Boxer Uprising of 1900. Twain's response to hearing of Ament's methods was published in the North American Review in February 1901: To the Person Sitting in Darkness, and deals with examples of imperialism in China, South Africa, and with the U.S. occupation of the Philippines.[৮৮] A subsequent article, "To My Missionary Critics" published in The North American Review in April 1901, unapologetically continues his attack, but with the focus shifted from Ament to his missionary superiors, the American Board of Commissioners for Foreign Missions.[৮৯]

After his death, Twain's family suppressed some of his work that was especially irreverent toward conventional religion, notably Letters from the Earth, which was not published until his daughter Clara reversed her position in 1962 in response to Soviet propaganda about the withholding.[৯০] The anti-religious The Mysterious Stranger was published in 1916. Little Bessie, a story ridiculing Christianity, was first published in the 1972 collection Mark Twain's Fables of Man.[৯১]

Despite these views, he raised money to build a Presbyterian Church in Nevada in 1864, although it has been argued that it was only by his association with his Presbyterian brother that he did that.[৯২]

Twain created a reverent portrayal of Joan of Arc, a subject over which he had obsessed for forty years, studied for a dozen years and spent two years writing.[৯৩] In 1900 and again in 1908, he stated, "I like Joan of Arc best of all my books, it is the best." [৯৩][৯৪]

Those who knew Twain well late in life recount that he dwelt on the subject of the afterlife, his daughter Clara saying: "Sometimes he believed death ended everything, but most of the time he felt sure of a life beyond."[৯৫]

Mark Twain's frankest views on religion appeared in his final Autobiography, which was published 100 years after his death, in November 2010. In it, he said,[৯৬]

There is one notable thing about our Christianity: bad, bloody, merciless, money-grabbing, and predatory as it is--in our country particularly and in all other Christian countries in a somewhat modified degree--it is still a hundred times better than the Christianity of the Bible, with its prodigious crime--the invention of Hell. Measured by our Christianity of to-day, bad as it is, hypocritical as it is, empty and hollow as it is, neither the Deity nor his Son is a Christian, nor qualified for that moderately high place. Ours is a terrible religion. The fleets of the world could swim in spacious comfort in the innocent blood it has spilled.

Twain was a Freemason.[৯৭][৯৮] He belonged to Polar Star Lodge No. 79 A.F.&A.M., based in St. Louis. He was initiated an Entered Apprentice on May 22, 1861, passed to the degree of Fellow Craft on June 12, and raised to the degree of Master Mason on July 10.

Pen names[সম্পাদনা]

Twain used different pen names before deciding on "'Mark Twain". He signed humorous and imaginative sketches as "Josh" until 1863. Additionally, he used the pen name "Thomas Jefferson Snodgrass" for a series of humorous letters.[৯৯]

He maintained that his primary pen name came from his years working on Mississippi riverboats, where two fathoms, a depth indicating safe water for passage of boat, was measured on the sounding line. Twain is an archaic term for "two", as in "The veil of the temple was rent in twain." [১০০] The riverboatman's cry was "mark twain" or, more fully, "by the mark twain", meaning "according to the mark [on the line], [the depth is] two [fathoms]," that is, "The water is ১২ ফুট (৩.৭ মি) deep and it is safe to pass."

Twain claimed that his famous pen name was not entirely his invention. In Life on the Mississippi, he wrote:

Captain Isaiah Sellers was not of literary turn or capacity, but he used to jot down brief paragraphs of plain practical information about the river, and sign them "MARK TWAIN," and give them to the New Orleans Picayune. They related to the stage and condition of the river, and were accurate and valuable; ... At the time that the telegraph brought the news of his death, I was on the Pacific coast. I was a fresh new journalist, and needed a nom de guerre; so I confiscated the ancient mariner's discarded one, and have done my best to make it remain what it was in his hands – a sign and symbol and warrant that whatever is found in its company may be gambled on as being the petrified truth; how I have succeeded, it would not be modest in me to say.[১০১]

Twain's story about his pen name has been questioned by biographer George Williams III,[১০২] the Territorial Enterprise newspaper,[১০৩] and Purdue University's Paul Fatout.[১০৪] The claim is that "mark twain" refers to a running bar tab that Twain would regularly incur while drinking at John Piper's saloon in Virginia City, Nevada.

