ব্যক্তি পাচার, বিশেষ করে নারী ও শিশু পাচার প্রতিরোধ, দমন ও শাস্তি প্রদান সংক্রান্ত প্রটোকল
| ধরণ | সংগঠিত অপরাধ; আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আইন |
|---|---|
| লিখন | ১৫ নভেম্বর ২০০০ |
| স্বাক্ষরপ্রদান | ১২ ডিসেম্বর ২০০০ |
| অবস্থান | নিউ ইয়র্ক সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র |
| কার্যকর | ২৫ ডিসেম্বর ২০০৩ |
| দফা কার্যকর | ৪০টি অনুসমর্থন |
| স্বাক্ষরদানকারী | ১১৭ |
| পক্ষ | ১৮৫ |
| স্বাক্ষী | জাতিসংঘের মহাসচিব |
| ভাষা | আরবি, চীনা, ইংরেজি, ফরাসি, রুশ এবং স্প্যানিশ |
নারী ও শিশু পাচার প্রতিরোধ, দমন ও শাস্তি প্রদান সংক্রান্ত প্রটোকল (যা পাচার বিরোধী প্রটোকল বা জাতিসংঘ টিআইপি প্রটোকল নামেও পরিচিত) হলো আন্তঃদেশীয় সংগঠিত অপরাধ বিরোধী জাতিসংঘ কনভেনশন-এর একটি প্রটোকল। এটি তিনটি পালেরমো প্রটোকল-এর অন্যতম; অন্য দুটি হলো স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে অভিবাসী চোরাচালান বিরোধী প্রটোকল এবং আগ্নেয়াস্ত্রের অবৈধ উৎপাদন ও পাচার বিরোধী প্রটোকল।
প্রটোকলটি ২০০০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়েছিল এবং ২৫ ডিসেম্বর ২০০৩ তারিখে কার্যকর হয়। ২০২৫ সালের জুলাই মাসের হিসাব অনুযায়ী, ১৮৫টি পক্ষ রাষ্ট্র এটি অনুসমর্থন করেছে।[১]
জাতিসংঘ মাদক ও অপরাধ বিষয়ক কার্যালয় (ইউএনওডিসি) এই প্রটোকলটি বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। এটি রাষ্ট্রগুলোকে আইন প্রণয়ন, পাচার বিরোধী জাতীয় কৌশল তৈরি এবং সেগুলো বাস্তবায়নে সংস্থান সরবরাহের ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত সহায়তা প্রদান করে। ২০০৯ সালের মার্চ মাসে ইউএনওডিসি মানব পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে, সচেতনতা বাড়াতে এবং পদক্ষেপ গ্রহণে অনুপ্রাণিত করতে ব্লু হার্ট ক্যাম্পেইন শুরু করে।
এই প্রটোকলটি অনুসমর্থনকারী রাষ্ট্রগুলোকে ব্যক্তি পাচার প্রতিরোধ ও মোকাবিলা করা, পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা ও সহায়তা প্রদান এবং এই লক্ষ্যগুলো অর্জনে রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করে।
প্রটোকলের বিষয়বস্তু
[সম্পাদনা]প্রটোকলটিতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
মানব পাচার এবং "শোষণ"-এর পরিধি সংজ্ঞায়িত করা: কোনো পরিস্থিতিকে ব্যক্তি পাচার হিসেবে গণ্য করতে হলে তিনটি শর্ত পূরণ হতে হবে: কাজ (যেমন: নিয়োগ), মাধ্যম (যেমন: বলপ্রয়োগ বা প্রতারণা) এবং উদ্দেশ্য (যেমন: বাধ্যতামূলক শ্রমের উদ্দেশ্যে)।
- "ব্যক্তি পাচার" বলতে শোষণের উদ্দেশ্যে হুমকির মাধ্যমে বা বলপ্রয়োগ করে অথবা অন্য কোনো উপায়ে বাধ্য করে, অপহরণ করে, জালিয়াতি করে, প্রতারণা করে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে বা অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে অথবা অন্য কোনো ব্যক্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এমন ব্যক্তির সম্মতি নেওয়ার জন্য অর্থ বা সুবিধা প্রদান বা গ্রহণ করে কোনো ব্যক্তিকে নিয়োগ, পরিবহন, স্থানান্তর, আশ্রয় প্রদান বা গ্রহণ করাকে