ব্যবহারকারী:DelwarHossain/কানিজ ফাতেমা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কানিজ ফাতেমা
Kanij fatema chandpur stadium.jpg
চাঁদপুরে স্টেডিয়ামে কানিজ ফাতেমা (২০১৯)
জন্ম (1985-06-15) জুন ১৫, ১৯৮৫ (বয়স ৩৪)
বাসস্থানচাঁদপুর
জাতীয়তাবাংলাদেশি
শিক্ষাস্নাতক স্নাতকোত্তর
পেশাপ্রশাসনিক কর্মকর্তা
প্রতিষ্ঠানচাঁদপুর জেলা প্রশাসন
পরিচিতির কারণজনপ্রশাসন পদক প্রাপ্ত নারী ইউএনও
আদি নিবাসনওগাঁ
উপাধি২৯তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে উত্তীর্ণ সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা
পিতা-মাতা
  • আবদুল করিম (পিতা)
  • সেলিনা বেগম (মাতা)
পুরস্কারজনপ্রশাসন পদক-২০১৭

কানিজ ফাতেমা পিএএ বাংলাদেশর সরারের জনপ্রশাসন পদকপ্রাপ্ত নারী কর্মকর্তা। তিনি চাঁদপুর জেলার ব্র্যান্ডিং ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর তৈরিতে অবদান রাখায় ২০১৭ সালে জনপ্রশাসন পদকে ভূষিত হন। ২০১৯ সালে শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী ও নারী সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে মনোনিত হন। [১] [২] [৩][৪]

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

কানিজ ১৫ জুন ১৯৮৫ সালে নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আবদুল করিম মাতা সেলিনা বেগমের সংসারে দুই পুত্র ও তিন কন্যা সন্তানের মধ্যে তিনি ২য়। পরিবরের বেশিরভাগ সদস্য শিক্ষক লেখাপড়ার পাশাপাশি দুরন্তপনা আর ঘোরাঘুরিতে গ্রামের বাড়িতে শৈশব পার করা কানিজের ইচ্ছা ছিলো শিক্ষক হওয়া। পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের কর্ম কমিশনের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পান।[৫][৬]


শিক্ষা জীবন[সম্পাদনা]

কানিজ ফাতেমা নওগাঁ জেলা পত্নিতলা উপজেলার নজিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা, পিএস সরকারি গার্লস হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক, রাজশাহী ইউনিভার্সিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে থেকে ২০০৬ সালে স্নাতক (সম্মান) এবং ২০০৭ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। [৫][৭]

কর্ম জীবন[সম্পাদনা]

২০০৭ সালে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্র্যাকের ‘ইয়াং প্রফেশনাল’ পদে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর ঢাকা শেয়ার বাজারে কিছুদিন চাকরি করেন। ২০১০ সালে ২৯তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১ আগস্ট ২০১১ তারিখে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ‘সহকারী কমিশনার’ হিসেবে যোগদান করেন। জানুয়ারি ২০১৪ ফেনী জেলায়, একই বছরের শেষের দিকে সোনাগাজী উপজেলায় সহকারী কমিশনার পদে যোগদান করেন। ৬ জুলাই ২০১৫ তারিখে চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে উপজেলা ‘সহকারী কমিশনার (ভূমি)’ হিসেবে যোগদান করেন। ২০১৬ সালে ‘সিনিয়র সহকারী কমিশনার’ হিসেবে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এবং ২০১৭ সালের জুন মাসে চাঁদপুর সদর ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা’ যোগদান করেন। এ পদে থাকাবস্থায় ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরের ওপর বিশেষ অবদান রাখায় জনপ্রশাসন পদক ২০১৭তে ভূষিত হন।[৫][৮]

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "জনপ্রশাসন পদক-২০১৭"Bangladesh Administrative Service Association। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৯ 
  2. "চাঁদপুর জেলার ৭ উপজেলায় নারী ইউএনও"সময় টিভি। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৯ 
  3. "জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সদর ইউএনও কানিজ ফাতেমা"। দৈনিক প্রিয় চাঁদপুর। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৯ 
  4. "জনপ্রশাসন পদক পেলেন সরকারি কর্মকর্তারা"দৈনিক ইনকিলাব (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-৩১ 
  5. "যেভাবে প্রতিবন্ধকতা জয় করেছেন কানিজ ফাতেমা"জাগো নিউজ। ১৯ আগস্ট ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৯ 
  6. "News In Brief-Kaniz Fatema"দ্য নিউ নেশন। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-৩১ 
  7. "নারী সাফল্যের কথা : নওগাঁর কানিজ ফাতেমা যেভাবে চাঁদপুরের ইউএনও"। দৈনিক চাঁদপুর খবর। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৯ 
  8. "যেভাবে প্রতিবন্ধকতা জয় করছেন কানিজ ফাতেমা"বাংলাদেশ সংবাদ (সংবাদ পাঠক) (BD ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-৩১