Legacy[সম্পাদনা]

Twain's legacy lives on today as his namesakes continue to multiply. Several schools are named after him, including Mark Twain Elementary School in Wheeling, Illinois and Mark Twain Elementary School in Houston, Texas, which has a statue of Twain sitting on a bench. There is also Mark Twain Intermediate School in New York. There are several schools named Mark Twain Middle School in different states, as well as Samuel Clemens High School in Schertz, near San Antonio, Texas. There are also other structures, such as the Mark Twain Memorial Bridge.

Mark Twain Village is a United States Army installation located in the Südstadt district of Heidelberg, Germany. It is one of two American bases in the United States Army Garrison Heidelberg that house American soldiers and their families (the other being Patrick Henry Village).

Awards in his name proliferate. In 1998, The John F. Kennedy Center for the Performing Arts created the Mark Twain Prize for American Humor, awarded annually. The Mark Twain Award is an award given annually to a book for children in grades four through eight by the Missouri Association of School Librarians. Stetson University in DeLand, Florida sponsors the Mark Twain Young Authors' Workshop each summer in collaboration with the Mark Twain Boyhood Home & Museum in Hannibal. The program is open to young authors in grades five through eight.[১০৫] The museum sponsors the Mark Twain Creative Teaching Award.[১০৬]

Twain's house, "Stormfield", in Redding, Connecticut (front view)

Buildings associated with Twain, including some of his many homes, have been preserved as museums. His birthplace is preserved in Florida, Missouri. The Mark Twain Boyhood Home & Museum in Hannibal, Missouri preserves the setting for some of the author's best known work. The home of childhood friend Laura Hawkins, said to be the inspiration for his fictional character Becky Thatcher, is preserved as the "Thatcher House." In May 2007, a painstaking reconstruction of the home of Tom Blankenship, the inspiration for Huckleberry Finn, was opened to the public. The family home he had built in Hartford, Connecticut, where he and his wife raised their three daughters, is preserved and open to visitors as the Mark Twain House.

Asteroid 2362 Mark Twain was named after him.

On December 4, 1985, the United States Postal Service issued a stamped envelope for "Mark Twain and Halley's Comet," noting the connection with Twain's birth, his death, and the comet.[১০৭] On June 25, 2011, the Postal Service released a Forever stamp in his honor.[১০৮]

Depictions[সম্পাদনা]

Twain is often depicted wearing a white suit. While there is evidence that suggests that, after Livy's death in 1904, Twain began wearing white suits on the lecture circuit, modern representations suggesting that he wore them throughout his life are unfounded. However, there is evidence of him wearing a white suit before 1904. In 1882, he sent a photograph of himself in a white suit to 18-year-old Edward W. Bok, later publisher of the Ladies Home Journal, with a handwritten dated note on verso. It did eventually become his trademark, as illustrated in anecdotes about this eccentricity (such as the time he wore a white summer suit to a Congressional hearing during the winter).[৩০] McMasters' The Mark Twain Encyclopedia states that Twain did not wear a white suit in his last three years, except at one banquet speech.[১০৯]

Actor Hal Holbrook created a one-man show called Mark Twain Tonight, which he has performed regularly for about ৬৪ years.[১১০] The broadcast by CBS in 1967 won him an Emmy Award. Of the three runs on Broadway (1966, 1977, and 2005), the first won him a Tony Award.

Twain was portrayed by Fredric March in the 1944 film The Adventures of Mark Twain. He was later brought to life by James Whitmore in the (similarly titled) 1985 Will Vinton Claymation film The Adventures of Mark Twain.

