ব্যবহারকারী:Owais Al Qarni/খেলাঘর ১০

    উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

    মানুষ ও পরিবার[সম্পাদনা]

    মানব সৃষ্টি[সম্পাদনা]

    মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। আল্লাহ তা‘আলা মানুষ সৃষ্টি করেছেন। হযরত আদম (আ.) পৃথিবীর প্রথম মানুষ। আল্লাহ তা‘আলা হযরত আদম (আ.) কে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন এবং তঁার মধ্যে রূহ ফুঁকে দিয়েছেন। হযরত আদম (আ.) কে সৃষ্টি করে তঁার থেকে তঁার সঙ্গিনী হযরত হাওয়া (আ.) কে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা হযরত আদম (আ.) কে সৃষ্টি করে সকল বস্তুর নাম গুণাগুণসহ শিক্ষা দিয়েছেন। হযরত আদম (আ.)-এর মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা তঁার প্রতিনিধি পৃথিবীতে প্রেরণ করতে চেয়েছেন। মানুষকে আল্লাহ তা‘আলা ফেরেশতাদের থেকেও মর্যাদা দান করেছেন। হযরত আদম (আ.) নবী ও রাসূল ছিলেন। তিনি ছিলেন আল্লাহর প্রতিনিধি। পৃথিবীতে আল্লাহর খিলাফাত প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি আদিষ্ট ছিলেন। হযরত আদম (আ.)-এর পর তঁার সন্তানগণ নবুওত লাভের মাধ্যমে খিলাফাতের ধারা অব্যাহত রেখেছেন। আল্লাহ তা‘আলা আদমকে মাটি হতে সৃষ্টি করেছেন আর সকল মানুষ আদম (আ.) থেকে সৃষ্টি হয়েছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মানব সৃষ্টির তথ্য উদঘাটন করতে হলে আমাদেরকে মানব সৃষ্টির প্রাথমিক অবস্থার দিকে দৃষ্টিপাত করতে হবে। আর তাতে দেখা যায় যে, মানব সৃষ্টির সূচনা মাটি থেকে হয়েছে। মানব সৃষ্টির দ্বিতীয় পর্ব হল-মানুষ বীর্য থেকে সৃষ্টি। আল-কুরআনের আলোকে মানব সৃষ্টির এ দুটো পর্ব সম্পর্কে নিম্নে আলোকপাত করা হলো-আল্লাহ তা‘আলা বলেন-‘যিনি তঁার প্রত্যেকটি সৃষ্টিকে উত্তমরূপে সুন্দর করেছেন এবং কাদামাটি থেকে মানব সৃষ্টির সূচনা করেছেন। অতঃপর তিনি তঁার বংশধর সৃষ্টি করেন তুচ্ছ তরল পদার্থের নির্যাস থেকে। অতঃপর তিনি তঁাকে সুষম করেন এবং তাতে রূহ সঞ্চার করেন এবং তোমাদেরকে দেন কান, চোখ ও অন্তঃকরণ। তোমরা সামান্যই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।’ (সুরা আস-সাজ্দাহ: ৭-৯)‘আর আপনার পালনকর্তা যখন ফেরেশতাদেরকে বললেন, আমি পঁচা গন্ধযুক্ত মাটির শুকনো ঠনঠনে মাটি মানুষ সৃষ্টি করছি, অতঃপর যখন তাকে ঠিকঠাক করে নেব এবং তাতে আমার পক্ষ থেকে রূহ ফুঁক দেব। তখন তোমরাতার সামনে সেজদাবনত হয়ে যেয়ো’। (সুরা আল-হিজর: ২৮-২৯) সুরা আত-তারিক এ বর্ণিত হয়েছে-‘অতঃপর মানুষের দেখা উচিত কোন বস্তু দ্বারা সে সৃষ্টি হয়েছে। সে সৃজিত হয়েছে সবেগে স্খলিত পানি থেকে।’ (সুরা আত-তারিক : ৫-৬) সুরা ইয়াসীনে মানব সৃষ্টি সম্পর্কে বলা হয়েছে-‘তারা কি দেখে না যে, তাদের জন্য আমি আমার নিজ হাতের তৈরি বস্তুর দ্বারা চতুষ্পদ জন্তু সৃষ্টি করেছি, অতঃপর তারাই এগুলোর মালিক।’ (সুরা ইয়াসীন : ৭১) এ আয়াতের দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, মানব জাতিসহ পৃথিবীতে যত প্রাণি আছে সবকিছুই আল্লাহর সৃষ্টি, কোন কিছুই এমনিতে সৃষ্টি হয়ে যায়নি। সবকিছু আল্লাহ তা‘আলা নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন। এটা সরাসরি আল্লাহর কাজ। তা সত্ত্বেও আল্লাহ তা‘আলা দয়া করে মানুষকে সকল বস্তুর মালিকানা দিয়েছেন। মানব সৃষ্টির বিষয়টি আল্লাহ তা‘আলা আরো বিস্তৃতভাবে উল্লেখ করেছেন। আল-কুর’আনে বর্ণিত হয়েছে-‘আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মাটির উপাদান থেকে। এরপর আমি তাকে শুক্রবিন্দুরূপে স্থাপন করি এক নিরাপদ আধারে। অতঃপর আমি শুক্রবিন্দুকে পরিণত করি রক্তপিন্ডে এবং রক্তপিন্ডকে পরিণত করি মাংসপিন্ডে। এরপর মাংসপিন্ডকে পরিণত করি অস্থি-পঞ্জরে; অতঃপর অস্থি-পঞ্জরকে ঢেকে দেই গোশত দ্বারা। অবশেষে তাকে গড়ে তুলি অন্য এক সৃষ্টিরূপে। অতএব সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ কত মহান!’ (সুরা আল-মুমিনুন : ১২-১৪) উপরের আয়াত থেকে এ কথা স্পষ্ট ভাবে প্রতীয়মান হয় যে, মাটির সারাংশ দ্বারা মানুষকে সৃষ্ট করা হয়েছে। মানব সৃষ্টির সুচনা হয় হযরত আদম (আ.) থেকে এবং তঁার সৃষ্টি মাটির সারাংশ থেকে হয়েছে। তাই প্রথম সৃষ্টিকে মাটির সাথে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে। এরপর এক মানুষের শুক্র অন্য মানুষের সৃষ্টির কারণ হয়েছে। দ্বিতীয় পরবর্তী আয়াতে, ثُمَّ جَعَلْنَـٰهُ نُطْفَةًۭ বলে একথাই বর্ণনা করা হয়েছে। আলোচ্য আয়াতে মানব সৃষ্টির সাতটি স্তর উল্লেখ করা হয়েছে। সর্বপ্রথম স্তর মাটির সারাংশ, দ্বিতীয়তঃ বীর্য, তৃতীয়তঃ জমাট রক্ত, চতুর্থতঃ মাংসপিন্ড, পঞ্চমতঃ অস্থি িঞ্জর, ষষ্ঠতঃ অস্থিকে মাংশ দ্বারা আবৃত্তকরণ এবং সপ্তমতঃ সৃষ্টির পূর্ণত্ব অর্থাৎ রূহ সঞ্চার। আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন-‘তিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদেরকে একই ব্যক্তি থেকে। অতঃপর তা থেকে তার যুগল সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি তোমাদের আট প্রকার চতুষ্পদ জন্তু দিয়েছেন। তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন তোমাদের মাতৃগর্ভে পর্যায়ক্রমে একের পর এক ত্রিবিধ অন্ধকারে। তিনিই আল্লাহ, তোমাদের পালনকর্তা, সাম্রাজ্য তঁারই। তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। তবে তোমরা মুখ ফিরিয়ে কোথায় চলছো?’ (সুরা আয-যুমার: ৬) উল্লিখিত আয়াতে মানব সৃষ্টিতে আল্লাহর কুদরতের কিছু রহস্য উন্মোচন করা হয়েছে। প্রথমতঃ আল্লাহর কুদরতে এটাও ছিল যে, তিনি মায়ের পেটে সন্তানকে একই সময়ে পুর্ণাঙ্গরূপে সৃষ্টি করতে পারতেন। কিন্তু উপযোগিতার তাগিদে এরূপ করেননি বরং পর্যায়ক্রমে সৃষ্টি করার পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন। ফলে যে নারীর গর্ভে এ ক্ষুদ্র জগৎ সৃষ্টি হতে থাকে সে ধীরে ধীরে এই বোঝা বহনে অভ্যস্ত হতে পারে। দ্বিতীয়তঃ এই অনুপম সুন্দর সৃষ্টির মধ্যে শত শত সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি এবং রক্ত ও প্রাণ সঞ্চালনের জন্য চুলের মত সূক্ষ্ম শিরা উপশিরার স্থান করা হয়। কিন্তু সাধারণ শিল্পীদের মত এ কাজ কোন খোলা জায়গায় আলোর সাহায্যে করা হয় না। বরং তিনটি অন্ধকারের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। যেখানে কোন মানুষের পক্ষে কিছু করা তো দূরের কথা চিন্তা-কল্পনাও সেখানে পেঁৗছার পথ পায় না।

