ব্যবহারকারী:রিয়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ঐশিক!
— উইকিপিডিয়ান —
Hirok Raja.jpg
জন্ম১৬ জৈষ্ঠ্য,১৪০৮
মাইজবাগ, ঈশ্বরগঞ্জ, ময়মনসিংহ
জাতীয়তাবাংলাদেশি
দেশ বাংলাদেশ
বর্তমান অবস্থানসদর, ময়মনসিংহ
ভাষা১ম- মাতৃভাষা বাংলা
২য়- ইংরেজি
৩য়- অসমীয়া
৪র্থ- নেপালি
সময় অঞ্চলইউসিটিসি-৬
বর্তমান সময়ইউটিসি+৬:০০ এর জন্য বর্তমান সময় হল ০৮:০৫
উচ্চতা৫’ ৮’’
চুলধূসর কালো
চোখধূসর কালো
রক্তের ধরনবি+
যৌন অভিমুখীতা উভ-ধী
পরিবার এবং বন্ধু-বান্ধব
বৈবাহিক অবস্থাঅবিবাহিত
পোষ্যপ্রিন্স (সারমেয়)
শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান
শিক্ষাস্নাতক (সম্মান)
প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • কুমুরিয়ারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • ছোট্ট উত্তমপুর ব্র্যাক প্রাথমিক বিদ্যালয়
মাধ্যমিক বিদ্যালয়মল্লিকপুর লক্ষীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়
কলেজ রয়েল মিডিয়া কলেজ
শখ, পছন্দ এবং বিশ্বাস
ধর্মনিধার্মিক (বাস্তুবাদ)
চলচ্চিত্রমাইন্ড ইউর ল্যাংগুয়েজ
বইময়ূরাক্ষী, রুদ্রমঙ্গল, আমরা কেউ বাসায় নেই, মামার বিয়ের বরযাত্রী
যোগাযোগের তথ্য
ফেসবুক/dadabhaie.fb
স্বাক্ষরহীরক রাজা

কিছু কথা

আমি প্রবল অন্তর্মুখী। কারো অপমান খুব বেশি গায়ে মাখি না। ভিড়ের মধ্যে থাকা একদমই পছন্দ করি না। তাই বাইরেও খুব কম বের হই, ঘরকুনো মানুষ। আমি দিনের পর দিন ঘরে বসে কাটিয়ে দিতে পারি। একটুও বিরক্ত লাগে না। তাই একদিকে ভালো হয়েছে যে বাবা-মা আমাকে অন্ধের মত বিশ্বাস করে। সহজে কারো উপর রাগ না করলেও যখন করি তখন দীর্ঘ সময় রাগ করি থাকি। যে যতই বুঝাক আমি কমপক্ষে এক মাস রাগ ধরে রাখব, ইচ্ছা হলে তারও বেশি সময়। যাকে আমার একবার অপছন্দ হয় তার শতগুণ শুনলেও আমার তাকে আর ভাল লাগে না, তাকে আমি খোঁচা মারবই মারব। তবে মনের মত মানুষ হলে অবিরাম বকবক করতে পারি রাজনীতি থেকে হস্তমৈথুন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে, মুখে কিছু আটকাবে না। আমার কথা শোনার ধৈর্য্য একেবারে মাহাকাশ লেভেলের। মানে আপনি চাইলে আমার সাথে আপনার সুখ-দুঃখ সহ যেকোনো অনুভূতি, অভিযোগ শেয়ার করতে পারবেন। আমি সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে শুনতে পারবো। কোনো ব্যাপারই না। জীবনে যাকে একবার দেখেছি তাকে আজীবন মনে থাকবে (কিন্তু খাবারের কথা মনে থাকে না। সকালে খেয়েছি কিনা দুপুরে বলতে পারিনা!! কোথাও বেড়াতে গেলে কি দিয়ে খেয়ে এসেছি আম্মু জিজ্ঞেস করলে বেক্কল হয়ে যাই)। তবে বেশিরভাগ সময়ই চুপচাপ থাকি, তখন কোন কথাই বলি না। কেউ কেউ ভাবে এটা জিনে ধরার লক্ষণ। তবে আমি জিনেও বিশ্বাসী নই। অবশ্য নিজ এলাকার বাইরে গেলে দোকানদারদের সাথে সখ্যতা জমে ভালো। বাড়িতে নিজের ইচ্ছামত একা একা কথা বলি। মনে মনে সারাদিন কিছু না কিছু ভাবতে থাকি। বৃষ্টি আসলে গান গাই গলায় তখন সুর আসে, বাকি সময় গথা ব্যাঙের মত ম্যাকু ম্যাকু কণ্ঠ্য থাকে। তবে মাঝে মাঝে নিজের কথার প্রেমে পড়ি, নিজের চেহারার প্রতিও। মনের দিক দিয়ে আমি অতি সাধারন ও নরম মনের এমনকি একজন স্বার্থপর মানুষ। শরীরে গঠনের কথা বললে এটাই বলব যে বেশি বাতাসে বাইরে বেরুই না, উড়ে যাবো বলে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে পছন্দ করি। বাড়ি অগোছালো থাকলে আমার দম বন্ধ হয়ে আসে। রূপচর্চা বা মেকআপ করা একদমই পছন্দ করি না। যারা মেকআপ বেশি করে তাদেরও পছন্দ করি না। আমি বই পড়তে পছন্দ করি। পড়াশোনার বাইরের বই অবশ্যই। একবার মনোযোগ দিয়ে পড়তে শুরু করলে খাওয়া-নাওয়ার কথা ভুলে যাই। আমার সময় কেটে যায় কোনো প্যাঁরা ছাড়াই। কোন অঙ্ক একবার শুরু করলে শেষ পর্যন্ত তার গোষ্ঠী উদ্ধার করেই ছাড়ি। গেম খেলা, ছবি তোলা অপছন্দ করি। বিশেষ করে টিকটক আর লাইকি তো আমার দুই চোখের বিষ। লুডু ছাড়া আর কোন খেলাধুলা করা হয়না কখনো। জীবনে একবারই ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলাম, তাতে পড়ে গিয়ে যে শিক্ষা হয়েছে সেই শিক্ষাতেই লেখাপড়া চলছে। সব মিলিয়ে আমার যা আছে তাতে আমি খুব খুশি। অন্যদের সাথে তুলনা করে খুঁতখুঁত করা আমার স্বভাবে নেই। কোনোকিছু নিয়ে আফসোস করি না আর অন্য কেউ করলে তাকে সেই আফসোস থেকে অনেকটাই বার করে আনতে সফল হই। চট করে কাউকে judge করে ফেলিনা, তার জায়গায় আগে নিজেকে রেখে ভাবি। দুটো জিনিসের পিছনে টাকা খরচ করতে হাত আগায় না: খাবার ও পোশাক। আমি অনেক মিতব্যয়ী। খেয়াল রাখবেন, কিপটে নই অবশ্যই, মিতব্যয়ী। প্রয়োজন পড়লে অবশ্যই খরচ করি অর্থ। সে নিজের জন্যে হোক বা বন্ধুদের জন্যে।