বোঝাবে। শোষণের মধ্যে অন্ততপক্ষে অন্যের যৌনবৃত্তি থেকে শোষণ বা যৌন শোষণের অন্যান্য রূপ, বাধ্যতামূলক শ্রম বা পরিষেবা, দাসত্ব বা দাসত্বের মতো প্রথা, দাসত্ব দশা বা শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অপসারণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে... শোষণের উদ্দেশ্যে করা ব্যক্তি পাচারের ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীর সম্মতি অপ্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে যদি উপরে উল্লিখিত মাধ্যমগুলোর (যেমন বলপ্রয়োগ বা প্রতারণা) কোনোটি ব্যবহৃত হয়। (অনুচ্ছেদ ৩ক, ৩খ)
রাষ্ট্রগুলোকে পাচারকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে আইন প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া, যার মধ্যে পাচারকারীদের সহযোগী হিসেবে কাজ করা এবং পাচারের আয়োজন করাও অন্তর্ভুক্ত (অনুচ্ছেদ ৫)।
আন্তঃসীমান্ত পাচারের শিকার শিশুদের তাদের নিরাপত্তার প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে আদি দেশে ফেরত পাঠানো এবং গ্রহণে সহায়তা করা।
শিশুদের বাণিজ্যিক যৌন শোষণ (সিএসইসি), শোষণমূলক শ্রম প্রথা বা শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অপসারণের উদ্দেশ্যে শিশু পাচার (১৮ বছরের কম বয়সী হিসেবে সংজ্ঞায়িত) নিষিদ্ধ করা।
পাচারের সংজ্ঞায় শিশুদের জন্য বিশেষ সুরক্ষা ও যত্নের প্রয়োজনীয়তা প্রতিফলিত করা নিশ্চিত করা, যার মধ্যে উপযুক্ত আইনি সুরক্ষাও অন্তর্ভুক্ত।
পাচারের শিকার ব্যক্তিরা পাচার হওয়ার ফলে যেসব কাজ বা কর্মকাণ্ড করতে বাধ্য হয়েছে (যেমন যৌনবৃত্তি বা অভিবাসন আইন লঙ্ঘন), সেজন্য যেন তারা শাস্তি না পায় তা নিশ্চিত করা।
পাচারের শিকার ব্যক্তিদের নির্বাসন বা ফেরত পাঠানো থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা, যেখানে মনে করার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে যে এমন ফেরত পাঠানো সেই ব্যক্তি বা তার পরিবারের জন্য উল্লেখযোগ্য নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করবে।
অভিযুক্ত পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার বিনিময়ে অথবা মানবিক ও সহানুভূতিশীল কারণে পাচারের শিকার ব্যক্তিদের ট্রানজিট বা গন্তব্য দেশগুলোতে অস্থায়ী বা স্থায়ী বসবাসের বিষয়টি বিবেচনা করা।
পাচারের সরঞ্জাম এবং পাচার থেকে প্রাপ্ত অর্থ বাজেয়াপ্ত করার ব্যবস্থা করা, যা পাচারের শিকার ব্যক্তিদের কল্যাণে ব্যবহৃত হবে।
পক্ষ রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা (অনুচ্ছেদ ১৫)।
ব্যক্তি পাচারের বিরুদ্ধে আঞ্চলিক পদক্ষেপ
[সম্পাদনা]১৬ মে ২০০৫ তারিখে ওয়ারশতে কাউন্সিল অফ ইউরোপ-এর 'ব্যক্তি পাচারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ সংক্রান্ত কনভেনশন' স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এই কনভেনশনটি 'ব্যক্তি পাচারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ গ্রুপ' (GRETA) প্রতিষ্ঠা করে, যা রাষ্ট্রীয় প্রতিবেদনের মাধ্যমে কনভেনশনটির বাস্তবায়ন তদারকি করে। ২০১৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ৪৫টি ইউরোপীয় রাষ্ট্র এটি অনুসমর্থন করেছে।[২]
