বোম্বে আর্মি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বোম্বে আর্মি
Flag of the British East India Company (1801).svg
সক্রিয়১৬৬২-১৮৯৫ (বোম্বে আর্মি হিসেবে)
১৮৯৫-১৯০৮ (ভারতীয় সেনাবাহিনীর বোম্বে কমান্ড হিসেবে)
শাখাব্রিটিশ ভারত ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনী
ধরনসামরিক সংগঠন
আকার৪৪,০০০ (১৮৭৬)[১]
গ্যারিসন/সদরদপ্তরপুনে, পুনে জেলা

বোম্বে আর্মি ছিল বোম্বে প্রেসিডেন্সির সামরিক বাহিনী। এটি ব্রিটিশ ভারতের তিনটি প্রেসিডেন্সির অন্যতম ছিল।

প্রেসিডেন্সিগুলোর মত সেনাবাহিনীগুলোও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীন ছিল। ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে ভারত সরকার আইন ১৮৫৮ পাশের আগ পর্যন্ত এ অবস্থা বজায় থাকে। এ আইনের মাধ্যমে তিনটি প্রেসিডেন্সিকে সরাসরি ব্রিটিশ রাজের অধীনে নিয়ে আসা হয়।

১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দে তিনটি প্রেসিডেন্সি আর্মিকে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে একীভূত করা হয়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বোম্বে আর্মি এর ইউরোপীয় রেজিমেন্ট থেকে উদ্ভূত হয়েছিল। ১৬৬২ খ্রিষ্টাব্দে কিছু স্বাধীন কোম্পানি নিয়ে এই রেজিমেন্ট গঠিত হয়।[১] ১৭৯৯ খ্রিষ্টাব্দে মহীশুরের শাসক টিপু সুলতানের পরাজয়ে ভূমিকা পালন করে। ১৮৩৯ থেকে ১৮৪২ এর মধ্যের প্রথম ইঙ্গ-আফগান যুদ্ধেও এই বাহিনী অংশ নেয়। সিপাহি বিদ্রোহের সময় বোম্বের আর্মির মাত্র দুটি ব্যাটেলিয়ান বিদ্রোহ করে।[১]

১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দে পৃথক তিনটি প্রেসিডেন্সি সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করা হয় এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীকে চারটি কমান্ডে বিভক্ত করা হয়। প্রত্যেক কমান্ডের নেতৃত্বে একজন লেফটেন্যান্ট-জেনারেল থাকতেন। এগুলো হল, মাদ্রাজ (বার্মা এর অন্তর্ভুক্ত), পাঞ্জাব (উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ এর অন্তর্ভুক্ত), বাংলা ও বোম্বে(এডেন এর অন্তর্ভুক্ত)।[২]

বোম্বে আর্মির গোলন্দাজ বাহিনীর একজন হাবিলদার, ১৮৮২

গঠন[সম্পাদনা]

বোম্বে আর্মির সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ইউনিট ছিল বোম্বে গ্রেনেডিয়ারস(এখন শুধু গ্রেনেডিয়ারস বলা হয়)। ১৭৮৪ খ্রিষ্টাব্দে এটি বিদ্যমান রেজিমেন্টগুলো ও মারাঠা লাইট ইনফ্রেন্ট্রির গ্রেনেডিয়ার কোম্পানি নিয়ে গঠিত হয়।

কমান্ডার ইন চীফ[সম্পাদনা]

কমান্ডার-ইন-চীফরা হলেনঃ[৩]
কমান্ডার-ইন-চীফ, বোম্বে আর্মি

কমান্ডার-ইন-চীফ, বোম্বে কমান্ড

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; raugh নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  2. "Northern Command"। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০১৩ 
  3. The India List and India Office List

উৎস[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]