Bibliography[সম্পাদনা]

See also[সম্পাদনা]

References[সম্পাদনা]

  1. Ken Mills (Director) (জুলাই ২১, ২০০৯)। The Cartoonist: Jeff Smith, BONE and the Changing Face of Comics (Documentary)। Mills James Productions। 
  2. "The Mark Twain House Biography"। ২০০৬-১০-১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-১০-২৪ 
  3. "Mark Twain remembered by Google with a doodle"The Times of India। ৩০ নভেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১১ 
  4. "Obituary (New York Times)"। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-১২-২৭ 
  5. Jelliffe, Robert A. (১৯৫৬)। Faulkner at Nagano। Tokyo: Kenkyusha, Ltd। 
  6. "Inventing Mark Twain". 1997. New York Times.
  7. Kaplan, Fred (২০০৭)। "Chapter 1: The Best Boy You Had 1835–1847"। The Singular Mark Twain। Doubleday। আইএসবিএন 0-385-47715-5  অজানা প্যারামিটার |month= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য). Cited in "Excerpt: The Singular Mark Twain"। About.com: Literature: Classic। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-১০-১১ 
  8. "Mark Twain's Family Tree" (PDF)। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-০১-০১ 
  9. "Mark Twain, American Author and Humorist"। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-১০-২৫ 
  10. Lindborg, Henry J.। Adventures of Huckleberry Finn। ২০০৯-১১-০১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-১১-১১ 
  11. "Mark Twain quotations – father – John Marshall Clemens"। Twainquotes.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-১২-৩০ 
  12. "John Marshall Clemens"। State Historical Society of Missouri। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-১০-২৯ 
  13. Life on the Mississippi, chapter 15
  14. Autobiography
  15. For a further account of Twain's involvement with parapsychology, see Blum, Deborah, Ghost Hunters: William James and the Search for Scientific Proof of Life After Death" (Penguin Press, (2006).
  16. J.r. Lemaster (১৯৯৩)। The Mark Twain Encyclopedia। Taylor & Francis। পৃষ্ঠা 147। 
  17. "Mark Twain Biography"। The Hannibal Courier-Post। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১১-২৫ 
  18. Comstock Commotion: The Story of the Territorial Enterprise and Virginia City News, Chapter 2.
  19. "Mark Twain quotations" 
  20. The Virtual Museum of the City of San Francisco. Samuel Dickson. Isadora Duncan (1878–1927). Retrieved on July 9, 2009.
  21. "Samuel Clemens"। PBS:The West। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-০৮-২৫ 
  22. Mark Twain, Edgar Marquess Branch, Michael B. Frank, Kenneth M. Sanderson। Mark Twain's Letters: 1867–1868। Books.google.com। 
  23. "Concerning Mark Twain"The Week : a Canadian journal of politics, literature, science and arts1 (11): 171। ১৪ ফেব্রু ১৮৮৪। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০১৩ 
  24. "Mrs. Jacques Samossoud Dies; Mark Twain's Last Living Child; Released 'Letters From Earth'"। New York Times। November 21, 1962, Wednesday। San Diego, California, Nov. 20 (UPI) Mrs. Clara Langhorne Clemens Samossoud, the last living child of Mark Twain, died last night in Sharp Memorial Hospital. She was 88 years old.  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য);
  25. "Twain's Home in Elmira"Elmira College Center for Mark Twain Studies। সংগ্রহের তারিখ মে ১, ২০১১ 
  26. Hal Bush (Advent-Christmas 2010)। "A Week at Quarry Farm"The Cresset, A review of literature, the arts, and public affairs, Valparaiso University। সংগ্রহের তারিখ May 1, 2011  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  27. J. Niemann, Paul (2004-11)। Invention Mysteries (Invention Mysteries Series)। Horsefeathers Publishing Company। পৃষ্ঠা 53–54। আইএসবিএন 0-9748041-0-X  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  28. Staff. Consumer Price Index (estimate) 1800–2012. Federal Reserve Bank of Minneapolis. Retrieved February 22, 2012.
