ব্যবহারকারী:রাতুল/সাস্ট সিএসই১০

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সাস্ট ১০
250 px
ধরনপ্রকৌশল ব্যাচ
স্থাপিত২৪ জানুয়ারী, ২০১১
শিক্ষার্থী৫৫
অবস্থান
শাবিপ্রবি, সিলেট
,
বাংলাদেশ
শিক্ষাঙ্গনশাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
বর্তমান সেমিস্টার4th বর্ষ-২য় সেমিস্টার
সংক্ষিপ্ত নাম১০
অধিভুক্তিবিডি সিএসই১০
ওয়েবসাইটhttp://www.sustcse10.net/
সাস্ট সিএসই১০ লেগো.jpg
অফিসিয়াল লেগো


শাবিপ্রবি বাংলাদেশের অন্যতম তথ্যপ্রযুক্তি সম্বৃদ্ধ একটি বিশ্ববিদ্যালয়.[১]এটি দেশের সর্বপ্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে শিক্ষার্থী এবং স্টাফদের জন্য বিনামূল্যে সম্পূর্ণ ক্যাম্পাসে ওয়াই ফাই চালু করে।[২]বিশ্ববিদ্যালয়টি বাংলাদেশে প্রথমবারের মত সমন্বিত সম্মান কোর্স চালু করার পাশাপাশি ১৯৯৬-৯৭ সেশন থেকে স্নাতক কোর্সে সেমিস্টার পদ্ধতির(আমেরিকান সেমিস্টার পদ্ধতি) প্রবর্তন করে।[৩]প্রতিবছর বিদ্যমান সুবিধাগুলির উন্নতি হচ্ছে,খোলা হচ্ছে নতুন নতুন বিভাগ।মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী,আগামী কয়েক বছরের মধ্যে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এই অন্ঞলের অন্যতম একটি প্রসিদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে।[৪]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

'এক কিলো'; শাবিপ্রবির প্রবেশমুখের ১ কিলোমিটার রাস্তা

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ২৫ শে আগষ্ট ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৯১ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি তিনটি বিভাগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। এর ক্যাম্পাসটি সিলেট শহর হতে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে কুমারগায়ে অবস্থিত। ৬টি অনুষদের অধীনে ২৫ টি ডিপার্টমেন্ট নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি সুনামের সাথে তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ের ওপর জোর দেয়া হলেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা এবং বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়ও রয়েছে। সেদিক থেকে বাংলাদেশে এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় সমবর্তন অনুষ্ঠিত হয় যথাক্রমে ২৯ এপ্রিল ১৯৯৮ এবং ৬ ডিসেম্বর ২০০৭ সালে[৫]

উপদেষ্টা মন্ডলী[সম্পাদনা]

চিত্র:শাবিপ্রবি চেতনা৭১.jpg
মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য চেতনা '৭১

বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে বিজ্ঞ উপদেষ্টা মন্ডলী . উল্লেখযোগ্য কয়েকজন:

ভর্তি কার্যক্রম[সম্পাদনা]

সাস্টে শিক্ষার্থীরা আন্ডাগ্র্যাজুয়েট,গ্র্যাজুয়েট এবং পোস্টগ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে ভর্তি হতে পারে। শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা দিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেতে হয়। ভর্তি পরীক্ষায় এক আসনের বিপরীতে প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ভর্তি পরীক্ষা বিভিন্ন স্কুলে ভর্তি কমিটির তত্ত্বাবধায়নে সম্পন্ন হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে প্রথমবারের মত কাগজবিহীন ২৪/৭ এসএমএসভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ভর্তি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনের এসএমএস-এর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখে এ পদ্ধতির উদ্বোধন করেন।[৬][৭][৮][৯] এই উদ্ভাবনের জন্য, বিশ্ববিদ্যালয় ২০১০ সালে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি প্রতিযোগিতায় Ambillion পুরস্কার [১০],E-Content এ জাতীয় পুরস্কার এবং ICT for Development Award ২০১০ লাভ করেছে।[১১][১২] বর্তমানে (২০১২), বাংলাদেশের বেশিরভাগ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রমে এই পদ্ধতি ব্যবহার করছে।

অনুষদ এবং বিভাগসমূহ[সম্পাদনা]