যৌন শোষণ ও যৌন নির্যাতন থেকে শিশুদের সুরক্ষা সংক্রান্ত কনভেনশন (ল্যাঞ্জারোট, ২৫ অক্টোবর ২০০৭)-এর মাধ্যমে পরিপূরক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে।
এছাড়াও, ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালত মানব পাচার সংক্রান্ত বেশ কিছু রায় প্রদান করেছে যা ইউরোপীয় মানবাধিকার কনভেনশন-এর অধীনে বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘনের সাথে সম্পর্কিত: সিলিয়াডিন বনাম ফ্রান্স (২০০৫) এবং রান্তসেভ বনাম সাইপ্রাস ও রাশিয়া (২০১০)।
কাউন্সিল অফ ইউরোপ জাতিসংঘের সাথে নিবিড়ভাবে সহযোগিতা করে।
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "UNODC – ব্যক্তি পাচার বিরোধী প্রটোকলে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রসমূহ"। United Nations। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০১৩।
- ↑ "পূর্ণাঙ্গ তালিকা"। Treaty Office (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুলাই ২০১৯।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত আইন
- জাতিসংঘের চুক্তি
- ২০০০-এ স্বাক্ষরিত চুক্তি
- শিশু শ্রম সংক্রান্ত চুক্তি
- ২০০৩-এ কার্যকর হওয়া চুক্তি
- আফগানিস্তানের চুক্তি
- আলবেনিয়ার চুক্তি
- আলজেরিয়ার চুক্তি
- অ্যাঙ্গোলার চুক্তি
- অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডার চুক্তি
- আর্জেন্টিনার চুক্তি
- আর্মেনিয়ার চুক্তি
- অস্ট্রেলিয়ার চুক্তি
- অস্ট্রিয়ার চুক্তি
- আজারবাইজানের চুক্তি
- বাহামার চুক্তি
- বাহরাইনের চুক্তি
- বাংলাদেশের চুক্তি
- বেলারুশের চুক্তি
- বার্বাডোসের চুক্তি
- বেলজিয়ামের চুক্তি
- বেলিজের চুক্তি
- বেনিনের চুক্তি
- বলিভিয়ার চুক্তি
- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার চুক্তি
- বতসোয়ানার চুক্তি
- ব্রাজিলের চুক্তি
- ব্রুনাইয়ের চুক্তি
- বুলগেরিয়ার চুক্তি
- বুরকিনা ফাসোর চুক্তি
- বুরুন্ডির চুক্তি
- কম্বোডিয়ার চুক্তি
- ক্যামেরুনের চুক্তি
- কানাডার চুক্তি
- কেপ ভার্দের চুক্তি
- মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের চুক্তি
- চাদের চুক্তি
- চিলির চুক্তি
- চীনের চুক্তি
- কলম্বিয়ার চুক্তি
- কোস্টা রিকার চুক্তি
- কোত দিভোয়ারের চুক্তি
- ক্রোয়েশিয়ার চুক্তি
- কিউবার চুক্তি
- সাইপ্রাসের চুক্তি
- চেক প্রজাতন্ত্রের চুক্তি
- গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের চুক্তি
- ডেনমার্কের চুক্তি
- জিবুতির চুক্তি
- ডোমিনিকার চুক্তি
- ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের চুক্তি
- ইকুয়েডরের চুক্তি
- মিশরের চুক্তি
- এল সালভাদরের চুক্তি
- নিরক্ষীয় গিনির চুক্তি
- ইরিত্রিয়ার চুক্তি
- এস্তোনিয়ার চুক্তি
- ইথিওপিয়ার চুক্তি
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের চুক্তি
- ফিজির চুক্তি
- ফিনল্যান্ডের চুক্তি
- ফ্রান্সের চুক্তি
- গ্যাবনের চুক্তি
- গাম্বিয়ার চুক্তি
- জর্জিয়ার চুক্তি
- জার্মানির চুক্তি
- ঘানার চুক্তি
- গ্রিসের চুক্তি
- গ্রেনাডার চুক্তি
- গুয়াতেমালার চুক্তি
- গিনির চুক্তি
- গিনি-বিসাউয়ের চুক্তি
