ব্যবহারকারী:রাবেয়া সুলতানা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

নাম রাবেয়া সুলতানা ওরফে রুবি। তার বাবার নাম আব্দুর রশিদ। আব্দুর রশিদ হচ্ছেন একজন রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী। তার প্রথম স্বামী ছিলেন ক্যাপ্টেন জামিল। জিয়াউর রহমান মারা যাওয়ার পরবর্তীতে যে ১৩ জন সেনা কর্মকর্তাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল, তার মধ্যে ছিলেন রাবেয়া সুলতানা রুবি’র স্বামী জামিলও। রুবি ‘ফেরার’ নামক একটি বিউটি পার্লারের স্বত্তাধিকারী। সেই স্ট্যাটাস থেকেই জানা গিয়েছে যে- রুবি তৎকালীন সালমান শাহ’র পরিবারের নিতান্ত ব্যক্তিগত বিষয়ে অযাচিত নাক গলাতেন। ওদিকে ‘সালমান শাহ ভক্ত ঐক্যজোট' নামক একটি ফেসবুক পেজ রুবি সুলতানাকে বঙ্গবন্ধুর খুনি জামিলের কথিত স্ত্রী হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। ঐ পেজে দেওয়া ২০১৫ সালের জুন মাসের ২ তারিখের স্ট্যাটাস থেকে জানা যায়- রুবি সুলতানা জনপ্রিয় চিত্র নায়ক সালমান শাহ’র বাসায় কাজের বুয়া হিসেবে ঢুকে তাকে নৃশ্রংস ভাবে খুন করে পালিয়ে যায়। উক্ত স্ট্যাটাস থেকে আরও জানা যায় যে- রুবি সুলতানার প্রথম স্বামীকে রাষ্ট্রদ্রোহমূলক মামলায় ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। তখন রুবি সুলতানার বড় সন্তানের বয়স খুবই কম ছিল, তাই তিনি আশ্রয় প্রত্যাশী হয়ে হন্যে হয়ে ঘুরছিলেন। কেউ তখন তাকে আশ্রয় দিচ্ছিল না। অতঃপর সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরী তাকে আশ্রয় দিয়েছিলেন। টাকা দিয়েছিলেন রবি সুলতানার সন্তানকে দুধ কিনে খাওয়ানোর জন্য। কিন্তু পরবর্তীতে এই রুবি সুলতানা সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডে সহায়তা করেছিলেন।

সালমান মারা যাওয়ার পর থেকে রুবি বিদেশে আছেন। সেখান থেকে একাধিকবার বিভিন্ন ভিডিওতে বলেছিলেন যে, তিনি নির্দোষ, কিচ্ছু জানেন না। সেসব ভিডিওতে সালমান আত্মহত্যা করেছেন বলে স্বীকার করেছিলেন রুবি। এবার সালমান হত্যার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার না করলেও এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের নাম বলেছেন রুবি। সামিরার পরিবার ও রুবির স্বামী জন এই খুনের সঙ্গে জড়িত বলে প্রমাণ দিতে পারবেন বলে দাবি করেছেন প্রবাসী এই নারী।