পছন্দ-অপছন্দ[সম্পাদনা]

আমার দুর্বলতার মধ্যে অন্যতম হল পছন্দের বিষয় ঠিক করতে পারিনা। একটা শার্ট কিনতে গেলে ঘাম ছুটে যায়, তবে শার্ট পছন্দ করতে পারি না। কাউকে এখনো জীবনসঙ্গী রূপেও পছন্দ হয়নি। প্রেমিক/প্রেমিকার সাথে অর্থনীতি, রাজনীতি, সমাজতন্ত্র, প্রজাতন্ত্র, গণতন্ত্র, মার্ক্সবাদ, নারীবাদ, শিক্ষা, শিল্প, সাহিত্য, বানিজ্য, ঈশ্বরবাদ, মহাকাশ, সৌরজগত, প্রােগ্রামিং, ধর্ম, অধর্ম, আস্তিক্যবাদ, নাস্তিক্যবাদ, স্বাস্থ্য সচেতনতা, জলবায়ুর পরিবর্তন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে মন খুলে কথা বলা না গেলে তাকে আমার চাই না। আসলে সেরকম কাউকে পাইনা!! আজকাল আমার প্রত্যাশার মতো এমন ছেলেমেয়ে কোনটাই পাওয়া যায় না। কিছু কিছু মানুষের সাথে হঠাৎ করেই পরিচয় হয়, খুব ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে ।কিন্তু অবাক লাগে মানুষ গুলো যতো তাড়াতাড়ি জীবনে আসে, ঠিক ততোটা তাড়াতাড়ি চলে যায়। এরা কোনো কষ্ট দেয় না, শুধু কিছু স্মৃতি করে রাখার মুহুর্ত দিয়ে যায়। জানি না……কেন? রবীন্দ্রসঙ্গীতের প্রতি আলাদা একটা টান আছে। ইংরেজি গান একটু বেশিই শোনা হয় আজকাল। প্রিয় ফুল বলতে কচুরিপানা ছাড়া কিছু খুঁজে পাইনি। রাতের বেলা একা রাস্তায় হাঁটতে ভালো লাগে। এক দিনও মিস হয়না প্রতিদিন এটা করি। পেকে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ধানক্ষেত ভালো লাগে, সরিষা ও কচুক্ষেতও ভালো লাগে; পাটক্ষেতের বিষয়টা নিয়ে সন্দিহান, শৈশবে এটাকে ভীষণ ভয় পেতাম। কেউ ভুল বুঝলে মন প্রচণ্ড খারাপ হয়ে যায়। সকালে ঘুম থেকে উঠতে মন চায়না। মা-বাবাকে আমি যতোটা ভালোবাসি, তারা আমাকে আরও বেশি ভালোবাসে। প্রিয় রংয়ের নাম জানি না, তবে রংটা চিনি। সবাই আমাকে ন্যায়ালঙ্কার ও বিদ্যালঙ্কার ভাবে! তারা আমার কাছে কাজ চাইতে আসে, আশ্চর্য!! এদেরকেই আমার সবচেয়ে বোকা মনে হয়, তবে বিষয়টা আমার ভালোই লাগে।