  29. "Mark Twain House website – Paige Compositor page"। Marktwainhouse.org। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-১২-৩০ 
  30. Kirk, Connie Ann (২০০৪)। Mark Twain – A Biography। Connecticut: Greenwood Printing। আইএসবিএন 0-313-33025-5 
  31. Lauber, John. The Inventions of Mark Twain: a Biography. New York: Hill and Wang, 1990.
  32. Shillingsburg, M.। "Smythe, Robert Sparrow (1833–1917)"অস্ট্রেলিয়ান ডিকশনারি অফ বায়োগ্রাফি (ইংরেজি ভাষায়)। ক্যানবেরা: অস্ট্রেলীয় জাতীয় বিশ্ববিদালয়। সংগ্রহের তারিখ ৩০ আগস্ট ২০১৩ 
  33. Barbara Schmidt। "Chronology of Known Mark Twain Speeches, Public Readings, and Lectures"। marktwainquotes.com। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১০ 
  34. Cox, James M. Mark Twain: The Fate of Humor. Princeton University Press, 1966.
  35. Judith Yaross Lee, "Mark Twain as a Stand-up Comedian," The Mark Twain Annual (2006) #4 pp 3–23
  36. Paine, A. B., Mark Twain: A Biography, Harper, 1912 page 1095
  37. LeMaster J. R., The Mark Twain Encyclopedia, Taylor & Francis, 1993 page 50
  38. "The Mark Twain House"। ২০০৬-১০-১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-১১-১৭ 
  39. TwainQuotes.com The Story Behind the A. F. Bradley Photos, Retrieved on July 10, 2009.
  40. LeMaster J. R., The Mark Twain Encyclopedia, Taylor & Francis, 1993 page 28
  41. New York Times, 16 March 1962, DOROTHY QUICK, POET AND AUTHOR: Mystery Writer Dies - Was Friend of Mark Twain
  42. Albert Bigelow Paine। "Mark Twain, a Biography"। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-১১-০১ 
  43. Esther Lombardi, about.com"Mark Twain (Samuel Langhorne Clemens)"। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-১১-০১ 
  44. "Mark Twain is Dead at 74. End Comes Peacefully at His New England Home After a Long Illness."। The New York Times। এপ্রিল ২২, ১৯১০। Danbury, Connecticut, April 21, 1910. Samuel Langhorne Clemens, "Mark Twain," died at 22 minutes after 6 to-night. Beside him on the bed lay a beloved book – it was Carlyle's " French Revolution" – and near the book his glasses, pushed away with a weary sigh a few hours before. Too weak to speak clearly, "Give me my glasses," he had written on a piece of paper. 
  45. "Mark Twain's funeral"। Twainquotes.com। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১২-০৪ 
  46. "Elmira Travel Information"। Go-new-york.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-১২-৩০ 
  47. "Elmira Travel Information"। Go-new-york.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-১২-৩০ 
  48. Baskin, R. N. (Robert Newton); Madsen, Brigham D. (২০০৬)। Reminiscences of early Utah : with, Reply to certain statements by O. F. Whitne। Salt Lake City: Signature Books। পৃষ্ঠা 281। আইএসবিএন 978-1-56085-193-6 
  49. Gary Scharnhorst, সম্পাদক (নভেম্বর ২৮, ২০১০)। Twain in His Own Time: A Biographical Chronicle of His Life, Drawn from Recollections, Interviews, and Memoirs by Family, Friends, and AssociatesWriters in Their Own Time (first সংস্করণ)। University Of Iowa Press। পৃষ্ঠা 290। আইএসবিএন 978-1-58729-914-8 
  50. DeQuille, Dan; Twain, Mark (জুলাই ১৮৯৩)। "Reporting With Mark Twain"। The Californian Illustrated Magazine। 
  51. "The Sagebrush School Nevada Writers Hall of Fame 2009"University of Nevada, Reno। অক্টোবর ২৮, ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  52. Reading the American Novel 1865 – 1914 G. R. Thompson; John Wiley & Sons, Feb 7, 2012; 462 pages; page 29
  53. Powers, Ron (২০০৫)। Mark Twain: A Life। New York: Free Press। পৃষ্ঠা 471–473। আইএসবিএন 978-0-7432-4899-0 
  54. from Chapter 1 of The Green Hills of Africa
  55. "American Experience – People & Events: Samuel Langhorne Clemens, 1835–1910"। PBS। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-১১-২৮ 