- গায়ানার চুক্তি
- হাইতির চুক্তি
- হন্ডুরাসের চুক্তি
- হাঙ্গেরির চুক্তি
- আইসল্যান্ডের চুক্তি
- ভারতের চুক্তি
- ইন্দোনেশিয়ার চুক্তি
- আয়ারল্যান্ডের চুক্তি
- ইসরায়েলের চুক্তি
- ইতালির চুক্তি
- জ্যামাইকার চুক্তি
- জাপানের চুক্তি
- জর্ডানের চুক্তি
- কাজাখস্তানের চুক্তি
- কেনিয়ার চুক্তি
- কিরিবাসের চুক্তি
- কুয়েতের চুক্তি
- কিরগিজস্তানের চুক্তি
- লাওসের চুক্তি
- লাতভিয়ার চুক্তি
- লেবাননের চুক্তি
- লেসোথোর চুক্তি
- লাইবেরিয়ার চুক্তি
- লিবিয়ার চুক্তি
- লিশটেনস্টাইনের চুক্তি
- লিথুয়ানিয়ার চুক্তি
- লুক্সেমবার্গের চুক্তি
- মাদাগাস্কারের চুক্তি
- মালাউইয়ের চুক্তি
- মালয়েশিয়ার চুক্তি
- মালদ্বীপের চুক্তি
- মালির চুক্তি
- মাল্টার চুক্তি
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের চুক্তি
- মৌরিতানিয়ার চুক্তি
- মরিশাসের চুক্তি
- মেক্সিকোর চুক্তি
- মাইক্রোনেশিয়ার চুক্তি
- মোনাকোর চুক্তি
- মঙ্গোলিয়ার চুক্তি
- মন্টিনিগ্রোর চুক্তি
- মরক্কোর চুক্তি
- মোজাম্বিকের চুক্তি
- মিয়ানমারের চুক্তি
- নামিবিয়ার চুক্তি
- নাউরুর চুক্তি
- নেদারল্যান্ডসের চুক্তি
- নিউজিল্যান্ডের চুক্তি
- নিকারাগুয়ার চুক্তি
- নাইজারের চুক্তি
- নাইজেরিয়ার চুক্তি
- নরওয়ের চুক্তি
- ওমানের চুক্তি
- পাকিস্তানের চুক্তি
- পালাউয়ের চুক্তি
- ফিলিস্তিনের চুক্তি
- পানামার চুক্তি
- প্যারাগুয়ের চুক্তি
- পেরুর চুক্তি
- ফিলিপাইনের চুক্তি
- পোল্যান্ডের চুক্তি
- পর্তুগালের চুক্তি
- কাতারের চুক্তি
- মলদোভার চুক্তি
- রোমানিয়ার চুক্তি
- রাশিয়ার চুক্তি
- রুয়ান্ডার চুক্তি
- সান মারিনোর চুক্তি
- সাঁউ তুমি ও প্রিন্সিপির চুক্তি
- সৌদি আরবের চুক্তি
- সেনেগালের চুক্তি
- সেশেলসের চুক্তি
- সিয়েরা লিওনের চুক্তি
- স্লোভাকিয়ার চুক্তি
- স্লোভেনিয়ার চুক্তি
- সোমালিয়ার চুক্তি
- দক্ষিণ আফ্রিকার চুক্তি
- দক্ষিণ সুদানের চুক্তি
- স্পেনের চুক্তি
- শ্রীলঙ্কার চুক্তি
- সেন্ট কিটস ও নেভিসের চুক্তি
- সেন্ট লুসিয়ার চুক্তি
- সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনের চুক্তি
- সিঙ্গাপুরের চুক্তি
- দক্ষিণ কোরিয়ার চুক্তি
- সুদানের চুক্তি
- সুরিনামের চুক্তি
- এসোয়াতিনির চুক্তি
- সুইডেনের চুক্তি
- সুইজারল্যান্ডের চুক্তি
- সিরিয়ার চুক্তি
- তাজিকিস্তানের চুক্তি
- থাইল্যান্ডের চুক্তি
- উত্তর মেসিডোনিয়ার চুক্তি
- পূর্ব তিমুরের চুক্তি
- টোগোর চুক্তি
- ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর চুক্তি
- তিউনিসিয়ার চুক্তি
- তুরস্কের চুক্তি
- তুর্কমেনিস্তানের চুক্তি
- ইউক্রেনের চুক্তি
- সংযুক্ত আরব আমিরাতের চুক্তি
- যুক্তরাজ্যের চুক্তি
- তানজানিয়ার চুক্তি
- উগান্ডার চুক্তি
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি
- উরুগুয়ের চুক্তি
- উজবেকিস্তানের চুক্তি
- ভেনেজুয়েলার চুক্তি
- ভিয়েতনামের চুক্তি
- জাম্বিয়ার চুক্তি
- জিম্বাবুয়ের চুক্তি
- আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আইন সংক্রান্ত চুক্তি
- শিশু অধিকার সংক্রান্ত চুক্তি
- মানব পাচার সংক্রান্ত চুক্তি
- শিশুশ্রম চুক্তি