বিষয়বস্তুতে চলুন

বোরহান উদ্দিন (বিচারক)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

বিচারপতি বোরহান উদ্দিন (জন্ম: ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৭, চট্টগ্রামে) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারক।[১] ২০২২ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তিনি আপিল বিভাগের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[২]

জীবনের প্রথমার্ধ

[সম্পাদনা]

বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ১৯৫৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।[৩] তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন।[৩]

কর্মজীবন

[সম্পাদনা]

বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ১৯৮৫ সালের ৩ মার্চ জেলা আদালতের আইনজীবী হিসেবে চট্টগ্রাম জেলা আদালতে কর্মজীবন শুরু করেন।[৩] ১৯৮৮ সালের ১৬ জুন বিচারপতি বোরহান উদ্দিন হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হন।[৩] তারপর ২০০২ সালের ২৭ নভেম্বর, বিচারপতি বোরহান উদ্দিন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।[৩]

বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ২০০৮ সালের ১৬ নভেম্বর হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক এবং ২০১০ সালের ১১ নভেম্বর স্থায়ী বিচারক হিসাবে নিয়োগ পান।[৩] ২০১২ সালের ১৮ জুলাইয়ে বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ও বিচারপতি মাহমুদুল হক আওয়ামী লীগ নেতা ও চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ খারিজ করে দেন।[৪]

বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ২০১৩ সালের ১৭ এপ্রিল দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক আবুল আসাদকে বেআইনিভাবে দৈনিক আমার দেশ ছাপানোর অভিযোগের মামলায় জামিন দেন।[৫] ২০১৩ সালের নভেম্বরে, বোরহান উদ্দিন ও বিচারপতি কে. এম. কামরুল কাদের, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পাঁচ সিনিয়র নেতাকে পুলিশের হেফাজতে পাঠান।[৬] ২০১৪ সালের ২৩ এপ্রিল, বোরহান উদ্দিন ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার করা একটি আবেদন খারিজ করে দেন।[৭]

বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ও বিচারপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান দুর্নীতি দমন কমিশনের জারি করা সমন চ্যালেঞ্জ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর দায়ের করা আবেদনের শুনানি করতে অস্বীকার করেন।[৮]

২০২২ সালের ৯ জানুয়ারী, বিচারপতি বোরহান উদ্দিনকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়।[৯] ২০২৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি তিনি অবসরে যান।[২]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑ "Appellate Division gets four more judges"। Appellate Division gets four more judges | theindependentbd.com। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
  2. 1 2 https://www.prothomalo.com/bangladesh/mndavjj4dm
  3. 1 2 3 4 5 6 "Home : Supreme Court of Bangladesh"। www.supremecourt.gov.bd। ২৮ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
  4. ↑ Staff Correspondent (১৮ জুলাই ২০১২)। "HC throws away charges against former CCC mayor"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২। {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |শেষাংশ= প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য)
  5. ↑ Report, Star Online (১৭ এপ্রিল ২০১৩)। "Sangram editor gets HC bail"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
  6. ↑ "HC stays 5 BNP leaders' remand"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ নভেম্বর ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
  7. ↑ Report, Star Online (২৩ এপ্রিল ২০১৪)। "Khaleda plea challenging indictments rejected"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
  8. ↑ Staff Correspondent (৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। "HC refuses to hear Amir Khasru's petition"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২। {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |শেষাংশ= প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য)
  9. ↑ "Four judges promoted to Supreme Court's Appellate Division"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২।