বিষয়বস্তুতে চলুন

বেরুওয়ালা

বেরুওয়ালা
බේරුවල
பேருவளை
শহর
কেচ্চিমালাই মসজিদ, বেরুওয়ালা (শ্রীলঙ্কার প্রাচীনতম মসজিদগুলির মধ্যে একটি)
কেচ্চিমালাই মসজিদ, বেরুওয়ালা (শ্রীলঙ্কার প্রাচীনতম মসজিদগুলির মধ্যে একটি)
বেরুওয়ালা শ্রীলঙ্কা-এ অবস্থিত
বেরুওয়ালা
বেরুওয়ালা
Location in Sri Lanka
স্থানাঙ্ক: ৬°২৮′ উত্তর ৭৯°৫৯′ পূর্ব / ৬.৪৬৭° উত্তর ৭৯.৯৮৩° পূর্ব / 6.467; 79.983
দেশশ্রীলঙ্কা
প্রদেশপশ্চিমাঞ্চল প্রদেশ
জেলাকালুতারা জেলা
বিভাগীয় সচিবালয়বেরুওয়ালা বিভাগ
সরকার
 • নগর পরিষদবেরুওয়ালা নগর পরিষদ
 • সদর দপ্তরবেরুওয়ালা ইউসি
জনসংখ্যা (২০১২)
 • পৌর এলাকা৪০,০৮৩ (নগর এলাকা)
 • মহানগর১,৩৪,৮৮৩ (বেরুওয়ালা বিভাগ এলাকা)
সময় অঞ্চলশ্রীলঙ্কা মান সময় (ইউটিসি+৫:৩০)
এলাকা কোড০৩৪

বেরুওয়ালা ( সিংহলি : බේරුවල তামিল : பேருவளை ) হলো শ্রীলঙ্কার পশ্চিমাঞ্চল প্রদেশের কালুতারা জেলার একটি বড় শহর, যা একটি নগর পরিষদ দ্বারা পরিচালিত হয়। শহরটির মোট আয়তন প্রায় ১৫ বর্গ কিলোমিটার (৫.৮ বর্গ মাইল) এবং এটি শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে রাজধানী কলম্বো থেকে ৬০ কিলোমিটার (৩৭ মাইল) দক্ষিণে অবস্থিত। [১]

ব্যুৎপত্তি

[সম্পাদনা]

বেরুয়ালা নামটি এসেছে সিংহলি ভাষার একটি শব্দ থেকে যার অর্থ “যেখানে পাল নামানো হয়।” এটি দ্বীপে প্রথম মুসলিম বসতির স্থান হিসেবে চিহ্নিত, যা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সোমালি ধর্মীয় পণ্ডিত শেখ ইউসুফ বিন আহমদ আল-কাওনেইন। শহরটির মূল নাম ছিল বেরবেরীন, যা ঐ সোমালি শেখের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জানিয়ে রাখা হয়েছিল।[২]

চীনারাও এখানে বাণিজ্য করত এবং বেরুওয়ালা তাদের কাছে পিয়েহলো-লি নামে পরিচিত ছিল।[৩][৪]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

শ্রীলঙ্কায় প্রথম মুসলিম বসতি স্থাপন করা হয় বেরুয়ালায়, যা দ্বীপটির পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত।[৫] শহরটি অতীতে "বেরবেরীন" নামে পরিচিত ছিল, যা রাখা হয়েছিল ইউসুফ বিন আহমদ আল-কাওনেইন-এর সম্মানে। তিনি একজন সোমালি মুসলিম পণ্ডিত ও ভ্রমণকারী, যিনি শহরটির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত। তিনি শায়খ আবু বারকাত আল বারবারি নামেও পরিচিত ছিলেন।[২][৬]

দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে শ্রীলঙ্কার পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে বিশেষ করে বেরুওয়ালায় আরবদের আগমন ও বসতি স্থাপনের ফলে বেরুওয়ালা ইউনানি চিকিৎসার জন্য একটি জনপ্রিয় শহরে পরিণত হয়।[৭] দশম শতাব্দীতে কোনিয়ার সুলতানের পুত্র প্রিন্স জামাল-উদ-দিন ইউনানি চিকিৎসার চর্চার উদ্দেশ্যে বেরুওয়ালায় এসেছিলেন। তার মাধ্যমে এই চিকিৎসা পদ্ধতি ধীরে ধীরে শ্রীলঙ্কার অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। আজও বেরুওয়ালা ও শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন স্থানে ইউনানি চিকিৎসকদের দেখা মেলে।[৭]

মুসলিম এবং সিংহলি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্পর্কের ফলস্বরূপ শ্রীলঙ্কার ইতিহাসে ভাথিমি রাজা নামে একজন মুসলিম শাসক ছিলেন, যিনি ভাথিমি দেইও নামেও পরিচিত। তিনি চতুর্দশ শতাব্দীতে স্বল্প সময়ের জন্য কুরুনেগালায় রাজত্ব করেছিলেন।[৮][৯] ভাথিমি রাজা ছিলেন প্রথম ভুবনেকাবাহুর পুত্র, যিনি বেরুওয়ালার একজন মুসলিম প্রধানের মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন।[৮][১০][১১] ভাথিমি রাজাকে প্রথম দেখা যায় বিখ্যাত আরব পর্যটক ইবনে বতুতার বর্ণনায়, যখন তিনি ১৩৪৪ সালে শ্রীলঙ্কা সফর করেন। ভাথিমি রাজার পুত্র দ্বিতীয় পরাক্রমবাহু (দ্বিতীয় আলকেশ্বর) ছিলেন একজন মুসলিম। আলকেশ্বর রাজবংশের শাসনকাল শেষ হয় ১৪১০ সালে।[৯]

ভাথিমি রাজার স্মরণে বেরুয়ালায় নির্মিত হয়েছিল ভাথিমি রাজাপুরা আবাসন প্রকল্প এবং এটি ১৯৮০-এর দশকে উদ্বোধন করা হয়। তৎকালীন সংসদ সদস্য এবং শ্রীলঙ্কার সংসদের স্পিকার আলহাজ এম. এ. বাকীর মারকার এটি উদ্বোধন করেন। এম. এ. বাকীর মারকার ১৯৮১ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য শ্রীলঙ্কার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সে সময় প্রেসিডেন্ট জে. আর. জয়াবর্ধনে এবং প্রধানমন্ত্রী রানাসিংহে প্রেমাদাসা প্রিন্স চার্লস ও লেডি ডায়ানা স্পেন্সারের রাজকীয় বিবাহ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইংল্যান্ড গিয়েছিলেন।[১২]

আলহাজ এম. আই. এম. নলিম একজন রত্ন ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় সমাজসেবক, বেরুওয়ালায় ইসলামিক সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি নালিমিয়া ইনস্টিটিউট অফ ইসলামিক স্টাডিজের প্রতিষ্ঠাতা। এটি এ অঞ্চলে ইসলামী জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে।[১৩]

জনসংখ্যা

[সম্পাদনা]

বেরুওয়ালা একটি প্রধানত মুসলিম অধ্যুষিত শহর। এখানে ইসলামই প্রধান ধর্ম। বেরুওয়ালার জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ হলো শ্রীলঙ্কান মুর, যেখানে সিংহলিরা বৃহত্তম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। এরপর অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে শ্রীলঙ্কান তামিল এবং বার্ঘার। তবে, বেরুওয়ালা ডিএস বিভাগ বিভাগের পুরো এলাকায় সিংহলি বৌদ্ধরা সংখ্যাগরিষ্ঠ।

বেরুয়ালা ডিএস বিভাগ এলাকার জাতিগত বিন্যাস (২০১২)

বেরুওয়ালা ডিএস বিভাগ এলাকায় জাতিসত্তা
জনসংখ্যা শতাংশ
সিংহলি
  
৬৪.১৮%
শ্রীলঙ্কান মুর
  
৩৪.৫৯%
শ্রীলঙ্কান তামিল
  
০.৯৩%
ভারতীয় তামিল
  
০.১৫%
অন্যান্য
  
০.১৫%

সূত্র: statistics.gov.lk

ভূগোল

[সম্পাদনা]