একাডেমিক ভবন বি এর একটি দৃশ্য

সাস্টে ৬ টি অনুষদের অধীনে ২৫ টি বিভাগ রয়েছে. প্রতিষ্ঠাকালীন পরিকল্পনা অনুসারে ৮ টি অনুষদের অধীনে আরো একাধিক বিভাগ খোলার পরিকল্পনা রয়েছে. পরিকল্পনা অনুসারে, একটি অনুষদ এবং কয়েকটি বিভাগ খোলার কাজ চলছে. অনুষদগুলো হল:

কৃষি ও খনিজ বিজ্ঞান অনুষদ[সম্পাদনা]

ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদ[সম্পাদনা]

জীব বিজ্ঞান অনুষদ[সম্পাদনা]

আইন অনুষদ[সম্পাদনা]

  • আইন বিভাগ (প্রক্রিয়াধীন)

ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসা প্রশাসন অনুষদ[সম্পাদনা]

  • বাণিজ্য প্রশাসন বিভাগ (BAN)
  • বাণিজ্য ও তথ্য প্রযুক্তি বিভাগ (প্রক্রিয়াধীন)

চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুষদ[সম্পাদনা]

  • এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ
  • জালালাবাদ রাকিব রাবিয়া মেডিকেল কলেজ
  • নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ
  • সিলেট ওমেন'স মেডিকেল কলেজ
  • দুররে সামাদ রাহমান ওমেন'স রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ

ভৌত বিজ্ঞান অনুষদ[সম্পাদনা]

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ক্যাম্পাসের একটি দৃশ্য,শাবিপ্রবির সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত একটি কলেজ

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ[সম্পাদনা]

সংশ্লিষ্ট কলেজ[সম্পাদনা]

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ. কলেজটি ৩ টি বিভাগ নিয়ে গঠিত:

  • কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ(CSE)
  • পুর ও পরিবেশ প্রকৌশল(CEE)
  • তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক্স প্রকৌশল(EEE)

সহযোগী বিশ্ববিদ্যালয়[সম্পাদনা]

সাস্টের সাথে নিম্নোক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের একাডেমিক সহযোগিতা চুক্তি রয়েছে:

কেমিকৌশল ও পলিমার সায়েন্স বিভাগ[সম্পাদনা]

কেমিকৌশল ও পলিমার বিজ্ঞান (Department of Chemical Engineering and Polymer Science) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়এর অন্যতম জনপ্রিয় বিভাগ। শিক্ষার্থীরা যাতে কেমিকৌশলপলিমার বিজ্ঞান এ উভয় শাখায়ই দক্ষতা লাভ করতে পারে, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই এ বিভাগের পাঠ্যক্রম সাজানো হয়েছে। কেমিকৌশল বিষয়টি বাংলাদেশ এ নতুন না হলেও এর সাথে নতুন করে পলিমার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল এর সংযুক্তি ঘটিয়েছে এ বিভাগটি। পলিমার বিজ্ঞান এর অনেক কোর্সই বিভাগের পাঠ্যক্রমকে সম্বৃদ্ধ করেছে। এ বিভাগে আছে অত্যাধুনিক গবেষণাগার যা শিক্ষার্থীদের আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে থাকে বিভিন্নমুখী পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য। এছাড়া ও নিম্নের গবেষণাগার গুলো বিভাগে এনেছে নতুন মাত্রা :

এছাড়া এ বিভাগে রয়েছে কম্পিউটার এবং উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সুবিধা।

ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টি টেকনোলজি[সম্পাদনা]

ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টি টেকনোলজি (Food Engineering and Tea Technology) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়এর অন্যতম বিভাগ। শিক্ষার্থীরা যাতে খাদ্যপ্রকৌশলচা প্রযুক্তি এ উভয় শাখায়ই দক্ষতা লাভ করতে পারে, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই এ বিভাগের পাঠ্যক্রম সাজানো হয়েছে। ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টি টেকনোলজি বিষয়টি বাংলাদেশ এ নতুন । এ বিভাগে আছে অত্যাধুনিক গবেষণাগার যা শিক্ষার্থীদের আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে থাকে বিভিন্নমুখী পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য। এখান থেকে ডিগ্রি নিয়ে যাওয়া ছাত্ররা এখন দেশে ও বিদেশে সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছে।

পরিসংখ্যান বিভাগ[সম্পাদনা]

