বেরার সালতানাত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ইমাদ শাহি রাজবংশ
বেরার সালতানাত
বেরার
দক্ষিণাত্য সালতানাত

১৪৯০–১৫৭২
বেরারের অবস্থান
গাউইলগড় দুর্গ, বেরারের সুলতান ফাতহুল্লাহ ইমাদউলমুলক কর্তৃক নির্মিত
রাজধানী অচলপুর
ইতিহাস
 •  দক্ষিণাত্য সালতানাত প্রতিষ্ঠিত ১৪৯০
 •  আহমেদনগর সালতানাত কর্তৃক বিজিত ১৫৭২
আয়তন ২৯,৩৪০ কিমি (১১,৩২৮ বর্গ মা)
 এই নিবন্ধটি একটি প্রকাশন থেকে অন্তর্ভুক্ত পাঠ্য যা বর্তমানে পাবলিক ডোমেইনেচিসাম, হিউ, সম্পাদক (১৯১১)। "Berar"। ব্রিটিশ বিশ্বকোষ (১১তম সংস্করণ)। কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস। [[বিষয়শ্রেণী:উইকিসংকলনের তথ্যসূত্রসহ ১৯১১ সালের এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা থেকে উইকিপিডিয়া নিবন্ধসমূহে একটি উদ্ধৃতি একত্রিত করা হয়েছে]]

বেরার সালতানাত ছিল দক্ষিণাত্য সালতানাতের অন্যতম। বাহমানি সালতানাত ভেঙে যাওয়ার পর ১৪৯০ সালে এই সালতানাত প্রতিষ্ঠিত হয়।[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

পটভূমি[সম্পাদনা]

বেরার বা এর মারাঠি উচ্চারণ ওয়ারহাদের উৎপত্তি জানা যায় না। তবে মহাভারতে উল্লিখিত বিদর্ভ রাজ্যের নাম পরিবর্তিত হয়ে এই নামের উদ্ভব হয়েছে এমন হতে পারে।

একটি নির্ভরশীল বিবরণ অনুযায়ী বেরার একসময় অন্ধ্র বা সাতবাহন সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। ১২শ শতাব্দীতে চালুক্যদের পতনের পর বেরার যাদবদের হাতে আসে। ১৩শ শতাব্দীতে মুসলিমদের হস্তগত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তাদের হাতে ছিল। বাহমানি সালতানাতের প্রতিষ্ঠার পর বেরার এর পাঁচটি প্রদেশের অন্যতম ছিল। ১৪৭৮/৭৯ সালে এসব প্রদেশ দুইটি পৃথক প্রদেশে বিভক্ত হয়। রাজধানীর নামানুসারে এদের নাম ছিল গাউইল ও মাহুর। বাহমানি সালতানাতও এসময় ভগ্নপ্রায় ছিল।

বেরার সালতানাতের প্রতিষ্ঠা[সম্পাদনা]

বাহমানি সালতানাতের ভাঙনের সময় ১৪৯০ সালে গাউইলের গভর্নর ফাতহুল্লাহ ইমাদউলমুলক নিজের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং ইমাদ শাহি রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন। তার রাজধানী ছিল অচলপুর। তিনি মাহুরকে তার নবগঠিত রাজ্যের সাথে একীভূত করতে অগ্রসর হন। ইমাদউলমুলক জন্মের সময় একজন কন্নড় হিন্দু ছিলেন। বিজয়নগর সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে একটি অভিযানের সময় তিনি বন্দী হয়েছিলেন এবং এরপর মুসলিম হিসেবে বড় হন।

১৫০৪ সালে তিনি মারা যান। এরপর আলাউদ্দিন তার উত্তরসুরি হন। আলাউদ্দিন গুজরাটের সুলতান বাহাদুর শাহর সহায়তায় আহমেদনগরের আগ্রাসন প্রতিহত করেন। পরবর্তী শাসক দারিয়া বিজাপুরের সাথে মিলে আহমেদনগরের আগ্রাসন প্রতিহত করতে চেষ্টা করেছিলেন, তবে তিনি ব্যর্থ হন। ১৫৬৮ সালে বুরহান ইমাদ শাহ তার মন্ত্রী তুফাল খান কর্তৃক ক্ষমতাচ্যুত হন। এর ফলে আহমেদনগরের মুরতাজা নিজাম শাহ বেরার আক্রমণের সুযোগ পান। তিনি তুফাল খান, তার পুত্র শামসুল মুলক ও সাবেক সুলতান বুরহানকে বন্দী ও হত্যা করেন। এরপর বেরারকে আহমেদনগরের সাথে একীভূত করা হয়।

সুলতানগণ[সম্পাদনা]

বেরারের সুলতানগণ হলেন:

  1. ফাতহুল্লাহ ইমাদউলমুলক ১৪৯০ – ১৫০৪
  2. আলাউদ্দিন ইমাদ শাহ ১৫০৪ – ১৫২৯
  3. দারিয়া ইমাদ শাহ ১৫২৯ – ১৫৬২
  4. বুরহান ইমাদ শাহ ১৫৬২ – ১৫৬৮[২]
  5. তুফাল খান ১৫৬৮ – ১৫৭২[৩]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

ের যুদ্ধ]]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Sen, Sailendra (২০১৩)। A Textbook of Medieval Indian History। Primus Books। পৃষ্ঠা 117–119। আইএসবিএন 978-9-38060-734-4 
  2. Michell, George & Mark Zebrowski. Architecture and Art of the Deccan Sultanates (The New Cambridge History of India Vol. I:7), Cambridge University Press, Cambridge, 1999, আইএসবিএন ০-৫২১-৫৬৩২১-৬, p.275
  3. Robert Sewell. Lists of inscriptions, and sketch of the dynasties of southern India (The New Cambridge History of India Vol. I:7), Printed by E. Keys at the Government Press, 1884, , p.166

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]