জলবায়ু বেরুওয়ালার জলবায়ু ক্রান্তীয়। এখানে সারা বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃষ্টিপাত হয়। কোপেন ও গাইগারের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী বেরুওয়ালার জলবায়ু Af শ্রেণির অন্তর্গত, অর্থাৎ এটি একটি নম ও নিরক্ষীয় বনাঞ্চলীয় জলবায়ু। বেরুওয়ালায় গড় বার্ষিক তাপমাত্রা ২৬.৩ °সেলসিয়াস বা ৭৯.৩ °ফারেনহাইট। এপ্রিল মাস সবচেয়ে উষ্ণ থাকে এবং ডিসেম্বর মাসে বছরের সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা পরিলক্ষিত হয়।[১৪]

আকর্ষণীয় স্থানসমূহ

[সম্পাদনা]
  • কেচ্চিমালাই মসজিদ, শ্রীলঙ্কার অন্যতম প্রাচীন মসজিদ, যা আরব বণিকদের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল।
  • আল আবরার মসজিদ, ৯২০ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত এই মসজিদটিকে শ্রীলঙ্কার প্রথম মুসলিম মসজিদ বলে দাবি করা হয়। ধারণা করা হয়, এটি আরব বণিকদের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল, যারা সমুদ্রপথে শ্রীলঙ্কায় নিয়মিত যাতায়াত করতেন।
  • বারবেরিন বাতিঘর, যা বেরুওয়ালা বাতিঘর নামেও পরিচিত, শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে বেরুওয়ালা শহরের কাছে বারবেরিন দ্বীপে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক বাতিঘর। এটি শ্রীলঙ্কার চারটি আন্তর্জাতিক বাতিঘরের মধ্যে অন্যতম।

অবকাঠামো

[সম্পাদনা]

পরিবহন

[সম্পাদনা]

সড়কপথ

[সম্পাদনা]

বেরুওয়ালা এ২ মহাসড়ক দ্বারা সংযুক্ত, যা শহরের পাশ দিয়ে চলে গেছে।

রেলপথ

[সম্পাদনা]

বেরুওয়ালা রেলওয়ে স্টেশনটি কোস্টাল লাইনে অবস্থিত, যা কলম্বোকে মাতারা এবং বেলিয়াত্তার সাথে সংযুক্ত করেছে।

মৎস্য বন্দর

[সম্পাদনা]

বেরুওয়ালার উপকূলীয় অংশে অবস্থিত বেরুওয়ালা মৎস্য বন্দর একটি প্রাকৃতিক সুরক্ষিত এলাকা, যা শত শত বছর ধরে বণিক জাহাজগুলো বন্দর হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। বলা হয়ে থাকে যে, বর্তমান মৎস্য বন্দরটি ব্রিটিশ সিলন আমল থেকেই বন্দর হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকতে পারে।[১৫]

বেরুওয়ালার মৎস্য বন্দরটি প্রাথমিকভাবে ১৯৬৫ সালে সিলন ফিশারিজ কর্পোরেশন দ্বারা নির্মিত হয়। ১৯৭২ সাল থেকে সিলন ফিশারি হার্বারস কর্পোরেশন এই মৎস্য বন্দরের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছে।[১৫]

শিক্ষা

[সম্পাদনা]

বেরুওয়ালার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এখানে সরকারি ও বেসরকারি উভয় ধরনের অনেক স্কুল আছে। শ্রীলঙ্কার প্রথম এবং সবচেয়ে পুরোনো মুসলিম বালিকা বিদ্যালয় আল ফাসিয়াতুল নাসরিয়া মুসলিম বালিকা নবোদয় বিদ্যালয় বেরুওয়ালার মারাদানা উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।[১৬] ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরীয় ভূমিকম্প ও সুনামিতে বিদ্যালয়টি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, তবে পরবর্তীতে তা পুনঃনির্মাণ ও মেরামত করা হয়। এছাড়াও, বেরুওয়ালায় একটি ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, যা নালিমিয়া ইনস্টিটিউট অফ ইসলামিক স্টাডিজ বা জামিয়াহ নালিমিয়া নামেও পরিচিত। এটি ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এখানে সরকারি পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি সাত বছরের একটি ইসলামি পাঠ্যক্রম পড়ানো হয়।