পরিসংখ্যান বিভাগ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালেয়র পুরাতন এবং স্বয়ং সম্পূর্ণ একটি বিভাগ । পরিসংখ্যন বিভাগের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯১ সাল থেকে । পরিসংখ্যান বিভাগের প্রতিষ্টাতা এই বিভাগের প্রবীন শিক্ষ্ক প্রফেসর এমাদ উদ্দিন আহমদ । পরিসংখ্যান বিভাগে প্রায় ২৭ জন ফেকাল্টি সদস্য এবং ছাত্র-ছাত্রির সংখ্যা প্রায় ৩৫০ জন । এই বিভাগে ৮জন অধ্যাপক ,৫জন সহযোগী অধ্যাপক , ১০জন সহকারী অধ্যাপক এবং ৪ জন লেকচারার রয়েছেন ।

ইংরেজি বিভাগ[সম্পাদনা]

বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরু থেকেই বিভিন্ন বিভাগের মাইনর কোর্স হিসেবে ইংরেজি বিষয়ের পাঠদান করা হতো। ২০০১ সালে বিষয়টিকে স্কুল অব সোশ্যাল সায়েন্স অনুষদের আওতাভুক্ত করে একটি স্বতন্ত্র বিভাগরূপে চালু করা হয়। বর্তমানে এই বিভাগের ১২তম ব্যাচের ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

আবাসিক হলসমূহ[সম্পাদনা]

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে তিনটি ছাত্রাবাস রয়েছে। এছাড়া তরুণ শিক্ষকদের জন্য রয়েছে ডরমেটরি এবং সিনিয়র শিক্ষকদের জন্য রয়েছে আবাসিক সুবিধা।

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো বিভিন্ন সময়ে তৈরি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রাবাস শাহপরান হল। এরপর ছাত্রদের সুবিধার্থে দ্বিতীয় ছাত্রহল নির্মান করা হয়। যা বর্তমানে নতুন হল নামে পরিচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্রীহল দুটি ভিন্ন সময়ে দু’বার প্রয়োজনের দাবীতে সমপ্রসারন করা হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে তৈরি করার কারনে হলসমূহের স'াপত্যশৈলীতে ভিন্নতা রয়েছে। প্রতিটি হলের তত্বাবধানে রয়েছেন একজন প্রভোস্ট। সাধারণত সিনিয়র শিক্ষদের মধ্য হতে প্রভোস্ট নির্বাচন করা হয়।

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি ছাত্রাবাস হচ্ছে :

  • শাহপরান হল
  • নতুন ছাত্র হল
  • ছাত্রী হল

ছাত্র সংগঠন[সম্পাদনা]

স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন[সম্পাদনা]

১.কিন
২.সঞ্চালন

অন্যান্য সংগঠন[সম্পাদনা]

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন: সাস্ট সেল
আজ মুক্ত সঞ্চ
অনিকেত সংস্কৃতিক সংঘ
ধুমপান ও মাদকবিরোধী সংগঠন
ধূমপান ও নিরকোটিন বিরোধী সংগঠন
বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর,সাস্ট
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি
ক্যারিয়ার ডিজাইন সেন্টার
কার্টুন ফ্যাক্টরী
চোখ ফিল্ম সোসাইটি
দিক থিয়েটার
ধ্রুবতারা
এডুকেশন ওয়াচ
মাভৈ: আবৃত্তি সংঘ
মাসিক প্রতিদিন
নাটাই
নোঙর
নিরাপদ সড়ক চাই
অন্বেশন
প্রমিসিং ইয়থ
রিম
শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফি অ্যাসেসিয়েশন(সুপা)
শিকড়
সপ্নোথ্থান
স্টুডেন্ট এইড
স্পোর্টস সাস্ট
সাস্ট লেখক ক্লাব
ইউসাব
শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি
শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় স্পীকার্স ক্লাব
সাস্ট সায়েন্স এ্যারেনা
থিয়েটার সাস্ট
টুরিস্ট ক্লাব
সাস্ট ক্যারিয়ার ক্লাব

উল্লেখযোগ্য ব্যাক্তিত্ত্ব[সম্পাদনা]

  • ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ এবং তড়িৎ ও তড়িৎযন্ত্র প্রকৌশল বিভাগ
  • ড. মো: আবুল কালাম আজাদ,সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, জিন প্রকৌশল ও জৈবপ্রযুক্তি বিভাগ

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

স্থানাঙ্ক: ২৪°৫৪′৪৩″ উত্তর ৯১°৪৯′৫৬″ পূর্ব / ২৪.৯১২০৫° উত্তর ৯১.৮৩২২২৪° পূর্ব / 24.91205; 91.832224