বেনাইন টিউমার
| বেনাইন টিউমার | |
|---|---|
| Normal Epidermis and Dermis with Intradermal Nevus 10x-cropped | |
| বিশেষত্ব | রোগনিরূপণবিদ্যা |
বেনাইন টিউমার এমন এক গুচ্ছ কোষের সমষ্টি বা টিউমার যা প্রতিবেশী কলাকে আক্রমণ করতে বা মেটাস্ট্যাসাইজ করতে পারে না। অবশ্য্য এ ধরনের টিউমার কখনো কখনো খুব বড়ো আকৃতি ধারণ করতে পারে। সম্পূর্ণ অপসারণের পর এ ধরনের টিউমার সাধারণত আমার ফিরে আসে না, অপরদিকে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার সাধারণত বার বার হয়। শরীরের অন্যান্য অংশের বেনাইন টিউমারের চেয়ে মস্তিষ্কের বেনাইন টিউমার জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দেখা দিতে পারে।[১] ম্যালিগন্যান্ট টিউমারের চেয়ে বেনাইন টিউমার খুবই ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং টিউমারের কোষের বিভাজন বৈশিষ্ট্যগুলোও স্বাভাবিক হয়।[২][৩][৪] এটি সাধারণত বাহ্যিক পৃষ্ঠ (যোজক কলার আবরণী) দ্বারা ঘেরা থাকে বা এপিথেলিয়ামের সাথে অবস্থান করে।[৫] বেনাইন টিউমারের সাধারণ উদাহরণের মধ্যে রয়েছে আঁচিল ও জরায়ুর ফাইব্রয়েড।
যদিও বেনাইন টিউমার মেটাস্ট্যাসাইজড হয় না বা আশেপাশের কলায় কোনো সংক্রমণ ঘটায় না, তার পরেও এ ধরনের টিউমার স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এ ধরনের টিউমারের বৃদ্ধিতে শরীরের ওপর ভরের প্রভাব পড়তে পারে যা আশেপাশের কলার ওপর চাপ প্রয়োগ করা করা ও স্নায়ুকোষের ক্ষতি করা, শরীরের একটি নির্দিষ্ট স্থানে প্রয়োজনীয় রক্ত সরবরাহে বাধা প্রধান করা, টিস্যুর মৃত্যুসহ অঙ্গেরও ক্ষতি করতে পারে। বেনাইন টিউমারের এ ধরনের নেতিবাচক প্রভাব আরও মারাত্মকভাবে দেখা দিতে পারে যদি টিউমার একটি করোটিই, ফুসফুসের নালী, সাইনাস বা হাড়ের ভেতরের মতো বদ্ধ জায়গায় সৃষ্টি হয়। অন্তঃক্ষরা কলার টিউমারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু হরমোন প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত মাত্রার তৈরি হতে পারে, বিশেষ করে যখন কোষগুলো টিউমারের সাথে পার্থক্যসৃষ্টিকারী। এধরনের জটিলতার উদাহরণ হিসেবে থাইরয়েড এডিনোমাস ও এড্রিনোকর্টিকাল এডিনোমাসের নাম উল্লেখ করা যেতে পারে।[২]
যদিও বেশিরভাগ বেনাইন টিউমার জীবনের জন্য হুমকির কারণ নয়, কিন্তু কিছু ধরনের টিউমারের টিউমার প্রগ্রেশন প্রক্রিয়ায় ক্যান্সারমূলক (ম্যালিগন্যান্ট) হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে।[৬] এই কারণে এবং সম্ভাব্য নেতিবাচক স্বাস্থ্যঝুঁকির বিবেচনায় কিছু ধরনের বেনাইন টিউমার অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করা হয়।[৭]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "What Is Cancer?"। National Cancer Institute (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৭।
- 1 2 Wilson, Kathleen Atkins; Waugh, Anne (২০০৬)। Ross and Wilson anatomy and physiology in health and illness। Churchill Livingstone। পৃ. ৫৩–৫৪। আইএসবিএন ০-৪৪৩-১০১০১-৯।
- ↑ Nunn, Laura Silverstein; Silverstein, Alvin (২০০৬)। Cancer। Twenty-First Century Books। পৃ. ১১–১২। আইএসবিএন ০-৭৬১৩-২৮৩৩-৫।
- ↑ David Lowell Strayer; Raphael Rubin (২০০৮)। Rubin's pathology: clinicopathologic foundations of medicine। Wolters Kluwer/Lippincott Williams & Wilkins। পৃ. ১৩৮–১৩৯। আইএসবিএন ০-৭৮১৭-৯৫১৬-৮।
- ↑ Ober, William B.; Martini, Frederic (২০০৬)। Fundamentals of anatomy & physiology। Pearson Benjamin Cummings। আইএসবিএন ০-৩২১-৩১১৯৮-১।
- ↑ Clark WH (অক্টোবর ১৯৯১)। "Tumour progression and the nature of cancer": ৬৩১–৪৪। ডিওআই:10.1038/bjc.1991.375। পিএমসি 1977704। পিএমআইডি 1911211।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Reece, Jane; Campbell, Neil (২০০৫)। Biology। Pearson Benjamin Cummings। পৃ. ২৩২। আইএসবিএন ০-৩২১-২৭০৪৫-২।