সরকারি বিদ্যালয়

[সম্পাদনা]
  • আল ফাসিয়াতুল নাসরিয়া মুসলিম বালিকা নবোদয় বিদ্যালয় [১৭]
  • আল হুমাইসারা জাতীয় বিদ্যালয় [১৮]
  • আরিয়াবংশ মহা বিদ্যালয় [১৯]
  • বেরুওয়ালা বৌদ্ধ জুনিয়র স্কুল [২০]
  • ডিএস সেনানায়েকে জাতীয় বিদ্যালয় [২১]
  • আইএলএম সামসুদিন বিদ্যালয় [২২]
  • মাসালা প্রাথমিক বিদ্যালয় [২৩]
  • নালিম হাজিয়ার মুসলিম বালিকা বিদ্যালয় (জাতীয় বিদ্যালয়) [২৪]
  • জাম রেফাই হাজিয়ার মহা বিদ্যালয় (জাতীয় বিদ্যালয়) [২৫]

সরকার এবং রাজনীতি

[সম্পাদনা]

স্থানীয় সরকার বেরুওয়ালা একটি নগর পরিষদ দ্বারা পরিচালিত হয়।council.[২৬] পূর্বে বেরুওয়ালা শহর এলাকাটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল: বেরুওয়ালা পশ্চিমা শহর এলাকা এবং বেরুওয়ালা পূর্ব শহর এলাকা। ১৯৫০ সালে এই দুটি এলাকাকে একত্রিত করে একটি একক শহর এলাকা গঠন করা হয়। এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন এম. এ. বাকীর মারকার। তিনি তখন সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রসিকিউটর ছিলেন এবং পরবর্তীতে কালুতারা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিও হয়েছিলেন। ১৯৫০ সালে তিনি বেরুওয়ালা নগর পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।[২৭]

চেয়ারম্যান এবং পরিষদের সদস্যরা প্রতি চার বছর অন্তর অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হন। অতীতে এই নগর পরিষদ প্রধানত ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি এবং শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিল। ২০১৮ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সাবেক চেয়ারম্যান মাযাহিম মোহাম্মদ, সংসদ সদস্য মারজান ফালীল এবং বেরুওয়ালা নগর পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিলফার কাফুর-এর সমর্থিত একটি স্বতন্ত্র জোট নির্বাচনে জয়লাভ করে।[২৮] নির্বাচনের পর মাযাহিম মোহাম্মদ বেরুওয়ালা নগর পরিষদের চেয়ারম্যান এবং মুনাওয়ার রাফায়দিন ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হন।

নগর পরিষদ সরকার পয়ঃনিষ্কাশন, সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো সেবা প্রদান করে থাকে। এছাড়া পানি, বিদ্যুৎ ও টেলিফোন ইউটিলিটি পরিষেবার জন্য নগর পরিষদ পানি সরবরাহ ও নিষ্কাশন বোর্ড, সিলন বিদ্যুৎ বোর্ড এবং টেলিফোন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে।

শহরের সীমানা

বেরুওয়ালা নয়টি ওয়ার্ড বা বিভাগে বিভক্ত। [২৯]

ওয়ার্ড নম্বর ওয়ার্ডের নাম
১ পোলকোটুয়া
২ আক্কারাগোদা
৩ চীনাকোটুয়া
৪ কঙ্কনামগোদা
৫ মালিগাহেনা
৬ হেত্তিয়াকান্দা
৭ মারাদানা
৮ গোরাকাদুয়া
৯ মহাগোদা

যমজ শহর এবং ভগিনী শহর

[সম্পাদনা]

বেরুওয়ালার যমজ শহর হলো:

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑ Secretariat of the Convention on Biological Diversity (২০০৭)। Managing tourism & biodiversity: user's manual on the CBD guidelines on biodiversity and tourism development। Secretariat of the Convention on Biological Diversity। পৃ. ৬৩।
  2. 1 2 Jaleel, Talib (১১ জুলাই ২০১৫)। "Notes On Entering Deen Completely: Islam as its followers know it - Talib Jaleel - ßĘČ Google"। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।
  3. ↑ "Journal of the Sri Lanka Branch of the Royal Asiatic Society"। ৩০–৩২। Sri Lanka Branch of the Royal Asiatic Society। ১৯৮৫: ৭৮। {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  4. ↑ "Top Places To Visit In Beruwala During Your Sri Lanka Holiday"। pickyourtrail (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ মে ২০২০। ১৭ মে ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।
  5. ↑ Devapriya, Uditha (২৬ জুন ২০১৯)। "The Muslims of Sri Lanka"। Medium (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।
  6. ↑ Frederick R.Ramont। "brihist"। Worldgenweb.org। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।
  7. 1 2 "About – Unani Section | Institute of Indigenous Medicine"। Iim.cmb.ac.lk। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।
  8. 1 2 "The Muslims in Sri Lanka"। Missionislam.com। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।
  9. 1 2 "Kandyan Kings, Unani Medicine And Buddhist Extremists"। Colombo Telegraph। ১৪ এপ্রিল ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।
  10. ↑ "Sri Lanka"। Islamawareness.net। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।
  11. ↑ Reeves, Peter (২০১৩)। The Encyclopedia of the Sri Lankan Diaspora - Google Books। Editions Didier Millet। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮১৪২৬০৮৩১। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।
  12. ↑ "Deshamanya Bakeer Marker, a man worth emulating | Daily FT"। Ft.lk। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।
  13. ↑ M.S.M. Jalaldeen। "CONTRIBUTION OF NALEEM HAJIYAR (SRILANKA) AND B.S.ABDURRAHMAN (TAMILNADU) FOR THE DEVELOPMENT OF MUSLIM'S EDUCATION OF THEIR COUNTRIES - A COMPARATIVE STUDY" (পিডিএফ)। www.seu.ac.lk।
  14. ↑ "Beruwala climate: Average Temperature, weather by month, Beruwala water temperature - Climate-Data.org"। en.climate-data.org। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।
  15. 1 2 "Ceylon Fishery Harbours Corporation"। Cfhc.gov.lk। ৬ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।
  16. ↑ "Al Fasiyathul Nasriya Muslim Balika Navodaya School, Maradana Road Beruwala, Beruwala (2021)"। www.schoolandcollegelistings.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।
  17. ↑ "DSIS"। Edudept.wp.gov.lk। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  18. ↑ "DSIS"। Edudept.wp.gov.lk। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  19. ↑ "DSIS"। Edudept.wp.gov.lk। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  20. ↑ "DSIS"। Edudept.wp.gov.lk। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  21. ↑ "DSIS"। Edudept.wp.gov.lk। ৩ আগস্ট ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।
  22. ↑ "DSIS"। Edudept.wp.gov.lk। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  23. ↑ "DSIS"। Edudept.wp.gov.lk। ২৭ মার্চ ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।
  24. ↑ "DSIS"। Edudept.wp.gov.lk। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  25. ↑ "DSIS"। Edudept.wp.gov.lk। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  26. ↑ "Beruwela Urban Council, Sri Lanka _ Members _ 21st-Century Maritime Cooperation Committee"। 21cmcc.org.cn। ১৯ অক্টোবর ২০২০। ৭ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।
  27. ↑ "ජාතික සමඟි‌යේ සංකේතයක් වූ එම්. ඒ. බාකීර් මාකාර්"। සිළුමිණ (সিংহলি ভাষায়)। ৭ মে ২০২১। ১৩ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২৪।
  28. ↑ "Local Authorities Election 2018 Results - Sri Lanka | Adaderana"। www.adaderana.lk। ২৫ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১।
  29. ↑ "Ward Map of Beruwala Urban Council - Kalutara District" (পিডিএফ)। www.lgpc.gov.lk। ২৫ মে ২০২২ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০২৫।
  30. ↑ "Reading - Town Twinning"। Reading Borough Council। ৯ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০১৩।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]