  56. Twain, Mark. Fenimore Cooper's Literary Offenses. From Collected Tales, Sketches, Speeches and Essays, from 1891–1910. Edited by Louis J. Budd. New York: Library of America, 1992.
  57. Feinstein, George W (১৯৪৮)। "Twain as Forerunner of Tooth-and-Claw Criticism"Modern Language Notes63 (1): 49–50। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১২  অজানা প্যারামিটার |month= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
  58. "After keeping us waiting for a century, Mark Twain will finally reveal all" The Independent 23 May 2010 Retrieved 29 May 2010
  59. "Dead for a Century, He's Ready to Say What He Really Meant" The New York Times 9 July 2010. Retrieved 9 July 2010.
  60. "Mark Twain's Big Book"NY Times। নভেম্বর ২৬, ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-১১-২৭an enormous hit, apparently much to the surprise of its publisher 
  61. Schuessler, Jennifer। "Hardcover Nonfiction – List"। NY Times। 
  62. Frederick Anderson, ed., A Pen Warmed Up in Hell: Mark Twain in Protest (New York: Harper, 1972), p. 8, cited in Helen Scott's "The Mark Twain they didn't teach us about in school" (2000) in International Socialist Review 10, Winter 2000, pp.61–65
  63. From Andrew Jay Hoffman, Inventing Mark Twain: The Lives of Samuel Langhorne Clemens (New York: William Morrow, 1997), cited in Helen Scott's "The Mark Twain they didn't teach us about in school" (2000) in International Socialist Review 10, Winter 2000, pp.61–65
  64. David Zmijewski, "The Man in Both Corners: Mark Twain the Shadowboxing Imperialist," Hawaiian Journal of History, 2006, Vol. 40, pp 55–73
  65. quoted in Everett Emerson, The Authentic Mark Twain: A Literary Biography of Samuel L. Clemens (1984) p. 234
  66. Paine, ed. Letters 2:663; Ron Powers, Mark Twain: a life (2005) p. 593
  67. Mark Twain's Weapons of Satire: Anti-Imperialist Writings on the Philippine-American War. (1992, Jim Zwick, ed.) আইএসবিএন ০-৮১৫৬-০২৬৮-৫
  68. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; helen-scott নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  69. Adam Hochschild (১৯৯৮)। King Leopold's ghost : a story of greed, terror, and heroism in colonial Africa। Houghton Mifflin। আইএসবিএন 978-0-395-75924-0ওসিএলসি 39042794 
  70. Jeremy Harding (সেপ্টেম্বর ২০, ১৯৯৮)। "Into Africa"New York Times 
  71. Maxwell Geismar, ed., Mark Twain and the Three Rs: Race, Religion, Revolution and Related Matters (Indianapolis: Bobs-Merrill, 1973), p.169, cited in Helen Scott's "The Mark Twain they didn't teach us about in school" (2000) in International Socialist Review 10, Winter 2000, pp.61–65
  72. Maxwell Geismar, ed., Mark Twain and the Three Rs: Race, Religion, Revolution and Related Matters (Indianapolis: Bobs-Merrill, 1973), p.159
  73. Philip S. Foner, Mark Twain: Social Critic (New York: International Publishers, 1958), p. 200
  74. Maxwell Geismar, ed., Mark Twain and the Three Rs: Race, Religion, Revolution and Related Matters (Indianapolis: Bobs-Merrill, 1973), p. 98
  75. Paine, A. B., Mark Twain: A Biography, Harper, 1912 page 701
  76. "The Votes for Women Speech by Mark Twain"। Famousquotes.me.uk। ২০০৭-০৫-২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-১০-১৬ 
  77. "Mark Twain, Indian Hater"। Blue Corn Comics। ২০০১-০৫-২৮। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৭-০৯ 
  78. Twain, Mark, In defense of Harriet Shelley and Other Essays, Harper & Brothers, 1918. page 68
  79. Twain, Mark. 2008. Following the Equator. p.94–98
  80. Philip S. Foner, Mark Twain: Social Critic (New York: International Publishers, 1958), p.98
  81. Philip S. Foner, Mark Twain: Social Critic (New York: International Publishers, 1958), p. 169, cited in Helen Scott's "The Mark Twain they didn't teach us about in school" (2000) in International Socialist Review 10, Winter 2000, pp.61–65
  82. "Mark Twain Quotations – Vivisection"। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-১০-২৪ 