    মানুষের মর্যাদা[সম্পাদনা]

    পরিবারের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা[সম্পাদনা]

    পরিবারের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ[সম্পাদনা]

    পরিবারের গঠন ও শ্রেণিবিন্যাস[সম্পাদনা]

    পরিবারের কার্যাবলি[সম্পাদনা]

    আদর্শ পরিবারের স্বরূপ[সম্পাদনা]

    ইসলামে নারীর মর্যাদা ও অধিকার[সম্পাদনা]

    পারিবারিক সংগঠন[সম্পাদনা]

    বিবাহ ও এর প্রয়োজনীয়তা[সম্পাদনা]

    বিবাহে পাত্র-পাত্রী নির্বাচন[সম্পাদনা]

    স্বামী-স্ত্রীর অধিকার ও কর্তব্য[সম্পাদনা]

    মাতা-পিতা ও সন্তানের সম্পর্ক[সম্পাদনা]

    গৃহ পরিচারক ও গৃহকর্তার সম্পর্ক[সম্পাদনা]

    পারিবারিক বিধান[সম্পাদনা]

    বিবাহ[সম্পাদনা]

    মাহর[সম্পাদনা]

    যাদের সঙ্গে বিবাহ অবৈধ[সম্পাদনা]

    বিবাহ বিচ্ছেদ কি ও কেন[সম্পাদনা]

    বিবাহ বিচ্ছেদের পদ্ধতি[সম্পাদনা]

    পুনঃবিবাহ[সম্পাদনা]

    বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত শরী‘আতের পরিভাষা ও বিধান[সম্পাদনা]

    পরিবার পরিকল্পনা[সম্পাদনা]

    পরিবার পরিকল্পনা[সম্পাদনা]

    জন্মনিয়ন্ত্রণ ও আযল[সম্পাদনা]

    গর্ভধারণ ও সন্তান প্রতিপালন[সম্পাদনা]

    সন্তানের শিক্ষাদান[সম্পাদনা]

    উত্তরাধিকারের বিধান[সম্পাদনা]

    সম্পদের উত্তরাধিকার[সম্পাদনা]

    পুরুষদের নির্ধারিত অংশ[সম্পাদনা]

    নারীদের নির্ধারিত অংশ[সম্পাদনা]

    হিবা-দানপত্রের বিধান[সম্পাদনা]

    ওসিয়াতের বিধান[সম্পাদনা]

    ইসলামে সমাজ[সম্পাদনা]

    সমাজের পরিচয় ও গঠন[সম্পাদনা]

    মানব সমাজের উৎপত্তি ও বিকাশ[সম্পাদনা]

    মানব প্রকৃতি ও সমাজ জীবন[সম্পাদনা]

    জীবনের নিরাপত্তা বিধানে ইসলামী সমাজ[সম্পাদনা]

    সম্পদের নিরাপত্তা বিধানে ইসলামী সমাজ[সম্পাদনা]

    সাম্য- মৈত্রী ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় ইসলামী সমাজ[সম্পাদনা]

    ইসলামী সমাজে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সম্পর্কের গুরুত্ব[সম্পাদনা]

    ইসলামী সমাজে প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক[সম্পাদনা]

    ইসলামী সমাজে মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক[সম্পাদনা]

    ইসলামের নীতিমালা[সম্পাদনা]

    ইসলামে সমাজ জীবনের গুরুত্ব[সম্পাদনা]

    কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠায় ইসলাম[সম্পাদনা]

    সামাজিক অনাচার প্রতিরোধে আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

    সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে ইসলামে শাস্তির বিধান[সম্পাদনা]

    আদর্শ সমাজ গঠনে মসজিদের ভূমিকা[সম্পাদনা]

    আরও দেখুন[সম্পাদনা]

    তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]