  83. Huberman, Jack (২০০৭)। The Quotable Atheist। Nation Books। পৃষ্ঠা 303–304। আইএসবিএন 978-1-56025-969-5 
  84. Dempsey, Terrell, BOOK REVIEW: Mark Twain's Religion. William E. Phipps 2004 Mark Twain Forum
  85. Twain, Mark, ed. by Paul Baender. 1973. What is man?: and other philosophical writings. P.56
  86. Phipps, William E., Mark Twain's Religion, pp. 263–266, 2003 Mercer Univ. Press
  87. Twain, Mark, ed. by Paul Baender. 1973. What is man?: and other philosophical writings. Pp.10, 486
  88. Mark Twain, "To the Person Sitting in Darkness," The North American Review 182:531 (February 1901):161–176; AntiImperialist.com
  89. Mark Twain, "To My Missionary Critics," The North American Review 172 (April 1901):520–534; AntiImperialist.com
  90. Gelb, Arthur (আগস্ট ২৪, ১৯৬২)। "Anti-Religious Work by Twain, Long Withheld, to Be Published"The New York Times। পৃষ্ঠা 23। আইএসএসএন 1523315 |issn= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৪-২২ 
  91. Twain, Mark (১৯৭২)। "Little Bessie"। John S. Tuckey (ed.), Kenneth M. Sanderson (ed.), Bernard L. Stein (ed.), Frederick Anderson (ed.)। Mark Twain's Fables of Man। California: University of California Pressআইএসবিএন 978-0-520-02039-9 
  92. "Church Aided by Twain Is in a Demolition Dispute"The New York TimesAssociated Press। এপ্রিল ২, ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১০-০৫ 
  93. Paine, Albert Bigelow, The Adventures of Mark Twain, p. 281, Kessinger 2004
  94. Goy-Blanquet, Dominique, Joan of Arc, a saint for all reasons: studies in myth and politics, p. 132, 2003 Ashgate Publishing
  95. Phipps, William E., Mark Twain's Religion, p. 304, 2003 Mercer Univ. Press
  96. PBS NewsHour (জুলাই ৭, ২০১০)। "Mark Twain's Autobiography Set for Unveiling, a Century After His Death"। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ৭, ২০১০ 
  97. "Grand Master of Missouri Lecture" 
  98. "Mark Twain Masonic Awareness Award: About The Award" 
  99. Thomas Jefferson Snodgrass, (Charles Honce, James Bennet, ed.), Pascal Covici, Chicago, 1928
  100. http://bible.cc/matthew/27-51.htm
  101. Life on the Mississippi, chapter 50
  102. Williams, III, George (১৯৯৯)। "Mark Twain Leaves Virginia City for San Francisco"। Mark Twain and the Jumping Frog of Calaveras County: How Mark Twain's humorous frog story launched his legendary career। Tree By The River Publishing। আইএসবিএন 0-935174-45-1  Cited in "Excerpt: The Singular Mark Twain"। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-০৬-২৬ 
  103. "Origin of Twain's Name Revealed"। Territorial-enterprise.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-১২-৩০ 
  104. "Mark Twain's Nom de Plume." American Literature, v 34, n 1 (March, 1962), pp 1–7. ডিওআই:10.2307/2922241.
  105. The First Annual Mark Twain Young Authors Workshop. Stetson University.
  106. The Mark Twain Boyhood Home Museum: Education
  107. Scott Specialized Catalog of U.S. Stamps & Covers, various editions, catalogue number UC60, issued in Hannibal MO
  108. Allen Pierleoni (জুন ২৬, ২০১১)। "Postal Service unveils a Forever stamp of Mark Twain"The Sacramento Bee 
  109. Lemaster, J. R; Wilson, James Darrell; Hamric, Christie Graves (১৯৯৩)। The Mark Twain encyclopedia। Books.google.com। আইএসবিএন 978-0-8240-7212-4। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-১০-১৬ 
  110. Malia Wollan (জানুয়ারি ২৪, ২০১১)। "Mark Twain. Now a Career for the Mustachioed"New York Times... has played Twain going on 57 years, longer than Samuel Langhorne Clemens did. 

Further reading[সম্পাদনা]

External links[সম্পাদনা]

Works by Mark Twain
Academic studies
Life
Other

টেমপ্লেট:Twain টেমপ্লেট:The Prince and the Pauper টেমপ্লেট:Adventures of Huckleberry Finn টেমপ্লেট:The Adventures of Tom Sawyer টেমপ্লেট:A Connecticut Yankee in King Arthur's Court



টেমপ্লেট:Persondata